ঢাকা ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
আদ্-দ্বীন হাসপাতাল কোটি কোটি টাকা নিয়ে ঘুরেছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী মরক্কোর বিপক্ষে ব্রাজিলের সম্ভাব্য একাদশ মার্তিনেজকে ঘিরে নতুন শঙ্কা শাহবাগে ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে ছাত্রদলের বিক্ষোভ নাটোরে ৭০ দরিদ্র রোগীর বিনামূল্যে ছানি অপারেশন চাকরি মেলায় সাড়া, রাজশাহীতে ৫০ শতাংশ প্রার্থীর তাৎক্ষণিক নিয়োগ ইনজুরিতে ছিটকে গেলেন মাইকেল অলিভার ‘ফেনীর সাংবাদিকতার ইতিহাসে উজ্জ্বল অধ্যায় ওছমান হারুন মাহমুদ দুলাল’ পেকুয়া পৌরসভার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী গ্রিন ইউনিভার্সিটির সাংবাদিকতা বিভাগে নবীনবরণ অনুষ্ঠিত মিসরকে কেন জার্সি পরিবর্তন করতে বলল ফিফা? রবিবার বিশ্ব রক্তদাতা দিবস যে সম্পদ চোখের পলকে ধ্বংস হয়ে যায় রাজধানীতে প্রান্তিক গ্রামের ফুটবল উন্মাদনা, আর্জেন্টিনা–ব্রাজিল ম্যাচ একদিনে ৫ মরদেহ উদ্ধার, বরগুনায় চাঞ্চল্য ও উদ্বেগ দাউদকান্দিতে শিবির নেতার বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ প্রলোভন দেখিয়ে ভোট আদায়কারীরা জনগণের বন্ধু নয়: তারেক রহমান মুন্সীগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের নতুন কমিটি ঘোষণা করায় আনন্দ মিছিল বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে আগারগাঁওয়ে ‘রান ফর আর্থ’ আয়োজন সিদ্ধিরগঞ্জের ডিএনডি লেকে একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যু জনদুর্ভোগ নিরসন ও দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের দাবি ডা. শফিকুর রহমানের ভারতীয় সেনাবাহিনীর শীর্ষ পদে ধীরাজ শেঠ ‘তুই আসামি, চোখ নামিয়ে কথা বল’—ওসির বিরুদ্ধে নাঈম হাসানের অভিযোগ প্রযুক্তিদক্ষ তরুণরাই গড়বে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ: তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী সোনারগাঁওয়ে উচ্চশিক্ষার নতুন দিগন্ত, বিশ্ববিদ্যালয় ও পলিটেকনিক হবে: শিক্ষামন্ত্রী জলবায়ু-সহনশীল ও পরিবেশ-বান্ধব পরিকল্পনার ওপর গুরুত্বারোপ বিআইপির আলোচিত সিনেমার সিক্যুয়েল নিয়ে জয়া টেইলর সুইফটের নতুন রেকর্ড পরকালের আয়নায় আপনার কর্মফল দেখেছেন কি? সাংবাদিকতায় দলীয় লেজুড়বৃত্তিমুক্ত পরিবেশ প্রয়োজন: মোস্তফা কামাল
Nagad desktop

