ঢাকা ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
বেলকুচিতে বাসচাপায় অটোভ্যানের ৩ যাত্রী নিহত বন্ধ শিল্প ও প্রতিষ্ঠান সচল করতে ২০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ তহবিল বজ্রপাতে চার জেলায় নিহত ১০ দিলারার রেকর্ড গড়া ইনিংসে বাংলাদেশের জয় কৃষ্ণচূড়ার রাঙা মঞ্জরি ৫ জুন: তুলা, বৃশ্চিক, ধনু, মকর, কুম্ভ ও মীনের আজকের রাশিফল তৃণমূলে বিদ্রোহের নেপথ্যে ‘ভাইপোবিরোধী’ হাওয়া বিশ্ব পরিবেশ দিবস আজ ৫ জুন: মেষ, বৃষ, মিথুন, কর্কট, সিংহ ও কন্যার আজকের রাশিফল ৫ জুন  ২০২৬ তারিখের নামাজের সময়সূচি লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় আহত ২ বাংলাদেশি শহরেই বেশি হামের প্রকোপ মিরসরাইয়ে ১৫ দিনের ব্যবধানে হামের উপসর্গে যমজ শিশুর মৃত্যু প্রধানমন্ত্রীর লাল টেলিফোনের তার চুরি করে ভাঙারিতে বিক্রি, গ্রেপ্তার ২ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক কারবারের অভিযোগে হাত-চোখ বেঁধে যুবককে নির্যাতন ঝিনাইদহে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা, গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু বিশ্ব পরিবেশ দিবস: গ্রিন কনসার্ন’স ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ দিল্লিতে দগ্ধ ৮ বাংলাদেশির ৩ জনের অবস্থা গুরুতর রংপুরে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকে মারধরের অভিযোগে ওসি ক্লোজড চুয়াডাঙ্গায় বজ্রপাতে যুবকের মৃত্যু জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর ভাবনা দুপক্ষের সংঘর্ষে রণক্ষেত্র নান্দাইল, ১৪৪ ধারা জারি খলিলুর রহমান কীভাবে সামলাবেন দুই দায়িত্ব গাছ থেকে পড়ে প্রাণ গেল গৃহবধূর ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিলের ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা ৬ নবজাতকের মৃত্যু: আদ্‌-দ্বীন হাসপাতালকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের শোকজ ঘুরতে গিয়ে ট্রাকের ধাক্কায় প্রাণ গেল দুই বন্ধুর চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকার স্ক্র্যাপ জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, ফেরত পাঠানোর উদ্যোগ তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির গণবিরোধী সিদ্ধান্ত অবিলম্বে বাতিল করতে হবে: নজরুল ইসলাম প্রতিবন্ধী শিশুদের সম্পদে রূপান্তরের আহ্বান
Nagad desktop

বাড়ল স্বর্ণের দাম

প্রকাশ: ০৯ ডিসেম্বর ২০২৪, ০৯:৫০ পিএম
আপডেট: ০৯ ডিসেম্বর ২০২৪, ১০:৩৬ পিএম
বাড়ল স্বর্ণের দাম
ছবি: সংগৃহীত

স্বর্ণের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।

সোমবার (৯ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস।

এতে বলা হয়, ভরিতে এক হাজার ১৬৬ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম এখন এক লাখ ৩৮ হাজার ৩৯৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আগামীকাল মঙ্গলবার (১০ ডিসেম্বর) থেকে এই নতুন দাম কার্যকর হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

এতে আরও জানানো হয়, স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত পাঁচ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ছয় শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে।

সুমন/

বন্ধ শিল্প ও প্রতিষ্ঠান সচল করতে ২০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ তহবিল

প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ০৯:০৩ এএম
বন্ধ শিল্প ও প্রতিষ্ঠান সচল করতে ২০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ তহবিল
ছবি: সংগৃহীত

দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ কিংবা মূলধন সংকটে সক্ষমতা অনুযায়ী উৎপাদন ও সেবা দিতে পারছে না এমন শিল্প ও সেবা প্রতিষ্ঠান আবার সচল করতে ২০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ তহবিল গঠন করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। 

