ঢাকা ৫ আষাঢ় ১৪৩১, বুধবার, ১৯ জুন ২০২৪

চট্টগ্রাম-মায়ানমারের অংশ নিয়ে খ্রিষ্টান রাষ্ট্র বানানোর ষড়যন্ত্র বিষয়ক বক্তব্য প্রসঙ্গে

প্রকাশ: ২৮ মে ২০২৪, ১০:১৭ এএম
আপডেট: ২৮ মে ২০২৪, ১০:৪৭ এএম
চট্টগ্রাম-মায়ানমারের অংশ নিয়ে খ্রিষ্টান রাষ্ট্র বানানোর ষড়যন্ত্র বিষয়ক বক্তব্য প্রসঙ্গে

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অব্যাহতভাবে অক্লান্ত, নিরলস ও নিবেদিত দেশনেত্রী হয়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতা রক্ষা ও উন্নয়নের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য তিনি যে দৃঢ় ও বলিষ্ঠ নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছেন তা আমরা বাংলাদেশের খ্রিষ্টান সমাজ কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্বীকার ও সমর্থন করি।  

গত ২৩ মে গণভবনে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলের প্রধান নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের সূচনা বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী একটি বিষয় উল্লেখ করেছেন, যা বিভিন্ন যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত ও প্রচারিত হয়েছে। 

সেখানে তার বক্তব্যের উদ্বৃতি দিয়ে যা বলা হয়েছে, তার সারসংক্ষেপ হচ্ছে ‘পূর্ব তিমুরের মতো বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম এবং মায়ানমারের কিছু অংশ নিয়ে একটি খ্রিষ্টান রাষ্ট্র বানানোর ষড়যন্ত্র চলছে এবং চক্রান্ত এখনো আছে।’  

এ খবরে আমরা দেশের খ্রিষ্টান সমাজ ও তার কর্তৃপক্ষ ‘বাংলাদেশ ক্যাথলিক বিশপ সম্মিলনি’ এবং ‘ইউনাইটেড ফোরাম অব চার্চেস’ সত্যিই অবাক, বিস্মিত ও উদ্বিগ্ন। সাম্প্রতিককালে কোনো রাষ্ট্রকে ‘খ্রিষ্টান রাষ্ট্র’ বলে আখ্যায়িত করার যুক্তি ও প্রচলন বিরল। বিশ্বায়নের যুগে এবং অসাম্প্রদায়িক নীতির কারণে এমন আখ্যায়ন কোনো ধর্মের জন্যেই সমর্থনযোগ্য নয়। 

এ ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে প্রধানমন্ত্রী যে মতামত দিয়েছেন তার সঙ্গে আমরা সম্পূর্ণ একমত পোষণ করছি। আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি স্বাধীন দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করার জন্য আপনার প্রচেষ্টাকে আমরা পূর্ণ সমর্থন জানাচ্ছি। এ কাজে আপনার প্রচেষ্টা যেন সফল হয় তার জন্য প্রার্থনা করার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি।  

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের কোনো স্বার্থান্বেষী মহল দেশে বিরাজিত ধর্মীয় সুসম্পর্ক, সম্প্রীতি ও শান্তি যেন কোনোভাবে বিঘ্নিত করতে না পারে এবং দেশের খ্রিষ্টান সম্প্রদায়কে কোনো হুমকির সম্মুখীন হতে না হয় সেজন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সজাগ দৃষ্টি এবং প্রয়োজনবোধে নিরাপত্তা ব্যবস্থার জন্য আবেদন জানাচ্ছি।

আমরা প্রধানমন্ত্রী ও তার সরকার, দেশবাসী এবং সংশ্লিষ্ট দেশি-বিদেশি নেতাদের জন্য প্রার্থনা করার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি। 

বিজ্ঞপ্তি/পপি/

‘মুজিব: একটি জাতির রূপকার’ চলচ্চিত্রে অনেক অজানা তথ্য উন্মোচিত হয়েছে: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৪, ১০:৩২ এএম
আপডেট: ১৭ জুন ২০২৪, ১০:৩২ এএম
‘মুজিব: একটি জাতির রূপকার’ চলচ্চিত্রে অনেক অজানা তথ্য উন্মোচিত হয়েছে: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী
ছবি: বিজ্ঞপ্তি

