ঢাকা ৯ আষাঢ় ১৪৩৩, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
আক্রমণের ধারা নষ্ট করতে চান না টুখেল উখিয়ায় ৪০ হাজার পিস ইয়াবাসহ মাদককারবারি গ্রেপ্তার লক্ষ্মীপুরে কেক কেটে আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন ‘সোমেশ্বরী’র পরিচালক নওশাবা মৌলভীবাজারে মধ্যরাতে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের উচ্ছ্বাস জামালপুরে লাগেজে মিলল যুবকের মরদেহ পাঠকের গল্প : একটি খালি বেডের গল্প ‘আওয়ামী লীগ দল হিসেবে নিষিদ্ধ হবে কি না, সিদ্ধান্ত নেবে আদালত’ মমেকে হামের উপসর্গে আরও ১ শিশুর মৃত্যু, নতুন ভর্তি ২৪ জাবিতে নীতিনির্ধারণী তিন পর্ষদে ২৮ শূন্যপদ, সংকটে স্বায়ত্তশাসন জ্বালানি তেলের ভবিষ্যৎ কি চীনের হাতে? দেশে অস্থিতিশীলতা এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালানোর চেষ্টা করছে : রিজভী মুদ্রণ ও প্রকাশনা অধিদপ্তরে ৪৩১ পদে বড় নিয়োগ হিলিতে বিএনপির মোটরসাইকেল শোডাউন ন্যাটোর সঙ্গে উত্তেজনার মধ্যেই আর্কটিকে রাশিয়ার পারমাণবিক বোমারু বিমানের টহল জাতীয়ভিত্তিক গ্রন্থপাঠ প্রতিযোগিতায় সেরা হলো বাতিঘর আদর্শ পাঠাগার লোহাগাড়ায় দুই বাসের সংঘর্ষে কলেজছাত্রী নিহত জীব ও পরিবেশের পারস্পরিক নির্ভরশীলতা অধ্যায় থেকে ৩টি অনুশীলনীর প্রশ্ন ও  উত্তর, ২য় পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বিজ্ঞান সাতকানিয়ায় যুবলীগ নেতা হাসান মাহমুদ গ্রেপ্তার বেনাপোলে আওয়ামী লীগের নৈরাজ্যের প্রতিবাদে শ্রমিক দলের বিক্ষোভ হ্যারি কেইনের ফর্মকে প্রশংসায় ভাসালেন ডেক্লান রাইস নিষিদ্ধ দলের তৎপরতা চোখে পড়া জাতির জন্য ব্যর্থতা: রেলপথমন্ত্রী ইবির কর্মচারীদের নিয়োগ যাচাইয়ে তদন্ত কমিটি, আতঙ্কে নিয়োগপ্রাপ্তরা বহুমাত্রিক সম্পর্কোন্নয়নে ভূমিকা রাখবে শরীয়তপুরে বিএনপির কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ পাঁচবিবিতে ট্রাকচাপায় যুবক নিহত ২৩ জুন: পাউন্ড ছাড়া সব মুদ্রার দাম কমেছে ইউসিটিসিতে ৭ম সিন্ডিকেট মিটিং অনুষ্ঠিত উখিয়ায় বিজিবির অভিযানে ১ লাখ ৯০ হাজার ইয়াবা জব্দ, আটক ১ ভারতের লখনউয়ে অগ্নিকাণ্ডে ১৫ শিক্ষার্থীর মৃত্যু

প্রতিদিন নজরুলকে আমি নতুনভাবে আবিষ্কার করি আর মুগ্ধ হই: সোমঋতা মল্লিক

প্রকাশ: ১২ মে ২০২৬, ০৯:৩০ এএম
প্রতিদিন নজরুলকে আমি নতুনভাবে আবিষ্কার করি আর মুগ্ধ হই: সোমঋতা মল্লিক
প্রখ্যাত নজরুল সংগীতশিল্পী সোমঋতা মল্লিক। ছবি: সংগৃহীত

প্রখ্যাত নজরুল সংগীতশিল্পী ও গবেষক সোমঋতা মল্লিক। তিনি ছায়ানট কলকাতার সভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। নজরুল চর্চা কেন্দ্র ছায়ানট কলকাতায় আগামী ২৩ মে থেকে আয়োজন করা হয়েছে কাজী নজরুল ইসলামের ওপর সাত দিনব্যাপী বিশেষ প্রদর্শনী। এই আয়োজন ও অন্যান্য প্রসঙ্গে কলকাতা থেকে মুঠোফোনে খবরের কাগজের সঙ্গে কথা বলেছেন সোমঋতা মল্লিক।