মা শর্তহীন ভালোবাসার প্রতীক

প্রকাশ: ১২ মে ২০২৬, ০৭:১৭ পিএম
মা শর্তহীন ভালোবাসার প্রতীক

আমার জীবনে এযাবৎকালের উচ্চারিত শ্রেষ্ঠ শব্দ এবং হৃদয়ের গহিনে লালিত ভালোবাসার নাম মা। মা কেবলই একটি শব্দ বা রক্তমাংসের সম্পর্ক নন বরং গভীর অনুভূতির মূর্ত প্রতীক। যাকে পৃথিবীর বুকে স্রষ্টার শ্রেষ্ঠ আশীর্বাদ বলা যায়। পৃথিবীতে এমন কোনো ভাষা নেই, যা মায়ের ভালোবাসাকে পুরোপুরি প্রকাশ করতে পারে। মায়ের সঙ্গে ত্যাগ শব্দটা ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে। তাই মায়ের ত্যাগের তুলনা পৃথিবীর অন্য কোনো কিছুর সঙ্গে সম্ভব নয়। একজন মা ১০ মাস ১০ দিন সন্তানকে গর্ভে ধারণ করেন এবং অসহ্য  প্রসববেদনা সহ্য করে তাকে পৃথিবীর আলো দেখান। জন্মের পর থেকে জীবনের শেষ দিনটি পর্যন্ত যে মানুষটি নিঃস্বার্থভাবে আমাদের আগলে রাখেন, তিনিই হলেন আমাদের মমতাময়ী মা। নিজের সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যকে অবলীলায় বিসর্জন দিয়ে তিনি সন্তানের  জন্য একটি নিরাপদ পৃথিবী গড়তে আজীবন সংগ্রাম করে যান। সন্তানের অসুখে মায়ের বিনিদ্র রাত কাটানো কিংবা সন্তানের ব্যর্থতার সময় ঢাল হিসেবে সাহস দিয়ে সামনে এগিয়ে যেতে শেখানো মানুষটিই হলো মা। বর্তমান যান্ত্রিক সভ্যতার যুগে আমরা অনেক সময় ক্যারিয়ার বা জাগতিক সাফল্যের নেশায় জীবনের ধ্রুবতারা মাকে অবহেলা করে। সময় ফুরিয়ে গেলে কেবল হাহাকারই অবশিষ্ট থাকে। তাই মায়ের বার্ধক্যে তার পাশে থাকা, তাকে পরম শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় আগলে রাখা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। মায়ের মুখের এক চিলতে হাসিই হতে পারে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ প্রাপ্তি। পৃথিবীর সব মা সুস্থ থাকুন এবং তাদের স্নেহের পরশে আমাদের পৃথিবী শান্তিময় হয়ে উঠুক।


মেরি আক্তার 
শিক্ষার্থী, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
[email protected]

মানুষকে রোগ সম্পর্কে সচেতন করছে তথ্যপ্রযুক্তি

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০৫:১৮ পিএম
মানুষকে রোগ সম্পর্কে সচেতন করছে তথ্যপ্রযুক্তি

চিকিৎসাবিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সম্পর্ক অনেক নিবিড় এবং পরস্পর নির্ভরশীল। বিজ্ঞান স্বাস্থ্যসেবার জ্ঞান ও ভিত্তি তৈরি করে থাকে। অপরদিকে প্রযুক্তি সেই জ্ঞানকে বাস্তবে প্রয়োগ করে রোগ নির্ণয়, চিকিৎসা ও সুস্থতা প্রদান করতে বিশেষভাবে ব্যবহৃত হয়। চিকিৎসা প্রযুক্তি একটি বিস্তীর্ণ ক্ষেত্র। যেখানে বায়োটেকনোলজি, ফার্মাসিউটিক্যালস, তথ্যপ্রযুক্তি, উন্নয়ন চিকিৎসার সাজসরঞ্জামগুলো সারা বিশ্বের মানুষের স্বাস্থ্যের উন্নতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে। স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান যে চিকিৎসা প্রযুক্তির ওপর নির্ভর করে তা অস্বীকার করা যায় না। প্রযুক্তির দ্বারা চিকিৎসাবিজ্ঞানের অগ্রগতির ফলে মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত হচ্ছে। নতুন নতুন চিকিৎসা পদ্ধতি ও প্রযুক্তির আবিষ্কারের ফলে রোগীরা আরও দ্রুত সুস্থ হচ্ছে এবং দীর্ঘ জীবন যাপন করতে পারছে। স্বাস্থ্যসেবায় অত্যাধুনিক প্রযুক্তির প্রসারের ফলে এখন রোগীরা সহজেই বিশ্বের সর্বশেষ চিকিৎসা পদ্ধতির সাহায্য নিতে পারছে। বর্তমান বিশ্বে গণমানুষের স্বাস্থ্যসেবায় প্রযুক্তি বিশেষ করে তথ্যপ্রযুক্তি কতটা ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে তার একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত ছিল কোভিডকালীন স্বাস্থ্যসেবা প্রদান। বর্তমান স্বাস্থ্যসেবায় প্রযুক্তি ও তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে অনেক ধরনের রোগ ও উপসর্গের ব্যাপারে পাওয়া যাচ্ছে আগাম আভাস। যার জেরে রোগ জটিল রূপ ধারণ করার আগেই তার সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারছেন রোগীরা। এমনকি অনেক ক্ষেত্রে রোগ সৃষ্টি হওয়ার আগেই ধারণা করা যাচ্ছে রোগের কারণ ও উৎস সম্পর্কে। ফলে সহজেই জটিল অবস্থায় পৌঁছানোর আগেই চিকিৎসার মাধ্যমে আরোগ্য লাভ করতে পারছেন রোগীরা। দ্রুত আরোগ্য লাভের মাধ্যমে রোগী ফিরতে পারছেন তার স্বাভাবিক জীবনে।

