ঢাকা ৪ আষাঢ় ১৪৩৩, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
গানেই লিজার ব্যস্ততা প্রয়াত বিএনপি নেতা আবদুল্লাহ আল নোমানের নামে আমন্ত্রণপত্র আধ্যাত্মিক ধনী হওয়ার সহজ সমীকরণ আবার জ্বলে ওঠো জার্মানি চাঁপাইনবাবগঞ্জে ২০০ জাতের আম নিয়ে মেলা শুরু পাহাড়, বন আর নীল জলের অপূর্ব মিলন ৪টি চলচ্চিত্র নিয়ে ‘সামার বাংলা হিট ফেস্ট’ তিন নাটকে প্রশংসিত হিমি পুশ-ইন সমস্যা সমাধানের দাবিতে সমাবেশ ও স্মারকলিপি প্রদান সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় ফরিদপুরের প্রবাসী নিহত তপ্ত গরমে পশুপাখির প্রতি সদয় হোন সিনচিয়াংয়ে সংস্কৃতি ও পর্যটন উন্নয়ন সম্মেলন অনুষ্ঠিত সংঘাত নয়, হোক সম্প্রীতির উদযাপন কানসাসের দাবদাহে ‘কুলিং ভেস্টে’ অনুশীলন আর্জেন্টিনার চীনের ছাংছুনে অপটিক্স ও সেমিকন্ডাক্টর প্রযুক্তির বিপ্লব বাংলাদেশের বাজারে এল টেকনো স্পার্ক ৫০ প্রো খোকসায় ২০ বছর ধরে অচল কৃত্রিম প্রজনন কেন্দ্র, ভোগান্তিতে কৃষক-খামারি কেইনই ইংল্যান্ডের ইতিহাসের সেরা স্ট্রাইকার: লিনেকার বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে পুশইন, সংলাপের পরামর্শ জাতিসংঘের গ্লেনরিচ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল পরিদর্শন করলেন প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ কৃষিকাজে বিজ্ঞান বিষয়ক প্রবন্ধ রচনা, ১ম পর্ব, এইচএসসির বাংলা ২য় পত্র নতুন অ্যান্ড্রয়েড ১৭ সংস্করণে গুগলের বড় চমক কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে অবদান রাখায় বাংলাদেশ ব্যাংকের সনদ পেল মার্কেন্টাইল ব্যাংক এবি ব্যাংক পিএলসির ৪৪তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত ডিজিটাল পরিসরে নারীর নিরাপত্তা ও সহিংসতার স্বরূপ রামিসাকে ধর্ষণের পর নৃশংস হত্যা! একটি জাতির অবক্ষয়ের নির্মম চিত্র! ঝিনাইদহে ৩ দিনব্যাপী ফল মেলা শুরু ওয়াশিংটন-তেহরান শান্তিচুক্তি ও বৈশ্বিক বাস্তবতা এবারের স্বপ্নবিলাসী বাজেট বাংলাদেশকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে: সংসদে আইনমন্ত্রী কাঁঠালকে কেন্দ্র করে বিরোধ, ছেলের মারধরে বাবার মৃত্যু

মিল্কিওয়ের প্রান্তে নক্ষত্র জন্মের সূত্র পেলেন চীনা বিজ্ঞানীরা

প্রকাশ: ১২ মার্চ ২০২৬, ০৩:২৩ পিএম
মিল্কিওয়ের প্রান্তে নক্ষত্র জন্মের সূত্র পেলেন চীনা বিজ্ঞানীরা
ছবি সংগৃহীত