নজরুলের ওপর সাত দিনব্যাপী যে প্রদর্শনীর আয়োজন করতে যাচ্ছেন এ সম্পর্কে জানতে চাই।
আমাদের প্রাণের কবি কাজী নজরুল ইসলাম জীবনের বেশির ভাগ সময় অতিবাহিত করেছেন বাংলার সাহিত্য-সংস্কৃতির পীঠস্থান কলকাতায়। এই শহরে ছড়িয়ে রয়েছে তার বহু স্মৃতি। নজরুলের ১২৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আমার পরিকল্পনা ও পরিচালনায় সাত দিনব্যাপী ‘আমারে দেব না ভুলিতে’ শীর্ষক নজরুলবিষয়ক প্রদর্শনীর আয়োজন করছে নজরুল চর্চাকেন্দ্র ছায়ানট (কলকাতা)।

যোগেন চৌধুরী সেন্টার ফর আর্টসের সুনয়নী চিত্রশালা ও চিত্তপ্রসাদ গ্যালারিতে আগামী ২৩ মে বিকেল ৫টা ৩০ মিনিটে প্রদর্শনীর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন। প্রদর্শনী চলবে ৩০ মে পর্যন্ত। প্রতিদিন দুপুর ২টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত নজরুলপ্রেমীরা উপভোগ করবেন নজরুল-সংক্রান্ত বিরল সামগ্রী দিয়ে সাজানো এই প্রদর্শনী।

এই আয়োজনে কী কী থাকছে?
দুই বাংলার বিশিষ্ট সংগ্রাহকদের সংগ্রহ দিয়ে অতি যত্নে সাজানো হচ্ছে এই প্রদর্শনী। কলকাতার বিশিষ্ট অটোগ্রাফ সংগ্রাহক মলয় সরকারের সংগ্রহ থেকে প্রদর্শিত হবে কাজী নজরুল ইসলামের স্বাক্ষর, যা এই প্রদর্শনীর বিশেষ আকর্ষণ। বাংলাদেশের বিশিষ্ট আলোকচিত্রী সাহাদাত পারভেভের সংগ্রহ থেকে থাকছে কাজী নজরুল ইসলামের বেশ কিছু দুর্লভ আলোকচিত্র। গৌতম বন্দ্যোপাধ্যায় (বিশিষ্ট কৌতুক অভিনেতা ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুত্র), স্বাগত গুপ্ত (নজরুলের হাসির গানের বিশিষ্ট শিল্পী সারদা গুপ্তর পৌত্র), আশিক মিঞার সংগ্রহ থেকে দেখা যাবে নজরুল-সংক্রান্ত বেশকিছু দুর্লভ ছবি।

বিশিষ্ট নজরুল-সংগীতশিল্পী সত্য চৌধুরীর ভ্রাতুষ্পুত্র পরমানন্দ চৌধুরীর সংগ্রহ থেকে কবির স্বকণ্ঠে গান ও কবিতার গ্রামোফোন রেকর্ডও শোনানো হবে। সেই সঙ্গে ঈশিতা বসু রায়ের সংগ্রহ থেকে প্রণম্য শিল্পীদের কণ্ঠে নজরুল-সংগীত ও কবিতার বেশ কিছু দুর্লভ গ্রামোফোন রেকর্ড ও ক্যাসেট প্রদর্শিত হবে। শৌভিক রায়ের সংগ্রহ থেকে দেখা যাবে ভারত, বাংলাদেশ, পাকিস্তানে নজরুলের ওপর নির্মিত ডাকটিকিট। শেখর দে প্রদর্শনীতে সংযুক্ত করবেন ‘বিদ্রোহী’ কবিতার ৯০ বছর উপলক্ষে বাংলাদেশ থেকে প্রকাশিত বিশেষ মুদ্রা। 

