ঢাকা ৫ আষাঢ় ১৪৩৩, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
অবশেষে কাটল ভিসা জটিলতা, কানাডায় খেলতে পারবেন ওয়াহি বিশ্বকাপে সহজ ম্যাচ বলে কিছু নেই: ডগলাস সান্তোস বিশ্বকাপে সৌদি আরবের জন্য ভিন্ন নিয়ম পেনাল্টি গোলে চেক প্রজাতন্ত্রকে রুখে দিল দক্ষিণ আফ্রিকা অপ্সরার আন্তর্জাতিক অভিষেক আদালতে আত্মসমর্পণ করতে গিয়ে কারাগারে আওয়ামী লীগ নেতা বাদশা গণপিটুনির শিকার তিন ডিবি সদস্য, উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি মেনে নাও, মেসি সেরা: রোনালদো নাজারিও কেইনের প্রেরণা এমবাপ্পে-হালান্ড কুমিল্লায় ধর্ষণকাণ্ড: গ্রেপ্তার শিবির নেতার পক্ষে দাঁড়ানো দুই এপিপির নিয়োগ বাতিল টাঙ্গাইলে প্রতিমন্ত্রী টুকুর নামে প্রতারণা, গ্রেপ্তার ১ দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে প্রথমার্ধে এগিয়ে চেক প্রজাতন্ত্র টাকার অভাবে রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি অনিশ্চিত, সহায়তার আবেদন রাজবাড়ীতে ৭ বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ নেইমার ভক্তদের জন্য দুঃসংবাদ সাবেক মন্ত্রী হারুণ অর রশীদ অর নেই কুমিল্লায় মাদক মামলায় কারাবন্দি যুবদলকর্মীর মৃত্যু চুয়াডাঙ্গায় বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু হাইতির বিপক্ষে নামার আগে ব্রাজিলকে সুখবর দিল ফিফা ওয়ালটন পিসিবিএ'র রপ্তানি উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি উপদেষ্টা ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে অনুষ্ঠিত হলো গ্লোবাল ইয়ুথ লিডারশিপ কনফারেন্স ভয়ভীতি দেখিয়ে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ, গণপিটুনির শিকার তিন পুলিশ বিশ্বকাপে ৩ ম্যাচ নিষিদ্ধ দক্ষিণ আফ্রিকার মিডফিল্ডার সময় টিভির সাবেক এমডি জোবায়ের কারাগারে কক্সবাজারে রোহিঙ্গাদের সুরক্ষায় ইইউর ১.৪ কোটি ইউরো অনুদান বিশ্বকাপে বড় ধাক্কা খেল আইভরি কোস্ট, কানাডার ভিসা পেলেন না ওয়াহি মাগুরায় নবজাতককে বিক্রি করলেন বাবা পরীমনির প্রেমে জড়িয়ে চাকরি গেল সাকলায়েনের এসএসসি ফল ঘোষণা ২০ জুলাই, জানালেন শিক্ষামন্ত্রী কুড়িগ্রামে ১২ ঘণ্টা পর রেলযোগাযোগ স্বাভাবিক

বাইকে কেন এবিএস ফিচার জরুরি?

প্রকাশ: ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ০৩:৪৯ পিএম
আপডেট: ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ০৩:৫১ পিএম
বাইকে কেন এবিএস ফিচার জরুরি?
এবিএস বা অ্যান্টি লক ব্রেকিং সিস্টেমের প্রতীকী ছবি

বাইক চালানোর আনন্দ অনেকের কাছেই অপরিসীম। তবে এই আনন্দকে ধরে রাখতে বাইকের নিজস্ব কিছু ফিচার খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাইক নির্মাতারা নানা ধরনের আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করছে। এমন একটি প্রযুক্তি হলো এবিএস বা অ্যান্টি লক ব্রেকিং সিস্টেম। বাইক কেনার আগে এবিএস ফিচারটি আছে কি না, তা খুব ভালোভাবে খতিয়ে দেখা উচিত। এবিএস কীভাবে কাজ করে এবং কেন এটি বাইক চালানোর সময় এত গুরুত্বপূর্ণ, সে সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে আজকের আয়োজন।

এবিএস কী এবং কীভাবে কাজ করে?

