ঢাকা ১০ আষাঢ় ১৪৩৩, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
রাজশাহী বিভাগীয় উন্নয়ন সমন্বয় সভা: প্রকল্প বাস্তবায়নে কঠোর অবস্থানে আইএমইডি পৃথিবীর গঠন অধ্যায়ের ১৫টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ২য় পর্ব, এইচএসসির ভূগোল ১ম পত্র বাংলাদেশে জ্যাক মোটরস-এর একমাত্র ডিস্ট্রিবিউটর র‍্যানকন গ্লোবাল ট্রাকস মানুষ স্বপ্ন দেখে কেন? বিজ্ঞান যা বলছে সারা দেশে হাম উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু বজ্রপাত থেকে বাঁচাতে দৃষ্টান্তমূলক কার্যক্রম নাতির প্রতি নানার অনন্য ভালোবাসা, যুবরাজের মর্যাদায় বাড়ি ফেরা মুখ আড়াল করার নতুন বিতর্ক ও ফিফার নিয়ম বাজারে আসছে ভালভের নতুন স্টিম মেশিন বিদ্যুৎ-বিভ্রাট, পেমেন্ট ও প্রিপেইড মিটার সমস্যা রাজবাড়ীতে ১ লাখ ৫৪ হাজার শিশু পাবে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল বাজেট বড় কিন্তু উদ্বেগ কমেনি সাজগোজের অনন্য যাত্রা দেশজুড়ে ওয়ালটন প্লাজায় ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প ও সার্বক্ষণিক হটলাইন বেইজিং পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী আমাদের নিজেদের উজার করে দিতে হবে: হাইতি কোচ প্রধানমন্ত্রীর চীন সফর এবং আমাদের প্রত্যাশা ইউনিলিভার বাংলাদেশের উদ্যোগে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিবেশ সাংবাদিকতা বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত জয়পুরহাটে ৩ দিনব্যাপী জাতীয় ফল মেলার উদ্বোধন চট্টগ্রামে সড়কে মাছ ফেলে চাঁদাবাজির প্রতিবাদ ইন্টারভিউয়ে যে বিষয়গুলো এড়িয়ে চলবেন ঘর সাজুক মনের মতো আগে প্লাস্টিকের মতো বাজেট বাড়ানো হতো: শিল্পমন্ত্রী রোহিঙ্গা ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্য অস্ট্রেলিয়া-ইউনিসেফের চুক্তি পড়ে পাওয়া গল্পের ৭টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ২য় পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বাংলা চট্টগ্রামে গ্রেপ্তারের এক দিন পর যুবলীগ নেতার মৃত্যু মরক্কোর লক্ষ্য গ্রুপ সেরা হওয়া চাঁপাইনবাবগঞ্জে বন্ধুর ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেল বন্ধুর যুদ্ধবিরতি চুক্তি যুক্তরাষ্ট্রের পরাজয়ের দলিল: আলী বাঘেরি গোপালগঞ্জে মাদক, সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের প্রতিবাদে বিএনপির বিক্ষোভ

বই প্রকাশের ক্ষেত্রে পাঠকের চাহিদা ও রুচিকে গুরুত্ব দেওয়া উচিত

প্রকাশ: ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ০৬:৩০ পিএম
আপডেট: ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ০৬:৩৯ পিএম
বই প্রকাশের ক্ষেত্রে পাঠকের চাহিদা ও রুচিকে গুরুত্ব দেওয়া উচিত
তারুণ্য প্রকাশনের প্রকাশক মো. ইসহাক খান। ছবি: সংগৃহীত

মো. ইসহাক খান তারুণ্য প্রকাশনের প্রকাশক। চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে বাড়ি। বাবার চাকরির সুবাদে বেড়ে উঠেছেন চট্টগ্রামে। চট্টগ্রাম এয়ারপোর্ট উচ্চবিদ্যালয় থেকে এসএসসি শেষ করেছেন। স্নাতকোত্তর করেছেন শেখ বোরহানুদ্দীন পোস্ট গ্র্যাজুয়েট কলেজ থেকে। তার প্রকাশক হওয়ার গল্প, কোন ধরনের বই প্রকাশে আগ্রহী তিনি, ইসলামি বইয়ের পাঠকের চাহিদা, লেখক-প্রকাশকের সম্পর্ক কেমন হওয়া উচিত ইত্যাদি বিষয়ে কথা বলেছেন খবরের কাগজের সঙ্গে। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন রায়হান রাশেদ