চীনের জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা আমাদের মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির প্রান্তে ঘটে যাওয়া এক মহাজাগতিক সংঘর্ষের ছবি ধারণ করেছেন। নতুন নক্ষত্রের জন্ম সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ সূত্র দিয়েছে এই আবিষ্কার। এ গবেষণার ফলাফল বৃহস্পতিবার ন্যাচার অ্যাস্ট্রনমি সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে।
চীনের ওয়েস্ট নরমাল বিশ্ববিদ্যলেয়-এর পদার্থবিদ্যা ও জ্যোতির্বিজ্ঞান স্কুলের গবেষকেরা পৃথিবী থেকে প্রায় ৪৫ হাজার আলোকবর্ষ দূরে মিল্কিওয়ের প্রান্তে সদ্য জন্ম নেওয়া দুটি নক্ষত্রগুচ্ছ খুঁজে পেয়েছেন। দক্ষিণ-পশ্চিম চীনের বিখ্যাত অমেই পর্বতের নামে এগুলোর নাম দেওয়া হয়েছে অমেই–১ এবং অমেই–২।
মহাজাগতিক সময়ের হিসাবে এই নক্ষত্রগুচ্ছগুলো বেশ তরুণ। গবেষকদের মতে, এগুলোর বয়স প্রায় এক কোটি বছর। এগুলো তৈরি হয়েছে উচ্চগতির গ্যাসীয় মেঘের ভেতরে।
এই মেঘগুলো গ্যালাক্সির বাইরের অঞ্চল থেকে আসে এবং দ্রুত মিল্কিওয়ের বাইরের অংশে ঢুকে পড়ে। বহু দশক ধরে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা এসব গ্যাসীয় মেঘে কেবল গ্যাসই দেখেছিলেন; নক্ষত্রের কোনো চিহ্ন পাননি। তাই অনেকেই মনে করতেন, এই পরিবেশে নক্ষত্র জন্মানো সম্ভব নয়।
কিন্তু চীনের নতুন পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, দ্রুতগতির একটি গ্যাসীয় মেঘ গ্যালাক্সির চাকতির বাইরের প্রান্তে আঘাত করলে প্রবল সংঘর্ষ ঘটে। এতে গ্যাস অত্যন্ত চাপে সংকুচিত হয় এবং সেখান থেকেই নতুন নক্ষত্রের জন্ম শুরু হয়।
গবেষণাটি প্রথমবারের মতো স্পষ্টভাবে দেখিয়েছে যে উচ্চগতির গ্যাসীয় মেঘের মধ্যেও নক্ষত্র তৈরি হতে পারে।
এই আবিষ্কার মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সি কীভাবে ধীরে ধীরে বড় হচ্ছে সে বিষয়েও নতুন ধারণা দিয়েছে। আগে মনে করা হতো, গ্যালাক্সিটি অনেকটা একটি ক্লোজড সিস্টেম বা বন্ধ ব্যবস্থা। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে, এটি আশপাশ থেকেও নিয়মিত নতুন গ্যাসীয় উপকরণ টেনে নিচ্ছে।

সূত্র: সিএমজি

ভারতের ‘মাইকেল জ্যাকসন’, শাড়ি পরে মুনওয়াক

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ০৩:৩২ পিএম
ভারতের ‘মাইকেল জ্যাকসন’, শাড়ি পরে মুনওয়াক
ছবি: সংগৃহীত

ঐতিহ্যবাহী শাড়ি পরে মাইকেল জ্যাকসনের অনুপ্রাণিত নৃত্য পরিবেশন করে সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছেন এক ভারতীয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর। তার নাচের ভঙ্গি, ভারসাম্য এবং সৃজনশীল উপস্থাপনা নেটিজনদের প্রশংসা কুড়িয়েছে।

ভাইরাল ভিডিওতে কনটেন্ট ক্রিয়েটর কোমল কুমারীকে কিং অব পপ মাইকেল জ্যাকসনের জনপ্রিয় গান ‘বিলি জিন’-এর তালে নাচতে দেখা যায়।

তবে এই পরিবেশনাকে বিশেষ করে তুলেছে শুধু তার দক্ষতাই নয়, বরং শাড়ি পরে অত্যন্ত সাবলীলভাবে জটিল নৃত্যভঙ্গিগুলো তুলে ধরার ক্ষমতা।

ভিডিওটিতে একটি মজার নাটকীয় উপস্থাপনাও রয়েছে। সেখানে কল্পনা করা হয়েছে, ২০২৬ সালের সংগীতনির্ভর চলচ্চিত্র ‘মাইকেল’ দেখার পর যদি তার মা হঠাৎ করেই মাইকেল জ্যাকসনের নাচের প্রতি ভীষণ অনুরাগী হয়ে ওঠেন, তাহলে কী ঘটতে পারে।

সঙ্গীত শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই কোমল একের পর এক মাইকেল জ্যাকসন-অনুপ্রাণিত নৃত্যভঙ্গি পরিবেশন করেন। তার পারফরম্যান্সে ছিল নিখুঁত শরীরী অঙ্গভঙ্গি, রোবোটিক পপিং এবং কিংবদন্তিতুল্য ‘মুনওয়াক’। 

শাড়ির ভারী ভাঁজ এবং স্বাভাবিক চলাফেরার সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও তিনি প্রতিটি মুদ্রা অসাধারণ নিখুঁততা ও আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে সম্পন্ন করেছেন।