বৃহস্পতিবার (৫ জুন) এ-সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ‘বন্ধ শিল্প ও সেবা খাত সহায়ক প্রাক-অর্থায়ন স্কিম’ নামে চালু হওয়া এ তহবিলের মাধ্যমে সম্ভাবনাময় কিন্তু আর্থিক সংকটে থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোকে স্বল্পসুদে অর্থ দেওয়া হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, এ তহবিলের মাধ্যমে দেশের শিল্প উৎপাদন বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, রপ্তানি সম্প্রসারণ এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সার্কুলারে বলা হয়েছে, তফসিলি ব্যাংকগুলোর উদ্বৃত্ত তারল্য ব্যবহার করে ২০ হাজার কোটি টাকার এ স্কিম পরিচালিত হবে। এ স্কিমের মেয়াদ হবে ৩ বছর। সব তফসিলি ব্যাংক এতে অংশ নিতে পারবে। তবে স্কিমে অংশগ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যাংককে বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে পৃথক চুক্তি স্বাক্ষর করতে হবে।

যারা পাবে ঋণ সুবিধা
সার্কুলারে বলা হয়েছে, স্কিমের আওতায় বৃহৎ শিল্প ও সেবা খাতের এমন প্রতিষ্ঠান ঋণ সুবিধা পাবে, যেগুলো আংশিক বা পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে কিংবা কার্যকর মূলধনের সংকটে পূর্ণ সক্ষমতায় উৎপাদন ও সেবা দিতে পারছে না। বিশেষ করে রপ্তানিমুখী ও উচ্চ রপ্তানি সম্ভাবনাময় প্রতিষ্ঠানগুলোকে ঋণ প্রদানে অগ্রাধিকার দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া কোনো উদ্যোক্তা অধিগ্রহণ (টেকওভার) বা ভাড়া চুক্তির মাধ্যমে বন্ধ প্রতিষ্ঠান চালু করলে তাকেও অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

তবে ঋণ দেওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট ব্যাংককে প্রতিষ্ঠানের প্রকৃত অবস্থা, উৎপাদন সক্ষমতা, মূলধনের প্রয়োজনীয়তা এবং ঋণ পরিশোধ সক্ষমতা যাচাই করতে হবে। ব্যবস্থাপনা ব্যর্থতা, প্রযুক্তিগত অদক্ষতা বা বিপণন সমস্যার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে কেবল কার্যকর মূলধনের ঘাটতি পূরণের জন্য এই ঋণ দেওয়া যাবে না।

শিল্প বা সেবা প্রতিষ্ঠানের উৎপাদন ও কার্যক্রম পরিচালনার সক্ষমতা প্রমাণে এফবিসিসিআই, বিজিএমইএ, বিকেএমইএসহ সংশ্লিষ্ট বাণিজ্য সংগঠনের প্রত্যয়নপত্র থাকতে হবে। তবে প্রয়োজন হলে ব্যাংক নিজস্ব তদন্তের ভিত্তিতেও ঋণ অনুমোদন করতে পারবে। বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, খেলাপি হিসেবে চিহ্নিত গ্রাহক, অর্থ পাচার, জালিয়াতি, ঋণ তছরুপ বা ঋণের অর্থ অপব্যবহারের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান এ স্কিমের সুবিধা পাবে না।

বিদ্যমান ঋণ সমন্বয় নয়
সার্কুলারে বলা হয়েছে, স্কিমের অর্থ শ্রমিক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা, বিদ্যুৎ, গ্যাস ও ইউটিলিটি বিল পরিশোধ, কাঁচামাল সংগ্রহ, রপ্তানি আদেশ বাস্তবায়ন এবং অন্যান্য উৎপাদন ব্যয়ে ব্যবহার করা যাবে। তবে এ অর্থ দিয়ে কোনো বিদ্যমান ঋণ সমন্বয় বা পরিশোধ করা যাবে না। এতে আরও বলা হয়েছে, শ্রমিকদের বেতন-ভাতা প্রদানের ক্ষেত্রে নগদ লেনদেন করা যাবে না। ব্যাংক বা মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের (এমএফএস) মাধ্যমে সরাসরি অর্থ পরিশোধ করতে হবে। এ জন্য প্রত্যেক শ্রমিকের জাতীয় পরিচয়পত্র যাচাই বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। বেতন-ভাতা বাবদ সর্বোচ্চ চার মাসের সমপরিমাণ অর্থ ব্যয় করা যাবে।

