ঢাকা ৩ আষাঢ় ১৪৩৩, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
লিওনেল মেসির হ্যাটট্রিকে আলজেরিয়ার বিপক্ষে আর্জেন্টিনার ৩-০ গোলের জয় সিরাজগঞ্জে ট্রাকচাপায় ট্রাফিক পুলিশ নিহত কালুখালীতে অগ্নিদগ্ধ মরদেহ: মূল পরিকল্পনাকারীসহ গ্রেপ্তার ৩ ওমরাহ যাত্রীদের অর্থ আত্মসাৎ: দুই পীরজাদার বিরুদ্ধে মামলা নগরকান্দা উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতার পদত্যাগ ধামরাইয়ের কালামপুর সাব-পোস্ট অফিস: নাক-মুখ চেপে নিতে হয় সেবা বিশ্বমঞ্চে মেসির প্রথম হ্যাটট্রিক, ক্লোসাকে ছুঁয়ে বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতা! স্বপ্ন ছোঁয়ার শেষ মিশনে রোনালদো নারায়ণগঞ্জে পদ্মার উড়াল সেতুর পিলারের মাটি গেছে শ্রমিক লীগ নেতার ভাটায় বাকৃবিতে নজর কাড়ছে পেলে-ম্যারাডোনার গ্রাফিতি জাল ভিসায় ইউরোপে মানব পাচারের অভিযোগ জিআই স্বীকৃতি পেল মানিকগঞ্জেরঐতিহ্যবাহী হাজারি গুড় টি-টোয়েন্টি সিরিজে আত্মবিশ্বাসী বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি অর্থনীতি ধ্বংসের বোমা: ফরিদা আখতার প্রায় ৫ বছর মেয়াদোত্তীর্ণ ইবি ছাত্রদল কমিটি পবিত্র আশুরা ২৬ জুন জলবায়ু পরিবর্তনের কবলে ব্রহ্মপুত্র কমবে পানি, বাড়বে খরার ঝুঁকি দুই বছরেও চালু হয়নি খুবির বধ্যভূমি জাদুঘর, তালাবদ্ধ ইতিহাসের সাক্ষী ১৭ জুন: তুলা, বৃশ্চিক, ধনু, মকর, কুম্ভ ও মীনের আজকের রাশিফল মেসির জোড়া গোলে এগিয়ে আর্জেন্টিনা শিশু-কিশোরদের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে বিধিনিষেধ সময়ের দাবি ১৭ জুন: মেষ, বৃষ, মিথুন, কর্কট, সিংহ ও কন্যার আজকের রাশিফল উজবেকিস্তান-কলম্বিয়া: স্বপ্ন বনাম প্রত্যাবর্তন কর্মসংস্থানের রূপরেখা বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন জ্যোতিদের প্রতিপক্ষ আজ অস্ট্রেলিয়া এবার কত দূর যাবে পর্তুগাল? ঘানা-পানামা: বাঁচা-মরার শুরু ১৭ জুন  ২০২৬ তারিখের নামাজের সময়সূচি আলজেরিয়ার বিপক্ষে আর্জেন্টিনার একাদশে আছেন যারা হালান্ডের জোড়া গোল, বিশ্বকাপে উড়ন্ত সূচনা নরওয়ের
Nagad desktop

জাবিতে কাল থেকে শুরু ভর্তিযুদ্ধ, আসন প্রতি লড়বেন ১১৯ জন

প্রকাশ: ২০ ডিসেম্বর ২০২৫, ১০:২০ পিএম
জাবিতে কাল থেকে শুরু ভর্তিযুদ্ধ, আসন প্রতি লড়বেন ১১৯ জন
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) আগামীকাল রবিবার সকাল থেকে শুরু হবে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের ভর্তিযুদ্ধ। 

আগামীকাল ‘সি’ ইউনিটের (কলা ও মানবিক অনুষদ, আইন অনুষদ ও তুলনামূলক সাহিত্য ও সংস্কৃতি ইনস্টিটিউট) পরীক্ষা দিয়ে ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক প্রথম বর্ষ (সম্মান) ভর্তি পরীক্ষা শুরু। 

এবারে সাত ইউনিটের ১ হাজার ৮৪২ টি আসনের বিপরীতে ভর্তি পরীক্ষার জন্য আবেদন করেছেন মোট ২ লাখ ১৯ হাজার ৩৯৯ জন শিক্ষার্থী। এতে আসন প্রতি প্রায় ১১৯ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় বসবেন।

