ঢাকা ১৫ ফাল্গুন ১৪৩০, বুধবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪
Khaborer Kagoj

ঢাবির খেলোয়াড়দের ওপর হামলার পর দুই দলকেই চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা

প্রকাশ: ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ০২:১৭ পিএম
ঢাবির খেলোয়াড়দের ওপর হামলার পর দুই দলকেই চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা

আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের খেলোয়াড়দের ওপর হামলার ঘটনার পর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়কেও চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করা হয়েছে।

সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শেখ কামাল স্টেডিয়ামে ঢাবি বনাম রাবির খেলা চলাকালে এ ঘটনা ঘটে। পরে মানবঢাল তৈরি করে পুলিশি পাহারায় খেলোয়াড়দের মাঠ থেকে সরিয়ে নেয় কর্তৃপক্ষ।

এতে চারজন খেলোয়াড় আহত হয়েছেন বলে দাবি করেছেন ঢাবির কোচ। পরে আলো স্বল্পতার কারণ উল্লেখ করে দুই দলকে যৌথ চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করেন ম্যাচ রেফারি।

হামলায় আহত ঢাবির খেলোয়াড়রা হলেন- সিফাত, ইমন, তূর্য এবং রোকন। তারা সবাই রাজশাহীর ল্যাবএইড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

প্রত্যক্ষদর্শী, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, সোমবার দুপুরে আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনালে স্বাগতিক রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মুখোমুখি হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। টসে জিতে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেয় রাবি। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৪৯ রান করে ঢাবি। জবাবে খেলতে নেমে দারুণ সূচনা করে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় দল। খেলা ১৩ ওভার চলাকালে এলবিডব্লিউর সিদ্ধান্ত নিয়ে আম্পায়ারের সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে পড়েন ঢাবির খেলোয়াড়রা। পরে কয়েকজন খেলোয়াড় মাঠ ছেড়ে চলে যান। এ সময় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কোর বোর্ডে ১ উইকেটের বিনিময়ে ৯৭ রান। পরে দুই দলের কোচ ও শিক্ষকদের হস্তক্ষেপে ফের খেলা শুরু হয়। 

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে আরও জানা যায়, ১৮ ওভার শেষে ৭ উইকেটের বিনিময়ে রাবির সংগ্রহ দাঁড়ায় ১৩০ রান। পরের ওভারে বল করতে আসেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পেস বোলার তূর্য। তার করা একটি বলে লং অনের ওপর দিয়ে উড়িয়ে মারেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ব্যাটার। বলটি বাউন্ডারি লাইনে ড্রাইভ দিয়ে তালুবন্দি করেন ঢাবির খেলোয়াড় সাকিব। আউট হয়েছে কি না সেই সিদ্ধান্ত দেওয়ার আগে মাঠে ঢুকে পড়েন রাবি শিক্ষার্থীরা। এ সময় তারা ঢাবির খেলোয়াড়দের ওপর হামলা করেন। হামলায় কয়েকজন ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীকেও অংশ নিতে দেখা যায়।

পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যসহ প্রশাসন ও শাখা ছাত্রলীগের শীর্ষনেতাদের সহযোগিতায় ঢাবির খেলোয়াড়দের প্যাভিলিয়নে নিয়ে আসা হয়। এ সময় দুই পক্ষের সঙ্গে কথা বলেন ম্যাচ রেফারি ও আম্পায়াররা। পরে আলো স্বল্পতার কারণ উল্লেখ করে দুই দলকে যৌথ চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করেন ম্যাচ রেফারি।

পরে মানবঢাল তৈরি করে পুলিশি পাহারায় খেলোয়াড়দের মাঠ থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়। ঢাবির খেলোয়াড়রা মাঠ ছাড়ার সময় রাবি শিক্ষার্থীদের ‘রাবি-ঢাবি ভাই ভাই, ভয়ের কোনো কারণ নাই’ স্লোগান দিতে দেখা যায়।

