চিত্রনায়িকা অধরা খান কিছুদিন আগে কানাডা থেকে দেশে ফিরেছেন। দেশে ফিরে মা’সহ পরিবারের অন্যদের সঙ্গেই সময় কাটাচ্ছেন তিনি। এর মধ্যে কিছু দাওয়াতে অংশও নিয়েছেন। আজ অধরার জন্মদিন। এবারের জন্মদিনের পুরোটা সময় পরিবারের সঙ্গে কাটাতে পারবেন বিধায় ভীষণ উচ্ছ্বসিত অধরা।
তবে জন্মদিনের উচ্ছ্বাসের চেয়ে আরও বেশি ভালো লাগত তার যদি তার মুক্তি প্রতীক্ষিত দুটি সিনেমা মুক্তির নির্ধারিত তারিখের ঘোষণা আসত। কারণ একজন নায়িকার সবচেয়ে ভালো লাগার বিষয় হচ্ছে তিনি যে সিনেমায় অভিনয় করেন শুটিং শেষে সেই সিনেমা দ্রুত সেন্সর হয়ে যেন মুক্তি পায়–এমনটাই প্রত্যাশা থাকে।
অধরা খানের অভিনীত দুটি সিনেমা সৈয়দ ওয়াহিদুজ্জামান ডায়মন্ড পরিচালিত ‘দখিন দুয়ার’ এবং জাহিদ হোসেনের ‘ঋতুকামিনী’ এখনো মুক্তির কোনো নির্দিষ্ট খবর না থাকায় ভীষণ মন খারাপ। তারপরও তার প্রত্যাশা যে হয়তো চলতি বছরেই তার শুটিং শেষ করা এই দুটি সিনেমা মুক্তি পাবে।
নিজের জন্মদিন ও অন্যান্য প্রসঙ্গে অধরা খান বলেন, ‘আল্লাহর অনেক রহমত যে, ভালো আছি সুস্থ আছি। আর এই সময় দেশে আছি–এটাই অনেক বড় বিষয়। কারণ জন্মদিনের সময়টা এবার আম্মুর সঙ্গে এবং পরিবারের সঙ্গে কাটাতে পারছি। নিজের মতো করে এবারের জন্মদিনটা উদযাপন করতে পারব এটাই অনেক আনন্দের। আর ভীষণ প্রত্যাশা আমার শেষ হয়ে যাওয়া দুটি সিনেমা নিয়ে।
সিনেমা দুটি যেন দ্রুত মুক্তি পায় এই প্রত্যাশাই থাকবে। একজন শিল্পী কিন্তু তার কর্মের মধ্যদিয়ে বেঁচে থাকে। যেহেতু আমি একজন নায়িকা, একজন অভিনয়শিল্পী–তাই আমারও প্রত্যাশা থাকে যে আমার অভিনীত নতুন নতুন কাজ যেন দর্শকের সামনে আসে। অনেক বিরতিতে পড়ে গেলে চলার পথের ছন্দপতন ঘটে–এমনটা যেন দীর্ঘ না হয়।’
অধরা জানান, দুটি সিনেমাতেই গল্পের অন্যতম প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। অধরা অভিনীত সিনেমাগুলো হলো– ‘নায়ক’, ‘মাতাল’, ‘পাগলের মতো ভালোবাসি’, ‘সুলতানপুর’। অধরা মুক্তি প্রতীক্ষিত দুটি সিনেমা ছাড়া আরও কিছু সিনেমায় অভিনয় করেছিলেন। যেমন–‘গিভ অ্যান্ড টেক’, ‘উন্মাদ’, ‘ঠোকর’, ‘বাটপার’, ‘দ্য রাইটার’ ইত্যাদি। সিনিয়র শিল্পীদের মধ্যে অধরার প্রিয় নায়িকা শাবানা ও ববিতা। এরপর যাদের অভিনয় তাকে অনুপ্রাণিত করে তারা হলেন মৌসুমী ও শাবনূর।
এদিকে কিছুদিন আগে যুক্তরাষ্ট্রে নঈম ইমতিয়াজ নেয়ামুলের পরিচালনায় ‘ফ্রেমে বাঁধা বন্ধুত্ব’ শিরোনামের একটি নাটকে অভিনয় করেছেন অধরা।
/এমটি