শনিবার (২০ ডিসেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ভর্তি পরিচালনা কমিটির সচিব ও ডেপুটি রেজিস্টার (শিক্ষা) সৈয়দ মোহাম্মদ আলী রেজা এই তথ্য জানিয়েছেন।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ‘ডি’ ইউনিটে অন্তর্ভুক্ত জীববিজ্ঞান অনুষদে সবচেয়ে বেশি ৩১০ আসনের বিপরীতে ৭০ হাজার ২২০ জন শিক্ষার্থী আবেদন করেছেন। শুধুমাত্র ‘ডি’ ইউনিটে আসন প্রতি লড়বেন ২২৬ জন। 

এছাড়া ‘এ’ ইউনিটে (গাণিতিক ও পদার্থ বিষয়ক অনুষদ) আবেদন করেছেন ৬০ হাজার ৩৫১ জন ভর্তিচ্ছু। ‘এ’ ইউনিটে মোট আসন সংখ্যা ৪২৬টি। ‘বি’ ইউনিটে (সমাজবিজ্ঞান অনুষদ) ৩২৬ আসনের বিপরীতে আবেদন পড়েছে ২০ হাজার ৫৮৩টি। ‘সি’ ইউনিটে (কলা ও মানবিক অনুষদ, আইন অনুষদ ও তুলনামূলক সাহিত্য ও সংস্কৃতি ইনস্টিটিউট) ৪৬৬ আসনের বিপরীতে আবেদন পড়েছে ৪৭ হাজার ৪৯৭টি। ‘ই’ ইউনিটের অন্তর্ভুক্ত ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের মোট ২০০ আসনের বিপরীতে আবেদন করেছেন ১১ হাজার ৬১২ জন শিক্ষার্থী।

এছাড়া ‘আইবিএ-জেইউ’তে স্বতন্ত্রভাবে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এতে ৫০ আসনের জন্য আবেদন পড়েছে ৫ হাজার ৪১১ টি। নাটক ও নাট্যতত্ত্ব এবং চারুকলা নিয়ে স্বতন্ত্র ‘সি১’ ইউনিটে সবচেয়ে কম আবেদন পড়েছে। এ আসনে মোট ৬৪ আসনের বিপরীতে আবেদন করেছেন ৩ হাজার ৭২৫ জন শিক্ষার্থী।

বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা অফিস সূত্রে জানা যায়, ভর্তি পরীক্ষায় সার্বিক নিরাপত্তার জন্য প্রক্টর অধ্যাপক এ কে এম রাশিদুল আলমকে সভাপতি করে ৪৪ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে। এছাড়া ২৫০ জন পুলিশ, ৬০ জন আনসার, ট্রাফিক পুলিশ এবং গোয়েন্দা বাহিনীর সদস্যরা মোতায়েন থাকবেন। যেকোনো ধরনের জরুরি চিকিৎসা ব্যবস্থার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাম্বুলেন্স এবং মেডিকেল টিম মোতায়েন থাকবেন।

আমানউল্লাহ/মাহফুজ 

বাকৃবিতে নজর কাড়ছে পেলে-ম্যারাডোনার গ্রাফিতি

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ০৯:০৫ এএম
আপডেট: ১৭ জুন ২০২৬, ০৯:১৪ এএম
বাকৃবিতে নজর কাড়ছে পেলে-ম্যারাডোনার গ্রাফিতি
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহজালাল হলের কমন রুমের দেয়ালে আঁকা হয়েছে ফুটবলের দুই কিংবদন্তি পেলে ও ডিয়েগো ম্যারাডোনার গ্রাফিতি। ছবি: খবরের কাগজ