এদিক হামলার ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য অধ্যাপক গোলাম সাব্বির সাত্তার বলেন, আমরা নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে প্রথমে শিক্ষার্থীদের জন্য গ্যালারিতে বসার ব্যবস্থা করেছিলাম। আমরা তাদের মাঠে প্রবেশ করতে নিষেধ করেছিলাম কিন্তু শিক্ষার্থীরা গেট ভেঙে মাঠে ঢুকে পড়ে। হামলার ঘটনাটি অনাকাঙ্ক্ষিত। তবে কারা এই হামলার ইন্ধন দিয়েছে বিষয়টি জানতে ইতোমধ্যে তদন্ত কমিটি গঠন করেছি। প্রতিবেদন পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তদন্ত কমিটি :
হামলার ঘটনায় তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক হুমায়ুন কবিরকে আহ্বায়ক করা হয়েছে। কমিটির অন্য দুই সদস্য হলেন- জিয়া হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক সুজন সেন এবং শারীরিক শিক্ষা ও ক্রীড়াবিজ্ঞান বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মোহাম্মদ আলী।

এসআই সুমন/জোবাইদা/অমিয়/

ঢাবিতে খুদে শিক্ষার্থীদের ডেমো রকেটের ওপর কর্মশালা

প্রকাশ: ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ০৯:১৭ পিএম
ঢাবিতে খুদে শিক্ষার্থীদের ডেমো রকেটের ওপর কর্মশালা
ছবি : খবরের কাগজ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) দিনব্যাপী নানা আয়োজনে খুদে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে ডেমো রকেট বানানোর ওপর কর্মশালা এবং প্রথমবারের মতো ওয়াটার রকেট উৎক্ষেপণ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের আইটি সোসাইটির উদ্যোগে ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রে (টিএসসি) স্পেসভার্স ১.০ উৎসবে ওই কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। এ ছাড়া মহাকাশ ও মহাকাশ অর্থনীতি, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সসহ বিভিন্ন বিষয়ের ওপর আয়োজন ছিল ওই উৎসবে। এতে অংশ নেয় বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

উৎসবের সমাপনী অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল স্পেসভার্স ১.০ উৎসবের আয়োজকদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ‘খুদে শিক্ষার্থীরা তথ্যপ্রযুক্তি ও জ্ঞান-বিজ্ঞানে নিজেদের সমৃদ্ধ করার মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বপ্নের স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য নিজেদের প্রস্তুত করবে। যে জাতির জ্ঞান-বিজ্ঞানে নিজস্ব উদ্ভাবন রয়েছে, সে জাতিই বিশ্বে সব ক্ষেত্রে নেতৃত্ব দেয়। আমাদের শিক্ষার্থীরা মৌলিক গবেষণা ও নতুন নতুন আবিষ্কারের মাধ্যমে বিশ্বে বাংলাদেশকে নেতৃত্বের আসনে আসীন করবে, সেটিই প্রত্যাশা রাখি।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আইটি সোসাইটির সভাপতি মোহাইমিনুল হক মীমের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক নিয়াজ উদ্দীন ভূঁইয়া নবীনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে আইটি সোসাইটির মডারেটর অধ্যাপক ড. এ জে এম শফিউল আলম ভূঁইয়া এবং উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. কাজী মোহাইমিন আস সাকিব উপস্থিত ছিলেন।

শাবিপ্রবির অর্থনীতি বিভাগের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মিলনমেলা

প্রকাশ: ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ০৭:২৬ পিএম
শাবিপ্রবির অর্থনীতি বিভাগের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মিলনমেলা
ছবি : খবরের কাগজ

বয়স যতই হোক, প্রিয় ক্যাম্পাস ও বন্ধুদের সংস্পর্শ যেন সবাইকে সেই শিক্ষার্থীজীবনে ফিরে নিয়ে যায়। গত ২৩ ফেব্রুয়ারি এই চিত্রই ফুটে উঠেছিল সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) অর্থনীতি বিভাগের অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের দ্বিতীয় পুনর্মিলনীতে। 

