ঢাকা ৭ আষাঢ় ১৪৩৩, রোববার, ২১ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
মালয়েশিয়ায় কারাবন্দি বাংলাদেশিদের মুক্তিতে উদ্যোগের আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর প্রথমার্ধে সৌদি আরবের জালে ৩ গোল স্পেনের তীব্র গরমের পর স্বস্তির বৃষ্টি প্রথম গোলেই ইতিহাস গড়লেন ইয়ামাল সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মোশাররফ হোসেনের দাফন সম্পন্ন সিংগাইরে বজ্রপাতে দুই কৃষকের মৃত্যু সুরের মূর্ছনায় বিশ্ব সংগীত দিবস: ঢাকার দুই প্রান্তে সুরের বিভা কুড়িগ্রামে এক বাঘা আইড় ৮৫০০০ অজু করার সময় বজ্রপাতে প্রাণ গেল ৩ মাদরাসাছাত্রের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মামলায় দণ্ডিত ৫৯ জন: আইনমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে ‘অসত্য’ বক্তব্য, উত্তপ্ত সংসদ স্পেনের শুরুর একাদশে ইয়ামাল সুফিয়া কামাল ও আবু হেনা মোস্তফা কামালের স্মরণে জবিতে দুই দিনব্যাপী সেমিনার শুরু মানিকগঞ্জে ঝোপে মিলল স্কুলছাত্রীর ঝুলন্ত খণ্ড-বিখণ্ড মরদেহ মালয়েশিয়ায় তারেক রহমান, বাণিজ্য–বিনিয়োগে নতুন সম্ভাবনার প্রত্যাশা দিনাজপুরে কোল্ডস্টোরেজে আলু সংরক্ষণ ফি ৫ টাকা নির্ধারণের দাবিতে মানববন্ধন চট্টগ্রামে গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু, তদন্তে পুলিশ শরীয়তপুরে শিশু যৌন নিপীড়নের অভিযোগে মাদরাসা শিক্ষক আটক স্থানীয় নির্বাচনে প্রার্থীর রাজনৈতিক পরিচয় মুখ্য নয়: ইসি সচিব বোয়ালমারীতে শতবর্ষী কালী মন্দিরে ভাঙচুর চাঁদাবাজির অভিযোগে সোনারগাঁওয়ের এমপি পুত্র সজীব আটক প্রথম রাষ্ট্রীয় সফরে মালয়েশিয়ায় পৌঁছেছেন তারেক রহমান মাদারগঞ্জে বজ্রপাতে এক বৃদ্ধের মৃত্যু ‘কাতারে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত বাংলাদেশিদের মরদেহ দেশে আনার উদ্যোগ নিচ্ছেন’ আধ্যাত্মিক ধনী হওয়ার সহজ সমীকরণ যুদ্ধবিরতির পথে যুক্তরাষ্ট্র–ইরান সংলাপ শুরু জেনেভায় সিলেটে টানা বৃষ্টি, বন্যার শঙ্কা পাউবোর বাংলাদেশের বাজেট ২০২৬-২০২৭: সম্ভাবনা, চ্যালেঞ্জ ও বাস্তবতা গাজীপুরে নিষিদ্ধ আ. লীগের বিক্ষোভ মিছিল প্রযুক্তির অপচ্ছায়া সড়কে ‘এআই ক্যামেরা’ ও অভিনব ডিজিটাল ডাকাতি

মশা নিধনে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করুন

প্রকাশ: ১৫ মার্চ ২০২৬, ০৪:১৮ পিএম
মশা নিধনে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করুন

জাদুর শহর ঢাকা এখন যেন মশার রাজ্যে পরিণত হয়েছে। রাজধানীর অলিগলি, বাসাবাড়ি, রাস্তা এমনকি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও অফিস এলাকাতেও মশার উপদ্রব আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। দিনরাত সর্বক্ষণই মানুষ মশার যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে নালা-নর্দমা, ডোবা এবং বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা পানিতে মশার বংশবিস্তার দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর ফলে ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া ও ম্যালেরিয়ার মতো রোগ ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি বাড়ছে, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য বড় ধরনের হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। মশা নিয়ন্ত্রণে মাঝে মাঝে ফগার মেশিন ব্যবহার করা হলেও তা অনেক ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত ও কার্যকর মনে হয় না। অনেক এলাকায় নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা হয় না এবং জমে থাকা পানি অপসারণের যথাযথ উদ্যোগও দেখা যায় না। ফলে মশার উৎপত্তিস্থল ধ্বংস করা সম্ভব হচ্ছে না।