আমেরিকা, কানাডা ও মেক্সিকোতে শুরু হয়েছে ফুটবল বিশ্বকাপের ২৩তম আসর। প্রায় ১৩ হাজার কিলোমিটার দূরে অনুষ্ঠিত এই মহাযজ্ঞের উন্মাদনা ছড়িয়ে পড়েছে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) ক্যাম্পাসে। তবে শুধু বর্তমান সময়ের তারকা লিওনেল মেসি ও নেইমার জুনিয়র নন, ফুটবল ইতিহাসের দুই কিংবদন্তি পেলে ও ম্যারাডোনার গ্রাফিতি এঁকে বিশ্বকাপ উন্মাদনায় ভিন্নমাত্রা যোগ করেছেন বাকৃবির শিক্ষার্থীরা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহজালাল হলের কমন রুমের দেয়ালে ফুটবল কিংবদন্তি ডিয়েগো ম্যারাডোনার প্রতিকৃতি অঙ্কন করেছেন ভেটেরিনারি অনুষদের স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থী রেজওয়ানুল হক শান্ত। অন্যদিকে ব্রাজিলের কিংবদন্তি পেলের প্রতিকৃতি এঁকেছেন পশুপালন অনুষদের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ইমতিয়াজ ফারাবি।

মেসি-নেইমারদের পাশাপাশি পেলে-ম্যারাডোনার গ্রাফিতি বাকৃবির বিশ্বকাপ উন্মাদনায় এনেছে ভিন্ন আমেজ। গ্রাফিতিগুলো দেখতে ও ছবি তুলতে প্রতিদিনই বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহজালাল হলে ভিড় করছেন বিভিন্ন হলের শিক্ষার্থীরা।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, শুধু শাহজালাল হল নয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের মওলানা ভাসানী হল, সোহরাওয়ার্দী হল এবং ঈশা খাঁ হলের দেয়ালেও ফুটে উঠেছে বিশ্বকাপের নানা রং। কোথাও জাতীয় পতাকা, কোথাও বিশ্বকাপ ট্রফি, আবার কোথাও বর্তমান তারকাদের প্রতিকৃতি। তবে এসবের মধ্যেও পেলে ও ম্যারাডোনার গ্রাফিতি আলাদাভাবে নজর কেড়েছে। আধুনিক ফুটবলের তারকাদের ভিড়ে এই দুই কিংবদন্তির প্রত্যাবর্তন যেন ক্যাম্পাসে বয়ে এনেছে ফুটবল উন্মাদনার হাওয়া। নতুন প্রজন্মের শিক্ষার্থীরা যেমন গ্রাফিতির সামনে দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন, তেমনি প্রবীণ ফুটবলপ্রেমীরাও স্মরণ করছেন ফুটবলের সোনালি দিনের গল্প।

কথা হয় ব্রাজিল সমর্থক ইমতিয়াজ ফারাবির সঙ্গে। তার কাছে পেলে শুধুই একজন ফুটবলার নন, বরং ফুটবলের সর্বকালের শ্রেষ্ঠ নায়ক। নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘আমার কাছে পেলে ফুটবল ইতিহাসের সর্বশ্রেষ্ঠ খেলোয়াড়। তিনিই একমাত্র ফুটবলার, যার হাতে তিনটি বিশ্বকাপের ট্রফি উঠেছে। ১৯৫৮, ১৯৬২ ও ১৯৭০ বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্য হিসেবে তিনি যে কীর্তি গড়েছেন, তা আজও অনন্য।’

প্রায় ১০ ফুট উচ্চতার গ্রাফিতি তৈরির সময় ও পরিশ্রমের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘পুরো কাজটি শেষ করতে আমার প্রায় তিন দিন ও তিন রাত লেগেছে। প্রথম দিন স্কেচ করতেই কেটে যায়। পরের দুই দিন রঙের কাজ করেছি। এখানে প্রায় ১৮ ধরনের রং ব্যবহার করা হয়েছে। ক্লাস শেষ করে বিকেল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত প্রতিদিন আমার কাজ করতে হয়েছে।’

এদিকে ম্যারাডোনার গ্রাফিতি অঙ্কনকারী আর্জেন্টিনার সমর্থক রেজওয়ানুল হক শান্ত বলেন, ‘প্রতি চার বছর পরপর বিশ্বকাপ এলে ক্যাম্পাসে একটা উৎসবের মতো পরিবেশ তৈরি হয়। সেই আনন্দকে আরও বাড়াতেই আমরা এই গ্রাফিতির উদ্যোগ নিই।’

শান্ত জানান, প্রায় ১১ ফুট উচ্চতার ম্যারাডোনার গ্রাফিতিটি আঁকতে তার প্রায় দুই দিন সময় লেগেছে। এতে জুনিয়র শিক্ষার্থীরাও তাকে সহযোগিতা করেছে। হলের আর্জেন্টিনা ফ্যান ক্লাবের সদস্যদের স্বতঃস্ফূর্ত অর্থায়নেই গ্রাফিতিটির যাবতীয় খরচ বহন করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