খবরের কাগজ: আপনি প্রকাশক হলেন কেন? 
মো. ইসহাক খান: আমি পেশায় একজন বই বিক্রেতা। বই বিক্রেতা হিসেবে আমার তখন ছয় বছর। সেবার মনে হলো নতুন কিছু বই বাজারে আনা দরকার। বিশেষ করে ছোটদের বই। বাজারে অনেক চাহিদা থাকা সত্ত্বেও ছোটদের মানসম্মত বই সচরাচর চোখে পড়ছিল না আমার। সেই চিন্তা-ভাবনা থেকে করোনাভাইরাসের আগ মুহূর্তেই চাকরি-বাকরি ছেড়ে প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান করলাম। প্রকাশনীর নামই ঠিক করলাম ‘তারুণ্য প্রকাশন’। প্রথম প্রকাশিত বইটি ছিল জনপ্রিয় লেখক সালাহউদ্দিন জাহাঙ্গীরের শিশুতোষ বই ‘একটি আয়াত একটি গল্প সিরিজ’। সেই বছরই বইটি রকমারি ডটকমের বেস্টসেলার বই হিসেবে ভূষিত হয়। যা আমার এই জগতের কাজের আগ্রহ দ্বিগুণ করে দেয়। 

খবরের কাগজ: ইসলামি বইয়ের পাঠক দিন দিন বাড়ছে বলে কি আপনি মনে করেন?
মো. ইসহাক খান: অনেকের ধারণা, মোবাইল/ইন্টারনেটের যুগে হয়তো মানুষ বই পড়ে না। আগের মতো মানুষ বই কেনে না। এই ধারণা থাকাটা স্বাভাবিক। তবে বাস্তবতাও জানা উচিত যে, এক যুগ ধরে হুহু করে বাড়ছে ইসলামি প্রকাশনা ও বইয়ের সংখ্যা। এর কারণ হচ্ছে পাঠক মহলে জায়গা করে নিতে পেরেছে ইসলামি বইগুলো। বাড়ছে ইসলামি বইয়ের মান। পাঠকের চাহিদা মাথায় রেখে প্রতিনিয়ত প্রকাশ হচ্ছে বিভিন্ন বিষয়ের নতুন নতুন বই। যা ইসলামি বইয়ের জগৎকে আরও সমৃদ্ধ এবং পাঠকেন্দ্রিক করতে সহায়তা করছে। 

খবরের কাগজ: আপনার প্রকাশনী সম্পর্কে কিছু বলুন। কোন ধরনের বই প্রকাশে আপনারা আগ্রহী? 
মো. ইসহাক খান: আমরা মূলত শিশুদের বই নিয়ে কাজ করি। পাশাপাশি বড়দেরও কিছু বই আমরা প্রকাশ করেছি। তবে আমাদের মূল টার্গেট শিশুদের কেন্দ্র করে কাজ করা। আলহামদুলিল্লাহ এবার অমর একুশে বইমেলায় তারুণ্য প্রকাশনের নিজস্ব স্টল রয়েছে। স্টল নম্বর ২২৪। এ বছর শিশুদের নিয়ে আমাদের বেশ কিছু বই প্রকাশিত হবে ইনশাআল্লাহ। এর মধ্যে ‘ছোটদের আসমাউল হুসনার গল্প সিরিজ’, ‘ছোটদের ইসলামের ইতিহাস’ ও ‘ছোটদের নবী সিরিজ’সহ বেশ কিছু বই। যা পাঠকের নতুন চাহিদা পূরণ করতে সক্ষম হবে বলে আশা করছি। 