এ পরিস্থিতিতে মশা নিধনে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা অত্যন্ত জরুরি। নিয়মিত ড্রেন ও নালা পরিষ্কার রাখা, কোথাও পানি জমে থাকতে না দেওয়া, প্রয়োজনীয় ও কার্যকর ওষুধ ছিটানো এবং এ বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে সিটি করপোরেশন ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর আরও দায়িত্বশীল ও সক্রিয় ভূমিকা নিশ্চিত করতে হবে।

মো. জাহিদুল ইসলাম জাহিদ 
শিক্ষার্থী, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া 
[email protected]

হাইড্রোলিক হর্নের অত্যাচার ও বিপন্ন জনস্বাস্থ্য

প্রকাশ: ২১ জুন ২০২৬, ০৫:৩৫ পিএম
হাইড্রোলিক হর্নের অত্যাচার ও বিপন্ন জনস্বাস্থ্য

বর্তমান সময়ে আমাদের নাগরিক জীবনের অন্যতম বড় এক অভিশাপের নাম শব্দদূষণ, যার প্রধান উৎস যানবাহনের অনিয়ন্ত্রিত হাইড্রোলিক হর্ন। উচ্চ আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও ঢাকা শহরসহ দেশের প্রায় প্রতিটি জেলা ও উপজেলা শহরে এই হর্নের ব্যবহার দিন দিন জ্যামিতিক হারে বাড়ছে। বিশেষ করে বাস, ট্রাক এবং মোটরসাইকেল চালকদের মধ্যে বিনা প্রয়োজনে তীব্র শব্দে হর্ন বাজানোর এক প্রতিযোগিতা লক্ষ্য করা যায়। মোড়ে মোড়ে যানজটে আটকে থেকেও চালকরা অবিরত হর্ন বাজিয়ে চলেন, যা কোনো বিবেকবান মানুষের কাজ হতে পারে না।

এই মাত্রাতিরিক্ত শব্দের কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে কোমলমতি শিশু, গর্ভবতী নারী এবং রোগীরা। প্রতিনিয়ত কানের পর্দা ফাটানো এই শব্দের মধ্যে বসবাস করায় সাধারণ মানুষের মধ্যে শ্রবণশক্তি হ্রাস, উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ, অনিদ্রা এবং চরম মানসিক অবসাদের মতো মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও হাসপাতালের সামনে ‘হর্ন বাজানো নিষেধ’ সাইনবোর্ড থাকলেও কেউ তা তোয়াক্কা করছে না। আইন প্রয়োগকারী সংস্থার শিথিলতা এবং চালকদের অসচেতনতাই এ সংকটের জন্য দায়ী। এই নীরব ঘাতকের হাত থেকে নাগরিকদের বাঁচাতে হলে শুধু আইন করলেই হবে না, তার কঠোর বাস্তবায়ন প্রয়োজন। নিষিদ্ধ হাইড্রোলিক হর্ন আমদানি ও বিক্রি সম্পূর্ণ বন্ধ করতে হবে এবং আইন অমান্যকারী চালকদের ভারী জরিমানাসহ লাইসেন্স বাতিলের মতো শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। একই সঙ্গে সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে ট্রাফিক বিভাগের পক্ষ থেকে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা জরুরি। আমরা একটি শব্দদূষণমুক্ত, শান্ত ও সুস্থ পরিবেশ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত ও কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

ওসমান গনি 
সাংবাদিক ও কলামিস্ট, কুমিল্লা 
[email protected]