এবিএস বা অ্যান্টি লক ব্রেকিং সিস্টেম হলো একটি নিরাপত্তাব্যবস্থা, যা বাইকের চাকা লক হয়ে যাওয়া রোধ করে। চাকা স্কিড করা বা পিছলে যাওয়া আটকাতে এই সিস্টেম আনা হয়েছে। এতে ব্রেক করার সময় চাকা লক হয় না, রাস্তা ও চাকার মধ্যকার সংযোগ শক্তি বজায় থাকে। ব্রেক করার সময় হঠাৎ যদি চাকা লক হয়ে যায় তাহলে বাইক পিছলে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলতে পারে। এবিএস এই পরিস্থিতি এড়াতে সাহায্য করে। এটি ব্রেক প্যাড ও ডিস্কের মধ্যকার ঘর্ষণকে নিয়ন্ত্রণ করে চাকাকে ঘুরতে সাহায্য করে। ফলে বাইকের ওপর নিয়ন্ত্রণ বজায় থাকে। এতে দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়।
একটা সময় বাইকে ড্রাম ব্রেক ব্যবহার করা হতো। তবে স্পোর্টস বা অল টেরেন বাইকে নয়, কমিউটার বাইকে। ড্রাম ব্রেকে থাকত ব্রেক শু। ব্রেক চাপলে ব্রেক শু গিয়ে লাগত ড্রামে। ফলে ড্রাম এবং ব্রেক শুর ঘর্ষণে গাড়ি দাঁড়িয়ে যেত। তবে এতে হুইল লকিং নীতি কাজ করে না, ফলে যেকোনো সময় বাইক পিছলে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। পিছলে যাওয়া এড়াতেই চালু হয় অ্যান্টি লক ব্রেকিং সিস্টেম বা এবিএস।

এবিএস ব্রেকিং সিস্টেমের তিনটি অংশ রয়েছে। ইসিইউ কিট, ব্রেক এবং হুইল স্পিড সেন্সর। এটা সাধারণত পেছনের চাকায় থাকে। স্পিড সেন্সরকে এমনভাবে ম্যাপ করা হয়েছে, যা চাকার সম্ভাব্য লক আপ পর্যবেক্ষণ করতে পারে। এই সেন্সর ইলেকট্রনিক কন্ট্রোল ইউনিটের সঙ্গে যুক্ত থাকে, যা চাকাকে কিছুটা দূরত্বে রোল করতে এবং নিয়মিত সময়ের ব্যবধানে লক করে দেয়। এভাবেই এবিএস কাজ করে। সাধারণত ডিস্ক ব্রেকে এবিএস থাকে। ড্রাম ব্রেকে থাকে না।

আগে উচ্চমানের বাস ও গাড়ির মতো বড় যানবাহনে এবিএস ফিচার যোগ করা এতে। তবে এটি রাস্তায় দুর্ঘটনার সংখ্যা বেড়ে যায়। এই পরিস্থিতিতে বাইক নির্মাতারা মোটরসাইকেলে এবিএস প্রযুক্তি ব্যবহার করতে শুরু করেন। এটা ব্যয়বহুল।

এবিএসের সুবিধা

পিছলে যাওয়া রোধ: এবিএসের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো এটি বাইককে পিছলে যাওয়া থেকে রক্ষা করে।

নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা: হঠাৎ ব্রেক করলেও বাইকের ওপর নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতে সাহায্য করে। অনেক বাইকার স্টান্টকে পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছেন। তারা যখন স্টপির মতো স্টান্টের খেলা দেখান তখন এবিএসের গুরুত্ব বোঝা যায়।

দুর্ঘটনা প্রতিরোধ: পিছলে যাওয়া রোধ করে দুর্ঘটনার সম্ভাবনা কমিয়ে দেয়। মটোজিপ রাইডাররা স্লিপার ক্লাচ ব্যবহার করে। তারা যখন একপাশে ঝুঁকে বাইক চালায় তখন এবিএস কার্যকর হয়। তারা ক্রমাগত ব্রেক কষতে থাকে, তবে এবিএস চাকাকে মাটির সঙ্গে ধরে রাখে। পিছলে যাওয়া থেকে বাঁচায়।

ভেজা রাস্তায় নিরাপত্তা: ভেজা রাস্তায় ব্রেক করলেও চাকা লক হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে।

কেন এবিএস জরুরি?