ভারতীয় ঐতিহ্য ও বিশ্বজনীন পপ সংস্কৃতির এই অভিনব মেলবন্ধন দর্শকদের বিশেষভাবে আকৃষ্ট করেছে। ভিডিওটি প্রকাশের পরই প্রশংসায় ভরে ওঠে মন্তব্যের ঘর। 

অনেকেই নৃত্যশিল্পীর অসাধারণ নিয়ন্ত্রণ, সমন্বয় ও দক্ষতার প্রশংসা করেছেন। তাদের মতে, সাধারণ নাচের পোশাকেও যেসব মুদ্রা পরিবেশন করা কঠিন, শাড়ি পরে সেগুলো করা আরও বেশি চ্যালেঞ্জিং।

আবার অনেকে ভিডিওটির হাস্যরসাত্মক উপস্থাপনারও প্রশংসা করেছেন। তাদের মতে, এই মজার ধারণাটি চিত্তাকর্ষক পারফরম্যান্সে বিনোদনের বাড়তি মাত্রা যোগ করেছে।

কয়েকজন দর্শক রসিকতা করে মন্তব্য করেছেন, স্বয়ং মাইকেল জ্যাকসনও হয়তো এই শ্রদ্ধাঞ্জলিকে সাধুবাদ জানাতেন। 

অন্যদের মতে, এটি বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় পপ সংস্কৃতি এবং ভারতীয় ঐতিহ্যের অনন্য মেলবন্ধনের একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ। সূত্র: এনডিটিভি

অমিয়/

অগ্ন্যুৎপাতে বইছে আগুনের স্রোত, ভাইরাল ভিডিও

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ০১:১৯ পিএম
অগ্ন্যুৎপাতে বইছে আগুনের স্রোত, ভাইরাল ভিডিও
ছবি: সংগৃহীত

রাস্তা জুড়ে যেন বয়ে চলেছে আগুনের স্রোত। দেখে মনে হচ্ছে, কেউ যেন আগুন ধরিয়ে দিয়েছে। তবে সেটি কোনো পানির স্রোত নয়, বরং ফুটন্ত লাভার প্রবাহ। 

গত ১৪ জুন জেগে উঠেছে হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জের কিলাউইয়া আগ্নেয়গিরি। হাওয়াই ভলক্যানোজ ন্যাশনাল পার্কের ভেতরে অবস্থিত এই আগ্নেয়গিরি থেকে নির্গত লাভা আশেপাশের বিস্তীর্ণ এলাকায় ছড়িয়ে পড়েছে। সেই দৃশ্যের ভিডিও এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলমান অগ্ন্যুৎপাত নিয়ে এটি কিলাউইয়ার ৪৯তম অগ্ন্যুৎপাত। 

স্থানীয় সময় রবিবার সকাল ৯টা ৩৬ মিনিটে অগ্ন্যুৎপাত শুরু হয়। আগ্নেয়গিরি থেকে নির্গত লাভার ফোয়ারা প্রায় ৭০০ মিটার উচ্চতায় পৌঁছায়। ঘন কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় আশপাশের এলাকা। 

কর্তৃপক্ষ জানায়, প্রায় সাড়ে সাত ঘণ্টা ধরে অগ্ন্যুৎপাত চললেও লাভা জাতীয় উদ্যানের সীমানার বাইরে ছড়িয়ে পড়েনি। নিরাপত্তার স্বার্থে বর্তমানে পার্কটি সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য বন্ধ রাখা হয়েছে।

ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায়, জ্বালামুখ থেকে অবিরাম বেরিয়ে আসছে গলিত লাভা। চারদিকে ছিটকে পড়ছে আগুনের ফুলকি। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে লাভার প্রবাহ আরও তীব্র ও বিস্তৃত হয়ে উঠছে। একসময় তা নদীর মতো গতিপথ তৈরি করে এগিয়ে যেতে শুরু করে। 

কালো আগ্নেয়ছাইয়ে ঢাকা বিস্তীর্ণ ভূমির ওপর দিয়ে বয়ে চলা উজ্জ্বল কমলা-লাল লাভার স্রোত এবং চারপাশে ছড়িয়ে পড়া ধূসর ধোঁয়ার দৃশ্য প্রকৃতির ভয়ংকর অথচ মোহনীয় রূপকেই তুলে ধরেছে।

‘ফক্স ওয়েদার’ নামের একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে ভিডিওটি পোস্ট করা হয়েছে। 

