লা লিগার শিরোপা দৌঁড়ে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই চলছে দুই চিরপ্রতিন্দ্বী রিয়াল মাদ্রিদ এবং বার্সেলোনার মধ্যে। লড়াইয়ে এই মুহূর্তে এগিয়ে রিয়াল। শনিবার (২৪ জানুয়ারি) রাতে ভিয়ারিয়ালের মাঠে কিলিয়ান এমবাপ্পের জোড়া গোলে ২-০ ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে বার্সেলোনাকে ছাপিয়ে সাময়িকভাবে শীর্ষস্থান দখল করেছে আলভারো আরবেলোয়ার দল।
রিয়ালের পয়েন্ট ৫১, যা দ্বিতীয় স্থানে থাকা বার্সারচেয়ে দুই পয়েন্ট বেশি। বার্সা আজ রাতে টেবিলের তলানিতে থাকা ওভেইদোর মুখোমুখি হবে। সহজ পরীক্ষায় পূর্ণ ৩ পয়েন্ট পেলে ফের শীর্ষে উঠে যাবে কাতালান ক্লাবটি।
অ্যাওয়ে ম্যাচের শুরু থেকেই বলের দখল ও ছন্দে আধিপত্য দেখায় রিয়াল। বাঁ প্রান্তে ভিনিসিউস জুনিয়রের গতিময় দৌড় ভিয়ারিয়াল রক্ষণকে বারবার অস্থির করে তোলে। তবে প্রথমার্ধে গোলের দেখা পায়নি কোনো দল। ৪০ মিনিটে ভিনিসিউসের একটি নিচু শট অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়।
দ্বিতীয়ার্ধ শুরু হতেই নাটক। ৪৭ মিনিটে স্বাগতিক ফুটবলার পেপে গেয়ের ভুল পাস থেকে বল পেয়ে ভিনিসিউস ঢুকে পড়েন বক্সে। সেখান থেকে কাটব্যাক পাসে এমবাপ্পে সহজেই বল জালে পাঠান। রিয়াল এরপর ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখে। ৬২ মিনিটে জেরার্ড মরেনোর ফাঁকা জায়গা থেকে নেওয়া শট ক্রসবারের ওপর দিয়ে চলে গেলে সমতায় ফেরার সুযোগ হারায় ভিয়ারিয়াল।
ম্যাচের শেষ মুহূর্তে আবারও আলোচনায় এমবাপ্পে। ভিনিসিউসের নিখুঁত পাসে বক্সে ঢুকে পড়া ফরাসি তারকাকে পেছন থেকে ফাউল করেন আলফোনসো পেদ্রাসা। রেফারি পেনাল্টির নির্দেশ দেন। নিজেই দায়িত্ব নিয়ে এমবাপ্পে শান্তভাবে বল জালে পাঠান। এটি ছিল চলতি মৌসুমে লা লিগায় তার ২০ ম্যাচে ২১তম গোল।
ম্যাচ শেষে রিয়াল কোচ আলভারো আরবেলোয়া বলেন, ‘ভিনিসিউস ও এমবাপ্পে- তারা দুজনই বিশ্বের সেরা। তারা খেলায় বিশাল প্রভাব ফেলে। আমরা চেষ্টা করি যেন তারা যত বেশি সম্ভব বল পায় এবং এমন জায়গায় খেলতে পারে যেখানে তারা সবচেয়ে ভয়ংকর। ওরা শুধু আক্রমণেই নয়, প্রেসিং, রক্ষণে সাহায্য এবং দলগত সংহতিতেও দারুণ ভূমিকা রাখছে। এই ফর্মে ওদের পাওয়া আমাদের জন্য বড় সৌভাগ্যের।’
অনিক/