এ উপলক্ষে ক্যাম্পাসকে সাজানো হয়েছিল বর্ণিল সাজে। দলে দলে প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে জমিয়েছেন আড্ডা, করেছেন স্মৃতিচারণ, সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী-সন্তানরাও। 

শুধু দেশের বিভিন্ন স্থান থেকেই নয় বিভিন্ন দেশ থেকেও এই পুনর্মিলনীতে ক্যাম্পাস ও বন্ধুদের টানে যোগ দিয়েছেন প্রাক্তনরা।

শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের ডি বিল্ডিংয়ের সামনে বেলুন ও কবুতর উড়িয়ে দুই দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমদ।

২৩ ও ২৪ ফেব্রুয়ারি (শুক্র ও শনিবার) দুই দিনের এই মিলনমেলাকে ঘিরে চলে নানা আয়োজন। 

অনুষ্ঠানের প্রথমদিন শোভাযাত্রা, আলোচনাসভা, প্রয়াত শিক্ষার্থীদের স্মরণে ক্যাম্পাসে বৃক্ষরোপণ, প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের স্মৃতিচারণ এবং সব শেষে সন্ধ্যা ৬টা থেকে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও বাউল সন্ধ্যার আয়োজন করা হয়। 

দ্বিতীয় দিন প্রাক্তন শিক্ষার্থী এবং তাদের সন্তানদের নিয়ে বিভিন্ন ক্রীড়া প্রতিযোগিতা এবং পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। 

সবশেষে সমাপনী অনুষ্ঠান ও ভয়েজ অব মাইলসের কনসার্টের মাধ্যমে শেষ হয় মিলনমেলা।

অর্থনীতি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোসলেহ উদ্দিন খুশবু বলেন, ‘আমাদের এই পুনর্মিলনীতে দেশ এবং দেশের বাইরে থেকে অসংখ্য অ্যালামনাই অংশ নিয়েছেন। আমাদের এ মিলনমেলায় সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি বিভাগের সকল শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং শাবিপ্রবি অর্থনীতি সমিতির সকল সদস্যদের।

এ ছাড়াও যারা শ্রম ও মেধা দিয়ে পুনর্মিলনী সফল করতে অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।’

পুনর্মিলন উদযাপন কমিটির সদস্যসচিব অধ্যাপক ড. মাহবুবুল হাকিম বলেন, ‘অনেকদিন পর আমার সিনিয়র, সহপাঠী, জুনিয়র এবং একজন শিক্ষক হিসেবে আমার অনেক পুরনো শিক্ষার্থীদের সঙ্গে দেখা হয়েছে। যা আমার জন্য অনেক বড় পাওয়া।’

পুনর্মিলনীকে প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের সেতুবন্ধন বলে মনে করেন অর্থনীতি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক জহীর উদ্দিন আহমেদ। 

তিনি বলেন, ‘এই পুনর্মিলন বিভাগ ও শিক্ষার্থী সবার জন্যই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ বর্তমান চাকরির বাজারের পরিপ্রেক্ষিতে শিক্ষার্থীদের এখান থেকে পড়ালেখা শেষে কর্মসংস্থানের দিক নির্দেশনার প্রয়োজন হয়। তারা এখান থেকে বের হয়ে যদি জানতে পারে সিনিয়ররা কে কোথায় আছেন তাহলে তারা তাদের কাছ থেকে পরামর্শ এবং সাহায্য চাইতে পারে। এই পরিচয়টা ঘটানোর জন্য পুণর্মিলন আয়োজন করা দরকার’

ইসফাক আলী/অমিয়/

ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী শিক্ষার্থীদের পিঠা উৎসব

প্রকাশ: ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১২:০১ পিএম
ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী শিক্ষার্থীদের পিঠা উৎসব

ছবি মানুষকে ভাবায় এবং ভালোবাসার জন্ম দেয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্মুক্ত প্রাঙ্গণে নিজেদের সংস্কৃতি ও জীবনযাত্রার নানা দিক তুলে ধরতে ছবি প্রদর্শনীর পাশাপাশি পিঠা উৎসবের আয়োজন করেছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘আদিবাসী’ ছাত্র সংসদ।

সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাডমিন্টন কোর্টে এই আয়োজন করেন তারা। এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছবি প্রতিযোগিতার আয়োজন করে সংগঠনটি। যেখানে দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। সেখান থেকে বাছাই করা প্রায় অর্ধশতাধিক ছবি দিয়ে নিজেদের অর্থায়নে এই প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়।

প্রদর্শনীতে পাহাড়ি নৈসর্গিক সৌন্দর্যের পাশাপাশি সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর জীবনচরিত তুলে ধরা হয়েছে। প্রদর্শনীতে জীবিকার তাগিদে মা কাঁধে ঝুড়ি নিয়ে পাহাড়ে উঠছেন, অসুস্থ বৃদ্ধাকে পাড়ার যুবারা দুর্গম পথ পাড়ি দিয়ে হাসপাতালে নিয়ে যাচ্ছেন। এ ছাড়া কেউ বেইন বুনছে (এক জাতীয় রঙিন কাপড়), কেউ দাবা টানছে (ধূমপান করা), কেউবা নৃত্য করছে- এ রকম ছবি স্থান পায়।

ছবি প্রদর্শনী ছাড়াও ছিল ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের মুখরোচক খাবার পাহাড়ি মোকাম (ভুট্টা), ওয়ান পুংজাক (কালো বিন্নি চালের পিঠা), মাইছি (কাউন চালের নাশতা), তাইফং সংজাত (রান্না করা কাঠাল), বার্মিজ নুডলস, শিমুল আলু, পাহাড়ি রান্না করা মুরগি ও ব্যাম্বু চিকেন ইত্যাদি। এ ছাড়া একটি স্টলে ছিল বিভিন্ন নকশা ও সুতায় তৈরি চাকমাদের ঐতিহ্যবাহী পোশাক পিনোন-হাদি, পুঁতির মালা ও ঐতিহ্যবাহী অলংকার। 

সংগঠনটির সভাপতি ইতু চাকমা বলেন, ভাষা সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাই ভাষার মাসে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সংস্কৃতির সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের মেলবন্ধন তৈরি করতে এই আয়োজন। আমাদের সংস্কৃতি অন্যদের থেকে ব্যতিক্রম। এটি নিয়ে অনেকের মধ্যে ভ্রান্ত ধারণা রয়েছে। তাই আমরা এই ধরনের আয়োজনের মধ্য দিয়ে সঠিক ধারণা দিতে চাই।

‘আদিবাসী’ ছাত্রসংসদের উপদেষ্টা প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ সোহরাব উদ্দীন বলেন, মানুষ তখনই একজন মানুষকে আপন করে নেয়, যখন তার সঙ্গে কোনো সুখস্মৃতি তৈরি হয়। তাই আমরা পাহাড়ি খাবারের পাশাপাশি ছবি প্রদর্শনীর ব্যবস্থা করেছি। যেন প্রদর্শিত ছবি দেখে শিক্ষার্থীরা ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের খাদ্যাভ্যাসের সঙ্গে পরিচিত হতে পারেন। এখন থেকে প্রতি বছর এ ধরনের আয়োজন করব। আশা করি এই ধরনের আয়োজন সবার মধ্যে সম্প্রীতির মেলবন্ধন তৈরি করবে।

লেখক প্রদায়ক

কলি

আইসিসিআরের শিক্ষাবৃত্তি

প্রকাশ: ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১১:৫৫ এএম
আইসিসিআরের শিক্ষাবৃত্তি

ভারতে উচ্চশিক্ষার জন্য বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের কাছে জনপ্রিয় বৃত্তি হচ্ছে আইসিসিআর বৃত্তি। ইন্ডিয়ান কাউন্সিল ফর কালচারাল রিলেশনস (আইসিসিআর) বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের এই বৃত্তি দিয়ে থাকে। ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে বৃত্তির জন্য আবেদন গ্রহণ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে।

