দীর্ঘ সাত বছর পর প্রিয়দর্শিনী মৌসুমীর সঙ্গে দেখা করলেন এক সময়ের দর্শকপ্রিয় নায়িকা জনা। দুই দিন আগে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে মৌসুমী যেখানে থাকেন সেখানেই জনা মৌসুমীকে না জানিয়ে উপস্থিত হয়ে মৌসুমীকে চমকে দেন বলে জানান জনা। হঠাৎ জনাকে দেখে ভীষণ খুশি হন মৌসুমী। জনাকে বুকে আগলে নেন মৌসুমী। আর এরপর গল্প আড্ডায় মেতে ওঠেন তারা দুজন। যুক্তরাষ্ট্র থেকে জনা তার অনুভূতি জানাতে গিয়ে বলেন, ‘আমি ফিল্মে আসার আগে থেকেই মৌসুমী আপুর ভক্ত।
ফিল্মে কাজ শুরু করার পর মনে মনে স্বপ্ন দেখতাম মৌসুমী আপুর সঙ্গে ফিল্মে অভিনয় করার। অবশেষে ‘গোলাপজান’ সিনেমায় আপুর সঙ্গে কাজ করার সুযোগ হলো। তার পর ‘চোখ যে মনের কথা বলে’ সিনেমাতেও তার সঙ্গে অভিনয় করার সুযোগ হয়েছে। আগে তো দেশের আনাচে-কানাচে সিনেমা হল ছিল। সিনেমা মুক্তি পেলে দলবেঁধে দর্শক সিনেমা দেখতে যেতেন। আমিও আপুর প্রথম সিনেমা ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ এবং ‘অন্তরে অন্তরে’ দলবেঁধে সিনেমা হলে গিয়ে দেখেছি।
আর তখন থেকেই আসলে আমি মৌসুমী আপুর ভক্ত। এরপর সিনেমায় একসঙ্গে কাজ করার পর তার স্নেহধন্য হয়ে গেলাম আমি। যেহেতু দীর্ঘদিন তার সঙ্গে দেখা নেই, তাই ইচ্ছে ছিল এবার যুক্তরাষ্ট্রে গিয়েই আপুর সঙ্গে দেখা করব। সেই প্ল্যান অনুযায়ী হঠাৎ করে তার সঙ্গে দেখা করলাম। আপু ভীষণ খুশি হলেন। আমরা অনেক গল্প করলাম, স্মৃতিচারণ করলাম। মজার মজার খাবারও খেলাম। দোয়া করি মৌসুমী আপু ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন।’ প্রিয়দর্শিনী মৌসুমী বলেন, ‘অনেকদিন পর জনাকে দেখে ভালো লাগল।
সত্যি বলতে কী- বিদেশের মাটিতে দেশের কারও সঙ্গে দেখা হলে খুব ভালো লাগে। আর চলচ্চিত্র পরিবারের কেউ হলে তো আরও বেশি ভালো লাগে। জনাকে দেখে ভালো লাগাটা যেন বেশি কাজ করেছে। জনাকে ধন্যবাদ এভাবে হঠাৎ করে আমার সঙ্গে দেখা করার জন্য।’ প্রসঙ্গত, ২০০২ সালে শাকিব খানের সঙ্গে ‘হৃদয়ের বাঁশি’ সিনেমায় অভিনয়ের মধ্যদিয়ে চলচ্চিত্রে অভিষেক হয় সুমনা জনার। তার অভিনীত অন্য সিনেমাগুলো হচ্ছে- ‘ডাক্তার বাড়ি’, ‘বাজাও বিয়ের বাজনা’, ‘বিয়ের লগন’, ‘জন্ম’, ‘মন ছুঁয়েছে মন’ ইত্যাদি। জনা জানান, কয়েকদিন পরই তিনি যুক্তরাষ্ট্র থেকে দুবাই আসবেন। সেখান থেকে তার স্বামীকে নিয়ে ওমরাহ হজ পালন করতে সৌদি আরব যাবেন।
/রোদসী