প্রকাশের পর থেকেই ভিডিওটি ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। অনেকেই প্রকৃতির এই বিরল দৃশ্য দেখে মুগ্ধতা প্রকাশ করেছেন।

এভারেস্টে নিহত পর্বতারোহীর মরদেহ উদ্ধারে ৩০ বছর পর ঐতিহাসিক মিশন

প্রকাশ: ১৬ জুন ২০২৬, ১০:৪৯ এএম
আপডেট: ১৬ জুন ২০২৬, ১১:২২ এএম
এভারেস্টে নিহত পর্বতারোহীর মরদেহ উদ্ধারে ৩০ বছর পর ঐতিহাসিক মিশন
তিন দশক ধরে এভারেস্টের ‘ডেথ জোন’-এ পড়ে থাকা ভারতীয় পর্বতারোহীর মরদেহ, যা পায়ে থাকা সবুজ বুটের কারণে ‘গ্রিন বুটস’ নামে পরিচিত। ছবি: সংগৃহীত

মাউন্ট এভারেস্টের বিপজ্জনক ‘ডেথ জোন’-এ দুর্ঘটনায় নিখোঁজ পর্বতারোহী পুলিশ সদস্য ল্যান্স নায়েক দোর্জে মরুপের মরদেহ উদ্ধারে, নিখোঁজের দীর্ঘ ৩০ বছর পর, নজিরবিহীন এক অভিযানের পরিকল্পনা করছে ভারত সরকার।

অত্যন্ত বিরল ও জটিল এই অভিযানের অংশ হিসেবে তার মরদেহ উদ্ধারের প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে। ১৯৯৬ সালের একটি বিখ্যাত এভারেস্ট অভিযানের সময় তিনি মারা যান, যা পরবর্তী সময়ে এভারেস্টের ইতিহাসের অন্যতম বড় বিপর্যয় হিসেবে পরিচিতি পায়।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইন্দো-তিব্বত বর্ডার পুলিশ (আইটিবিপি) সুউচ্চ পর্বত থেকে মরদেহ উদ্ধারে সক্ষম একটি বিশেষায়িত সংস্থা নিয়োগের জন্য দরপত্র আহ্বান করেছে।

পর্বতারোহণ বিশেষজ্ঞরা এই অভিযানকে ভারতের ইতিহাসে এ পর্যন্ত অন্যতম কঠিন ও ঝুঁকিপূর্ণ মরদেহ উদ্ধার অভিযান হিসেবে বর্ণনা করছেন।

দোর্জে মরুপের মরদেহটি এভারেস্টের উত্তর প্রান্তে, তিব্বতমুখী ঢালে, প্রায় ২৭ হাজার ৭০০ ফুট উচ্চতায়, এভারেস্টের কুখ্যাত ‘ডেথ জোন’-এর গভীরে পড়ে রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই অঞ্চলে অক্সিজেনের মাত্রা এতটাই কম যে মানুষের পক্ষে সেখানে দীর্ঘক্ষণ বেঁচে থাকা প্রায় অসম্ভব।

২০২৬ সালের জুন থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে উদ্ধার অভিযানটি শেষ করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এ জন্য অন্তত ছয়জন অত্যন্ত অভিজ্ঞ নেপালি শেরপার একটি দল ৮ হাজার মিটারেরও বেশি উচ্চতায় আরোহণ করবেন। তারা মরদেহটি উদ্ধার করে পর্বত থেকে নিচে নামিয়ে আনবেন।

উদ্ধারকারী সংস্থাকে তিব্বতে চীনা কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় অনুমতি নিতে হবে, তিব্বত-নেপাল সীমান্ত অতিক্রম করে মরদেহ পরিবহনের ব্যবস্থা করতে হবে এবং দীর্ঘ তিন দশক ধরে হিমাঙ্কের নিচের তীব্র ঠান্ডায় জমে থাকা মরদেহটির সুরক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় আইনি ও প্রযুক্তিগত সব আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে হবে। পুরো মিশনটি ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক রীতি মেনেই পরিচালিত হবে।