খবরের কাগজ: মানসম্মত বই প্রকাশে আপনাদের ভূমিকা কেমন?
মো. ইসহাক খান: আমরা বরাবরই মানসম্মত বই নিয়ে কাজ করি। মানসম্মত বই প্রকাশে আমরা বদ্ধপরিকর। একটি বই প্রকাশ করার ক্ষেত্রে যতগুলো ধাপ রয়েছে, যেমন লেখক নির্বাচন, বইয়ের কনটেন্ট, বইয়ের ছাপা প্রিন্টিং, প্রোডাকশন এসব কিছুতে আমরা বিশেষ ফোকাস রেখে কাজ করার চেষ্টা করি। দক্ষতার সঙ্গে বছরের ৪-৫টি বই প্রকাশ করার চেষ্টা করি। তড়িঘড়ি করে অনেক বইয়ের কাজ একত্রে শুরু করি না। এতে করে বইয়ের মান ঠিক রাখা কষ্টকর হয়ে যায়। কোয়ালিটি সম্পন্ন বই করার জন্য আমরা যথেষ্ট সময় নিয়ে বই প্রকাশ করি। 

খবরের কাগজ: লেখক প্রকাশকের সম্পর্ক কেমন হওয়া উচিত?
মো. ইসহাক খান: লেখক-প্রকাশকের পাশাপাশি পাঠক নিয়ে আমাদের একটি সুন্দর সম্পর্ক গড়ে ওঠা উচিত। যেহেতু লেখক-প্রকাশকের চূড়ান্ত সফলতা পাঠকের মাধ্যমেই আমরা পেয়ে থাকি। লেখক-প্রকাশক সম্পর্কটা অনেক প্রকাশনীর ভালো থাকলেও পাঠকের সঙ্গে সুসম্পর্ক খুব কম প্রকাশনীর রয়েছে। এই দিকটা আমাদের আরও উন্নত করা উচিত। পাঠকের রুচি চাহিদার ওপর চিন্তাভাবনা করে বই প্রকাশ করা উচিত। এতে করে ইসলামি প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানগুলো রুচিসম্মত এবং গতিশীল হয়ে কাজ করতে পারবে বলে বিশ্বাস করছি। 

বাংলাদেশের মাদরাসাগুলো পরিদর্শনে আসছেন নকশবন্দী তরিকার দুই শীর্ষ পীর

প্রকাশ: ২৪ জুন ২০২৬, ০২:৫৮ পিএম
বাংলাদেশের মাদরাসাগুলো পরিদর্শনে আসছেন নকশবন্দী তরিকার দুই শীর্ষ পীর
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের দ্বীনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বা মাদরাসাগুলো শিক্ষাকার্যক্রম পরিদর্শন, আলেম-ওলামা ও শিক্ষার্থীদের সাথে মতবিনিময়ের উদ্দেশ্যে ১০ দিনের সফরে বাংলাদেশে আসছেন পাকিস্তানের বিশিষ্ট দুই ইসলামি স্কলার। 'মারকাযুল ফুরকান ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ'-এর আমন্ত্রণে তারা এই সফরে আসছেন।

সফরকারী দুই বিশিষ্ট মেহমান হলেন, মাওলানা মাসুম উল হক নকশবন্দী মোজাদ্দেদী ও শাইখুল হাদিস আল্লামা হাবিবুল্লাহ মুহাম্মদ।

মারকাযুল ফুরকান ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেন মাহমুদ জানান, মাওলানা মাসুম উল হক এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ ইসলামি শিক্ষাকেন্দ্র 'দারুল উলুম হাক্কানিয়া আকোড়া খটক'-এর একজন ফারেগ বা গ্র্যাজুয়েট। তিনি পীর জুলফিকার নকশাবন্দী রহ. এর কাছ থেকে খেলাফত ও ইজাযত প্রাপ্ত। তার চার তরিকাতেই ইজাযত রয়েছে। এছাড়াও তিনি একজন প্রখ্যাত হাকিম (চিকিৎসক) এবং পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া (কেপিকে) প্রদেশে তাসাওউফের খেদমতে নিয়োজিত আছেন।

