ঢাকা ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, রোববার, ১৪ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
ব্রাজিলের শুরুর একাদশে চমক অতিরিক্ত সময়ের গোলে সুইজারল্যান্ডকে রুখে দিল কাতার ৯২ বছর ধরে বিশ্বকাপে প্রথম ম্যাচে হারেনি ব্রাজিল নেইমারকে ছাড়াই নামছে ব্রাজিল, ভাঙছে ৪০ বছরের ঐতিহ্য পেনাল্টিতে এমবোলোর গোল, এগিয়ে সুইজারল্যান্ড ফিটনেস প্রশ্নে রোনালদো, ‘আমাকে খেলতে দেখেননি?’ ‘জাপানি মেসি’র সঙ্গী উয়েদা এমবাপ্পের সমালোচনা ‘অতিরিক্ত ও অন্যায়’ দেড় দশকের জ্বালানিনীতি ছিল আমদানিনির্ভর: তথ্যমন্ত্রী ইরানের অনুশীলন মাঠের পাশে মরদেহ উদ্ধার ওয়ানডে সিরিজ বাংলাদেশ ইমার্জিংদের ঝিলিকের মৃত্যুর রহস্যে নতুন মোড়, গ্রেপ্তার স্বামী রক্তদান মহৎ কিন্তু নিরাপদ রক্ত আরও গুরুত্বপূর্ণ আদ্-দ্বীন হাসপাতাল কোটি কোটি টাকা নিয়ে ঘুরেছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী মরক্কোর বিপক্ষে ব্রাজিলের সম্ভাব্য একাদশ মার্তিনেজকে ঘিরে নতুন শঙ্কা শাহবাগে ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে ছাত্রদলের বিক্ষোভ নাটোরে ৭০ দরিদ্র রোগীর বিনামূল্যে ছানি অপারেশন চাকরি মেলায় সাড়া, রাজশাহীতে ৫০ শতাংশ প্রার্থীর তাৎক্ষণিক নিয়োগ ইনজুরিতে ছিটকে গেলেন মাইকেল অলিভার ‘ফেনীর সাংবাদিকতার ইতিহাসে উজ্জ্বল অধ্যায় ওছমান হারুন মাহমুদ দুলাল’ পেকুয়া পৌরসভার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী গ্রিন ইউনিভার্সিটির সাংবাদিকতা বিভাগে নবীনবরণ অনুষ্ঠিত মিসরকে কেন জার্সি পরিবর্তন করতে বলল ফিফা? রবিবার বিশ্ব রক্তদাতা দিবস যে সম্পদ চোখের পলকে ধ্বংস হয়ে যায় রাজধানীতে প্রান্তিক গ্রামের ফুটবল উন্মাদনা, আর্জেন্টিনা–ব্রাজিল ম্যাচ একদিনে ৫ মরদেহ উদ্ধার, বরগুনায় চাঞ্চল্য ও উদ্বেগ দাউদকান্দিতে শিবির নেতার বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ প্রলোভন দেখিয়ে ভোট আদায়কারীরা জনগণের বন্ধু নয়: তারেক রহমান
Nagad desktop

৩০০০ বছরের পুরোনো কুমিরের মমি খুলে যা দেখলেন বিজ্ঞানীরা

প্রকাশ: ১১ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৩:০৪ পিএম
৩০০০ বছরের পুরোনো কুমিরের মমি খুলে যা দেখলেন বিজ্ঞানীরা
ছবি: সংগৃহীত

মিশরের কুমির দেবতা ‘সোবেক’-এর উদ্দেশে প্রাচীন মিশরীয়রা নিয়মিত কুমির মমি করতেন। সেইরকমই এক ৭.২ ফুট লম্বা, প্রায় ৩ হাজার বছর পুরোনো কুমিরের দেহ নিয়ে নতুন গবেষণায় প্রকাশ পেয়েছে বিস্ময়কর সব তথ্য। যুক্তরাজ্যের ম্যানচেস্টার বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা এই মমিটি পরীক্ষা করেন—যাকে সংরক্ষণ করা আছে বার্মিংহাম মিউজিয়ামে, নাম ২০০৫.৩৩৫।