১৯৯৬ সালের সেই ভয়াবহ মৌসুমে নিখোঁজ হওয়া আইটিবিপির তিন পর্বতারোহীর মধ্যে মরুপ ছিলেন অন্যতম। তারা তিব্বতের নর্থ ফেস (উত্তর দিক) দিয়ে চূড়ায় ওঠার চেষ্টা করছিলেন। ১৯৯৬ সালের ১০ মে আবহাওয়া খারাপ হতে শুরু করলে ছয় সদস্যের মূল দলের তিনজন ফিরে এলেও সুবেদার তিসেবং সামানলা, ল্যান্স নায়েক দোর্জে মরুপ এবং হেড কনস্টেবল তিসেবং পালজোর চূড়ার দিকে এগিয়ে যান। পরবর্তীতে তারা এক তীব্র তুষারঝড়ের কবলে পড়ে আর ক্যাম্পে ফিরতে পারেননি।

বছরের পর বছর ধরে এভারেস্টের নর্থ-ইস্ট রিজ রুটের একটি গুহার কাছে পড়ে থাকা এই পর্বতারোহীর মরদেহটি অন্যান্য পর্বতারোহীদের জন্য একটি বেদনাদায়ক ‘দিকচিহ্ন’ হয়ে দাঁড়িয়েছে। মরদেহটির পায়ে থাকা উজ্জ্বল সবুজ রঙের বিশেষ পর্বতারোহণের বুটের কারণে এটি পর্বতারোহীদের কাছে ‘গ্রিন বুটস’ নামে পরিচিতি পায়।

এই মরদেহটির প্রকৃত পরিচয় নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিতর্ক রয়েছে। অনেক পর্বতারোহী ও গবেষকের মতে, এটি তিসেবং পালজোরের মরদেহ; আবার অনেকের মতে, এটি দোর্জে মরুপের। তবে আইটিবিপির এই নতুন দরপত্রে ‘গ্রিন বুটস’-এর পাশে সরাসরি মরুপের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এর অর্থ, বাহিনীটি বিশ্বাস করে যে এই বিখ্যাত মরদেহটি তাদের নিখোঁজ ল্যান্স নায়েকেরই।

এভারেস্টের ‘ডেথ জোন’ থেকে মরদেহ উদ্ধার করা পর্বতারোহণের অন্যতম বিপজ্জনক কাজ। এত চরম উচ্চতায় একটি মরদেহকে সামান্য দূরত্বে সরাতেও অনেক শেরপার প্রয়োজন হয়। একই সঙ্গে উদ্ধারকারীদের নিজেদের জীবনও তুষারধস, ঝড় এবং অক্সিজেনের অভাবজনিত কারণে চরম ঝুঁকির মুখে পড়েন।

বর্তমানে পুরো প্রক্রিয়াটি প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে এবং আগামী মাসগুলোর আবহাওয়ার ওপরই নির্ভর করবে অভিযানটি সফলভাবে পরিচালনা করা সম্ভব হবে কি না। তিন দশক পর আইটিবিপির এই সিদ্ধান্তকে শুধু একটি বড় লজিস্টিক চ্যালেঞ্জ হিসেবেই দেখা হচ্ছে না; বরং এটি বিশ্বের সর্বোচ্চ শৃঙ্গে দেশের তেরঙ্গা পতাকা নিয়ে গিয়ে প্রাণ হারানো এক বীর সৈনিকের প্রতি সর্বোচ্চ শ্রদ্ধা নিবেদনের প্রতীক হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে।

থিও/অমিয়/

বিশ্ব বয়োজ্যেষ্ঠ নির্যাতন সচেতনতা দিবস আজ

প্রকাশ: ১৫ জুন ২০২৬, ১০:৪৫ এএম
আপডেট: ১৫ জুন ২০২৬, ১১:৩১ এএম
বিশ্ব বয়োজ্যেষ্ঠ নির্যাতন সচেতনতা দিবস আজ
ছবি: সংগৃহীত

প্রতি বছর ১৫ জুন বিশ্বব্যাপী ‘বিশ্ব বয়োজ্যেষ্ঠ নির্যাতন সচেতনতা দিবস’ পালন করা হয়। ২০০৬ সালে প্রথম আন্তর্জাতিকভাবে দিবসটি শুরু হয় এবং ২০১১ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ এটিকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেয়।

দিবসটির মূল উদ্দেশ্য হলো- পরিবার, সমাজ বা কেয়ার হোমে প্রবীণদের ওপর ঘটে যাওয়া শারীরিক, মানসিক, আর্থিক নির্যাতন ও অবহেলা সম্পর্কে জনসচেতনতা তৈরি করা এবং তাদের অধিকার রক্ষা করা।

কেন এই দিবসটি গুরুত্বপূর্ণ?