আজকের দিনে রাস্তাঘাটে যানবাহনের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় দুর্ঘটনার ঝুঁকিও বেড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে বাইক চালানোর সময় নিরাপত্তা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এবিএস ফিচারটি আপনার নিরাপত্তার জন্য একটি অতিরিক্ত স্তর যোগ করে। তাই আজই একটি এবিএস সজ্জিত বাইকে আপনার সঙ্গী করে নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন।

পিটারসেন অটোমোটিভ মিউজিয়াম অটোমোবাইল ডেস্ক

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ০৯:১৮ পিএম
পিটারসেন অটোমোটিভ মিউজিয়াম
অটোমোবাইল ডেস্ক
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার লস অ্যাঞ্জেলেসে অবস্থিত পিটারসেন অটোমোটিভ মিউজিয়াম বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ও সমৃদ্ধ গাড়ির জাদুঘর। গাড়ির ইতিহাস, প্রযুক্তিগত অগ্রগতি ও ভবিষ্যতের নকশা দিয়ে সাজানো এই জাদুঘর গাড়িপ্রেমীদের জন্য এক বিস্ময়কর অভিজ্ঞতার সূচনা করে।

১৯৯৪ সালে রবার্ট ই. পিটারসেন ও মার্জি পিটারসেন জাদুঘরটি প্রতিষ্ঠা করেন। রবার্ট ছিলেন একজন বিখ্যাত ম্যাগাজিন প্রকাশক, যিনি মোটরগাড়ি শিল্পের প্রতি খুব আগ্রহী ছিলেন। তাঁদের উদ্দেশ্য ছিল এমন একটি জায়গা তৈরি করা, যেখানে মানুষ গাড়ির প্রতি তাদের ভালোবাসা প্রকাশ করতে পারবে এবং এই শিল্পের ইতিহাস সম্পর্কে জানতে পারবে। মূলত গাড়ির সংস্কৃতি ও প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনের ইতিহাস সংরক্ষণের লক্ষ্যে এটি গড়ে তোলা হয়েছে।

২০১৫ সালে ১২৫ মিলিয়ন ডলার ব্যয়ে এটি আধুনিকায়ন করা হয়, ফলে জাদুঘরটির নকশায় আসে বৈপ্লবিক পরিবর্তন। বর্তমানে এর স্টেইনলেস স্টিলের ঢেউখেলানো বাহ্যিক নকশা গতির প্রতীক হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। এখানে ১০ হাজারের বেশি গাড়ির সংগ্রহ রয়েছে, যা ক্ল্যাসিক গাড়ি থেকে শুরু করে আধুনিক ডিজাইন পর্যন্ত বিস্তৃত।

পিটারসেন অটোমোটিভ মিউজিয়ামে বিভিন্ন ধরনের গাড়ি প্রদর্শন করা হয়, যা অটোমোবাইল শিল্পের ইতিহাস তুলে ধরে। এতে ক্ল্যাসিক গাড়ি, রেসিং কার, মোটরসাইকেল ও কনসেপ্ট কার রয়েছে। এ ছাড়া এখানে বেশ কয়েকটি ইন্টার‌্যাক্টিভ প্রদর্শনীর ব্যবস্থা রয়েছে, যা দর্শকদের অটোমোবাইল শিল্পের বিজ্ঞান সম্পর্কে জানতে সাহায্য করে। এখানে সিনেমা ও টেলিভিশন শো-তে ব্যবহৃত গাড়িগুলো প্রদর্শিত হয়। বিশ্বের বিখ্যাত কিছু রেসিং কার এখানে দেখা যায়। এ শিল্পের একদম শুরুর দিকের ক্ল্যাসিক গাড়িগুলো এখানে রয়েছে। ভবিষ্যৎ গাড়িগুলোর ডিজাইন এখানে প্রদর্শন করা হয়।