অপরদিকে, হযরত মাওলানা জুলফিকার আহমদ নকশাবন্দী রহ-এর প্রতিষ্ঠিত বিখ্যাত উচ্চতর ইসলামি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান মাহাদুল ফকীর আল-ইসলামীর শায়খুল হাদিস হাবিবুল্লাহ মুহাম্মদ অত্যন্ত উঁচু মাপের একজন আলেম ও সুবক্তা। সাধারণ জনগণ এবং আলেম সমাজ উভয় শ্রেণির শ্রোতাদের উপযোগী করে অত্যন্ত সাবলীল, মিষ্ট ভাষায় ও জ্ঞানগর্ভ আলোচনা পেশ করায় তার বিশেষ খ্যাতি রয়েছে।

বাংলাদেশে সফরকালে তারা দেশের আলেম, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সাথে সাক্ষাৎ করবেন। বিভিন্ন শিক্ষামূলক মজলিস ও মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ করবেন। চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আল-জামিয়া আল-ইসলামিয়া পটিয়া-এর বর্তমান প্রধান মুফতি এবং শায়খুল হাদিস আল্লামা মুফতি শামসুদ্দিন জিয়ার আমন্ত্রণে মেহনরা চট্টগ্রামের মাদ্রাসাগুলোও ঘুরে দেখবেন।

এই সফরকে সামনে রেখে আগামী ১ জুলাই ১০ পর্যন্ত এক মাসের ভিজিট বা কালচারাল ভিসার জন্য ইসলামাবাদে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশনে আবেদন করা হয়েছে।

সৌদিতে শুটিংয়ের মাঝেই হলিউড অভিনেতার ইসলাম গ্রহণ

প্রকাশ: ২৪ জুন ২০২৬, ১০:২২ এএম
আপডেট: ২৪ জুন ২০২৬, ১২:১৪ পিএম
সৌদিতে শুটিংয়ের মাঝেই হলিউড অভিনেতার ইসলাম গ্রহণ
ছবি: সংগৃহীত

জনপ্রিয় মার্কিন অভিনেতা জিয়ানকার্লো এসপোসিতো ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন। সৌদি আরবে একটি চলচ্চিত্রের শুটিং চলাকালে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে কালেমায়ে ‘শাহাদাত’ পাঠ করে মুসলিম হন।

সৌদি আরবের জেনারেল এন্টারটেইনমেন্ট অথরিটির (GEA) চেয়ারম্যান তুর্কি আলে শায়খ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) এক পোস্টে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তুর্কি আলে-শায়খ জানান, সৌদি আরবে সিনেমাটির শুটিংয়ের মাঝেই জিয়ানকার্লো এসপোসিতো ইসলাম গ্রহণের ইচ্ছা প্রকাশ করেন। পরে তিনি কালেমায়ে শাহাদাত পাঠ করেন এবং একটি স্থানীয় মসজিদে প্রযোজনা দলের অন্য মুসলিম সদস্যদের সঙ্গে নামাজও আদায় করেন। তুর্কি আলে-শায়খ তাঁর পোস্টে এই মুহূর্তের একটি ভিডিও চিত্রও শেয়ার করেছেন, যা ইতিমধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ সাড়া ফেলেছে।

৬৮ বছর বয়সী এই হলিউড তারকা বর্তমানে সৌদি আরবে অ্যাকশনধর্মী চলচ্চিত্র ‘৭ ডগজ’ (7 Dogz)-এর শুটিংয়ে ব্যস্ত রয়েছেন। স্থানীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সৌদিতে অবস্থানকালে সেখানকার মানুষের আতিথেয়তা, সমৃদ্ধ সংস্কৃতি এবং ব্যক্তিগত কিছু অভিজ্ঞতা এসপোসিতোর মনে গভীর রেখাপাত করে। ইসলাম ধর্মের অনুশাসন ও মুসলিমদের জীবনযাত্রায় মুগ্ধ হয়েই তিনি এই সিদ্ধান্ত নেন। জিয়ানকার্লো সৌদির জনগণের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন এবং শুটিংয়ের এই অভিজ্ঞতাকে তার জীবনের অন্যতম ইতিবাচক অধ্যায় বলে উল্লেখ করেছেন।