দুই বছরেও চালু হয়নি খুবির বধ্যভূমি জাদুঘর, তালাবদ্ধ ইতিহাসের সাক্ষী

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ০৮:৪৯ এএম
আপডেট: ১৭ জুন ২০২৬, ০৮:৫৪ এএম
দুই বছরেও চালু হয়নি খুবির বধ্যভূমি জাদুঘর, তালাবদ্ধ ইতিহাসের সাক্ষী
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে নির্মিত ‘গল্লামারী বধ্যভূমি স্মৃতি জাদুঘর’। ইনসেটে তালাবদ্ধ দরজা। ছবি: খবরের কাগজ

পাক হানাদার বাহিনীর নির্মম হত্যাযজ্ঞের স্মৃতি রক্ষায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে নির্মিত ‘গল্লামারী বধ্যভূমি স্মৃতি জাদুঘর’ আজও আলোর মুখ দেখেনি। হস্তান্তরের দুই বছর কেটে গেলেও প্রায় ১ কোটি ৮ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই প্রকল্পটি বর্তমানে তালাবদ্ধ অবস্থায় পড়ে রয়েছে।

বর্তমান খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনটি ১৯৭১ সালে পাক হানাদারদের নির্মম টর্চার সেল (তৎকালীন রেডিও পাকিস্তানের খুলনা শাখা) ছিল। সেখানে চলত মুক্তিকামী মানুষের ওপর পাশবিক নির্যাতন ও হত্যাযজ্ঞ। দেশ স্বাধীনের পর বীর মুক্তিযোদ্ধারা এই গল্লামারী বধ্যভূমি ও এর আশপাশে খুঁজে পান গণহত্যার নানা চিহ্ন। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক গবেষক মুনতাসির মামুনের তথ্য অনুযায়ী, স্বাধীনতার পর এই এলাকা থেকে প্রায় ৫ ট্রাকভর্তি মানুষের মাথার খুলি ও হাড়গোড় উদ্ধার করা হয়েছিল। ধারণা করা হয়, এখানে আনুমানিক ১৫ হাজার মানুষকে হত্যা করা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালের মে মাসে তৎকালীন উপাচার্য প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেন খুলনার বীর মুক্তিযোদ্ধাদের উপস্থিতিতে এই টর্চার সেলটিকে জাদুঘর করার উদ্যোগ নেন। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নিদর্শন হিসেবে রাখার উদ্দেশ্যে জাদুঘরে রূপান্তরের উদ্যোগ নেয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। ২০২২ সালের জুলাই মাসে চুক্তির মাধ্যমে ভবনের কাজ শেষ করে মেসার্স আনিসা এন্টারপ্রাইজ।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ জানায়, ২০২৩ সালের ডিসেম্বর মাসে যশোরের এক টেন্ডার কোম্পানি জাদুঘরের ল্যান্ডস্কেপিংয়ের কাজ পায়। তারা ২০২৪ সালের জুন মাসের ৩০ তারিখের মধ্যে কাজ শেষ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে হস্তাস্তর করে। জাদুঘরের ভবন নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ৪৬ লাখ ৬৪ হাজার ৫৫৫ টাকা। ল্যান্ডস্কেপিং কাজের জন্য ৭০ লাখ টাকা বরাদ্দ থাকলেও বাস্তবে খরচ হয় ৬১ লাখ ৯২ হাজার টাকা। সব মিলিয়ে স্মৃতি জাদুঘর নির্মাণে মোট ব্যয় হয়েছে ১ কোটি ৮ লাখ ৫৬ হাজার ৫৫৫ টাকা।

সরেজমিনে দেখা গেছে, জাদুঘরের মূল ফটকে তালা ঝুলছে। প্রতিষ্ঠার দুই বছর পার হলেও এখনো আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয়নি। চারপাশ পুরো নীরব। ভেতরের প্রদর্শনী কক্ষগুলো দর্শনার্থীদের জন্য বন্ধ। মুক্তিযুদ্ধের ছবি ও নিদর্শন প্রদর্শনের কথা থাকলেও কক্ষগুলো এখন পর্যন্ত সম্পূর্ণ ফাঁকা পড়ে আছে।