একটি ব্রিজের অভাবে থমকে আছে জনজীবন

প্রকাশ: ২১ জুন ২০২৬, ০৫:৩২ পিএম
একটি ব্রিজের অভাবে থমকে আছে জনজীবন

যে গ্রামে কখনো চার চাকার গাড়ি প্রবেশ করতে পারে না, কখনো যদি আগুন লাগে ফায়ার সার্ভিস পৌঁছার আগেই পুরো গ্রাম পুড়ে ছাড়খার হয়ে যাবে। বলছি শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতীর নলকুড়া গ্রামের কথা। অথচ নলকুড়ার সঙ্গে উপজেলা সদরের দূরত্ব মাত্র এক কিলোমিটার। মাঝখানে মহারশি নদী। এ নদীর নলকুড়া ইউনিয়ন অংশে কোনো ব্রিজ না থাকায় প্রায় চার থেকে পাঁচ কিলোমিটার ঘুরে উল্লিখিত ছয় গ্রামের লক্ষাধিক মানুষকে উপজেলা সদরে যেতে হয়। বর্ষাকালে এ যাতায়াত আরও দূর্বিষহ হয়ে পড়ে। উপরন্তু, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো উপজেলা সদরকেন্দ্রিক হওয়ায় ওই ছয় গ্রামের হাজারো শিক্ষার্থীকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে প্রত্যন্ত অঞ্চলের ছাত্রীদের অনেকটা ঘরবন্দি থাকতে হয়। এ কারণে শিক্ষাজীবন ব্যাহত হয় এবং অনেকের শিক্ষাজীবন মাঝপথে ঝরে পড়ে। এ ছাড়া মুমূর্ষু রোগী বিশেষ করে গর্ববতী ও প্রসূতি মায়েদের উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিতে অবর্ণনীয় দুর্ভোগে পড়তে হয়। মৃত্যুঝুঁকিতে পড়ে মা ও নবজাতক। অত্র এলাকার মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে মহারশি নদীর ডাকাবর অংশে একটি ব্রিজ নির্মাণের দাবি বহুদিনের। সুতরাং, মহারশি নদীর ডাকাবর অংশে একটি ব্রিজ নির্মাণে কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। 

মনিরুজ্জামান মনির
নলকুড়া, ঝিনাইগাতী, শেরপুর

প্রাথমিক পরীক্ষায় শিশুদের থেকে ফি আদায় প্রসঙ্গে

প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ০৫:৪২ পিএম
প্রাথমিক পরীক্ষায় শিশুদের থেকে ফি আদায় প্রসঙ্গে

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অরাজকতা দীর্ঘদিনের। সরকার প্রাথমিক শিক্ষাকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে নানামুখী পদক্ষেপ নিচ্ছে, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব অর্থসংকট দেখিয়ে তাদের কাছ থেকে পরীক্ষার ফি আদায় করার কথা বলেছেন। এমন কথা শুনে আমি অবাক না হয়ে পারিনি। এটা কি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিবের একার সিদ্ধান্ত নাকি রাষ্ট্রের তাতে মত রয়েছে, তা আমার বোধগম্য হচ্ছে না। তবে রাষ্ট্র বিষয়টি জানতে পেরে ইতস্তত বোধ করছে। রাষ্ট্র যদি প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ফি আদায়ের সিদ্ধান্ত নিত তাহলে তারা এ বিষয় নিয়ে অবাক হতো না। প্রাথমিকে অনেক অবহেলিত জনগোষ্ঠীর শিশু পড়ে। অনেক মা আছেন যারা বাচ্চাদের স্কুলে যাওয়ার সময় হাতে পাঁচ টাকা বিস্কুট খেতে পর্যন্ত দিতে পারেন না। বাচ্চাদের যেখানে স্কুলমুখী করার জন্য মিড ডে মিল চালু করা হচ্ছে, সেখানে পরীক্ষার ফি বসানোটা কতটা যৌক্তিক।

মাঝেমাঝে প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে কিছু অনৈতিক চিত্র প্রকাশ হতে দেখি। এখনো অনেক বিদ্যালয় রয়েছে যেখানে শিক্ষার্থী ভর্তি করাতে গেলে টাকা নেওয়া হয়। প্রাথমিক স্তরে শিক্ষার মান যদি ফলপ্রসূ করা না যায়, তাহলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম অন্ধকারের অতল গহ্বরে তলিয়ে যাবে। তখন তারা বেকারত্বের শিকার হয়ে রাষ্ট্রের বোঝা হবে। তাই শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে সামান্য পরীক্ষার ফি নিয়ে প্রাথমিক শিক্ষাকে কলুষিত করার কোনো যৌক্তিকতা থাকতে পারে বলে আমি মনে করি না।