লুকানো সামাজিক ব্যাধি: প্রবীণদের প্রতি নির্যাতন প্রায়ই ঘরে বা চেনা মানুষের মাধ্যমে ঘটে থাকে। লোকলজ্জা বা নির্ভশীলতার কারণে মাত্র ২৪ জনের মধ্যে একজন ভুক্তভোগী বিষয়টি প্রকাশ করেন।

পরিসংখ্যান: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যানুযায়ী, ৬০ বছর বা তার বেশি বয়সী প্রতি ছয়জন প্রবীণের মধ্যে একজন কোনো না কোনোভাবে নির্যাতনের শিকার হন। এর মধ্যে মানসিক নির্যাতন এবং আর্থিক শোষণ সবচেয়ে বেশি।

ভবিষ্যৎ ঝুঁকি: ২০৫০ সালের মধ্যে বিশ্বে ৬০ বছরের বেশি বয়সী মানুষের সংখ্যা দ্বিগুণ হয়ে প্রায় ২০০ কোটিতে পৌঁছাবে। সচেতনতা না বাড়লে প্রবীণ নির্যাতনের শিকার মানুষের সংখ্যাও আশঙ্কাজনক হারে বাড়বে। শারীরিক ও যৌন নির্যাতন শরীরে আঘাতের দাগ, ব্যাখ্যাতীত ক্ষত বা হঠাৎ ভয় পাওয়া। মানসিক বা আবেগীয়প্রবীণদের হুমকি দেওয়া, অপমান করা বা সমাজ থেকে আলাদা রাখা।

আর্থিক শোষণজালিয়াতি বা জোর করে প্রবীণের টাকা-পয়সা, সম্পত্তি বা ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ নেওয়া। অবহেলাখাবার, ওষুধ, নিরাপদ বাসস্থান বা প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা না দেওয়া।

সচেতনতা বাড়াতে আমাদের করণীয়: দিবসটি উদযাপনে এবং প্রবীণদের সুরক্ষায় কিছু বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে

বেগুনি রঙের পোশাক পরিধান: বেগুনি হলো এই দিবসের অফিশিয়াল রঙ। এই রঙের পোশাক পরে প্রবীণদের প্রতি সংহতি প্রকাশ করা যায় এবং আলোচনার সুযোগ তৈরি হয়।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার: হ্যাসট্যাগ ব্যবহার করে প্রবীণদের অধিকার ও সুরক্ষার বিষয়ে তথ্য ও সচেতনতামূলক পোস্ট শেয়ার করা।

যোগাযোগ রাখা: একাকীত্ব প্রবীণ নির্যাতনের বড় ঝুঁকি। নিয়মিত প্রবীণ প্রতিবেশীদের খোঁজখবর নেওয়া বা কল করা তাদের সুরক্ষায় সাহায্য করে।

সেবাদানকারীদের পাশে দাঁড়ানো: প্রবীণদের দেখাশোনা করা অনেক সময় মানসিক ও শারীরিকভাবে ক্লান্তিকর। তাই সেবাদানকারীদের সহযোগিতা ও মানসিক সমর্থন দিলে অবহেলার ঝুঁকি কমে। প্রবীণরা আমাদের সমাজের পথপ্রদর্শক। তাদের সম্মান, মর্যাদা এবং সুরক্ষার দায়িত্ব আমাদের সবার।

তামান্না রুপা/অমিয়/

সফল হয়েও অপরাধবোধে ভোগেন? জেনে নিন ১০টি লক্ষণ

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ০৫:৫৭ পিএম
সফল হয়েও অপরাধবোধে ভোগেন? জেনে নিন ১০টি লক্ষণ
ছবি: এআই

বেশিরভাগ মানুষেরই একটি সাধারণ লক্ষ্য থাকে- জীবনে সফল হওয়া। তবে সাফল্যের সংজ্ঞা সবার কাছে এক নয়। কারও কাছে সাফল্য মানে স্বপ্নের চাকরি পাওয়া, কারও কাছে ফিটনেসের লক্ষ্যে পৌঁছানো। আবার কারও কাছে বর্তমান জীবন নিয়ে সন্তুষ্ট থাকা কিংবা একটি পরিচ্ছন্ন, স্বস্তিদায়ক ঘরে ফিরে আসাও সাফল্যের প্রতীক।

আমরা সাধারণত মনে করি, মানুষের নিজের অর্জন নিয়ে গর্বিত হওয়া উচিত। কিন্তু বাস্তবে সব সময় তা ঘটে না। অনেক সময় সাফল্যই তৈরি করে এক অপ্রত্যাশিত মানসিক অবস্থা- ‘সাকসেস গিল্ট’ বা সাফল্যজনিত অপরাধবোধ। 