পিটারসেন অটোমোটিভ মিউজিয়াম জনসাধারণের মধ্যে অটোমোবাইল শিল্পের ইতিহাস সম্পর্কে শিক্ষা বিস্তারে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। জাদুঘরটি শিশু ও বয়স্কদের জন্য বিভিন্ন শিক্ষামূলক প্রোগ্রাম পরিচালনা করে। এ ছাড়া এখানে একটি গবেষণা গ্রন্থাগার রয়েছে, যা জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত।

বছরজুড়ে পিটারসেন অটোমোটিভ মিউজিয়ামে মাঝে মধ্যে বিশেষ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে কার শো, লেকচার ও ওয়ার্কশপ। এ ছাড়া এখানে কিছু বিশেষ প্রদর্শনী হয়, যা সীমিত সময়ের জন্য দেখানো হয়।

জাদুঘরের সবচেয়ে আকর্ষণীয় অংশ ‘দ্য ভল্ট’, যেখানে ২৫০টিরও বেশি ক্ল্যাসিক, দুর্লভ ও ঐতিহাসিক গাড়ি সংরক্ষিত আছে। গাড়ির অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎকে একত্রে উপস্থাপন করে পিটারসেন অটোমোটিভ মিউজিয়াম বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ গাড়ি সংগ্রহশালা হিসেবে স্বীকৃত। পিটারসেন অটোমোটিভ মিউজিয়াম সপ্তাহের সাত দিনই জনসাধারণের জন্য খোলা থাকে। এটি লস অ্যাঞ্জেলেসের ৬০৬ উইলশায়ার বুলেভার্ডে অবস্থিত।

বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া সিরিজে ইলেকট্রিক বাইক পার্টনার ভি মটো বাংলাদেশ

প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৬, ০৩:৫৩ পিএম
বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া সিরিজে ইলেকট্রিক বাইক পার্টনার ভি মটো বাংলাদেশ
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার চলমান দ্বিপক্ষীয় ক্রিকেট সিরিজে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) অফিশিয়াল ইলেকট্রিক বাইক পার্টনার হিসেবে যুক্ত হয়েছে ভি মটো বাংলাদেশ। মাঠে ক্রিকেটের রোমাঞ্চের পাশাপাশি দেশে পরিবেশবান্ধব ই-মবিলিটি বা বৈদ্যুতিক যানবাহনের ধারণাকে ছড়িয়ে দিতে এই যৌথ উদ্যোগ নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

সিরিজে মাঠের পারফরম্যান্স ও ক্রিকেটারদের অদম্য স্পৃহাকে সম্মান জানাতে বিশেষ পুরস্কারের ঘোষণাও দিয়েছে ভি মটো বাংলাদেশ। চলমান এই সিরিজে বল হাতে দুর্দান্ত নৈপুণ্য দেখিয়ে যে বাংলাদেশি বোলার সর্বোচ্চ উইকেট শিকার করবেন, তাঁকে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে একটি আকর্ষণীয় ইলেকট্রিক বাইক পুরস্কার দেওয়া হবে।

সম্প্রতি এক আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দুই পক্ষের মধ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে ভি মটো বাংলাদেশের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন ভি মটো গ্রুপের দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলের কান্ট্রি ডিরেক্টর মীর ফয়সাল, ভি মটো বাংলাদেশ ও সিমবা মটরস লিমিটেডের চেয়ারম্যান সোহেল বিন আজাদ এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) রাজীব নূর।