মানুষের মমি তৈরির সময় ভেতরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বের করে ফেলা হতো, কিন্তু সোবেক দেবতার উদ্দেশে উৎসর্গকৃত কুমিরের মমি তৈরিতে অঙ্গগুলো অক্ষত রাখা হতো। এই কারণেই আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে বিজ্ঞানীরা এখন ভেতরের অঙ্গ পরীক্ষা করতে পারছেন।

নমুনাটি নষ্ট না করেই ভেতরের অংশ দেখা যায়—এ কারণে গবেষকরা এক্স–রে এবং সিটি–স্ক্যানের মতো অত্যাধুনিক পদ্ধতি ব্যবহার করেন। স্ক্যান করে দেখা যায়, কুমিরের পাকস্থলীতে স্বাভাবিকভাবেই পাওয়া যায় এমন কিছু পাথর (গ্যাস্ট্রোলিথ) রয়েছে। কিন্তু এর সঙ্গে মিলল আরও চমক—একদম অক্ষত মাছ, যা একটি ব্রোঞ্জের হুক দিয়ে টোপ হিসেবে লাগানো ছিল।

গবেষকদের মতে, কুমিরের শেষ খাবার আর মৃত্যুর সময়ের ব্যবধান খুব কম ছিল—কারণ গ্যাস্ট্রোলিথগুলো তখনো পাকস্থলীতে পৌঁছায়নি। অর্থাৎ কুমিরটিকে সম্ভবত ইচ্ছাকৃতভাবেই মাছ ও হুক দিয়ে ফাঁদ পেতে ধরা হয়েছিল, সোবেকের উদ্দেশে উৎসর্গ করার জন্য।

গবেষক লিডিয়া ম্যাকনাইট বলেন, আগে এমন গবেষণায় মমির আবরণ খুলে অটপসি করতে হতো, ফলে মূল্যবান নমুনা ক্ষতিগ্রস্ত হতো। এখন ৩ডি রেডিওগ্রাফি প্রযুক্তিতে কোনো ক্ষতি ছাড়াই ভেতরের ছবি পাওয়া যাচ্ছে। তিনি আরও জানান, তারা স্ক্যান করা ডেটা দিয়ে কুমিরের পাকস্থলীতে থাকা ব্রোঞ্জের হুকটির একটি ভার্চুয়াল প্রতিরূপও তৈরি করেছেন যাদুঘরের প্রদর্শনীর জন্য।

প্রাচীন মিশরীয়রা কীভাবে হুক বানাতেন—সেটিও জানা গেছে। তখন তারা মাটির ছাঁচ তৈরি করে জ্বালানো কয়লার আগুনে গলিত ধাতু ঢেলে দিতেন— যা আজকের কাস্টিং পদ্ধতির সঙ্গে বিস্ময়করভাবে মিল রয়েছে।

যদিও এই বিশেষ কুমিরটির মৃত্যু ছিল ভয়াবহ, মিশরীয় সমাজে কুমিরকে অত্যন্ত সম্মান করা হতো। শক্তি, সাহস আর সন্তানদের প্রতি কোমল আচরণের কারণে তারা ‘পবিত্র প্রাণী’ হিসেবে বিবেচিত ছিল। ইতিহাসবিদদের ধারণা, সোবেকের উপাসনাকারী ‘কুমির উপাসক গোষ্ঠী’ বিশেষভাবে কুমির পালনও করত। ফাইয়ুম নগরের মন্দির এলাকায় হাজার হাজার কুমিরের মমি পাওয়া গেছে—অনেকগুলোই শিশু কুমির।

কিন্তু হাজার বছরের সেই বলিদান প্রথাই আজ বিজ্ঞানীদের সামনে খুলে দিচ্ছে প্রাচীন মিশরের অজানা অধ্যায়।