নিচে এমন ১০টি লক্ষণ তুলে ধরা হলো, যা ইঙ্গিত দিতে পারে যে- নিজের সাফল্য নিয়ে আপনার মধ্যে অপরাধবোধ কাজ করছে।

১) আপনি নিজের কৃতিত্বকে ছোট করে দেখেন

কোনো উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জনের পর তা উদযাপন করা স্বাভাবিক। কিন্তু যদি আপনি নিজের অর্জনকে ভাগ্য, সময় বা কাকতালীয় ঘটনা বলে উড়িয়ে দেন, তাহলে তা সাফল্যজনিত অপরাধবোধের লক্ষণ হতে পারে।

মনোবিজ্ঞানী ড. জেমি লংয়ের মতে, মানুষ স্বভাবগতভাবেই দল বা গোষ্ঠীর সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নিতে চায়। ফলে বন্ধু, পরিবার বা সহকর্মীদের তুলনায় নিজেকে বেশি সফল মনে হলে অনেকে নিজের অর্জনকে ইচ্ছাকৃত ছোট করে দেখান, যাতে অন্যদের থেকে আলাদা মনে না হয়।

২) প্রশংসা গ্রহণ করতে অস্বস্তি বোধ করেন

কোনো সাফল্যের পর ‘দারুণ কাজ’ বা ‘তুমি এর যোগ্য’- এ ধরনের প্রশংসা অনেকের কাছে আনন্দের বিষয়। কিন্তু আপনার কাছে যদি এসব কথা অস্বস্তিকর মনে হয়, তাহলে সেটি সাফল্যজনিত অপরাধবোধের ইঙ্গিত হতে পারে।

আপনার মনে হতে পারে, আপনি হয়তো অতিরিক্ত কৃতিত্ব পাচ্ছেন অথবা অন্যরা আপনাকে অহংকারী ভাববে। ফলে প্রশংসা পাওয়ার পরিবর্তে আপনি বিব্রত বা উদ্বিগ্ন বোধ করেন।

৩) নিজের সাফল্যকে অন্যদের সংগ্রামের সঙ্গে তুলনা করেন

অন্যের কষ্টের প্রতি সহানুভূতিশীল হওয়া অবশ্যই ইতিবাচক গুণ। তবে যদি আপনি সবসময় ভাবেন, অন্যরা একই সুযোগ পেলে আপনার চেয়েও বেশি সফল হতে পারত, তাহলে সেটি অপরাধবোধের লক্ষণ হতে পারে।

নিজের অর্জনকে স্বীকৃতি না দিয়ে আপনি অন্যদের সীমাবদ্ধতা ও সংগ্রামের দিকে মনোযোগ দেন। অথচ অন্যদের বাস্তবতা স্বীকার করা এবং নিজের সাফল্য উদযাপন করা- দুটিই একসঙ্গে সম্ভব।

৪) সাফল্যের জন্য নিজেকে বারবার ব্যাখ্যা করতে হয়

কোনো লক্ষ্য অর্জনের পর অনেকেই আনন্দ করেন। কিন্তু আপনি যদি সবসময় ব্যাখ্যা দিতে শুরু করেন- কত কষ্ট করেছেন, কত ত্যাগ স্বীকার করেছেন কিংবা কতজনের সাহায্য পেয়েছেন- তাহলে এটি সাফল্যজনিত অপরাধবোধের লক্ষণ হতে পারে।

প্রাপ্য কৃতিত্ব অন্যদের দেওয়া ভালো বিষয়। কিন্তু নিজের অর্জনকে বারবার ন্যায্যতা প্রমাণ করার চেষ্টা অনেক সময় ভেতরের অনিশ্চয়তার বহিঃপ্রকাশ।

৫) নিজের সাফল্য নিয়ে কথা বলতে এড়িয়ে চলেন

অনেকেই তাদের অর্জন বন্ধু বা পরিবারের সঙ্গে ভাগাভাগি করতে ভালোবাসেন। কিন্তু আপনি যদি নিজের কৃতিত্বের কথা বলতে সংকোচ বোধ করেন, তাহলে সেটি অপরাধবোধের কারণে হতে পারে।

আপনার মনে হতে পারে, নিজের সাফল্যের কথা বলা মানেই আত্মপ্রচার বা অহংকার। ফলে আপনি অর্জনের বিষয়গুলো গোপন রাখেন, যদিও সেগুলো নিয়ে গর্ব করার যথেষ্ট কারণ রয়েছে।