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবনভিত্তিক চলচ্চিত্র ‘মুজিব: একটি জাতির রূপকার’ এর মাধ্যমে তার জীবনের অনেক অজানা তথ্য উন্মোচিত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ডা. রোকেয়া সুলতানা।

সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরে এ চলচ্চিত্রের প্রদর্শনী অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

বিষয়বস্তু, নির্মাণশৈলী ও দর্শকপ্রিয়তার বিবেচনায় এ চলচ্চিত্রটি ১৯তম জেনেভা আন্তর্জাতিক ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে প্রদর্শনের জন্য মনোনীত হয়।  

প্রতিমন্ত্রী রোকেয়া সুলতানা বলেন, ‘ভারতের প্রখ্যাত পরিচালক শ্যাম বেনেগাল এ চলচ্চিত্রটি নির্মাণের মধ্যে দিয়ে বঙ্গবন্ধুর শৈশব, রাজনৈতিক জীবন ও দর্শন, সর্বোপরি বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনে বঙ্গবন্ধুর ক্যারিশম্যাটিক নেতৃত্ব অত্যন্ত সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।’

ইতিহাসের এ মহানায়কের বায়োপিক বিদেশের মাটিতে প্রদর্শনে ব্যবস্থা করার জন্য তিনি জেনেভা আন্তর্জাতিক ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের আয়োজক, বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন এবং আয়োজক সহযোগীদেরকে ধন্যবাদ জানান। 

প্রতিমন্ত্রী এবং বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের ভারপ্রাপ্ত স্থায়ী প্রতিনিধি সঞ্চিতা হক অতিথিদের সঙ্গে বসে চলচ্চিত্রটি উপভোগ করেন। 

বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের কর্মকর্তা, উল্লেখযোগ্য সংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশিদের উপস্থিতিতে থিয়েটার হলটি পূর্ণ ছিল। 

জেনেভায় ঈদের দিনে এ চলচ্চিত্র প্রদর্শনী প্রবাসীদের ঈদ আনন্দ উৎসবে এক নতুন মাত্রা যোগ করে। 

প্রদর্শনী শেষে এ ধরণের চলচ্চিত্র প্রদর্শন, বিদেশে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাস প্রচার এবং বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে ভূমিকা রাখবে বলে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন দর্শকরা। 

ভবিষ্যতে বাংলাদেশ মিশন সাংস্কৃতিক কূটনীতির এ ধারা অব্যাহত রাখবে বলে কম্যুনিটি নেতারা আশা প্রকাশ করেন।  

বিজ্ঞপ্তি/পপি/

‘বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্টে ব্যবসায়িক পরিবেশ উন্নয়ন করা প্রয়োজন’

প্রকাশ: ১৫ জুন ২০২৪, ০১:৫৬ পিএম
আপডেট: ১৫ জুন ২০২৪, ০১:৫৬ পিএম
‘বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্টে ব্যবসায়িক পরিবেশ উন্নয়ন করা প্রয়োজন’
ছবি: বিজ্ঞপ্তি

‘থ্রাইভ ইন বাংলাদেশ: অ্যাকশনেবল ইনসাইটস অ্যান্ড সল্যুশনস ফর কোরিয়ান বিজনেস’ শীর্ষক সংলাপে বক্তারা বলেন, দেশে অবকাঠামো, বাণিজ্য, বিনিয়োগ প্রবাহ ও টেকসই অর্থায়নকে আরও বেগবান করার ওপর জোর দিতে হবে। বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে ব্যবসায়িক পরিবেশ উন্নত করার সুযোগ রয়েছে।

সম্প্রতি রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত সংলাপ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বেসরকারি ব্যাংক স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড, বাংলাদেশে কোরিয়া প্রজাতন্ত্র দূতাবাস, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা), বাংলাদেশ ব্যাংক ও কোরিয়া বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ (কেবিসিসিআই)। 