মেহেদী/

আইভিএফে যমজ সন্তানের জন্ম, ডিএনএ পরীক্ষায় মিলল না বাবা-মায়ের পরিচয়

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০৫:২৪ পিএম
আইভিএফে যমজ সন্তানের জন্ম, ডিএনএ পরীক্ষায় মিলল না বাবা-মায়ের পরিচয়
ছবি: এআই

সন্তানের আশায় বহু বছর অপেক্ষার পর অনেক দম্পতির কাছেই ‘ইন ভিট্রো ফার্টিলাইজেশন’ (আইভিএফ) নতুন আশার আলো হয়ে ওঠে। এই পদ্ধতির মাধ্যমে অসংখ্য পরিবার বাবা-মা হওয়ার স্বপ্ন পূরণ করেছে। তবে ভারতের একটি ঘটনা ফার্টিলিটি ক্লিনিকগুলোর নিরাপত্তা ও মাননিয়ন্ত্রণ নিয়ে গুরুতর প্রশ্নের মুখে ঠেলে দিয়েছে।

অভিযোগ, আইভিএফের মাধ্যমে যমজ সন্তানের জন্ম দেওয়ার পর এক দম্পতি জানতে পারেন, ডিএনএ পরীক্ষায় শিশু দুটির সঙ্গে তাদের কোনও জৈবিক সম্পর্ক নেই। 

ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসতেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে ফার্টিলিটি চিকিৎসায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

বিভিন্ন প্রতিবেদন অনুযায়ী, গুরুগ্রামের ওই দম্পতির ঘরে আইভিএফের মাধ্যমে যমজ সন্তানের জন্ম হয়। কয়েক মাস পর শিশুদের একটি শারীরিক সমস্যার কারণে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে গেলে কিছু অসঙ্গতি ধরা পড়ে। এরপর চিকিৎসকেরা বিস্তারিত জেনেটিক প্রোফাইলিং বা ডিএনএ পরীক্ষার পরামর্শ দেন।

অভিযোগ, পরীক্ষার ফলাফলে দেখা যায়, শিশু দুটির সঙ্গে বাবা কিংবা মা- কারওই জৈবিক সম্পর্ক নেই। পরিবারটির দাবি, আইভিএফ প্রক্রিয়ার সময় অন্য কোনো দম্পতির ভ্রূণ ভুলবশত প্রতিস্থাপন করা হয়ে থাকতে পারে। আবার জন্মের পর শিশু অদলবদলের ঘটনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

যমজ সন্তানের বাবা রাহুল রাঠোর জানান, কনিষ্ঠ সন্তানের চেহারায় উত্তর-পূর্ব ভারতের মানুষের সঙ্গে মিল থাকায় তার প্রথম সন্দেহ হয়। এরপরই তারা বিষয়টি নিয়ে তদন্তের উদ্যোগ নেন। 

রাহুল ও তার স্ত্রী অভিযোগ করেন, তারা একাধিকবার আইভিএফ কেন্দ্রের কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছেন এবং চিকিৎসা-সংক্রান্ত নথিপত্র পর্যালোচনার অনুরোধ জানিয়েছেন। কিন্তু কোনো সন্তোষজনক উত্তর পাননি।

ইতোমধ্যে বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে।  রাহুলের দাবি, গত ৫ জুন আদালত পুলিশকে সংশ্লিষ্ট আইভিএফ কেন্দ্র থেকে গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র জব্দ করার নির্দেশ দেয়।

ঘটনাটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। অনেকেই দম্পতির মানসিক অবস্থার প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করেছেন। একজন ব্যবহারকারী লিখেছেন, ‘আইভিএফ কেন্দ্রকে অবশ্যই জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে। কিন্তু এই দম্পতির মানসিক যন্ত্রণা কোনওভাবেই পূরণ করা সম্ভব নয়।’