মো. জাহিদুল ইসলাম 
নেটওয়ার্ক টেকনিশিয়ান (আইসিটি সেল), জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা
[email protected]

গ্রামীণ কাঁচা সড়ক পাকাকরণ জরুরি‎

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০৫:১৩ পিএম
আপডেট: ১৩ জুন ২০২৬, ০৫:১৪ পিএম
গ্রামীণ কাঁচা সড়ক পাকাকরণ জরুরি‎

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ার বড়পাঙ্গাসী ইউনিয়নের চলনবিল অধ্যুষিত গ্রাম খাদুলী। কৃষিপ্রধান এ গ্রামে প্রায় ৬ হাজার লোকের বসবাস। গ্রামের শিশুদের জন্য রয়েছে দুটি প্রাথমিক বিদ্যালয়। তাছাড়া একটি ডাকঘর দুটি বাজার রয়েছে। কিন্তু দুঃখের বিষয় এই যে গ্রামের মানুষের চলাচলের জন্য নেই কোনো পাকা সড়ক। গ্রামের পাশেই রয়েছে বিশাল রবিশস্যের মাঠ। কৃষিপণ্য পরিবহনের জন্য বেশ ভোগান্তির সম্মুখীন হতে হয় কৃষককে। উল্লাপাড়া-উধুনিয়া সড়ক থেকে গ্রামের মধ্যে প্রবেশের জন্য চার কিলোমিটার সড়ক রয়েছে। যদিও এলজিইডি গ্রামের প্রবেশ মুখে এক কিলোমিটার রাস্তা ২০২৫ সালে পাকা করে। যা জনবহুল এ গ্রামের মানুষের জন্য অপ্রতুল। রাস্তার শেষপ্রান্তে অন্য গ্রামে রয়েছে একমাত্র মাধ্যমিক বিদ্যালয়। এ বিদ্যালয়ে প্রায় তিন কিলোমিটার কাদামাটির সড়ক পাড়ি দিতে হয়। অবশ্য ২০২১ সালে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে গ্রামের তিন কিলোমিটার মাটির কাঁচা সড়ক সংস্কার করা হয়। কিছুদিন পর আবার আগের মতোই হয়ে যায়। এজন্য স্থায়ী সংস্কার প্রয়োজন। সামান্য একটু বৃষ্টিতেই চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ে খানাখন্দে ভরা সড়কটি। সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়ে বিদ্যালয়গামী বাচ্চা, বয়স্ক মানুষ ও গর্ভবতী নারীরা। সরকারের ঊর্ধ্বতন মহল ও সংশ্লিষ্ট বিভাগ কৃষিপ্রধান গ্রামীণ মানুষের কথা চিন্তা করে সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ার চলনবিল অধ্যুষিত খাদুলী গ্রামের তিন কিলোমিটার প্রধান কাঁচা সড়ক পাকাকরণের উদ্যোগ নেবে বলে আশা করি।