বাংলাদেশের বিশিষ্ট সংগ্রাহক সাকিল হকের তৈরি বিশেষ দেশলাই বাক্স প্রদর্শনীতে অন্য মাত্রা যোগ করবে। ফাল্গুনী দত্ত রায়ের সংগ্রহ থেকে থাকছে বেশকিছু দুর্লভ সামগ্রী–নজরুলের অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের দ্বিতীয় সংস্করণ, বেতার জগৎ-এ নজরুলের বিশেষ সংখ্যা, ডাকটিকিটসহ আরও অনেক কিছু। বিদ্যাপতি, সাপুড়ে, গোরা, চৌরঙ্গীসহ বেশকিছু চলচ্চিত্রের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন নজরুল। ফাল্গুনী দত্ত রায়ের সংগ্রহ থেকে সেই সব চলচ্চিত্রের বুকলেটস প্রদর্শনীতে থাকবে।

অপ্রতিম বসুর সংগ্রহ থেকে থাকবে নজরুলের ‘চোখের চাতক’ বইয়ের প্রথম সংস্করণসহ বেশকিছু দুষ্প্রাপ্য সামগ্রী। ওয়াসিম কাপুর, বাপ্পা ভৌমিক, সুব্রত কর, রাসেল রহমান শিমুলসহ ভারত ও বাংলাদেশের বিশিষ্ট চিত্রশিল্পীদের আঁকা নজরুলের প্রতিকৃতি প্রদর্শনীতে দেখা যাবে। কফি দিয়ে নজরুলের ছবি আঁকবেন কফিম্যান পার্থ মুখার্জী। এছাড়া প্রতিদিন গ্যালারিতে ‘আরশি কলকাতা’-এর পক্ষ থেকে চিত্রশিল্পীরা সুমিত গুহর পরিচালনায় লাইভ পেইন্টিং করবেন, যা নজরুলপ্রেমীদের কাছে উপরি পাওনা। বিশিষ্ট নজরুল গবেষক এমদাদুল হক নূরের সংগ্রহ থেকে ‘বিদ্রোহী’ কবিতার শতবর্ষ উপলক্ষে দুই বাংলা থেকে প্রকাশিত ২১টি বই প্রদর্শনীতে স্থান পাবে।

আমার ব্যক্তিগত সংগ্রহ থেকে থাকবে বেশকিছু পুরোনো, দুষ্প্রাপ্য পত্রিকার নজরুল-সংখ্যা, গ্রামোফোন রেকর্ড, ডাকটিকিট। কবির প্রয়াণের পরের দিনের (৩০ আগস্ট, ১৯৭৬) যুগান্তর পত্রিকাসহ বেশকিছু কবির খবর-সংক্রান্ত পত্রিকাও দেখা যাবে। ভারতবর্ষে নজরুল-স্মৃতিবিজড়িত জায়গাগুলো সম্পর্কে নজরুলপ্রেমীদের অবগত করার উদ্দেশে দীর্ঘ ১৮ বছর ধরে বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছে ছায়ানট। তারও কিছু ঝলক থাকবে এই প্রদর্শনীতে।

কলকাতায় কবিগুরু রবীন্দ্রনাথকে বেশি চর্চা হয় বলে আমরা জানি। সেখানে রবীন্দ্রনাথের পরিবর্তে আপনি নজরুলকে নিয়ে কাজ করছেন। এক্ষেত্রে আপনি কোনো চাপ অনুভব করেন কি না?
সেই অর্থে চাপ অনুভব করি না। আমি আমার মনের আনন্দে ১৮ বছর ধরে ছায়ানটের (কলকাতা) সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে নজরুল চর্চা করছি। আমরা স্বাধীনভাবেই আমাদের কার্যক্রম পরিচালনা করি। বর্তমানে সুস্থ সংস্কৃতিকে বাঁচিয়ে রাখার লড়াই সবার, শুধু নজরুলকে নিয়ে কাজ করার জন্য বাড়তি কোনো চাপ অনুভব করি না।

যেখানেই নজরুলের পদচিহ্ন পড়েছে, সেখানেই আপনি ছুটে যান এর পেছনে কোনো বিশেষ কারণ আছে কি?
নজরুল-সংগীত শিল্পী হিসেবে নজরুল-সংগীতের বিপুল ভাণ্ডার আমাকে যেমন বিস্মিত করে, পাশাপাশি সামগ্রিকভাবে নজরুল চর্চায় আমি বিশ্বাসী। সেই বিশ্বাস থেকেই আমার ছুটে চলা। প্রতিদিন নজরুলকে আমি নতুনভাবে আবিষ্কার করি আর মুগ্ধ হই।