অন্যদিকে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন বিসিবির ক্রিকেট অপারেশনস ইনচার্জ ও সাবেক জাতীয় ক্রিকেটার শাহরিয়ার নাফীস এবং মার্কেটিং ও কমার্শিয়াল বিভাগের মো. আসিফুল ইসলাম।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, এই অংশীদারত্বের মাধ্যমে ক্রিকেট মাঠের উৎকর্ষ উদযাপনের পাশাপাশি প্রযুক্তির নিত্যনতুন উদ্ভাবন ও পরিবেশবান্ধব চেতনাকে এগিয়ে নেওয়ার অভিন্ন লক্ষ্য প্রতিফলিত হয়েছে। বাংলাদেশ ক্রিকেটের এই গৌরবময় যাত্রার সঙ্গী হতে পেরে এবং একটি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ও স্মরণীয় সিরিজ উপহার দেওয়ার আশা প্রকাশ করেছে ভি মটো বাংলাদেশ।

অটোমোটিভ উদ্ভাবনে শীর্ষে চীনের বিওয়াইডি

প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৬, ০৩:৩৪ পিএম
অটোমোটিভ উদ্ভাবনে শীর্ষে চীনের বিওয়াইডি
ছবি: সংগৃহীত

বৈশ্বিক অটোমোটিভ উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে জার্মানির বিখ্যাত ভক্সওয়াগেন ও মার্সিডিজ-বেঞ্জকে ছাড়িয়ে শীর্ষস্থান দখল করেছে চীনের নিউ এনার্জি ভেহিকেল উৎপাদক প্রতিষ্ঠান বিওয়াইডি। জার্মানিভিত্তিক স্বনামধন্য গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘সেন্টার অব অটোমোটিভ ম্যানেজমেন্ট (সিএএম)’ প্রকাশিত ‘অটোমোটিভ ইনোভেশনস রিপোর্ট ২০২৬’-এ এই তথ্য জানানো হয়। বৈশ্বিক গাড়ি নির্মাণ শিল্পের দীর্ঘ ইতিহাসে এই প্রথম কোনো চীনা প্রতিষ্ঠান এমন গৌরবময় মাইলফলক অর্জন করল।

প্রতিবেদনের ২২তম সংস্করণে বিশ্বের ৩৬টি বড় অটোমোটিভ গ্রুপের মোট ৮৬৭টিরও বেশি প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনকে মূল্যায়ন করা হয়েছে। সিএএম তাদের নিজস্ব ‘এম.ও.বি.আই.এল’ পদ্ধতির মাধ্যমে এই জটিল মূল্যায়ন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে। এই পদ্ধতিতে অটোমোবাইল উদ্ভাবনগুলোর পরিপক্বতা, মৌলিকত্ব, গ্রাহক উপযোগিতা এবং কার্যকারিতার ওপর ভিত্তি করে স্কোর দেওয়া হয়। চূড়ান্ত ফলাফলে ১৫৭ দশমিক ২ ইনডেক্স পয়েন্ট পেয়ে উদ্ভাবনী সূচকে সবার শীর্ষে জায়গা করে নেয় বিওয়াইডি। অন্যদিকে পূর্ববর্তী চ্যাম্পিয়ন ভক্সওয়াগেন গ্রুপ ১৪৩ দশমিক ১ পয়েন্ট এবং মার্সিডিজ-বেঞ্জ গ্রুপ ১৩৪ দশমিক ২ পয়েন্ট অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।

বিশ্বের সবচেয়ে উদ্ভাবনী অটোমোটিভ গ্রুপ হওয়ার পাশাপাশি ‘মোস্ট ইনোভেশন ভলিউম ব্র্যান্ড ২০২৬’-এর মর্যাদাপূর্ণ স্বীকৃতিও নিজেদের করে নিয়েছে বিওয়াইডি। এই বিশেষ ক্যাটাগরিতে ১০৫-এর বেশি ইনডেক্স পয়েন্ট নিয়ে প্রতিষ্ঠানটি রেনল্ট ও টয়োটার মতো সুপ্রতিষ্ঠিত বৈশ্বিক ব্র্যান্ডগুলোকে সহজে পেছনে ফেলে দিয়েছে। সিএএম-এর প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, উন্নত ব্যাটারি প্রযুক্তি, বৈদ্যুতিক পাওয়ারট্রেন, আধুনিক ইন্টেলিজেন্ট ড্রাইভিং সিস্টেম এবং একাধিক বিশ্বমানের উদ্ভাবনই মূলত বিওয়াইডির এই সাফল্যের মূল চালিকাশক্তি।