২০০ কোটি টাকার বেশি ঋণ নয়
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, একক কোনো প্রতিষ্ঠান বা গ্রুপের অনুকূলে এ স্কিমের আওতায় ঋণের পরিমাণ ২০০ কোটি টাকার বেশি হবে না। প্রতিটি ঋণের মেয়াদ হবে সর্বোচ্চ এক বছর। তবে তহবিলের প্রাপ্যতা ও গ্রাহকের সন্তোষজনক লেনদেনের ভিত্তিতে ঋণ নবায়নের সুযোগ থাকবে।
সুদহার

স্কিমের আওতায় ব্যাংকগুলো বাংলাদেশ ব্যাংককে ৪ শতাংশ হারে সুদ পরিশোধ করবে। অন্যদিকে গ্রাহক পর্যায়ে ঋণের সুদের হার সর্বোচ্চ ৭ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। ঋণ বিতরণের প্রথম ৬ মাস সুদ পরিশোধে ছাড় থাকবে। এরপর থেকে সুদ আদায় ও পরিশোধ কার্যক্রম শুরু হবে।

আদায় ও তদারকি
নীতিমালায় আদায় ও তদারকির বিষয়েও বিস্তারিত নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, প্রাক-অর্থায়নের বিপরীতে গৃহীত অর্থের সুদ বা মুনাফা ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে বাংলাদেশ ব্যাংকে পরিশোধ করতে হবে। ঋণ আদায়, সমন্বয় বা মেয়াদ শেষ হওয়ার পর সর্বশেষ ত্রৈমাসিকের সুদসহ পুরো অর্থ ফেরত দিতে হবে। নির্ধারিত সময়ে অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের বাংলাদেশ ব্যাংকে রক্ষিত চলতি হিসাব থেকে অর্থ সমন্বয় করা হবে। এ ক্ষেত্রে ব্যর্থতার সময়ের জন্য অতিরিক্ত ২ শতাংশ সুদ আরোপ করা হবে।

নীতিমালায় আরও বলা হয়েছে, ঋণসংক্রান্ত সব ধরনের ঝুঁকি সংশ্লিষ্ট ব্যাংককেই বহন করতে হবে এবং গ্রাহক পর্যায়ে ঋণ আদায়ের সম্পূর্ণ দায়-দায়িত্বও ঋণ বিতরণকারী ব্যাংকের ওপর থাকবে। কোনো অবস্থাতেই গ্রাহকের ঋণ আদায়ের সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের পাওনা সম্পর্কিত করা যাবে না। গ্রাহক ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হলে বিদ্যমান নীতিমালা অনুযায়ী তা খেলাপি ও প্রয়োজনীয় প্রভিশন সংরক্ষণ করতে হবে।

ঋণের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে ব্যাংকগুলোকে সাপ্তাহিক ভিত্তিতে সুবিধাভোগী প্রতিষ্ঠানের প্রতিবেদন সংগ্রহ করতে হবে। পাশাপাশি প্রতি ত্রৈমাসিকে কারখানা পরিদর্শন করে প্রতিবেদন প্রস্তুত করতে হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকও যেকোনো সময় সরেজমিনে ঋণ কার্যক্রম যাচাই করতে পারবে। এ জন্য ঋণ মঞ্জুরের পূর্বশর্ত হিসেবে ঋণগ্রহীতার সম্মতি গ্রহণ এবং সংশ্লিষ্ট সব তথ্য ও কাগজপত্র পৃথকভাবে সংরক্ষণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

অন্যান্য নির্দেশনার মধ্যে বলা হয়েছে, ঋণগ্রহীতা নির্বাচন, ঋণ মঞ্জুরি, বিতরণ, দলিল সম্পাদন, ঋণের ব্যবহার ও তদারকির বিষয় ব্যাংকের নিজস্ব নীতিমালা অনুযায়ী পরিচালিত হবে। ঝুঁকি কমাতে ব্যাংক প্রয়োজনে ওয়ার্কিং ক্যাপিটালের বিপরীতে জামানত নিতে পারবে। একই সঙ্গে একক গ্রাহক বা গোষ্ঠীর ক্ষেত্রে ঋণসীমাসংক্রান্ত বাংলাদেশ ব্যাংকের বিদ্যমান বিধান কার্যকর থাকবে।