প্রায় দুই দশক ধরে নজরুল চর্চা করছেন। দীর্ঘ এ যাত্রায় আপনার অর্জন কতটুকু? 
ব্যক্তিগত অর্জন সম্পর্কে আমি কিছুই বলতে চাই না। কিন্তু কলকাতার বুকে বেশ কয়েকজন নজরুলপ্রেমীকে একত্রিত করতে পেরেছি যাদের পূর্ণ সহযোগিতায় ছায়ানট দীর্ঘ ১৮ বছর অতিক্রম করেছে। এই পথচলা সহজ নয়, কিন্তু নজরুলপ্রেমীদের ঐকান্তিক আগ্রহে আমার স্বপ্ন বাস্তবায়িত হয়েছে। নজরুলের সৃষ্টি ও জীবনদর্শনকে আশ্রয় করে প্রতিদিন প্রকৃত মানুষ হওয়ার চেষ্টা করি।

আপনি ছায়ানট কলকাতার সভাপতি আবার একজন নজরুল গবেষক ও শিল্পী। এতগুলো কাজ একসঙ্গে কীভাবে সমন্বয় করেন?
সবকিছু সব সময় সঠিকভাবে করতে পারি, এমন নয়। কিন্তু প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত নজরুল-চর্চায় ডুবে থাকি।

নজরুলের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ ও সখ্য কেমন?
ভালো। নজরুলের কনিষ্ঠ পুত্রবধূ শ্রীমতী কল্যাণী কাজীর সঙ্গে ছায়ানটের আত্মিক সম্পর্ক ছিল। তিনি ছিলেন আমাদের অভিভাবক। আমাদের সব আবদার তিনি হাসিমুখে মেটাতেন। তার চলে যাওয়া নজরুল চর্চার ক্ষেত্রে এক অপূরণীয় ক্ষতি। এখনো তার দল ‘বিষের বাঁশি’র শিল্পীরা আমাদের আহ্বানে সাড়া দিয়ে অনুষ্ঠানে যোগ দেন। পরবর্তী প্রজন্মের সবার সঙ্গেই যোগাযোগ আছে।

নজরুলকে নিয়ে ভবিষ্যতে আর কী কী কাজ করতে চান?
নির্দিষ্ট কোনো কাজের কথা উল্লেখ করব না। প্রতিদিন তাকে নতুনভাবে চিনি, নতুনভাবে জানি। তার সৃষ্টির সঙ্গে পথচলা দীর্ঘ হোক–এটুকুই চাই।

জেনেছি আপনি অনেকবার বাংলাদেশে এসেছেন। এখানে আসার বিশেষ কোনো কারণ আছে কি?
শুধু অনুষ্ঠান নয়, নজরুল-গবেষণার কাজেও বহুবার এসেছি। বাংলাদেশে নজরুল-স্মৃতিবিজড়িত বেশকিছু জায়গায় যাওয়ার সৌভাগ্য হয়েছে। মূলত নজরুলকে ভালোবেসেই বারংবার ছুটে আসা।

বর্তমান প্রজন্ম নজরুল সম্পর্কে কতটা জানে? নজরুল চেতনা ছড়াতে আর কী করণীয়?
বর্তমান প্রজন্ম খুবই বুদ্ধিমান কিন্তু তাদের সঠিক পথে পরিচালনা করতে হবে। নেতিবাচক মন্তব্য না করে তাদের মতো করে বেশকিছু উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। ভবিষ্যতে পেশাদার শিল্পী হওয়ার প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ না করে নজরুল চেতনাকে আশ্রয় করে প্রকৃত মানুষ হওয়ার দিকে মনোনিবেশ করতে হবে। পরিবার এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে।

‘সোমেশ্বরী’র পরিচালক নওশাবা

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬, ০১:২৬ পিএম
‘সোমেশ্বরী’র পরিচালক নওশাবা
ছবি: সংগৃহীত