ইতালীয় ও আফ্রো-আমেরিকান বংশোদ্ভূত জিয়ানকার্লো এসপোসিতোর অভিনয় জীবন দীর্ঘ পাঁচ দশকেরও বেশি সময়জুড়ে বিস্তৃত। মাত্র আট বছর বয়সে ব্রডওয়ে থিয়েটারের ‘ম্যাগি ফ্লিন’ মিউজিক্যালে অভিনয়ের মাধ্যমে শিশুশিল্পী হিসেবে তার যাত্রা শুরু হয়েছিল। পরবর্তীতে হলিউডের অসংখ্য জনপ্রিয় চলচ্চিত্র ও টিভি সিরিজে (যেমন: ব্রেকিং ব্যাড, দ্য ম্যান্ডালোরিয়ান) অভিনয় করে তিনি বিশ্বজুড়ে খ্যাতি অর্জন করেন।

উল্লেখ্য, জিয়ানকার্লো এসপোসিতো যে ‘৭ ডগজ’ সিনেমায় অভিনয় করছেন, তাতে মিসরের জনপ্রিয় অভিনেতা আহমেদ ইজ ও করিম আবদেল আজিজসহ আরও বেশ কয়েকজন আন্তর্জাতিক তারকা যুক্ত রয়েছেন।

এর আগেও বিশ্বের বহু নামি-দামি লেখক, বিজ্ঞানী, চিকিৎসক, ক্রীড়াবিদ ও অভিনয়শিল্পী ইসলামের সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে এই ধর্ম গ্রহণ করেছেন। হলিউডের এই শক্তিমান অভিনেতার ইসলাম গ্রহণের খবরটি এখন বিশ্বের অন্যতম আলোচিত বিষয়।

 

২৪ জুন  ২০২৬ তারিখের নামাজের সময়সূচি

প্রকাশ: ২৪ জুন ২০২৬, ০৭:০০ এএম
২৪ জুন  ২০২৬ তারিখের নামাজের সময়সূচি
জুন, ২০২৬ তারিখের নামাজের সময়সূচির ছবি

প্রতিদিন সময়মতো পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করা ফরজ। নামাজ (সালাত) ইসলাজুনর পাঁচটি স্তম্ভের মধ্যে একটি এবং ইসলাজুনর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ফরজ ইবাদত। আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে জিজ্ঞাসা করলাম, (হে আল্লাহর রাসুল!) আল্লাহর কাছে সবচেয়ে বেশি প্রিয় আমল কোনটি? রাসুলুল্লাহ (সা.) বললেন, ‘নামাজ (বুখারি ও মুসলিম)

রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘তোমরা সেভাবে নামাজ আদায় করো, যেভাবে আমাকে নামাজ আদায় করতে দেখেছ।’ (বুখারি, ৬৩১)

সঠিকভাবে নামাজ আদায় করতে হলে, নামাজের সময় জানতে হবে।

 

আজ ২৪ জুন ২০২৬, বুধবার। ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো— 

জোহর

১২.০৪ মিনিট

আসর

৪.৪০ মিনিট

মাগরিব

৬.৫৩ মিনিট

এশা

৮.১৯ মিনিট

 

ফজর (২৫ জুন)

.৪৫মিনিট

 

 বিভাগীয় শহরের জন্য উল্লিখিত সময়ের সঙ্গে যেসব বিভাগে সময় যোগ-বিয়োগকরতে হবে।

বিয়োগ

চট্টগ্রাম: ৫ মিনিট

সিলেট: ৬ মিনিট

যোগ

খুলনা: ৩ মিনিট

রাজশাহী: ৭ মিনিট

রংপুর: ৮ মিনিট

বরিশাল: ১ মিনিট

 

সূত্র: ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কারা পাবেন হেদায়েতের এই পরম নিয়ামত?