আবার অনেকেই ফার্টিলিটি ক্লিনিকগুলোর ক্ষেত্রে কঠোর নিয়ম মেনে চলার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেছেন। এক মন্তব্যে বলা হয়, ‘‘যদি আইভিএফ কেন্দ্রের ভুল হয়ে থাকে, তবে তা অত্যন্ত গুরুতর বিষয়। সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রটি ‘এআরটি’ আইন ও নির্দেশিকা মেনে পরিচালিত হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখা জরুরি।”

তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত ঘটনার প্রকৃত কারণ স্পষ্ট হবে না। তবে অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে এটি ভারতের আইভিএফ চিকিৎসা ব্যবস্থার অন্যতম গুরুতর বিতর্ক হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

অমিয়/

তামাকের বিকল্প হিসেবে মলোখিয়া ব্যবহার করছেন গাজার ধূমপায়ীরা

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০৪:৪০ পিএম
তামাকের বিকল্প হিসেবে মলোখিয়া ব্যবহার করছেন গাজার ধূমপায়ীরা
ছবি: সংগৃহীত

ফিলিস্তিনের গাজায় তামাকের তীব্র সংকট ও আকাশছোঁয়া দামের কারণে অনেক ধূমপায়ী এখন বিকল্প হিসেবে মলোখিয়া পাতা ব্যবহার করছেন।

গাজা সিটির বিভিন্ন বাজারে শুকনো মলোখিয়া পাতা ও তরল নিকোটিন মিশিয়ে তৈরি করা হচ্ছে তথাকথিত ‘মলোখিয়া সিগারেট’।

গাজা সিটির কেন্দ্রস্থলে একটি ধুলোমাখা রাস্তার ধারে আবর্জনার স্তূপের পাশে গড়ে উঠেছে একটি ছোট বাজার। রাস্তার দুই পাশে সারিবদ্ধভাবে অস্থায়ী দোকানপাট, যেখানে বিক্রেতারা শুকনো মলোখিয়া পাতার বড় বড় প্লাস্টিকের ব্যাগের পাশে তামাকের কয়েকটি অবশিষ্ট প্যাকেট সাজিয়ে রেখেছেন।

মলোখিয়া হলো পাটগাছের মতো, এর পাতা সবুজ শাক বা এর থেকে তৈরি সুস্বাদু স্যুপ, যা মধ্যপ্রাচ্য, পূর্ব আফ্রিকা এবং ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলে অত্যন্ত সমাদৃত। এটি আমাদের দেশে পরিচিত পাট শাক হিসেবে। কিন্তু এখানকার দোকানগুলোতে এটি দিয়ে তৈরি করা হচ্ছে ‘মলোখিয়া সিগারেট’।

আলা জুন্দিয়া নামে এক ব্যক্তি একজন মলোখিয়া বিক্রেতার কাছে একটি সিগারেট চান। বিক্রেতা এক মুঠো শুকনো পাতা হাতের তালুতে গুঁড়ো করে তাতে এক ফোঁটা তরল নিকোটিন মেশান। এরপর মিশ্রণটি পাতলা কাগজে মুড়িয়ে তার হাতে তুলে দেন।

২৭ বছর বয়সী আলা জুন্দিয়া জানান, যুদ্ধের আগে তিনি বিভিন্ন ধরনের তামাক ব্যবহার করলেও বর্তমানে একটি সিগারেটের দাম প্রায় ১০০ শেকেল (প্রায় ৩৪ ডলার) হওয়ায় তা কেনা তার পক্ষে সম্ভব নয়। তাই বাধ্য হয়েই তিনি মলোখিয়া সিগারেট ব্যবহার করছেন। 

তার ভাষায়, এটি প্রকৃত কোনো বিকল্প নয়, বরং অভাবের কারণে এটি বেছে নিয়েছেন।

জুন্দিয়া বলেন, যা একসময় একটি সাধারণ ব্যক্তিগত অভ্যাস ছিল, তা এখন গাজার দৈনন্দিন জীবনের ক্রমবর্ধমান ব্যয়ের আরেকটি উদাহরণ। ইসরায়েলের যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট চরম মুদ্রাস্ফীতি এখন ব্যাপক আকার ধারণ করেছে।