এই জাদুঘরটির নকশা প্রণয়ন করেছেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপত্য ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক এস এম নাজিমউদ্দিন। তিনি জানান, পুরোনো টিনশেড ভবনটি সংরক্ষণের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল তৎকালীন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। সেই ভাবনা থেকেই তিনি নকশা তৈরি করেন, যেখানে ১৯৭১ সালের নির্যাতন ও বেদনার প্রতীকী উপস্থাপন ফুটে উঠেছে।

তিনি বলেন, ‘নকশাটিতে একাত্তরের সেই ভয়াবহতার অনুভূতি তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে। এখানে মুক্তিযুদ্ধের সময়কার বিভিন্ন ছবি ও স্মৃতিচিহ্ন প্রদর্শনের পরিকল্পনা রয়েছে।’ তিনি আরও জানান, জাদুঘরটি উদ্বোধনের জন্য প্রায় প্রস্তুত। এখন শুধু কর্তৃপক্ষের উদ্যোগের অপেক্ষা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আব্দুল্লাহ হারুন চৌধুরী বলেন, ১৯৭১ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান টিনশেড ভবনটি ছিল একটি বধ্যভূমি ও নির্যাতন কেন্দ্র। সেখানে হাজার হাজার মানুষ নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। তিনি বলেন, ‘খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় এ অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের আন্দোলনের ফসল। তাই বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের সঙ্গেও বিশ্ববিদ্যালয়টির একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ রয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘জাদুঘরটি দ্রুত সবার জন্য উন্মুক্ত করা উচিত। এতে নতুন প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস জানতে পারবে। একজন কিউরেটর নিয়োগ দিয়ে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে খুলনা অঞ্চলের মুক্তিযুদ্ধকালীন ইতিহাস, ছবি ও নিদর্শন সংগ্রহ করা যেতে পারে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থীদের গবেষণা ও পাঠচর্চাতেও এটি ভূমিকা রাখতে পারে। তাই দ্রুত জাদুঘরটি চালু করা প্রয়োজন।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত চিফ ইঞ্জিনিয়ার শেখ মো. সাইফুল আলম বাদশা বলেন, ‘ল্যান্ডস্কেপিংয়ের কাজ শেষ। এখন প্রদর্শনীর জিনিসপত্র বসালেই এটি প্রস্তুত হয়ে যাবে। কর্তৃপক্ষ চাইলে যেকোনো সময় এটি চালু করতে পারে।’

প্রতিষ্ঠার দুই বছর পরও জাদুঘরটি উদ্বোধন না হওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. রেজাউল করিম জানান, বিষয়টি তাকে আগে কেউ জানায়নি। তিনি ভেতরে গিয়ে দেখেননি কতদূর কাজ হয়েছে। তবে তিনি বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন।

উপাচার্য আরও বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস আমরা অবশ্যই সংরক্ষণ করব। সেখানে একটি লাইব্রেরি স্থাপনের সম্ভাবনাও বিবেচনা করা যেতে পারে। এ বিষয়ে ফাইল পর্যালোচনা করে কী কী অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, তা দেখে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’

ঢাবি অধ্যাপকের বিরুদ্ধে প্রবন্ধে চৌর্যবৃত্তির অভিযোগ, প্রাথমিক সত্যতায় তদন্ত কমিটি গঠন

প্রকাশ: ১৬ জুন ২০২৬, ০৯:৪৪ পিএম
ঢাবি অধ্যাপকের বিরুদ্ধে প্রবন্ধে চৌর্যবৃত্তির অভিযোগ, প্রাথমিক সত্যতায় তদন্ত কমিটি গঠন
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. মো. রিদওয়ানুল হকের বিরুদ্ধে প্রবন্ধে চৌর্যবৃত্তির অভিযোগ উঠেছে। এদিকে অভিযোগে প্রাথমিক সত্যতা পাওয়াতে তা তদন্তে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক দপ্তরের এক চিঠি থেকে এ তথ্য জানা গেছে। চিঠি আইন অনুষদের ডিন, বিজ্ঞান অনুষদের ডিন, প্রক্টর ও ঢাকা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষকে পাঠানো হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিস্ট্রার (তদন্ত) স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে বলা হয়, ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. মো. রিদওয়ানুল হকের বিরুদ্ধে অধ্যাপক পদে আবেদনের সময়ে জমাকৃত প্রবন্ধে চৌর্যবৃত্তির অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। এ কারণে বিষয়টি তদন্তে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। 