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬, ০৯:০০ পিএম
কারা পাবেন হেদায়েতের এই পরম নিয়ামত?
ছবি: সংগৃহীত

সুরা বাকারার শুরুতেই আল্লাহতায়ালা সেই দোয়ার উত্তর দিয়েছেন, যা সুরা ফতিহার শেষ অংশে প্রার্থনা করা রয়েছে। এরশাদ হয়েছে: এটি সেই কিতাব, যাতে কোনো সন্দেহ নেই। আয়াতের শুরুতে জালিকা (সেটি) শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে, যা সাধারণত দূরবর্তী বস্তুকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। অথচ কোরআন আমাদের সামনেই রয়েছে। এখানে দূরবর্তী ইশারা ব্যবহারের রহস্য হলো–এই কিতাবটি আমাদের সেই প্রার্থিত ‘সিরাতুল মুস্তাকিম’-এর পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা।

আল্লাহ যেন আমাদের বলছেন, তোমরা যে হেদায়েত চেয়েছিলে, এই সেই উজ্জ্বল সূর্যসম কিতাব; যার জ্ঞান ও গাম্ভীর্য সাধারণের নাগালের অনেক ঊর্ধ্বে। এতে কোনো সন্দেহ নেই–এই ঘোষণাটি এক অকাট্য সত্য। কারও বুদ্ধির স্বল্পতার কারণে মনে সংশয় জাগতে পারে, কিন্তু কিতাবের সত্যতায় বিন্দুমাত্র খামতি নেই।

পবিত্র কোরআন যদিও গোটা মানবজাতির জন্য পথপ্রদর্শক, তবুও আয়াতে বলা হয়েছে এটি ‘মুত্তাকিদের জন্য হেদায়েত’। এর কারণ হলো, হেদায়েতের বিভিন্ন স্তর রয়েছে। এক স্তর সবার জন্য উন্মুক্ত, কিন্তু পরকালীন মুক্তি ও আল্লাহর বিশেষ নৈকট্য লাভের যে উচ্চতর স্তর, তা কেবল তারাই পায় যারা আল্লাহকে ভয় করে চলে। হেদায়েত কেবল তথ্যের নাম নয়, বরং তা আমলের বিষয়। তাই যারা সত্যকে গ্রহণ করার মানসিকতা রাখে (মুত্তাকি), কোরআন তাদের জীবনকেই আমূল বদলে দেয়।

আল্লাহতায়ালা মুত্তাকিদের বিশেষ তিনটি গুণের কথা উল্লেখ করেছেন, যা একজন মুমিনের ঈমান ও আমলের মূল ভিত্তি:

আল্লাহ, ফেরেশতা, পরকাল ও জান্নাত-জাহান্নাম–যা আমরা চর্মচক্ষে দেখি না, কিন্তু আল্লাহর বাণীর ওপর ভিত্তি করে মনে-প্রাণে বিশ্বাস করি। এটিই ঈমানের আসল পরীক্ষা।

কেবল নামাজ পড়াই নয়, বরং নামাজের নিয়মকানুন ও একাগ্রতা বজায় রেখে তা জীবনে প্রতিষ্ঠিত করা। এটি আল্লাহর সঙ্গে বান্দার সরাসরি সংযোগ তৈরি করে।

আল্লাহ আমাদের যে রিজিক দিয়েছেন, তা থেকে তাঁর সন্তুষ্টির পথে খরচ করা। এটি মানুষের মনে ত্যাগের মানসিকতা তৈরি করে এবং সামাজিক ভারসাম্য রক্ষা করে।

যাদের মধ্যে এই গুণগুলো বিদ্যমান, তাদের সম্পর্কে আল্লাহর ঘোষণা হলো: তারাই তাদের রবের পক্ষ থেকে সঠিক পথে রয়েছে এবং তারাই সফলকাম। অর্থাৎ প্রকৃত সফলতা কেবল জাগতিক অর্থ বা ক্ষমতায় নয়, বরং আল্লাহর দেওয়া পথে অবিচল থেকে তাঁর সন্তুষ্টি অর্জন করার মধ্যেই নিহিত।

লেখক: আলেম ও সাংবাদিক 

বিধান পোশাক ছাড়া গোসল করলে ওজু থাকবে কি?