‘একটি তামাকের সিগারেটের দাম এখন ১০০ শেকেল (৩৪ ডলার), এটা পাগলামি, এটার সঙ্গে এখন আর তামাকের কোনো সাদৃশ্যই নেই, কিন্তু অন্য কোনো উপায় না থাকায় আমরা এটা ব্যবহার করি’, মলোখিয়ার স্বতন্ত্র গন্ধমিশ্রিত ধোঁয়া ছাড়তে ছাড়তে বলেন জুন্দিয়া। সূত্র: আল জাজিরা

অমিয়/

যেভাবে ট্রিলিয়নিয়ার হলেন মাস্ক

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ১০:৫৮ এএম
আপডেট: ১৩ জুন ২০২৬, ১২:২০ পিএম
যেভাবে ট্রিলিয়নিয়ার হলেন মাস্ক
ইলন মাস্ক। ছবি: সংগৃহীত

ইতিহাসের পাতায় নাম লেখালেন ইলন মাস্ক। গত শুক্রবার তার মহাকাশ গবেষণাপ্রতিষ্ঠান স্পেসএক্স-এর শেয়ারবাজারে এক ঐতিহাসিক অভিষেকের পর এই প্রযুক্তি সম্রাটের মোট সম্পদ আকাশচুম্বী হয়ে দাঁড়ায়, যা তাকে বিশ্বের প্রথম ‘ট্রিলিয়নেয়ার’ বা লাখো-কোটিপতির মর্যাদায় ভূষিত করে।

কোম্পানিটির প্রাথমিক প্রতিটি শেয়ারের মূল্য নির্ধারণ করা হয় ১৩৫ ডলার। তবে বিনিয়োগকারীদের তুমুল আগ্রহের কারণে লেনদেনের শুরুতেই এর দাম ১১ শতাংশ লাফিয়ে ১৫০ ডলারে পৌঁছায়। শেয়ারের এই ঊর্ধ্বমুখী গতি এখানেই থেমে থাকেনি; দিনভর এটি প্রায় ১৭২ ডলারে ওঠানামা করতে থাকে। ফলে স্পেসএক্সের মোট বাজারমূল্য রেকর্ড ২ দশমিক ১৮ ট্রিলিয়ন ডলারে গিয়ে ঠেকে।

মাস্কের এই নতুন ট্রিলিয়নেয়ার খেতাব মূলত স্পেসএক্স এবং তার বৈদ্যুতিক গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টেসলার বিপুল পরিমাণ শেয়ারের ওপর ভিত্তি করে দাঁড়িয়ে আছে। এর পাশাপাশি নিউরোটেকনোলজি প্রতিষ্ঠান নিউরালিংক এবং টানেল নির্মাণকারী সংস্থা দ্য বোরিং কোম্পানির মতো ভবিষ্যতমুখী উদ্যোগগুলোতেও তার বড় অঙ্কের মালিকানা রয়েছে।

এর আগে ২০২১ সালের জানুয়ারিতে জেফ বেজোসকে টপকে ১৮৫ বিলিয়ন ডলারের সম্পদ নিয়ে প্রথমবারের মতো বিশ্বের শীর্ষ ধনী হয়েছিলেন মাস্ক। আর এবার নিজের সম্পদকে তিনি নিয়ে গেলেন এক সম্পূর্ণ নজিরবিহীন উচ্চতায়।

মাস্কের মতে, তার জীবনের চূড়ান্ত ও ব্যয়বহুল স্বপ্নগুলো বাস্তবায়নের জন্য তহবিল সংগ্রহ করতেই স্পেসএক্সকে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত করার এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ২০২৫ সালের শুরু থেকে ২০২৬ সালের মার্চ মাসের মধ্যে ব্যাপক উন্নয়ন কার্যক্রমে ব্যয় করতে গিয়ে কোম্পানিটি ৮ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার লোকসানের সম্মুখীন হয়েছিল।