নীতিমালায় আরও বলা হয়েছে, যোগ্য প্রতিষ্ঠানের অবলোপনকৃত ঋণ থাকলেও নির্দিষ্ট শর্তে পুনঃতফসিল বা নীতি-সহায়তার আওতায় নতুন সুবিধা দেওয়া যাবে। এ ক্ষেত্রে ঋণগ্রহীতা খেলাপি হিসেবে গণ্য হবে না এবং হিসাব এসএমএ হিসেবে থাকবে। তবে টানা ছয়টি মাসিক বা দুটি ত্রৈমাসিক কিস্তি পরিশোধে ব্যর্থ হলে ঋণ পুনরায় মন্দ ও ক্ষতিজনক হিসেবে শ্রেণীকরণ করা হবে।

অন্যদিকে ঋণের অপব্যবহার, মিথ্যা তথ্য প্রদান, জালিয়াতি, অনিয়ম বা খেলাপির ঘটনা ঘটলে সংশ্লিষ্ট ঋণগ্রহীতার তথ্য সরকারের সংশ্লিষ্ট সংস্থার কাছে পাঠানো যাবে এবং আইনগত ব্যবস্থার পাশাপাশি অন্যান্য শাস্তিমূলক ব্যবস্থাও গ্রহণ করা হবে। কোনো ব্যাংক কর্মকর্তা বা কর্মচারীর সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধেও প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা নিতে হবে। বাংলাদেশ ব্যাংক আশা করছে, এই তহবিলের মাধ্যমে বন্ধ শিল্প-কারখানা ও সেবা প্রতিষ্ঠানগুলো পুনরায় উৎপাদনে ফিরবে, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি ফিরে আসবে।

দুর্নীতি ঠেকাতে বন্দরকে ডিজিটালাইজড করা হবে: অর্থমন্ত্রী

প্রকাশ: ০৪ জুন ২০২৬, ০৫:৫০ পিএম
দুর্নীতি ঠেকাতে বন্দরকে ডিজিটালাইজড করা হবে: অর্থমন্ত্রী
ছবি: খবরের কাগজ

বন্দরে সবচেয়ে বেশি দুর্নীতি হয়। তাই বন্দরকে ডিজিটালাইজড করা হবে বলে উল্লেখ করেছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। 

বুধবার (৩ জুন) ঢাকা ফোরাম ইনিশিয়েটিভ আয়োজিত প্রি-বাজেট রাউন্ড টেবিল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিষ্ঠানটির প্রধান কৌশলবিদ আশফাক জামানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর বিনিয়োগ পুঁজিবাজারবিষয়ক বিশেষ সহকারী তানভির গনি। রাজধানীর বনানীতে হোটেল সারিনায় গতকাল বুধবার রাতে এ রাউন্ড টেবিল অনুষ্ঠিত হয়।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘বন্দরে স্ক্যানিং মেশিন থাকার পরেও বলে নষ্ট হয়ে গেছে। বন্দরের স্ক্যানিং মেশিন কার্যকর করার জন্য এনবিআর চেয়ারম্যানকে নির্দেশ দেওয়া হয়। দেশে অনেক নীতি আছে। কিন্তু কার্যকর হয় না। কাস্টমসের বড় সমস্যা হলো নীতি তৈরি। আমরা সংস্কার করে জনগণের জন্য সেই নীতি তৈরি করতে যাচ্ছি। এ ব্যাপারে টাস্কফোর্স গঠন করা হবে। আমরা অলিগার্কদের মতো নই। আমরা নির্বাচিত সরকার গঠন করেছি। জনগণের সেবা করার জন্যই আমরা নির্বাচিত হয়েছি। সেভাবে সরকার কাজ করছে। ১১ মে বাজেট পেশ করা হবে। ব্যবসা করতে গেলে ১৯টা লাইসেন্স লাগে। তা পেতে ছয় মাস থেকে এক বছর পর্যন্ত লাগে। তাই বিনিয়োগের জন্য এক জায়গা থেকে পারমিশন (লাইসেন্স) দেওয়া হবে। তা পেতে সর্বোচ্চ এক সপ্তাহ লাগবে। সম্পূর্ণ ডিজিটালাইজেশনে সেই ব্যবস্থা করা হবে।’ 