কমিটিকে আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। এছাড়া চৌর্যবৃত্তির অভিযোগ প্রমাণিত হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে। 

উল্লেখ্য, ২০১৮ সালে অধ্যাপক পদে আবেদনের সময় ড. রিদওয়ানুল হক যে দুটি গবেষণা প্রবন্ধ জমা দিয়েছিলেন, সেগুলোর মধ্যে প্রায় শতভাগ মিল থাকার অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরে আলোচিত হয়ে আসছে। এ বিষয়ে অতীতে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশের পর তার পদোন্নতি প্রক্রিয়া সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়। গত বছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সংগঠন ‘সাদা দল’ ড. রিদওয়ানুল হকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ উল্লেখ করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে একটি স্মারকলিপি জমা দেয়। এর ধারাবাহিকতায় বর্তমান প্রশাসন আনুষ্ঠানিক তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।

আরিফ জাওয়াদ/এসএন

সরকারি বাঙলা কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের প্রথম মিলনমেলা ১০ জুলাই

প্রকাশ: ১৬ জুন ২০২৬, ০৫:০৬ পিএম
আপডেট: ১৬ জুন ২০২৬, ০৫:০৮ পিএম
সরকারি বাঙলা কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের প্রথম মিলনমেলা ১০ জুলাই
ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর সরকারি বাঙলা কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের প্রথম মিলনমেলা আগামী ১০ জুলাই কলেজ প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত হবে। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ব্যাচের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা অংশ নেবেন। দিনব্যাপী এ আয়োজনের মাধ্যমে কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে একটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

মিলনমেলার দিনব্যাপী কর্মসূচিতে রয়েছে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, প্রয়াত শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের স্মরণে শ্রদ্ধা নিবেদন, ব্যাচভিত্তিক পরিচিতি ও স্মৃতিচারণা। এ ছাড়া অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন গঠনের বিষয়ে আলোচনা, র‌্যাফল ড্র এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন থাকবে। আয়োজকেরা আশা করছেন, এই মিলনমেলার মাধ্যমে কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মধ্যে দীর্ঘদিনের সেতুবন্ধ তৈরি হবে।

অনুষ্ঠানে অংশগ্রহনের জন্য রেজিস্ট্রেশনের লিঙ্কে ক্লিক করতে হবে । মোবাইল নম্বর ০১৮৮৬১০৭৭০০, ০১৬১৪৬০৬৬৬০। রেজিস্ট্রেশন করার শেষ তারিখ আগামী ২৭ জুন, ২০২৬। 

উল্লেখ্য, ১৯৬২ সালের ২০শে জুন প্রিন্সিপাল আবুল কাসেম এই কলেজটি প্রতিষ্ঠা করেন।

তারেক/

জুলাইয়ে হামলার মদদদাতা ২১ আওয়ামী শিক্ষক-কর্মকর্তার বিরুদ্ধে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জাবি সিন্ডিকেটের

প্রকাশ: ১৬ জুন ২০২৬, ১০:১৪ এএম
আপডেট: ১৬ জুন ২০২৬, ১১:৫৫ এএম
জুলাইয়ে হামলার মদদদাতা ২১ আওয়ামী শিক্ষক-কর্মকর্তার বিরুদ্ধে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জাবি সিন্ডিকেটের
ছবি: সংগৃহীত

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) সিন্ডিকেট জুলাই আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা ও নিপীড়নের মদদদাতা ১৯ আওয়ামীপন্থি শিক্ষক ও দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে কয়েকজনকে অব্যাহতি, আবার কয়েকজনের বিরুদ্ধে সতর্কীকরণ, বেতন অবনমন, পদাবনতি ও বাধ্যতামূলক অবসরের মতো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

সোমবার (১৫ জুন) বিকেল ৪টা থেকে নতুন প্রশাসনিক ভবনের কাউন্সিল কক্ষে প্রায় ১২ ঘণ্টা সিন্ডিকেট সভা চলে। রাত সাড়ে ৪টায় সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান সিন্ডিকেটের সভাপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান।