হাজি মো. রাসেল ভূঁইয়া
খলিফাবাড়ী, সিপাহিপাড়া, মুন্সিগঞ্জ
[email protected]

রাজশাহীতে অটো ভাড়া বৃদ্ধি

প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ০৫:৩০ পিএম
রাজশাহীতে অটো ভাড়া বৃদ্ধি

শিক্ষানগরী রাজশাহী, যেখানে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত প্রায় লক্ষাধিক শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে। অপরূপ সৌন্দর্যের এই নগরীতে মানুষের সংখ্যার চেয়ে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে অটোর সংখ্যা। সেই সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে অটোচালকদের দৌরাত্ম্য। অটোচালকরা স্বেচ্ছাচারিতায় আবর্তিত হয়েছে। এর সবচেয়ে বড় উদাহরণ হঠাৎ করেই সিটি করপোরেশনের অনুমতি ছাড়াই সর্বনিম্ন দূরত্বের ভাড়া দ্বিগুণ করা। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির অজুহাতে অটোচালকরা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করেই সর্বনিম্ন ভাড়া ৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে করেছে ১০ টাকা। অর্থাৎ একজন যাত্রীকে যদি ২ মিনিট দূরত্বের স্থানে অটোতে যেতে হয় তাহলে তাকে দিতে হবে ১০ টাকা। যা সাধারণ যাত্রী এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে।

সুতরাং, রাস্তার দূরত্বের ওপর নির্ভর করে ভাড়া নির্ধারণ এবং অটোচালকদের এমন স্বেচ্ছাচারিতা বন্ধে রাজশাহী সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

সাফিয়া ইসলাম দিশা
শিক্ষার্থী, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
[email protected]

লোডশেডিং বন্ধ হোক

প্রকাশ: ১৯ জুন ২০২৬, ০৩:০১ পিএম
লোডশেডিং বন্ধ হোক

প্রচণ্ড গরমের সময়ে রাজধানী ঢাকা, ফরিদপুরসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে লোডশেডিং আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবরে জানা যাচ্ছে, জ্বালানি তেল গ্যাসের সরবরাহ ঘাটতির কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে, ফলে ঘন ঘন দীর্ঘ সময় ধরে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সৃষ্টি হচ্ছে

পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে শহরাঞ্চলে ব্যবসাবাণিজ্য, শিক্ষা স্বাস্থ্যসেবাসহ নানা খাত ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে অন্যদিকে গ্রামাঞ্চলেও কৃষিকাজ, সেচব্যবস্থা এবং ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে প্রচণ্ড গরমে শিশু, বয়স্ক অসুস্থ মানুষ সবচেয়ে বেশি কষ্ট ভোগ করছেন অনেক শিক্ষার্থী রাতে পড়াশোনার অনুকূল পরিবেশ পাচ্ছে না, যা তাদের শিক্ষাজীবনে বিরূপ প্রভাব ফেলছে

নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ একটি আধুনিক উন্নয়নমুখী রাষ্ট্রের অন্যতম মৌলিক প্রয়োজন তাই জ্বালানি খাতে কার্যকর দূরদর্শী পরিকল্পনা গ্রহণ, নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার সম্প্রসারণ এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন বিতরণ ব্যবস্থার দক্ষতা বৃদ্ধির বিকল্প নেই একই সঙ্গে সংকটের প্রকৃত অবস্থা সম্পর্কে জনগণকে অবহিত করা এবং দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি জনস্বার্থে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত বাস্তবসম্মত উদ্যোগ গ্রহণের জোর দাবি জানাচ্ছি

খান ইয়ামিন

আহ্বায়ক, আলেয়া সুলতানা স্মৃতি পাঠাগার

নম্বর হাবেলী গোপালপুর, মুজিব সড়ক, সদর, ফরিদপুর

[email protected]