আলোচিত অভিনেত্রী কাজী নওশাবা আহমেদ। এই অভিনেত্রী নিয়মিত ভিন্নধর্মী গল্পের সিনেমায় কাজ করে থাকেন। এর আগেও দেশের বেশ কয়েকটি সিনেমায় দেখা গেছে তাকে। দেশের গণ্ডি পেরিয়ে কাজ করেছেন কলকাতার সিনেমাতেও। অনীক দত্তের ‘যত কাণ্ড’ সিনেমায় কাজ করেছেন তিনি। এ সিনেমা দিয়েই টালিউডে যাত্রা শুরু হয়েছে নওশাবার। মঞ্চ নাটকেও কাজ করেন তিনি। তার নাটকের দলের নাম ‘টুগেদার উই ক্যান’। এরই মধ্যে চারটি মঞ্চ নাটক মঞ্চস্থ করেছেন এই দল থেকে। মূলত স্পেশাল চাইল্ডদের নিয়ে এই নাটকগুলো করে থাকেন নওশাবা।
আবারও বাংলাদেশের একটি সিনেমায় কাজ করেছেন এই অভিনেত্রী। আর সিনেমাটি নির্মাণ করেছেন তিনি নিজেই। বিবেশ রায়ের প্রযোজনায় নওশাবার পরিচালনায় সুনামগঞ্জের মধ্যনগর বাজার ও তার আশপাশের এলাকায় ইতোমধ্যেই শুটিং সম্পন্ন হয়েছে। সিনেমাটির নাম ‘সোমেশ্বরী’। সিনেমাটিতে নতুন শিল্পীদের পাশাপাশি মধ্যনগরের স্থানীয় লোকজনও অভিনয় করেছেন। এই সিনেমাটি মূলত নির্মাণ করেছেন নওশাবা, আপন, লতা, জাহিদসহ আরও কয়েকজন টিম মেম্বার। যারা প্রত্যেকেই সিনেমাটির স্ক্রিপ্টিংয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত এবং নির্মাণেও সম্পৃক্ত। 
প্রযোজক বিবেশ রায় ২৫ বছর আগে নায়িকা মুনমন ও অভিনেতা মাহমুদুল ইসলাম মিঠু (বড়দা মিঠু)কে নিয়ে কাহিনিচিত্র ‘ধানের কাব্য’ নির্মাণ করেছিলেন। দীর্ঘদিন পর তিনি সোমেশ্বরী প্রযোজনা করলেন।
সিনেমাটি নিয়ে নওশাবা বলেন, ‘সত্যি বলতে এই সিনেমার স্ক্রিপ্ট কী হবে, কারা কারা অভিনয় করবেন তার কোনোকিছুই আমি জানতাম না। আমরা সবাই মিলে জাস্ট চলে গেলাম মধ্যনগর। সেখানে গিয়ে স্ক্রিপ্টটা দাঁড় করালাম, আমার যদিও অভিনয় করার কথা ছিল না। কিন্তু আমি ছাড়া মূল চরিত্রটিতে অভিনয় করার মতো কেউ ছিলও না। যে কারণে শেষ পর্যন্ত আমি অভিনয় করি। আমার চরিত্রটির জন্য আমার যে প্রস্তুতি নেওয়ার দরকার ছিল সেই সময়টা আমি পাইনি। আমার আব্বু আমাকে নিয়ে বিভিন্ন সময় শহরের বাইরে গ্রামে গ্রামে ঘুরেছেন বেড়িয়েছেন। যে কারণ গ্রামীণ জীবনযাপন এবং গ্রামের মানুষের চরিত্রগুলো সম্পর্কে আমার জানা। তাই খুব বেশি কষ্ট হয়নি। আবার মধ্যনগরের মানুষজনও আমাকে ভীষণ সহযোগিতা করেছে। তাই আমার চরিত্রটি ফুটিয়ে তোলার ক্ষেত্রে আমি আমার আব্বুর প্রতি বিশেষভাবে কৃতজ্ঞ এবং কৃতজ্ঞ মধ্যনগরের মানুষজনের প্রতি।’
তিনি আরও বলেন, ‘সোমেশ্বরী মূলত প্রকৃতিতে যে দিনে দিনে বিষ ছড়িয়ে পড়ছে এই বিষয়টাই মূলত তুলে ধরা হবে। বাকিটুকু না হয় দর্শক সিনেমা দেখেই জানুক। আরি আমি কৃতজ্ঞ গ্রিন ফিল্মসের প্রতি কারণ তারা আমাকে, আমাদেরকে সিনেমাটি নির্মাণের সুযোগ করে দিয়েছেন।’
‘সোমেশ্বরী’ নির্মিত হয়েছে ইন্টারন্যাশনাল একাডেমি অব ফিল্ম অ্যান্ড মিডিয়ার আওতাধীন ‘গ্রিন ফিল্মস’-এর ব্যানারে। এদিকে নওশাবা নিয়মিত রেজা আরিফের নির্দেশনায় ‘সিদ্ধার্থ’ মঞ্চ নাটকেও নিয়মিত অভিনয় করছেন।