অনুষ্ঠানে দেশে কোরিয়ার ব্যবসা ও বিনিয়োগের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়। অবকাঠামো, বাণিজ্য, বিনিয়োগ প্রবাহ ও টেকসই অর্থায়নকে আরও বেগবান করার ওপর জোর দেন বক্তারা। দেশের ব্যবসায়িক পরিবেশ উন্নত করার মাধ্যমে কোরিয়ার বিনিয়োগকারীদের উৎসাহিত করার ওপর আলোচনা করা হয়। সংলাপের গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা নীতিনির্ধারক ও খাতসংশ্লিষ্টদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে বলে জানানো হয়। 

স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের সিইও নাসের এজাজ বিজয় বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান সমৃদ্ধিতে অবিরাম সহযোগিতার জন্য দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। 

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগের চতুর্থ বৃহত্তম উৎস হিসাবে দেশের বাণিজ্য, বিনিয়োগ, অবকাঠামো ও উৎপাদনসহ বিভিন্ন খাতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখছে কোরিয়া। স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড এ দুই দেশের পারস্পারিক বাণিজ্যিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীজন হিসেবে কাজ করে। বাংলাদেশে কোরিয়ার বিনিয়োগে বৈচিত্র্য বৃদ্ধির আরও সুযোগ রয়েছে। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও, কার্যকরভাবে বিনিময় হারের পরিবর্তন নিয়ন্ত্রণ ও অনিষ্পন্ন বিষয়গুলোর সমাধানের সুযোগের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও কোরিয়ার মধ্যেকার অর্থনৈতিক সম্ভাবনাকে আরও শক্তিশালী করা সম্ভব।’

অনুষ্ঠানে ঢাকায় নিযুক্ত দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত পার্ক ইয়ং-সিক বলেন, ‘বাংলাদেশের সঙ্গে টেকসই অর্জন ও বাস্তবসম্মত প্রতিশ্রুতিনির্ভর দীর্ঘমেয়াদী কৌশলগত সম্পর্ক স্থাপনের লক্ষ্যে কাজ করছে কোরিয়া। আলোচনায় অর্থনৈতিক উন্নয়ন, সহযোগিতা, তহবিলনির্ভর প্রকল্প, কোরিয়ান সরকারের কাছ থেকে গৃহিত ঋণ এবং সরকারি-বেসরকারি যৌথ উদ্যোগের বিষয়গুলো এসেছে। যদিও বাংলাদেশে শ্রমিক খরচ কম, কিন্তু ক্রমবর্ধমান প্রযুক্তির যুগে অন্যান্য দিকেও দেশটির সক্ষমতা বৃদ্ধির সুযোগ রয়েছে। বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে বাংলাদেশকে অবশ্যই ব্যবসায়িক পরিবেশ উন্নত করতে হবে। গুণগত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনের জন্য সরকার ও বেসরকারি খাতের মধ্যে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও সহযোগিতা প্রয়োজন।’

বিডার নির্বাহী সদস্য (আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ প্রচার) মোহসিনা ইয়াসমিন বলেন, ‘স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের শক্তিশালী নেটওয়ার্কিং ও বিডার বিনিয়োগ বাড়ানোর প্রচেষ্টার সঙ্গে সমন্বয় করে বাংলাদেশকে বিনিয়োগের অন্যতম কেন্দ্রে পরিণত করা আমাদের লক্ষ্য। বিশ্বব্যাপী বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করা এবং বিভিন্ন খাতে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করা আমাদের উদ্দেশ্য। বিনিয়োগকারীদের সুবিধার্থে আমরা বিশ্বব্যাংকের সুপারিশকৃত বিভিন্ন সংস্কার বাস্তবায়ন করেছি এবং বিডার পক্ষ থেকে বাংলাদেশ বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নয়ন কর্মসূচিও তৈরি করেছি।’

তিনি ১২৪টি পরিষেবা সম্বলিত বিডার অনলাইন ওয়ান-স্টপ সার্ভিস পোর্টালে স্বাগত জানান। বাংলাদেশ বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নয়ন কর্মসূচিতে সংস্কারের সাতটি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