এখন শেয়ারবাজার থেকে সংগৃহীত এই নতুন পুঁজি মাস্ক ব্যবহার করতে চান বিশাল মহাকাশভিত্তিক ডেটা সেন্টার স্থাপন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তিতে প্রতিযোগীদের ছাড়িয়ে যাওয়া এবং মঙ্গলে ১০ লাখ মানুষের একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ বসতি গড়ে তোলার চূড়ান্ত স্বপ্ন পূরণে। সূত্র: এনডিটিভি

আজহার/অমিয়/

বান্ধবীকে ৩৭০ টাকার বিরিয়ানি খাইয়ে ‘উসুল’ করতে চেয়েছিলেন তরুণ

প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৬, ০৫:০৩ পিএম
বান্ধবীকে ৩৭০ টাকার বিরিয়ানি খাইয়ে ‘উসুল’ করতে চেয়েছিলেন তরুণ
প্রতীকী ছবি

ডেটে গিয়ে এক তরুণীকে ৩৭০ টাকার বিরিয়ানি খাওয়ানোর পর সেই খরচ ‘উসুল’ করার জন্য যৌন সুবিধা চেয়েছিলেন বলে মন্তব্য করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন ভারতের গুরুগ্রামের বাসিন্দা হিমাংশু জাংরা। 

একটি স্ট্যান্ড-আপ কমেডি শোতে দেওয়া তার সেই মন্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর চাকরি হারাতে হয়েছে তাকে।

সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, হিমাংশু কৌতুকশিল্পী প্রণীত মোরের একটি অনুষ্ঠানে দর্শক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। শো চলাকালে প্রণীতের সঙ্গে কথোপকথনের সময় তিনি নিজের একটি ডেটের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।

হিমাংশুর দাবি, তিনি এক তরুণীকে নিয়ে ডেটে গিয়েছিলেন এবং দুজনে প্রায় ৩৭০ টাকার বিরিয়ানি খেয়েছিলেন। রাতের খাবারের পর ওই তরুণী যখন তাকে বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার অনুরোধ করেন, তখন তিনি নাকি বলেন যে খাবারের জন্য খরচ হওয়া ৩৭০ টাকা ‘উসুল’ করতে চান।

ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে তাকে বলতে শোনা যায়, ‘আমি বললাম, যে ৩৭০ টাকা খরচ হয়েছে, সেটা তো উসুল করবই।’

এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন হিমাংশু। অনেকেই তার মন্তব্যকে নারীর প্রতি অসম্মানজনক ও আপত্তিকর বলে আখ্যা দেন।

জানা গেছে, হিমাংশু ‘স্টারভিক ডিজাইন’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলেন। ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর প্রতিষ্ঠানটি তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করার সিদ্ধান্ত নেয়।

হিমাংশুর বিতর্কিত মন্তব্যের ভিডিওটি বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্মে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওটি দেখে অনেকেই বিস্ময় ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন। একাংশ তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিও জানান।

এ ঘটনার পর স্টারভিক ডিজাইনের প্রতিষ্ঠাতা বিবেক বিশ্বকর্মা একটি ভিডিও বার্তা প্রকাশ করে প্রতিষ্ঠানের অবস্থান স্পষ্ট করে বলেন, ‘আমরা হিমাংশুকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করেছি। ভুলের পরিণতি ভোগ করতেই হয়। তবে আমরা আশা করি, এই ধরনের ঘটনা আত্মসমালোচনা, শিক্ষা এবং ইতিবাচক পরিবর্তনের সুযোগ তৈরি করবে। পরিস্থিতি বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনা করেই আমরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

অন্যদিকে, হিমাংশু তার মন্তব্যের জন্য প্রকাশ্যে ক্ষমা চেয়েছেন এবং নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাকাউন্টগুলো নিষ্ক্রিয় করে দিয়েছেন।