আলিয়ার শুটিংয়ে একজনের মৃত্যু

প্রকাশ: ২২ জুন ২০২৬, ০৭:৩৮ পিএম
আলিয়ার শুটিংয়ে একজনের মৃত্যু
ছবি: সংগৃহীত

বলিউডের তারকা অভিনেত্রী আলিয়া ভাট বর্তমানে কাজ করছেন সঞ্জয় লীলা বানসালীর নতুন সিনেমায়। এর নাম ‘লাভ অ্যান্ড ওয়ার’। এই সিনেমা নিয়ে নতুন করে আলোচনা ও সমালোচনা তৈরি হয়েছে। কারণ সিনেমাটির শুটিংয়ে অঘটন ঘটেছে। গত ১৭ জুন শুটিং সেটে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ৪২ বছর বয়সী এক মিস্ত্রির মৃত্যু হয়েছে। এ কারণেই শুরু হয়েছে বিতর্ক। শুটিং সেটে কলাকুশলীদের নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। 
জানা গেছে, মুম্বাই ফিল্ম সিটির রয়্যাল পাম্প স্টুডিওতে এ ঘটনা ঘটে। সে সময়ে শুটিং করছিলেন আলিয়া ভাট। তখনই বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু হয় চন্দ্রধারী সিংহ যাদব নামে ওই ব্যক্তির। শুটিং সেটে শর্টসার্কিট হওয়ার কারণেই নাকি এ অঘটন ঘটে। চন্দ্রধারীর পরিবারে রয়েছেন তার স্ত্রী ও দুই মেয়ে। 
জানা গেছে, বানসালীর প্রযোজনা সংস্থা নাকি চন্দ্রধারীর পরিবারকে ৪০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে। এখানেই বাঁধ সেধেছে ফেডারেশন অব ওয়েস্টার্ন ইন্ডিয়া সিনে এমপ্লয়িজ (এফডব্লিউআইসিই)।
এফডব্লিউআইসিইর পক্ষ থেকে বানসালীকে এই ক্ষতিপূরণের পরিমাণ বৃদ্ধি করতে বলা হয়েছে। প্রযোজনা সংস্থার পক্ষ থেকে ৪০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ঘোষণা করা হলেও এফডব্লিউআইসিইর দাবি, প্রয়াত কর্মীর পরিবারকে ৫০ লাখ টাকা দিতে হবে। খবর, চন্দ্রধারীর দুই  মেয়ের ভবিষ্যতের জন্যই ক্ষতিপূরণের পরিমাণ বৃদ্ধির আবেদন করছে তারা।এফডব্লিউআইসিইর সভাপতি বিএন তিওয়ারির বক্তব্য, ক্ষতিপূরণ দেওয়ার পাশাপাশি অবিলম্বে শুটিং সেটে নিরাপত্তা জোরদার করতে হবে। তিনি এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ‘প্রথমত, প্রয়াত কর্মীর সন্তানরা খুব ছোট। তাদের ভবিষ্যতের জন্য ৫০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। দ্বিতীয়ত, শুটিং সেটে যাতে পর্যাপ্ত নিরাপত্তাব্যবস্থা থাকে, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। কর্মীদের কাজের নির্দিষ্ট সময়সীমাও নির্ধারণ করে দিতে হবে। তার বাইরে কাজ করানো যাবে না। চন্দ্রধারী খুবই গুণী কর্মী ছিলেন। তাকে এভাবে প্রাণ হারাতে হলো, যা খুবই দুঃখজনক।’
এদিকে বানসালীর প্রযোজনা সংস্থা ৪০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার পাশাপাশি চন্দ্রধারীর স্ত্রীকে কর্মসংস্থানের প্রস্তাবও দিয়েছে।
উল্লেখ্য, এ সিনেমায় আলিয়া ভাট ছাড়া আরও অভিনয় করছেন ভিকি কৌশল, রণবীর কাপুর। ২০২৭ সালের ২১ জানুয়ারি সিনেমাটি মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে। সিনেমাটি একই সঙ্গে হিন্দি, তামিল ও তেলুগু ভাষায় মুক্তি পাবে।

আরমান-মুক্তির মনোনয়নপত্র জমা দিলেন বাপ্পারাজ

প্রকাশ: ২২ জুন ২০২৬, ০৭:৩০ পিএম
আরমান-মুক্তির মনোনয়নপত্র জমা দিলেন বাপ্পারাজ
ছবি: সংগৃহীত