কোরিয়া ট্রেড-ইনভেস্টমেন্ট প্রমোশন এজেন্সির মহাপরিচালক স্যামসু কিম বলেছেন, ‘কোরিয়ার কোম্পানিগুলো ৪০ বছরেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশের টেক্সটাইল শিল্পে বিনিয়োগ করেছে। তবে অন্যান্য উৎপাদন খাতে বিনিয়োগ এখনও কম। টেক্সটাইল শিল্পের জন্য কৃত্রিম ফাইবারের সাপ্লাই চেইনের মতো শিল্প অবকাঠামো উন্নত করা অপরিহার্য। বিনিয়োগ আকৃষ্ট করার জন্য এ সংক্রান্ত বিধি-বিধান ও কর প্রক্রিয়াকে সহজ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়া, লাইসেন্সিং, প্রশাসনিক পদ্ধতি ও শুল্কছাড়পত্রে বিলম্ব কমানে গেলে বাংলাদেশকে বিনিয়োগকারীদের কাছে আরও আকর্ষণীয় করে তুলবে এবং একটি অনুকূল ব্যবসায়িক পরিবেশ তৈরি হবে।’

বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা বিনিয়োগ বিভাগের পরিচালক আবু ছালেহ মুহম্মদ সাহাব উদ্দীন বলেন, ‘কোরিয়া বাংলাদেশের চতুর্থ বৃহত্তম বিনিয়োগকারী। কোরিয়ার একাধিক প্রতিষ্ঠান বৃহৎ অবকাঠামো প্রকল্পে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এ সেমিনার আয়োজনের জন্য স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। বাংলাদেশ ব্যাংক জুন ২০২৩ নির্দেশিকা অনুযায়ী, বিনিয়োগকারীরা যে কোনো স্থান থেকে বিনিময় ক্ষতি কমানোর উদ্দেশ্যে বৈদেশিক মুদ্রায় ইকুইটি তহবিল ধরে রাখতে পারবেন। বিনিয়োগকারীরা তাদের লভ্যাংশ বাংলাদেশের অনুমোদিত ডিলার ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর করতে পারবেন এবং এই অ্যাকাউন্টে থাকা ব্যালেন্স বিদেশে পাঠাতে বা আরও পুনঃবিনিয়োগ করতে পারবেন। এ ছাড়া বিনিয়োগকারীরা মূল্য প্রদর্শন করে যেকোনো ক্রেতার কাছে শেয়ার বিক্রি করতে পারবেন।  বিনিয়োগকারীরা এখন বিডার ওএসএস প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে অস্থায়ী অ্যাকাউন্ট খুলতে পারবেন। ব্যক্তিগত উপস্থিতি বা স্থানীয় সহায়তা প্রয়োজন হবে না। বাংলাদেশে বিভিন্ন বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান স্থানীয় ব্যাংক থেকে চলতি মূলধন ও দীর্ঘমেয়াদী ঋণসহ নমনীয় অর্থায়নের সুযোগ নিতে পারছে। কোরিয়ার সংস্থাগুলো বিডা নির্দেশিকা অনুসারে প্রকল্প-সংলগ্ন শাখা স্থাপন করতে এবং তাদের সদরদপ্তর থেকে পুঁজি স্থানান্তর করতে পারে।’ 

স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশের করপোরেট কভারেজ বিভাগের প্রধান এনামুল হক বলেছেন, ‘এ যৌথ প্রচেষ্টার লক্ষ্য বিডার ওয়ান-স্টপ প্ল্যাটফর্ম, বিশ্বব্যাংকের নীতি কাঠামোর সংস্কার অ্যাজেন্ডা এবং সম্মানিত গ্রাহকদের সহায়তায় একটি জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতি গড়ে তোলা। আমাদের লক্ষ্য বাংলাদেশে কোরিয়ান বিনিয়োগের সুযোগ বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে খাতসংশ্লিষ্টদের জন্য প্রয়োজনীয় পরিবর্তনকে বেগবান করা। স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশে বিনিয়োগ পরিচালনায় কোরিয়ান ব্যবসায়িকদের সহায়তা করার জন্য বদ্ধপরিকর।’

দেশের একটি প্রধান বিদেশি বিনিয়োগকারী হিসাবে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বৈদেশিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। 