তিনি আরও বলেন, অর্থনীতি ঘুরছে শুধু শিল্পের দিকে। আমরা জিডিপি বলতে শুধু শিল্পকে বুঝি। কিন্তু আমরা সেই ধারা থেকে বেরিয়ে এসেছি। তাই আমরা বিভিন্ন দিকে গুরুত্ব দিচ্ছি। ১৩০ বিঘা জমি পাওয়া গেছে। থিয়েটার সিটি করা হবে। কামার, কুমার, তাঁতি সবাইকে বাজেটের আওতায় আনা হবে। তারা এতদিন বাজেটের বাইরে ছিল। অর্থনীতির বৈশিষ্ট্য হচ্ছে সব মানুষের কাছে যেতে হবে। তাই আমরা প্রত্যেক গোষ্ঠীকে বাজেটে অন্তর্ভুক্ত করতে চাচ্ছি।’ 

উন্নয়নকাজের ব্যাপারে তিনি বলেন, আগে প্রজেক্ট করা হয়েছে নিজের পকেট ভর্তির জন্য। এমন এমন প্রজেক্ট করা হয়েছে যেগুলো কোনো প্রয়োজন নাই। যেগুলো ৫০ থেকে ৭০ শতাংশ কাজ হয়েছে সেগুলো বাদ দিচ্ছে না। কিন্তু নতুন প্রকল্পের ক্ষেত্রে চারটা জিনিস দেখা হচ্ছে। সেগুলো পূরণ করা হলেই পাস হবে। তা না হলে ফেরত দেওয়া হবে।

বিএসইসির চেয়ারম্যান হলেন মাসুদ খান

প্রকাশ: ০৪ জুন ২০২৬, ০৩:১১ পিএম
আপডেট: ০৪ জুন ২০২৬, ০৪:১৯ পিএম
বিএসইসির চেয়ারম্যান হলেন মাসুদ খান
বিএসইসির চেয়ারম্যান মাসুদ খান। ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান হয়েছেন বহুজাতিক কোম্পানির ইউনিলিভার কনজ্যুমার কেয়ারের চেয়ারম্যান মাসুদ খান।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে এ বিষয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। আজ থেকেই তিনি বিএসইসিতে যোগ দেবেন।

এছাড়া কমিশনার পদে নাহিদ মাহতাব, তানভীর হাবিব রহমান এবং নাফিজ-আল-তারিককে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ থেকে আলাদা প্রজ্ঞাপনে এ আদেশ জারি করা হয়।

মাসুদ খান ৪৩ বছরেরও বেশি সময় ধরে বিভিন্ন শীর্ষস্থানীয় বহুজাতিক ও স্থানীয় কোম্পানিতে কাজ করেছেন। তিনি ক্রাউন সিমেন্ট গ্রুপের পরিচালনা পর্ষদের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

তিনি ২০২০ সালের জুলাই মাস থেকে ইউনিলিভার কনজ্যুমার কেয়ারের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

ক্রাউন সিমেন্ট গ্রুপে যোগদানের আগে তিনি লাফার্জ হোলসিম বাংলাদেশে ১৮ বছর প্রধান আর্থিক কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এর আগে তিনি ব্রিটিশ-আমেরিকান টোব্যাকোর বিভিন্ন পদে দেশে ও বিদেশে ২০ বছর কাজ করেছেন।

এ ছাড়া তিনি সিঙ্গার বাংলাদেশ এবং কমিউনিটি ব্যাংকের একজন স্বতন্ত্র পরিচালক ও অডিট কমিটির প্রধান হিসেবে কাজ করছেন।