৬) নিজের উন্নতির সুযোগ নিজেই নষ্ট করেন

একটি লক্ষ্য অর্জন করার অর্থ এই নয় যে, পরবর্তী লক্ষ্য অর্জনের চেষ্টা করা যাবে না। কিন্তু সাফল্য নিয়ে অপরাধবোধ থাকলে মানুষ অনেক সময় আরও এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ থেকেও নিজেকে দূরে সরিয়ে রাখে।

যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও আপনি হয়তো পদোন্নতি, নেতৃত্বের দায়িত্ব বা নতুন চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করতে চান না। কারণ আপনার মনে হতে পারে, এর চেয়ে বেশি চাওয়া স্বার্থপরতা।

৭) অন্য সবার সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নেন

সফল হওয়ার পর অন্যদের সাহায্য করতে চাওয়া স্বাভাবিক। কিন্তু যদি আপনি মনে করেন, অন্যদের সব সমস্যা সমাধান করা আপনার দায়িত্ব, তাহলে তা সাফল্যজনিত অপরাধবোধের লক্ষণ হতে পারে।

আপনি নিজের প্রয়োজনের চেয়ে অন্যদের প্রয়োজনকে বেশি গুরুত্ব দিতে শুরু করেন। এমনকি নিজের জন্য সময় বা অর্থ ব্যয় করলেও অপরাধবোধে ভুগতে পারেন।

৮) বারবার প্রশ্ন করেন, আপনি কি সত্যিই এই সাফল্যের যোগ্য?

নিজের অর্জন নিয়ে ভাবা স্বাভাবিক। কিন্তু বারবার যদি মনে হয় আপনি হয়তো এই সাফল্যের যোগ্য নন, তাহলে সেটি আপনার আত্মমূল্যায়নে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

আপনি নিজের পরিশ্রম, দক্ষতা ও অধ্যবসায়ের চেয়ে ভাগ্য বা অন্যের সহায়তাকেই বেশি গুরুত্ব দেন। ফলে আত্মবিশ্বাস তৈরি হওয়া কঠিন হয়ে পড়ে।

৯) কঠোর পরিশ্রমের ফল উপভোগ করতে পারেন না

কোনো লক্ষ্য অর্জনের পর সাধারণত মানুষ আনন্দ ও তৃপ্তি অনুভব করে। কিন্তু সাফল্য নিয়ে অপরাধবোধ থাকলে সেই আনন্দ উপভোগ করাই কঠিন হয়ে যায়।

এটি অনেক সময় ‘ইম্পোস্টার সিনড্রোম’-এর সঙ্গে সম্পর্কিত। তখন মানুষ মনে করে, তার অর্জন আসলে তার যোগ্যতার ফল নয়; বরং কাকতালীয়ভাবে পাওয়া কোনো সুযোগ। ফলে নিজের সাফল্যে গর্ব করার বদলে সে নিজের সীমাবদ্ধতাগুলোর দিকেই বেশি নজর দেয়।

১০) যা অর্জন করতে পারেননি, সেটাতেই মনোযোগ থাকে

সফলতার পর অনেকেই কিছুটা সময় নিয়ে নিজের অগ্রগতিকে মূল্যায়ন করেন। কিন্তু সাফল্যজনিত অপরাধবোধে ভোগা মানুষ সাধারণত তা করেন না।

তারা যা অর্জন করেছেন তার চেয়ে বেশি ভাবেন, কী অর্জন করা বাকি আছে। একটি লক্ষ্য পূরণ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই নতুন অপূর্ণতার তালিকা সামনে চলে আসে। ফলে যত সাফল্যই আসুক না কেন, তা কখনোই যথেষ্ট বলে মনে হয় না।

শেষকথা

সাফল্য মানুষের আত্মবিশ্বাস, পরিশ্রম ও যোগ্যতার স্বীকৃতি। কিন্তু যখন সেই সাফল্যই অপরাধবোধের কারণ হয়ে দাঁড়ায়, তখন তা মানসিক সুস্থতার পথে বাধা সৃষ্টি করতে পারে। যদি ওপরের লক্ষণগুলোর সঙ্গে নিজের মিল খুঁজে পান, তাহলে মনে রাখা জরুরি- নিজের অর্জনকে স্বীকৃতি দেওয়া অহংকার নয়; বরং আত্মসম্মান ও আত্মমূল্যায়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সূত্র: ইউর টং