দেশে কোরিয়ার ব্যবসায়ীদের বিনিয়োগে ও  সুষ্ঠুভাবে ব্যবসা পরিচালনায় সাহায্য করার জন্য স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশ গঠন করেছে কোরিয়া ডেস্ক।

কোরিয়ার বিনিয়োগকারীদের ব্যবসায় সহায়তার জন্য ব্যাংকটি কোরিয়ান ও ইংরেজি উভয় ভাষায় রচিত ‘ডুয়িং বিজনেস ইন বাংলাদেশ’ নামে একটি গাইড বই  চালু করেছে। স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড কোরিয়ার গ্রাহকদের জন্য বাংলাদেশের অন্যান্য আন্তর্জাতিক ব্যাংকের সঙ্গে সুবিশাল নেটওয়ার্ক তৈরির পাশাপাশি দক্ষিণ কোরিয়াতেও একটি শক্তিশালী উপস্থিতি নিশ্চিত করে। 

এ লক্ষ্যে নগদ ব্যবস্থাপনা, বাণিজ্য পরিষেবা, সিকিউরিটিজ পরিষেবা, ডিজিটাল ব্যাংকিং, আর্থিক ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা, প্রকল্প অর্থায়নসহ অন্যান্য বিশেষায়িত অর্থায়ন সংশ্লিষ্ট চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ব্যাপক সহায়তা করে ব্যাংকটি। 

বিজ্ঞপ্তি/পপি/

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে ক্লেমনের কমিউনিটি সিআরএস ক্যাম্পেইন

প্রকাশ: ১৫ জুন ২০২৪, ১২:৩৫ পিএম
আপডেট: ১৫ জুন ২০২৪, ১২:৩৫ পিএম
পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে ক্লেমনের কমিউনিটি সিআরএস ক্যাম্পেইন
ছবি: বিজ্ঞাপন

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল বাংলাদেশের জনপ্রিয় ক্লিয়ার ড্রিঙ্কস ব্র্যান্ড ‘ক্লেমন’ এর কমিউনিটি সিএসআর ক্যাম্পেইন “ইচ্ছের হাত বাড়াই, পরিবেশকে পরিচ্ছন্ন রাখি”। 

এই  ক্যাম্পেইনের মূল উদ্দেশ্য ছিল কোরবানি পশুর বর্জ্য সঠিক ও সুন্দরভাবে দ্রুততম সময়ে অপসারণের মাধ্যমে পরিবেশকে পরিচ্ছন্ন রাখতে কমিউনিটির জনগণকে উৎসাহিত করা। 

এই কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায়, ঢাকা শহরের স্বনামধন্য কয়েকটি কমিউনিটিতে এই ক্যাম্পেইনের আয়োজন করা হয়। 

ক্লেমন এর উদ্যোগে কমিউনিটিগুলোতে কোরবানি পশুর বর্জ্য দ্রুততম সময়ে অপসারণের জন্য বড় পলি ব্যাগ ও পশুর রক্ত ধুয়ে আঙ্গিনা পরিষ্কার রাখার জন্য ব্লিচিং পাউডার প্রদান করা হয়। 

এ ছাড়াও, কমিউনিটির বাসিন্দাদের মধ্যে কোরবানি শেষে বর্জ্য অপসারণের দিকনির্দেশনা সম্বলিত লিফলেট বিতরণ এবং কমিউনিটির ভেতরে সচেতনতামূলক কমিউনিকেশন ব্যানার স্থাপন করা হয়।

কমিউনিটিগুলোতে পৃথকভাবে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বর্জ্য অপসারণ সম্পর্কিত জনসচেতনতামূলক দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়। 

উক্ত আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন আকিজ ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেডের ডিরেক্টর অপারেশন সৈয়দ জহুরুল আলম, সিএমও মাইদুল ইসলাম, ব্র্যান্ড ম্যানেজার আবদুল আজিজ ও অন্যান্য কর্মকর্তা। 