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬, ০৭:০০ পিএম
পোশাক ছাড়া গোসল করলে ওজু থাকবে কি?
ইসলামি শরিয়তে ইবাদতের প্রধান শর্ত হলো পবিত্রতা। ছবি: সংগৃহীত

ইসলামি শরিয়তে ইবাদতের প্রধান শর্ত হলো পবিত্রতা গোসল হলো শরীরকে পূর্ণাঙ্গভাবে পবিত্র করার একটি মাধ্যম তবে অনেক সময় মুসল্লিদের মনে একটি সাধারণ প্রশ্ন জাগে যদি কেউ একান্ত ব্যক্তিগত স্থানে (যেমন- বাথরুমে) সম্পূর্ণ বিবস্ত্র হয়ে গোসল করেন, তবে কি সেই গোসলের মাধ্যমে ওজু সম্পন্ন হবে? নাকি নামাজের জন্য তাকে পুনরায় নতুন করে ওজু করতে হবে? ফিকহ শাস্ত্রের আলোকে এর একটি সুস্পষ্ট সমাধান রয়েছে

ইসলামি ফিকহ বা আইনশাস্ত্রের মৌলিক নীতি অনুযায়ী, সতর বা শরীর উন্মুক্ত থাকা পবিত্রতা অর্জনের ক্ষেত্রে কোনো প্রতিবন্ধক নয় অর্থাৎ, নির্জনে বা গোসলখানায় কেউ যদি কাপড় ছাড়া গোসল করেন, তবে তার অপবিত্রতা দূর হয়ে যাবে এবং তিনি পূর্ণাঙ্গভাবে পবিত্র বলে গণ্য হবেন

বিখ্যাত ফাতাওয়া গ্রন্থ ফাতাওয়া হিন্দিয়া (/৩৬৩) এবং ফাতাওয়া সিরাজিয়া (পৃষ্ঠা: ৭৩)- উল্লেখ করা হয়েছে যে, গোসলের স্থানে প্রয়োজনবশত কাপড় সরানো বা বিবস্ত্র হওয়ায় কোনো বাধা নেই সুতরাং কেউ যদি ফরজ বা সাধারণ গোসল সম্পন্ন করেন, তবে সেই গোসলের মাধ্যমেই তার ওজু সম্পন্ন হয়ে যায়

গোসল শেষ করার পর নামাজের জন্য আলাদাভাবে ওজু করা বাধ্যতামূলক নয় কারণ, গোসলের সময় ওজুর অঙ্গগুলো (মুখমণ্ডল, হাত, পা ইত্যাদি) স্বয়ংক্রিয়ভাবে ধোয়া হয়ে যায় সতর খোলা থাকা ওজুকে বাতিল করে না সুতরাং গোসলের পর ওজু ভঙ্গের কোনো কারণ (যেমন- বায়ু ত্যাগ বা অন্য কোনো কারণ) না ঘটলে ওই গোসল দিয়েই নামাজ আদায় করা সম্পূর্ণ বৈধ সহিহ

যদিও বিবস্ত্র হয়ে গোসল করলে পবিত্রতা অর্জিত হয়, তবুও শরিয়তের আদব হলো নির্জনেও সতর ঢেকে রাখা বা অন্তত একটি লুঙ্গি বা গামছা ব্যবহার করা উত্তম তবে কেউ যদি একান্ত প্রয়োজনে কাপড় ছাড়াই গোসল করেন, তবে তার ইবাদতে কোনো ত্রুটি হবে না

দ্বীন ইসলাম অত্যন্ত সহজ যুক্তিপূর্ণ পবিত্রতা অর্জনের ক্ষেত্রে মূল বিষয় হলো অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে পানি পৌঁছানো কাপড় থাকা বা না থাকা এখানে মুখ্য নয় তাই গোসলের পর নতুন করে ওজু না করলেও আপনার নামাজ অন্যান্য ইবাদত কবুল হবে ইনশাআল্লাহ

 লেখক: আলেম ও সাংবাদিক