আসন্ন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনে সভাপতি পদে অংশ নেওয়ার কথা ছিল চিত্রনায়ক বাপ্পারাজের। তার প্যানেলে সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী ছিলেন চিত্রনায়িকা রুমানা ইসলাম মুক্তি। তবে শেষ মুহূর্তে পারিবারিক ও ব্যবসায়িক ব্যস্ততা দেখিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান এই অভিনেতা।
নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেও হঠাৎ করেই গতকাল সোমবার শিল্পী সমিতির নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমার দিন এফডিসিতে এসে বাপ্পারাজ জমা দিলেন আরমান-মুক্তি প্যানেলের মনোনয়নপত্র।
এই অভিনেতা বলেন, ‘আমি প্রার্থী না হলেও আমার গড়া প্যানেলের মনোনয়নপত্র জমা দিতে এসেছি। মুক্তিকে আগেই জানিয়ে রেখেছিলাম যে তোমাদের সঙ্গে সব সময় আছি। তাই আরমান-মুক্তি প্যানেলের মনোনয়নপত্র জমা দিতে এফডিসিতে এসেছি। ওদের জন্য সব সময় শুভকামনা।’
মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে বাপ্পারাজকে ধন্যবাদ জানিয়ে সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী রুমানা ইসলাম মুক্তি ফেসবুক স্ট্যাটাসে লেখেন, ‘শিল্পী সমিতি ২০২৬-২৮ নির্বাচনের মনোনয়নপত্র জমা দিলাম আরমান-মুক্তি প্যানেল, আলহামদুলিল্লাহ। বাপ্পারাজ ভাইকে অনেক ধন্যবাদ আমাদের জন্য আজকে শিল্পী সমিতিতে আসার জন্য এবং আমাদের সঙ্গে আরমান-মুক্তি প্যানেলের মনোনয়ন জমা দেওয়ার জন্য।’
শিল্পী সমিতির ২০২৬-২৮ মেয়াদের নির্বাচন সামনে রেখে সভাপতি পদে বাপ্পারাজের নাম ঘোষণার পর শিল্পীদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা তৈরি হয়েছিল। বিশেষ করে একই প্যানেলের সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী মুক্তি ছিলেন সবচেয়ে আশাবাদী ও উচ্ছ্বসিত। 
এরপর বাপ্পারাজের পরিবর্তে সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ঘোষণা দেন চলচ্চিত্রের পরিচিত সিনিয়র ফাইট ডিরেক্টর, অভিনেতা, প্রযোজক ও পরিচালক আরমান। এই পদ থেকে চিত্রনায়ক বাপ্পারাজ নিজের নাম প্রত্যাহার করে নেওয়ায় আরমান যুক্ত হন। তার সঙ্গে সাধারণ সম্পাদক পদে লড়ছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী রুমানা ইসলাম মুক্তি।
উল্লেখ্য, আগামী ৩ জুলাই এফডিসিতে অনুষ্ঠিত হবে শিল্পী সমিতির ২০২৬-২৮ মেয়াদের এই দ্বিবার্ষিক নির্বাচন।

মৌয়ের জন্মদিনে বাবার গানে আবেগঘন উপহার বিপ্লব সাহার

প্রকাশ: ২১ জুন ২০২৬, ০৪:৪৪ পিএম
মৌয়ের জন্মদিনে বাবার গানে আবেগঘন উপহার বিপ্লব সাহার

বাংলাদেশের নৃত্য, অভিনয় ও মডেলিং অঙ্গনের নন্দিত শিল্পী সাদিয়া ইসলাম মৌ। আজ তার জন্মদিন। একইদিনে এবার উদযাপিত হচ্ছে বাবা দিবস। দুই বিশেষ উপলক্ষে প্রয়াত বাবার গাওয়া গানকে নতুন আঙ্গিকে উপহার দিলেন খ্যাতিমান ফ্যাশন ডিজাইনার ও বিশ্বরঙের কর্ণধার বিপ্লব সাহা।