পরিবেশবান্ধব ও টেকসই যাতায়াত ব্যবস্থার দিকে বৈশ্বিক রূপান্তরে বিওয়াইডির ক্রমবর্ধমান প্রভাব এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির মাধ্যমে পুনরায় প্রমাণিত হলো। নিজেদের তৈরি ব্লেড ব্যাটারি, ডিএম-আই সুপার হাইব্রিড সিস্টেম এবং অ্যাডভান্সড ড্রাইভার অ্যাসিস্ট্যান্স সিস্টেম বা এডিএএস-এর মতো যুগান্তকারী প্রযুক্তির ক্রমাগত উন্নয়নের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি বিশ্বব্যাপী বৈদ্যুতিক গাড়ির বাজারে সম্পূর্ণ নতুন এক মানদণ্ড তৈরি করছে।

বর্তমানে বৈশ্বিক বাজারের পাশাপাশি বাংলাদেশের বাজারেও বিওয়াইডি তাদের ব্যবসায়িক কার্যক্রম দ্রুত সম্প্রসারণ করছে। সম্প্রতি প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশে দুই ধাপে জমকালো মেগা ডেলিভারি ইভেন্টের মাধ্যমে ক্রেতাদের হাতে সরাসরি ৯০টি পরিবেশবান্ধব আধুনিক গাড়ি হস্তান্তর করেছে। দেশের বাজারে টেকসই ও পরিবেশবান্ধব যাতায়াত ব্যবস্থা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে এই পদক্ষেপকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

/আবরার জাহিন

চীনের পরিবেশবান্ধব গাড়ি রপ্তানি দ্বিগুণ বেড়েছে

প্রকাশ: ০৯ জুন ২০২৬, ০৭:১৩ পিএম
চীনের পরিবেশবান্ধব গাড়ি রপ্তানি দ্বিগুণ বেড়েছে
চীনের অটোমোবাইল শিল্পের প্রবৃদ্ধির প্রধান চালিকাশক্তি এখন রপ্তানি।

চলতি বছরের মে মাসে পরিবেশবান্ধব জ্বালানিচালিত বা পরিবেশবান্ধব যাত্রীবাহী গাড়ি রপ্তানিতে বিশাল সাফল্য দেখছে চীন। দেশটির যাত্রীবাহী গাড়ি সংস্থার (সিপিসিএ) তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের মে মাসের তুলনায় এবার গাড়ি রপ্তানি ১১২.৬ শতাংশ বেড়ে ৪ লাখ ২৪ হাজার ইউনিটে পৌঁছেছে।  
তথ্য অনুযায়ী, এপ্রিলের তুলনায় মে মাসে রপ্তানি বেড়েছে ৪ দশমিক ৪ শতাংশ। একই সময়ে বিদেশে পাঠানো মোট যাত্রীবাহী গাড়ির ৫৪ দশমিক ১ শতাংশই ছিল পরিবেশবান্ধব জ্বালানিচালিত যান, যা এক বছর আগের তুলনায় ৯ দশমিক ৫ শতাংশ পয়েন্ট বেশি।
রপ্তানিকৃত এনইভিগুলোর মধ্যে ব্যাটারিচালিত বৈদ্যুতিক গাড়ির অংশ ছিল ৫৯ দশমিক ৩ শতাংশ। যদিও এক বছর আগে এ হার ছিল ৬৬ দশমিক ১ শতাংশ। 
সিপিসিএ বলেছে, চীনের অটোমোবাইল শিল্পের প্রবৃদ্ধির প্রধান চালিকাশক্তি এখন রপ্তানি। অভ্যন্তরীণ বাজারে তুলনামূলক দুর্বল চাহিদার মধ্যেও চীনা গাড়ি নির্মাতারা লাতিন আমেরিকা ও ইউরোপের মতো বাজারে তাদের উপস্থিতি আরও জোরদার করেছে। এর ফলে মধ্যপ্রাচ্যের কিছু বাজারে চাহিদা কমে যাওয়ার প্রভাব অনেকটাই সামাল দেওয়া সম্ভব হয়েছে এবং রপ্তানির ঊর্ধ্বমুখী ধারা বজায় রয়েছে।
সূত্র: সিএমজি বাংলা 

