আত্মপ্রকাশের চার দিনের মাথায় বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) শাখার উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রে (টিএসসি) ৩০০-৪০০ শিক্ষার্থীকে নিয়ে গণ-ইফতার কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। শুভাকাঙ্ক্ষী আর গণ-চাঁদার মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ করে এ আয়োজন করা হয় বলে দাবি আয়োজকদের।
রবিবার (২ মার্চ) ঢাবির টিএসসি মাঠে এই গণ-ইফতারের আয়োজন করা হয়। ইফতারের আগে সংগঠনটির পক্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের মধ্যে মেসওয়াক বিতরণ করা হয়। এ ছাড়া হামদ ও নাতে রাসূল (সা.) পরিবেশন এবং জুলাই অভ্যুত্থানে শহিদ ও আহতদের স্মরণে দোয়া করা হয়।
ইফতারের আগে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক আবু বাকের মজুমদার।
তিনি বলেন, ‘গত বছর শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ইফতারে বাধা দেওয়ার পর আমরা পায়রা চত্বরে গণ-ইফতার করেছিলাম। এ বছর সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখে এই আয়োজন করা হয়েছে। আজকের ইফতারে আমাদের ধারণার চেয়েও বেশি শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছেন।’
ইফতারের আয়োজনে আর্থিক জোগান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমাদের ইফতারের খরচ শুভাকাঙ্ক্ষী এবং গণ-চাঁদার মাধ্যমে সংগ্রহ করা হয়েছে।’
ঢাবি আহ্বায়ক আব্দুল কাদের বলেন, ‘গত বছর বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী আমাদের গণ-ইফতারে অংশ নিয়ে স্বৈরাচারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন। আমরা চাই, ইসলামফোবিয়ার বিস্তার না ঘটুক বরং ইফতারের মাধ্যমে সম্প্রীতির পরিবেশ বজায় থাকুক।’
প্রসঙ্গত, গত শনিবার টিএসসিতে গণ-ইফতারের ঘোষণা দেয় নতুন ছাত্রসংগঠনটি। গত বছর সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবিপ্রবি) এবং নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) ইফতার পার্টির ওপর ‘বিধিনিষেধ’ আরোপের প্রতিবাদে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ে গণ-ইফতার কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।