এর আগে বৃহস্পতিবার সকালে বিএসইসির চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদ ও সংস্থাটির চার কমিশনার পদত্যাগ করেন। আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, তারা সবাই ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেছেন। বিএসইসি থেকে পদত্যাগ করা কমিশনাররা হলেন, মো. মহসিন চৌধুরী, মো. আলী আকবর, ফারজানা লালারুখ ও মো. সাইফউদ্দিন।

নাঈম/

৪ জুন: কমল প্রায় সব মুদ্রার দাম

প্রকাশ: ০৪ জুন ২০২৬, ১২:২৭ পিএম
আপডেট: ০৪ জুন ২০২৬, ১২:৩০ পিএম
৪ জুন: কমল প্রায় সব মুদ্রার দাম
বৈদেশিক মুদ্রা। ছবি: সংগৃহীত

দিন দিন বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারিত হচ্ছে। এ ছাড়াও পড়াশোনা, চিকিৎসা, ভ্রমণ থেকে শুরু করে বিভিন্ন প্রয়োজনে বিদেশি মুদ্রার সঙ্গে আমাদের দেশের মুদ্রা বিনিময় করতে হয়।

একটা বিষয় মনে রাখা প্রয়োজন, মুদ্রার বিনিময় হার প্রতিদিন পরিবর্তিত হয়। আমরা প্রতিদিন সর্বশেষ বিনিময় হার তুলে ধরছি। আরও বিস্তারিত জানতে স্থানীয় ব্যাংক বা বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করা বা তাদের ওয়েবসাইট পরিদর্শন করা যেতে পারে।

মুদ্রা ক্রয় (টাকা) বিক্রয় (টাকা) বাড়ল/কমল
ইউএস ডলার     122.7500 (ব্যাংক নির্ধারিত) 122.75 --
ইউরো     142.32 142.37 - 0.45
ব্রিটেন পাউন্ড     164.68 164.73 - 0.6
অস্ট্রেলিয়ান ডলার     87.49 87.52 - 0.51
জাপানি ইয়েন 0.76 0.76 --
কানাডিয়ান ডলার 88.32 88.33 - 0.36
সুইস ক্রোনা 13.03 13.05 - 0.14
সিঙ্গাপুর ডলার 95.58 95.63 - 0.32
চায়না ইউয়ান     18.10 18.10 - 0.04
ইন্ডিয়ান রুপি     1.28 1.28 --
সৌদি রিয়াল 32.53 32.53 - 0.01
আরব আমিরাত দিরহাম 33.26 33.26 --

সূত্র: (বাংলাদেশ ব্যাংক)

মুদ্রা কেনাবেচার দর: ৪ জুন, ২০২৬

নাঈম/

বিএসইসির চেয়ারম্যান ও চার কমিশনারের পদত্যাগ

প্রকাশ: ০৪ জুন ২০২৬, ১২:১৭ পিএম
আপডেট: ০৪ জুন ২০২৬, ১২:১৮ পিএম
বিএসইসির চেয়ারম্যান ও চার কমিশনারের পদত্যাগ
খন্দকার রাশেদ মাকসুদ

বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদ ও চারজন কমিশনার পদত্যাগ করেছেন। 

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগে পদত্যাগপত্র জমা দেন তারা।

পদত্যাগ করা কমিশনাররা হলেন মু. মহসীন চৌধুরী, মো. আলী আকবর, ফারজানা লালারুখ ও মো. সাইফুদ্দিন।

দীর্ঘদিন ধরে পুঁজিবাজারে অস্থিরতা, বিনিয়োগকারীদের ক্ষোভ এবং কমিশনের অভ্যন্তরীণ অসন্তোষের কথা শোনা যাচ্ছিল। এর মধ্যেই তারা পদত্যাগ করলেন।

২০২৪ সালের ১৮ আগস্ট খন্দকার রাশেদ মাকসুদ চার বছরের জন্য বিএসইসির চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পান। একই বছরের ২ জুন কমিশনার হিসেবে নিয়োগ পান মু. মহসীন চৌধুরী। এরপর ২৮ আগস্ট মো. আলী আকবর, ৩ সেপ্টেম্বর ফারজানা লালারুখ এবং সবশেষ ২০২৫ সালের ২৯ জুলাই মো. সাইফুদ্দিন কমিশনার হিসেবে নিয়োগ পান।

অমিয়/