‎প্রান্ত কুমার তালুকদার 
‎শিক্ষার্থী, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় 
[email protected]

স্বাস্থ্য খাতে যথাযথ পদক্ষেপ চাই

প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৬, ০৪:৫০ পিএম
স্বাস্থ্য খাতে যথাযথ পদক্ষেপ চাই

গত ২৭ মে আদ্-দ্বীন হাসপাতালে একই দিনে ছয়জন নবজাতকের মৃত্যু হয়। এটাকে অঘটন বলার কোনো সুযোগ নেই। অবশ্যই হাসপাতালের ত্রুটির জন্যই হয়েছে। কিন্তু এই ত্রুটি তো একদিনে হয়নি। ধীরে ধীরে ত্রুটি ছোট থেকে বড় হয়েছে। কিন্তু কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এটা অবশ্যই দায়িত্বের প্রতি অবহেলা ছিল। কিন্তু কেন? যেখানে মানুষের জীবন-মৃত্যুর লড়াই, সেখানে অবহেলা কেন? এর দায় যে শুধু হাসপাতালের, তা নয়। এর দায় রাষ্ট্রেরও। বাংলাদেশে ১৫ হাজার বেসরকারি হাসপাতালের মধ্যে মাত্র ৬ হাজারের কাছাকাছি নিবন্ধিত। এ ছাড়া এগুলোর বড় অংশরই লাইসেন্স নবায়ন নেই। তাহলে স্বাস্থ্য খাতে নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর কাজ কী? নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর দায়িত্ব এসব তদারকি করা। কিন্তু লাইসেন্স প্রদান করাই যখন নিয়ন্ত্রক সংস্থার কাজ, তখন এভাবে মানুষের মৃত্যু হওয়াটা স্বাভাবিক। দেশে বর্তমান বেসরকারি হাসপাতাল বা ক্লিনিক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। দেশে যত্রতত্র ক্লিনিক। এসব ক্লিনিকে কি আদৌ যথাযথ সেবা নিশ্চিত হয়? হয় না। এসব ক্লিনিকের রিপোর্টও যথাযথ হয় না। ফলে ভুল চিকিৎসা হওয়া স্বাভাবিক। এর শিকার দেশের অশিক্ষিত ও দরিদ্র জনগোষ্ঠী। সরকারের স্বাস্থ্যনিয়ন্ত্রক সংস্থার উচিত সরকারিসহ, বেসরকারি হাসপাতালের যথাযথ স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা। সেই সঙ্গে দেশের ক্লিনিক ব্যবসার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়া। যেখানে মানুষের বাঁচা-মরার লড়াই, অন্তত সেই জায়গায় উপযুক্ত ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হোক। 

মোজাহিদ হোসেন  
শিক্ষার্থী, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া
[email protected]

প্রিপেইড মিটার: প্রযুক্তির অগ্রগতি নাকি নতুন জনভোগান্তি?

প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৬, ০৪:৪৮ পিএম
প্রিপেইড মিটার: প্রযুক্তির অগ্রগতি নাকি নতুন জনভোগান্তি?

ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার পথে প্রযুক্তিনির্ভর সেবা মানুষের জীবন সহজ করার কথা। কিন্তু বাস্তবে অনেক সময় সেই প্রযুক্তিই সাধারণ মানুষের জন্য নতুন দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। সম্প্রতি বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটার রিচার্জে প্রায় ২০০ ডিজিটের দীর্ঘ টোকেন নম্বর চালু হওয়ার ঘটনায় এমন বাস্তবতাই সামনে এসেছে। এতদিন গ্রাহকরা মাত্র ২০ ডিজিটের টোকেন নম্বর ব্যবহার করে সহজেই প্রিপেইড মিটার রিচার্জ করতে পারতেন। কিন্তু নতুন ট্যারিফ বা বিদ্যুতের মূল্য সমন্বয়ের পর অনেক গ্রাহকের মোবাইলে প্রায় ২০০ ডিজিটের টোকেন নম্বর পাঠানো হচ্ছে। দীর্ঘ এই নম্বর মিটারে প্রবেশ করাতে গিয়ে সাধারণ মানুষকে চরম ভোগান্তির মুখে পড়তে হচ্ছে। অনেকেই খাতায় নম্বর লিখে ধীরে ধীরে মিটারে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করছেন। কেউ আবার অন্যের সহায়তা নিচ্ছেন। প্রশ্ন হলো–প্রযুক্তি কি মানুষের কাজ সহজ করার জন্য, নাকি নতুন জটিলতা তৈরির জন্য?
দেশের বড় একটি জনগোষ্ঠী এখনো প্রযুক্তি ব্যবহারে পুরোপুরি দক্ষ নয়। বিশেষ করে বৃদ্ধ ও স্বল্পশিক্ষিত মানুষের জন্য ২০০ ডিজিটের নম্বর টাইপ করা অত্যন্ত কঠিন। তাই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে আরও সহজ ও ব্যবহারবান্ধব পদ্ধতি নিশ্চিত করা প্রয়োজন ছিল। বিদ্যুৎ বিশেষজ্ঞরাও বলছেন, ভবিষ্যতে স্ক্যানিং, অ্যাপভিত্তিক আপডেট কিংবা স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতি চালু করা জরুরি। কারণ প্রযুক্তির উদ্দেশ্য হওয়া উচিত মানুষের ভোগান্তি কমানো, বাড়ানো নয়।

বর্তমানে প্রিপেইড মিটার ব্যবহারকারীদের মধ্যে উদ্বেগ ও অসন্তোষ বাড়ছে। তাই দ্রুত কার্যকর ও সহজ সমাধান নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি।

ডা. মাহতাব হোসাইন মাজেদ 
লেখক ও জনকল্যাণ বিশ্লেষক
[email protected]

ব্রাজিল বনাম আর্জেন্টিনা সমর্থক

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ০৭:৫১ পিএম
ব্রাজিল বনাম আর্জেন্টিনা সমর্থক

সময়ের পরিক্রমায় ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবল আমাদের অতি সন্নিকটে। স্বাগতিক মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোয় অনুষ্ঠিত হচ্ছে ফুটবল বিশ্বের এ জমকালো আয়োজন। আগের আসরগুলোতে ৩২টি দল খেললেও এবারই প্রথম ৪৮টি সেরা দল ১২টি গ্রুপে ভাগ হয়ে লড়বে। ১৬টি শহরের ১৬টি স্টেডিয়ামে আয়োজিত হবে সর্বমোট ১০৪টি ম্যাচ। শিরোপার সোনার হরিণকে হাতের মুঠোয় আনতে চূড়ান্ত পারফরম্যান্সে টিকে থেকে মাঠে নামবেন বিশ্বের বাঘা বাঘা খেলোয়াড়রা। দর্শক-সমর্থকরা আকাঙ্ক্ষার পারদ তুঙ্গে নিয়ে মাঠে এবং স্ক্রিনে তাদের প্রিয় তারকাদের খেলা দেখবে। বাংলাদেশে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার সমর্থকদের মধ্যে এই জমকালো আয়োজন নিয়ে মাতামাতি, বাজি এবং সর্বোপরী উৎসাহ-উদ্দীপনা একটু বেশিই পরিলক্ষিত হয়। কখনো কখনো অপ্রীতিকর ঘটনারও সাক্ষী আমরা হয়েছি এই দুই হটডগের সমর্থনকে কেন্দ্র করে। দেশের প্রগতি ও শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার সুবিধার্তে ফিফা বিশ্বকাপকে ঘিরে যেন কোনো বিশৃঙ্খলা ও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, সেদিকে খেয়াল রাখার বিনীত অনুরোধ রইল প্রশাসন ও সমর্থকদের প্রতি।

হারুন অর রশীদ 
পূর্ব নলছিয়া, বিনোদটঙ্গী, মাদারগঞ্জ, জামালপুর
[email protected]