আবেদনের বয়সসীমা

বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা মেডিসিন, প্যারামেডিকেল, ফ্যাশন, আইন ইত্যাদি কোর্স বাদে ভারতের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে অন্যান্য প্রোগ্রামে বৃত্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন। স্নাতক ও মাস্টার্সে পড়ার জন্য আবেদনকারীর বয়স ১৮ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে হতে হবে। পিএইচডি করতে শিক্ষার্থীদের সর্বনিম্ন বয়সসীমা ৪৫। ভর্তির পর শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের হোস্টেলে থাকার সুযোগ পাবেন।

আবেদনের যোগ্যতা

* শিক্ষার্থীকে ইংরেজিতে দক্ষতা প্রমাণের জন্য ৫০০ শব্দের একটি প্রবন্ধ লিখতে হবে। প্রার্থীরা টোয়েফল, আইইএলটিএসের স্কোরও জমা দিতে পারেন। যদিও তা বাধ্যতামূলক নয়।

* এসএসসি ও এইচএসসির নম্বরপত্র ওয়েবসাইটে আপলোড করতে হবে। আবেদনের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ইংরেজিতে না থাকলে ইংরেজিতে অনুবাদ করে জমা দিতে হবে। অনুবাদ ছাড়া কাগজপত্র গ্রহণ করা হবে না। আইসিসিআর বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের বার্ষিক ন্যূনতম ৫ লাখ ভারতীয় রুপি বা ৬ হাজার ৮০০ মার্কিন ডলারের মেডিকেল বিমা করা বাধ্যতামূলক। প্রতি বছর বাংলাদেশের প্রায় ২০০ মেধাবী শিক্ষার্থী এই বৃত্তির মাধ্যমে পড়ার সুযোগ পান। তাদের মধ্যে স্নাতক পর্যায়ে ১৪০, স্নাতকোত্তর পর্যায়ে ৪০ ও পিএইচডিতে ২০ জন।

এ ছাড়া আইসিসিআরের অধীন ‘লতা মঙ্গেশকর ডান্স অ্যান্ড মিউজিক স্কলারশিপ’ নামেও একটি স্কিমের আওতায় শিক্ষার্থীদের বৃত্তি দেওয়া হবে। এই বৃত্তির আওতায় শিক্ষার্থীরা স্নাতক, স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি প্রোগ্রামের জন্য আবেদন করতে পারবেন।

বৃত্তির সুযোগ-সুবিধা

 * আবেদন করার জন্য শিক্ষার্থীদের কোনো ফি লাগবে না;

 * শিক্ষার্থীদের কোনো টিউশন ফি দিতে হবে না;

 * কোর্স অনুসারে শিক্ষার্থীরা প্রতি মাসে স্টাইপেন্ড পাবেন। স্নাতকে ১৮ হাজার রুপি, স্নাতকোত্তরে ২০ হাজার রুপি ও পিএইচডির

    জন্য ২২ হাজার রুপি পাবেন;

  * শিক্ষার্থীরা আবাসন খরচ বাবদ প্রতি মাসে সর্বোচ্চ ৬ হাজার ৫০০ রুপি পাবেন;

  * শিক্ষার্থীরা চিকিৎসাসহ অন্যান্য সুবিধা পাবেন।

আবেদনের শেষ তারিখ: ৩০ এপ্রিল ২০২৪।

ওয়েবসাইট: https://www.shed.gov.bd/

কলি

শের-ই-বাংলা স্কুল অ্যান্ড কলেজে শহিদ দিবস পালন

প্রকাশ: ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১১:৪৬ এএম
শের-ই-বাংলা স্কুল অ্যান্ড কলেজে শহিদ দিবস পালন

শের-ই-বাংলা স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রাঙ্গণে যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপিত হয়েছে মহান শহিদ দিবস এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস।

স্বতঃস্ফূর্তভাবে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা প্রভাতফেরিতে অংশগ্রহণ এবং শহিদ মিনারের বেদিতে ফুল অর্পণ করেন। প্রভাতফেরিতে প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ, শিক্ষক-শিক্ষিকা ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন পরিচালনা পর্ষদের সদস্যরা।

কলি