ইঞ্জিনিয়ারিং ছাত্রী এবং মডেল হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করা কৃতি শ্যানন বর্তমানে বলিউডে প্রতিষ্ঠিত অভিনেত্রীদের একজন। ইতোমধ্যে ইন্ডাস্ট্রিতে নিজের আলাদা পরিচিতি গড়ে তুলেছেন। এ অভিনেত্রীর বলিউডে অভিষেক হয় ২০১৪ সালে টাইগার শ্রফের বিপরীতে ‘হিরোপান্তি’ ছবির মাধ্যমে। প্রথম ছবিতেই আলাদাভাবে দর্শকদের নজর কাড়েন তিনি।
পরবর্তীতে ‘বরেলি কি বরফি’, ‘দিলওয়ালে’, ‘লুকা ছুপি’ এবং ‘মিমি’-এর মতো নামকরা সব ছবিতে অভিনয় করেন। ‘মিমি’ চলচ্চিত্রে তার অভিনয় দক্ষতার দরুণ সেরা অভিনেত্রী হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারও অর্জন করেন এ তারকা।
প্রায় এক যুগের ক্যারিয়ারে নানা উত্থান-পতনের ভেতর দিয়ে যেতে হয়েছে তাকে। সম্প্রতি ‘সিএনএন নিউজ১৮’-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কৃতি বলিউডে বহিরাগতদের সংগ্রাম নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন। তিনি বলেন, ‘এই শিল্পে কোনো শর্টকাট রাস্তা নেই। কঠোর পরিশ্রম ও ধৈর্য ধরে লড়ে যেতে হয়। বিশেষ করে যদি তুমি কোনো চলচ্চিত্র পরিবারের বাইরে থেকে আস, তখন কেউ তোমাকে সুযোগ এনে দেবে না।’
কৃতি আরও বলেন, ‘অনেকেই তোমাকে বলবে- তোমার উচ্চতা সমস্যা, শরীরের গঠন ঠিকঠাক নয় বা তুমি ফিট নও। কিন্তু আসল কথা তোমাকে কেউ বলবে না। সত্যি হলো, নিজের প্রতি বিশ্বাস রাখতে হবে। অন্য কেউ তোমাকে বলবে না যে তুমি পারবে।’
এ অভিনেত্রী মনে করেন- ক্রমাগত শেখা, আত্মউন্নয়ন এবং সঠিক সময়ে সুযোগ কাজে লাগানোই সাফল্যের মূল চাবিকাঠি। তিনি বলেন, ‘বড় সুযোগ পাওয়ার আগের সময়টা কখনোই ব্যর্থতা হিসেবে দেখা যাবে না। বরং সেটা হলো নিজেকে গুছিয়ে নেওয়ার সময়, বেড়ে ওঠা ও নিজেকে প্রস্তুত করার সঠিক সময়।’
উল্লেখ্য, কৃতি শ্যাননকে সবশেষ ‘দো পাত্তি’ সিনেমায় দ্বৈত চরিত্রে অভিনয়ে দেখা গেছে। সামনে খ্যাতিমান নির্মাতা আনন্দ এল রাই পরিচালিত ‘তেরে ইশক মে’ সিনেমায় ধানুশের বিপরীতে পর্দায় হাজির হবেন তিনি। ইতোমধ্যে ছবিটির প্রকাশিত টিজার ভক্ত-অনুরাগীদের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।
/এমএস