সৈয়দ জহুরুল আলম বলেন, ‘ব্র্যান্ড ক্লেমন সারা বছরব্যাপী বিভিন্ন CSR কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। ইচ্ছের হাত বাড়াই, পরিবেশকে পরিচ্ছন্ন রাখি তারই একটি অংশ। আমরা সবাই সম্মিলিতভাবে এই কার্যক্রমকে সার্থক করার চেষ্টা করবো। প্রত্যেকে নিজ নিজ জায়গা থেকে উদ্যোগ নিলে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন পরিবেশ গড়ে তোলা সম্ভব এবং তখন আমাদের এই কার্যক্রম সার্থক হবে।’

বিজ্ঞপ্তি/সাদিয়া নাহার/অমিয়/

ঈদের আগমুহূর্তে জমজমাট ওয়ালটন ফ্রিজের বিক্রি

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৪, ১১:২৫ এএম
আপডেট: ১৪ জুন ২০২৪, ১২:১৯ পিএম
ঈদের আগমুহূর্তে জমজমাট ওয়ালটন ফ্রিজের বিক্রি
ফ্রিজ কিনতে রাজধানীর এক ওয়ালটন প্লাজায় ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়। ছবি: বিজ্ঞাপন

দুয়ারে ঈদুল আজহা, কোরবানির ঈদ। সাধারণ প্রয়োজনের পাশাপাশি কোরবানির মাংস সংরক্ষণের জন্য এই সময়ে ফ্রিজ কেনেন ক্রেতারা। তাই সারা দেশে জমে উঠেছে ওয়ালটন ফ্রিজের বিক্রি। সেরা দামে সেরা মানের ফ্রিজ কিনতে ঈদের আগমুহূর্তে ওয়ালটন শোরুমগুলোতে ভিড় করছেন ক্রেতারা। 

রাজধানীসহ খুলনা, রংপুর, সিলেট, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, বরিশাল ও ময়মনসিংহ বিভাগের বিভিন্ন অঞ্চলে নিয়োজিত ওয়ালটনের বিক্রয় প্রতিনিধি ও পরিবেশকদের কাছ থেকে ব্যাপক হারে ফ্রিজ বিক্রির খবর জানা গেছে। তারা জানান, প্রতিবছরের মতো এবারও কোরবানির ঈদকে ঘিরে ব্যাপক বিক্রি হচ্ছে ওয়ালটন ফ্রিজ। দেশব্যাপী ওয়ালটন শোরুমে প্রতিদিনই বাড়ছে ক্রেতাদের ভিড়। 

ওয়ালটন রেফ্রিজারেটরের চিফ বিজনেস অফিসার তাহসিনুল হক বলেন, ‘ঈদের মৌসুমে দেশে প্রতিবছরই রেফ্রিজারেটর ও ফ্রিজারের চাহিদা বাড়ে। বাংলাদেশে ঈদের সময়টাকে ফ্রিজ বিক্রির প্রধান মৌসুম হিসেবে বিবেচনা করা হয়। প্রতিবছরের মতো এ বছরও ঈদের মৌসুমে ক্রেতা চাহিদার শীর্ষে রয়েছে ওয়ালটন ফ্রিজ। এর অন্যতম প্রধান কারণ ওয়ালটন ফ্রিজের সর্বোচ্চ সংখ্যক ডিজাইন ও মডেল, ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী, টেকসই গুণগতমান, সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ও ফিচার, দেশব্যাপী বিস্তৃত সার্ভিস সেন্টার থেকে দ্রুত ও সর্বোত্তম বিক্রয়োত্তর সেবার নিশ্চয়তা।’

