চলচ্চিত্র নির্মাতা হিসেবে যাত্রা শুরু করছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী কুসুম সিকদার। তার নিজের লেখা গল্পের বই ‘অজাগতিক ছায়া’ থেকে বানিয়েছেন পূর্ণদৈর্ঘ্য সিনেমা ‘শরতের জবা’। সিনেমার মুক্তি ও অন্যান্য বিষয় নিয়ে কথা হলো এই অভিনেত্রীর সঙ্গে। জানাচ্ছেন অজেয় চৌধুরী
কেমন আছেন?
আলহামদুলিল্লাহ, অনেক ভালো আছি।
‘শরতের জবা’ সিনেমাটি কবে মুক্তি পাচ্ছে?
আগামী ১১ অক্টোবর থেকে স্টার সিনেপ্লেক্স, ব্লকবাস্টার সিনেমাস-এ ‘শরতের জবা’ মুক্তির কথা রয়েছে। ছবিটির প্রযোজনা করেছে ইমপ্রেস টেলিফিল্ম। পরে এটি দেখা যাবে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম আই স্ক্রিনে।
সিনেমার গল্পটা জানতে চাই।
২০২১ সালের একুশে বইমেলায় প্রকাশিত হয় আমার গল্পের বই ‘অজাগতিক ছায়া’। এই বইয়ের গল্প থেকেই নির্মিত হয়েছে ‘শরতের জবা’। সেখানে দেখা যাবে, একজন একা নারীর রহস্যময় জীবন, অতৃপ্ত প্রেম, আঘাত পরম্পরা, অপমৃত্যুর ঘটনায় জড়িয়ে যাওয়া। প্রশ্ন উঠবে, জবা কি আসলেই খুনি? নাকি অদৃশ্য কোনো শক্তি রয়েছে তার পেছনে?
সিনেমার গল্প ও নির্মাণ আপনি করেছেন। সেই সঙ্গে কেন্দ্রীয় চরিত্রেও আপনি অভিনয় করেছেন। এটা কেন?
এই সিনেমায় কেন্দ্রীয় চরিত্র বলে আসলে কিছু নেই। এখানে প্রতিটি চরিত্রই কেন্দ্রীয় চরিত্র। প্যারালালি সবাইকেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় দেখা যাবে। এ সিনেমার বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন জিতু আহসান, ইয়াশ রোহান, নিদ্রা দে নেহা, নরেশ ভূঁইয়া, শহিদুল আলম সাচ্চু প্রমুখ।
গৌতম ঘোষ পরিচালিত ‘শঙ্খচিল’ মুক্তি পেয়েছিল ২০১৬ সালে। দীর্ঘ ৮ বছর পর ক্যামেরার সামনে এসে কেমন লেগেছিল?
আনন্দই লেগেছে। কিন্তু এবার যেহেতু আমি নির্মাতা, তাই একটা চাপ ছিল। শেষ করতে পারব কি না, ঠিকমতো করতে পারব কি না। ভয় ছিল। এটা একটা ফিল্ম, অনেক মানুষ জড়িয়ে আছে এর সঙ্গে, অনেক বিষয় জড়িয়ে আছে। মনে পড়ে, শুটিং হয়েছিল আমার দাদাবাড়ি নড়াইলে। আমাদের নিজেদের বাড়িতে। এত বড় ইউনিট নিয়ে সেখানে থাকা, সেটাও একটা টেনশন ছিল। শুধু অভিনয়শিল্পী হিসেবে কাজ করলে এতটা টেনশন থাকে না।
আপনার নির্মিত প্রথম সিনেমা নিয়ে আপনার প্রত্যাশা কী?
প্রথম সিনেমা হিসেবে অবশ্যই আমার প্রত্যাশা অনেক। নিজের গল্পে সিনেমা নির্মাণের কাজটা চেষ্টা করেছি সবচেয়ে ভালোভাবে করার। সিনেমাটি দর্শকদের মন জয় করতে পারলেই আমার পরিশ্রম সার্থক হবে।
জাহ্নবী