ওয়েমোর চালকহীন নতুন রোবোট্যাক্সি ‘ওজাই’

প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২৬, ০৫:৩৪ পিএম
ওয়েমোর চালকহীন নতুন রোবোট্যাক্সি ‘ওজাই’
ওয়েমোর তৈরি নতুন রোবোট্যাক্সি ‘ওজাই’। ছবি: সংগৃহীত

চালকহীন গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ওয়েমো তাদের তৈরি নতুন রোবোট্যাক্সি ‘ওজাই’ উন্মুক্ত করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের সান ফ্রান্সিসকো, লস অ্যাঞ্জেলেস ও ফিনিক্সের যাত্রীরা এখন এই স্বয়ংক্রিয় গাড়িতে যাতায়াত করতে পারবেন। প্রাথমিক অবস্থায় নির্দিষ্ট সময়ের জন্য এই সেবা বিনামূল্যে দিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।

বিশেষভাবে তৈরি এই রোবোট্যাক্সি ওয়েমোর জন্য একটি বড় মাইলফলক। এর আগে প্রতিষ্ঠানটি সাধারণ বাণিজ্যিক গাড়িকে রূপান্তর করে চালকহীন হিসেবে ব্যবহার করত। ভ্যান আকৃতির এই গাড়িটি বেশ বড় ও প্রশস্ত। এটি টেসলার ছোট আকারের সাইবার ক্যাবের সম্পূর্ণ বিপরীত, যাতে মাত্র দুজন মানুষ মালামালসহ বসতে পারেন।

চীনের গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ‘জিকর’ ওজাই গাড়িটি তৈরি করেছে। পরবর্তী সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনায় ওয়েমোর নিজস্ব কারখানায় এতে স্বয়ংক্রিয় চালনা প্রযুক্তি যুক্ত করা হয়।

গাড়িটিতে যাত্রীদের বসার জন্য পর্যাপ্ত জায়গা, তিনটি স্ক্রিন এবং চার্জিং পোর্ট রয়েছে। এতে ওয়েমোর ষষ্ঠ প্রজন্মের নতুন চালনা সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়েছে। এই প্রযুক্তির ফলে গাড়িটির ক্যামেরা সেন্সর ২৯টি থেকে কমিয়ে ১৩টিতে আনা সম্ভব হয়েছে। এতে লিডার ও রাডার সেন্সরের সংখ্যাও কমেছে। ফলে প্রতিটি গাড়ি তৈরিতে খরচ পড়ছে ২০ হাজার ডলারের কম।

নতুন সফটওয়্যারের জন্য বরফাবৃত ও ঠাণ্ডা শহরের রাস্তায় গাড়িটি চলতে সক্ষম। এর আগে ওয়েমো কেবল উষ্ণ অঞ্চলের শহরগুলোতে সীমাবদ্ধ ছিল। এই সুবিধার কারণে প্রতিষ্ঠানটি এখন শিকাগো শহরে তাদের সেবা চালুর প্রস্তুতি নিচ্ছে।

বর্তমানে আমেরিকার ১১টি প্রধান শহরে ওয়েমোর স্বয়ংক্রিয় গাড়ি সেবা চালু রয়েছে। ইতোমধ্যে প্রতিষ্ঠানটি ২ কোটিরও বেশি সফল ট্রিপ সম্পন্ন করেছে, যা এই খাতের যেকোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিষ্ঠানের চেয়ে অনেক বেশি।

তবে চলতি মাসের শুরুতে বন্যার পানিতে গাড়ি চলে যাওয়ার কারণে দুটি শহরে ওয়েমো তাদের সেবা সাময়িকভাবে বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছিল। এই ঘটনার পর প্রায় ৪ হাজার গাড়ি ফিরিয়ে নেয় প্রতিষ্ঠানটি।