তিনি জানান, সব শ্রেণি-পেশার গ্রাহকের চাহিদা অনুযায়ী ৫০ লিটার থেকে শুরু করে ৬৬০ লিটার পর্যন্ত ধারণক্ষমতার শত শত ডিজাইন ও মডেলের ফ্রিজ রয়েছে আমাদের। এবারের ঈদে ক্রেতাদের জন্য বিশেষ চমক হিসেবে ওয়ালটন বাজারে ছেড়েছে অর্ধশতাধিক সর্বাধুনিক ও উদ্ভাবনী ফিচারের বেশ কিছু নতুন মডেলের ফ্রিজ। এর মধ্যে রয়েছে ৬৪৬ লিটার ধারণক্ষমতার মাল্টি-কালার ডিজাইনের সাইড বাই সাইড রেফ্রিজারেটর, নাইন-ইন-ওয়ান কনভার্টিবল মোডসমৃদ্ধ ৬৬০ লিটার ফ্রে ডোর রেফ্রিজারেটর, ইউরোপিয়ান ডিজাইনের ৩৪৩ লিটার অত্যাধুনিক নন-ফ্রস্ট রেফ্রিজারেটর, ৩৩৪ লিটার ভার্টিক্যাল ফ্রিজার, কনভার্টিবল মোডের ২৫৫ লিটার চেস্ট ফ্রিজার, চকোলেট কুলারসহ বেশ কিছু নতুন মডেলের রেফ্রিজারেটর। নান্দনিক ডিজাইনে তৈরি ওয়ালটনের বিশ্বমানের এসব ফ্রিজ প্রয়োজন মিটানোর পাশাপাশি বাড়িয়ে দেবে ঘরের আভিজাত্য।  

জানা গেছে, ঈদুল আজহা উপলক্ষে সারা দেশে চলছে ওয়ালটন ফ্রিজের ‘ননস্টপ মিলিয়নিয়ার’ ক্যাম্পেইন। এর আওতায় ঈদে ওয়ালটনের যেকোনো মডেলের ফ্রিজ কিনে ক্রেতারা পাচ্ছেন মিলিয়নিয়ার হওয়ার সুযোগ। এখন পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ওয়ালটন পণ্য কিনে মিলিয়নিয়ার হয়েছেন ৪০ জন ক্রেতা। প্রত্যেকেই পেয়েছেন ১০ লাখ টাকা। এ ছাড়াও রয়েছে কোটি কোটি টাকার নিশ্চিত উপহার। এবারের ঈদে ফ্রিজের বাজারে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে ওয়ালটনের এই মিলিয়নিয়ার ক্যাম্পেইন।

বিজ্ঞপ্তি/সাদিয়া নাহার/

শেষ হলো ইউআইটিএসের গুগল ক্রাউডসোর্স এবং মেশিন লার্নিং কর্মশালা

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৪, ১১:০০ এএম
আপডেট: ১৫ জুন ২০২৪, ০১:৩২ পিএম
শেষ হলো ইউআইটিএসের গুগল ক্রাউডসোর্স এবং মেশিন লার্নিং কর্মশালা
ছবি: বিজ্ঞাপন

ইউনিভার্সিটি অব ইনফরমেশন টেকনোলজি অ্যান্ড সায়েন্সেস (ইউআইটিএস) ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেল (আইকিউএস) এবং কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগ (সিএসই) কর্তৃক যৌথভাবে আয়োজিত ‘গুগল ক্রাউডসোর্স এবং এক্সপ্লোর মেশিন লার্নিং’ কর্মশালা সিরিজটির সফলভাবে পরিসমাপ্তি হয়েছে। 

ওয়ার্কশপে অংশগ্রহণকারী ১০০ জনের মধ্যে আটজন লেভেল সম্পন্ন করে ভালো ফল করে সার্টিফিকেট পেয়েছেন। 

কর্মশালার নেতৃত্বে ছিলেন ভারতের প্রখ্যাত ডেটা সায়েন্টিস্ট কাব্য বিস্ত এবং ভারতের বেঙ্গালুরুর গুগল ক্রাউডসোর্স কমিউনিটি পরিচালনাকারী সারিতা বেহেরা। 

এই কর্মশালাগুলো সবাইকে গুগল ক্রাউডসোর্সকে আরও ভালোভাবে বুঝতে সহায়তা করেছিল। এটি এমন একটি প্ল্যাটফর্ম যা গুগলের পণ্য এবং পরিষেবাগুলোকে আরও উন্নত করতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে। 

মেশিন লার্নিংয়ের ক্ষেত্রে আজীবন শেখার এবং ক্যারিয়ারের অগ্রগতির প্রতি তাদের প্রতিশ্রুতি এই কৃতিত্বের দ্বারা প্রদর্শিত হয়।

বিজ্ঞপ্তি/সাদিয়া নাহার/