উপাচার্য বলেন, '২০২৪ সালের ১৪, ১৫ ও ১৭ জুলাইয়ের ঘটনাকে কেন্দ্র করে গঠিত তদন্ত কমিটি ও স্ট্রাকচার্ড কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে দীর্ঘ পর্যালোচনার পর এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। প্রত্যেক অভিযুক্তের বিরুদ্ধে পৃথক শুনানি, সাক্ষ্যগ্রহণ ও তথ্য যাচাই করা হয়েছে যাতে কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি শাস্তি না পান এবং কোনো দোষীও দায়মুক্তি না পান।

সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত অনুসারে, ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক হোসনে আরাকে সতর্কীকরণ করা হয়েছে। নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ইস্রাফিল আহমেদ রঙ্গনের বেতন বর্তমান পদের প্রারম্ভিক স্কেলে নামিয়ে দেওয়া হয়েছে। একই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মহিবুর রৌফ শৈবালকে সহকারী অধ্যাপক পদ থেকে প্রভাষক পদে পদাবনতি দেওয়া হয়েছে।

বাংলা বিভাগের অধ্যাপক নাজমুল হোসেন তালুকদারের দুই বছরের বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট বাতিল করে নিম্ন বেতনস্তর নির্ধারণ করা হয়েছে। অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের প্রভাষক কানন কুমার সেনেরও দুই বছরের বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট বাতিল করা হয়েছে।

অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে আইবিএর সহকারী অধ্যাপক পলাশ সাহা, পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক শফি মোহাম্মদ তারেক, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক জহিরুল ইসলাম খোন্দকার, লোকপ্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ ছায়েদুর রহমান ও সহযোগী অধ্যাপক মনির উদ্দিন শিকদার, অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের অধ্যাপক আনোয়ার খসরু পারভেজ এবং সহকারী রেজিস্ট্রার রাজীব চক্রবর্তীকে।

এ ছাড়া সাবেক প্রক্টর অধ্যাপক আলমগীর কবিরের বেতন বর্তমান পদের প্রারম্ভিক স্কেলে নামিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং পাঁচ বছরের জন্য প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনে অযোগ্য ঘোষণা করা হয়েছে। পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক এ এ মামুনকে সতর্কীকরণের পাশাপাশি পাঁচ বছরের জন্য প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনে অযোগ্য ঘোষণা করা হয়েছে।

সরকার ও রাজনীতি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আ স ম ফিরোজ-উল-হাসান এবং অধ্যাপক বশির আহমেদের বেতন বর্তমান পদের প্রারম্ভিক স্কেলে নামিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাদের দুই বছর পর পদোন্নতির আবেদন করার সুযোগ রাখা হয়েছে এবং পাঁচ বছরের জন্য প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনে অযোগ্য ঘোষণা করা হয়েছে।

ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মেহেদী ইকবালকে বাধ্যতামূলক অবসর দেওয়া হয়েছে।

পাবলিক হেলথ অ্যান্ড ইনফরমেটিকস বিভাগের অধ্যাপক তাজউদ্দীন শিকদারের বেতন প্রারম্ভিক স্কেলে নামিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং পাঁচ বছরের জন্য প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনে অযোগ্য ঘোষণা করা হয়েছে। সাবেক উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক মোহাম্মদ মোস্তফা ফিরোজের বেতন দ্বিতীয় গ্রেডে নামিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং পাঁচ বছরের জন্য প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনে অযোগ্য ঘোষণা করা হয়েছে।

ডেপুটি রেজিস্ট্রার নাহিদুর রহমান খানকে সহকারী রেজিস্ট্রার পদে পদাবনতি দেওয়া হয়েছে এবং দুই বছর পর পুনরায় পদোন্নতির আবেদন করার সুযোগ রাখা হয়েছে।

উপাচার্য আরও জানান, প্রাথমিক তদন্ত প্রতিবেদনে নাম আসায় তৎকালীন উপাচার্য, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) এবং কোষাধ্যক্ষের বিরুদ্ধে পৃথক তিনটি স্ট্রাকচার্ড কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সিন্ডিকেট। ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে তাদের ভূমিকা ও সংশ্লিষ্টতা পৃথকভাবে তদন্ত করা হবে।

আমানউল্লাহ/থিও