ছোট পর্দার পরিচিত মুখ তাসনুভা তিশা। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনেও সক্রিয় ছিলেন তিনি। দেশের বন্যাকবলিত এলাকাতেও সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে ছুটে যান এই মডেল অভিনেত্রী। নোয়াখালীতে প্রান্তিক পর্যায়ে অসহায় মানুষকে সহযোগিতা করেছেন তিনি।
এরপর আবার ফিরেছেন শুটিংয়ে। নাটক, টেলিফিল্মে নিয়মিত কাজ করছেন নিয়মিত। তবে তাসনুভা তিশা ওটিটি প্ল্যাটফর্মের জন্য নির্মিত বিভিন্ন ওয়েব সিরিজেও চুটিয়ে কাজ করছেন। এবার জানা গেল, তাসনুভা তিশা অভিনীত নতুন ওয়েব সিরিজ ‘সেকশন ৩০২’ আসছে দেশীয় ওটিটি প্ল্যাটফর্ম বঙ্গতে। এখানে পুলিশ অফিসারের চরিত্রে দেখা যাবে তাকে। ক্যারিয়ারের প্রথমবার পুলিশ চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিশা।
গত ১০ অক্টোবর রাতে সোশ্যাল মিডিয়াতে প্রকাশিত হয়েছে এই ওয়েব সিরিজের পোস্টার। আর এই পোস্টার প্রকাশের ক্যাপশনে লেখা হয়েছে, ‘অদ্ভুত এক রহস্যের জালে জড়িয়ে গেছে অনেক জীবন। কে সত্য, কে মিথ্যা?’
‘সেকশন ৩০২’ নির্মাণ করেছেন রিয়াদ মাহমুদ। তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, ‘এটা মূলত মার্ডার মিস্ট্রি ধাঁচের গল্প হলেও কমেডি আছে। যা দর্শকের কাছে প্রকল্পটিকে আরও উপভোগ্য করে তুলবে। শেষ পর্যন্ত দেখার আগে আপনি কখনোই জানবেন না কে আসল অপরাধী। এ ছাড়া এখানে অভিনয়শিল্পীদেরও নতুনভাবে আবিষ্কার করবেন দর্শকেরা। যেমন তাসনুভা তিশাকে আগে পুলিশ চরিত্রে দেখা যায়নি।’
নির্মাতা আরও জানান, ‘সেকশন ৩০২’ আগামী ১৮ অক্টোবর মুক্তি পাবে বঙ্গতে। এদিন দেখা যাবে প্রকল্পটির প্রথম পর্ব ‘আয়নামহল’। দ্বিতীয় পর্ব মুক্তি কবে আসবে এখনো জানাননি তিনি।
এর গল্প ও চিত্রনাট্য লিখেছেন শাহাজাদা শাহেদ। এতে তাসনুভা তিশার পাশাপাশি আরও অভিনয় করেছেন, প্রান্তর দস্তিদার, উপস্থাপিকা নীল হুরেজাহান, নিশাত প্রিয়ম, জিল্লুর রহমান প্রমুখ। এর প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন প্রান্তর দস্তিদার। তিনি ‘মনির’ নামে এক শিক্ষিত তরুণের চরিত্রে অভিনয় করেছেন। যেখানে দেখা যাবে তিনি চাকরি পাচ্ছেন না; তাই বাধ্য হয়ে ডেলিভারি বয়ের চাকরি করেন। হঠাৎই সে জড়িয়ে পড়ে এক উটকো ঝামেলায়। ধীরে ধীরে গল্পে আসে আরও নতুন নতুন চরিত্র। শেষ পর্যন্ত কী হয় ছেলেটির জীবনে- এমন গল্প দর্শককে শেষ পর্যন্ত টেনে নিয়ে যাবে। তবে নাটক টেলিফিল্মে নিয়মিত কাজ করলেও ওটিটি প্ল্যাটফর্মের কাজেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন তাসনুভা তিশা।
এ সম্পর্কে তিনি বলেন, ওটিটির কাজে ভালো গল্প, ভালো কনটেন্ট ও ডিফারেন্ট ক্যারেক্টার থাকায় এর প্রতি আমার বিশেষ আগ্রহ তৈরি হয়েছে। এখানে অনেক ডিফারেন্ট ডিফারেন্ট কাজ হয়। এখানে কাজের পরিধিও অনেক বেশি। তা ছাড়া ওটিটির কাজগুলো টিভি নাটকের মতো হুটহাট শেষ করা হয় না। অনেকটা সময় নিয়ে শেষ করা হয়। তবে এমন নয় যে আমি নাটক করছি না। নাটক ছাড়া তো আমার জীবন চলবে না- দুটো মাধ্যমেই আমি কাজ করে যাব।
জাহ্নবী