ঘটনাটি নিয়ে সমালোচনার মুখে পড়েছেন কৌতুকশিল্পী প্রণীত মোরও। পরে তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে ক্ষমা প্রার্থনা করেন।

অমিয়/

ইন্টারনেটে ঝড় তুলেছেন ৭৪ বছরের চীনা ‘তরুণী দাদি’

প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৬, ০১:৫৯ পিএম
আপডেট: ১০ জুন ২০২৬, ০২:২৫ পিএম
ইন্টারনেটে ঝড় তুলেছেন ৭৪ বছরের চীনা ‘তরুণী দাদি’
ইংজি। ছবি: সংগৃহীত

চীনের সাংহাইয়ের বাসিন্দা ৭৪ বছর বয়সী এক বৃদ্ধা তার ভিন্ন ফ্যাশন সচেতনতা, তারুণ্যদীপ্ত মনোভাব এবং দৃঢ় আত্মবিশ্বাসের কারণে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সাড়া ফেলেছেন।

সাদা চুল এবং চমৎকার শারীরিক গঠনের অধিকারী এই প্রবীণ নারীর নাম ইংজি (Yingzi)। নেটিজেনরা তাকে ভালোবেসে 'তরুণী দাদী' (গার্লিস গ্রেন্ডমা) বলে ডাকছেন।

হাই হিল পরে শহরের রাস্তায় তার নাচ ও ক্যাটওয়াকের ভিডিওগুলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় ২০ লাখ ফলোয়ার অর্জন করেছে এবং এগুলোর ভিউ ১০ কোটি ছাড়িয়ে গেছে।

ইংজি জানান, তার চিরসবুজ অবয়বের মূল রহস্য হলো নিজের স্টাইল ধরে রাখা। তিনি তরুণদের পছন্দের রঙচঙে পোশাক থেকে শুরু করে পপ, পাংক এবং গার্ল-গ্রুপ ফ্যাশনের পোশাকও দারুণ আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে পরেন।

শারীরিক সুস্থতা বজায় রাখতে তিনি প্রতিদিন সকালে এক ঘণ্টা যোগব্যায়াম করেন এবং বিকেল ৫টার পর আর কোনো খাবার খান না।

আশির দশকে স্বামী ও সন্তানের সঙ্গে জাপানে থাকার সময় তিনি একটি রেস্তোরাঁ চালাতেন, যেখানে তার সৌন্দর্যের কারণে একটি সুপরিচিত জাপানি ম্যাগাজিনেও তার ছবি ছাপা হয়েছিল।

পরবর্তীতে চীনে ফিরে 'রিয়েল এস্টেট' ব্যবসায় সফল হয়ে তিনি নিজের ভাগ্য পরিবর্তন করেন এবং দাতব্য সংস্থায় লাখ লাখ ইউয়ান দান করেন।

৭০ বছর বয়সে তিনি প্রবীণ নারীদের একটি ফ্যাশন গ্রুপে যোগ দেন। এই গ্রুপটি নারীদের মনে সাহস জোগাতে, বয়সকে জয় করার পরামর্শ দিতে এবং পারিবারিক নির্যাতনের বিরুদ্ধে কাজ করে।

সম্প্রতি তিনি সাংহাই ডিজনিল্যান্ডের একটি ফ্যাশন শোতে হেঁটে তার দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণ করেছেন।

ইংজির মতে, বয়স কোনো বাধা নয়, বরং একটি সম্পদ। তিনি ১২০ বছর বয়স পর্যন্ত এভাবেই সুন্দরভাবে বেঁচে থাকার ইচ্ছা প্রকাশ করেন।

তার এই ভিন্ন ধারার জীবনযাত্রা প্রবীণদের নিয়ে প্রচলিত সমাজিক ধারণা ভেঙে নতুন প্রজন্মকে দারুণভাবে অনুপ্রাণিত করছে। সূত্র: সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট

আজহার/অমিয়/