বিশ্বরঙের এই বিশেষ উদ্যোগে নির্মিত হয়েছে একটি মিউজিক ভিডিও, যেখানে নতুন সংগীতায়োজনে পুনরায় প্রাণ পেয়েছে মৌয়ের প্রয়াত বাবা, প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী সাইফুল ইসলামের কণ্ঠে গাওয়া একটি জনপ্রিয় গান। গানটির মূল গীতিকার নঈম দোহার এবং সুরকার নওয়ার পারভেজ। নতুন সংগীতায়োজন করেছেন রাজন সাহা, যিনি আধুনিক নির্মাণশৈলীর মাধ্যমে গানটিকে দিয়েছেন ভিন্নমাত্রা।

এই প্রজেক্টের সবচেয়ে আবেগঘন দিক হলো—সাদিয়া ইসলাম মৌ প্রথমবারের মতো কোনো মিউজিক ভিডিওতে নিজের কণ্ঠে কবিতা পাঠ করেছেন। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে নৃত্য, অভিনয় ও মডেলিংয়ে সাফল্যের পর এই নতুন সংযোজন তাঁর শিল্পীসত্তায় যুক্ত করেছে এক ভিন্ন আবেগ ও গভীরতা।

প্রজেক্টটি নিয়ে বিপ্লব সাহা বলেন, “মৌ আমাদের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের উজ্জ্বল নাম। তাঁর জন্মদিন ও বাবা দিবস একই দিনে হওয়ায় আমরা চেয়েছি এমন কিছু করতে, যা স্মৃতি ও ভালোবাসাকে একসঙ্গে ধারণ করে। প্রয়াত সাইফুল ইসলামের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে গানটিকে নতুনভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।”

তিনি আরও জানান, মৌয়ের কবিতা পাঠ এই কাজটিকে শুধু একটি মিউজিক ভিডিও নয়, বরং এক আবেগঘন শিল্পভাষ্যে রূপ দিয়েছে, যেখানে ব্যক্তিগত অনুভূতি ও শিল্প এক হয়ে গেছে।

মিউজিক ভিডিওটির চিত্রগ্রহণ করেছেন অনিক ছন্দ এবং সম্পাদনার দায়িত্বে ছিলেন তুষার। পুরো নির্মাণে চেষ্টা করা হয়েছে স্মৃতি, শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার সূক্ষ্ম অনুভূতিগুলোকে দৃশ্য ও সুরের মাধ্যমে ফুটিয়ে তুলতে।

আজ সন্ধ্যায় মিউজিক ভিডিওটি একযোগে বিশ্বরঙের অফিসিয়াল ইউটিউব চ্যানেল এবং বিপ্লব সাহার ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশ করা হবে। পাশাপাশি এটি বিশ্বরঙের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজেও উন্মুক্ত থাকবে।

/এমটি 

গ্রেপ্তার হওয়া ব্যবসায়ীর সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে যা বললেন নায়িকা ববি

প্রকাশ: ২১ জুন ২০২৬, ০৩:১৮ পিএম
গ্রেপ্তার হওয়া ব্যবসায়ীর সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে যা বললেন নায়িকা ববি
ছবি: সংগৃহীত

বিটিএল গ্রুপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মির্জা আবুল বাশারকে প্রতারণার একাধিক অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই ব্যবসায়ী এবং জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা ইয়ামিন হক ববিকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে নানা গুঞ্জন। মির্জা আবুল বাশার ও নায়িকা ববিকে স্বামী-স্ত্রী বলেও আখ্যা দিয়েছে অনেকেই। অনেকেই আবার কথিত স্বামী বলে উল্লেখ করেছেন। এ ঘটনার খবর কয়েকটি অনলাইন গণমাধ্যমেও দাবি করা হয়।
এ বিষয়টি নিয়ে শনিবার রাতেই নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি বিবৃতি দেন ববি। এই নায়িকা লেখেন, ‘শনিবার বিকেল থেকে ব্যবসায়ী মির্জা আবুল বাশারকে কেন্দ্র করে আমাকে নিয়ে বেশ কিছু গণমাধ্যমে চটকদার সংবাদ প্রকাশ করেছে। সেখানে বাশারের সঙ্গে জড়িয়ে “কোথাও কথিত স্ত্রী’’, “কোথাও স্ত্রী’’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। বিষয়টি সম্পূর্ণ বানোয়াট ও ভিত্তিহীন।’
তিনি আরও লেখেন, ‘মূলত ভিউ বাণিজ্য ও আমার সম্মানহানি করতেই একটি কুচক্রী মহল এ কাজ করছে। তবে দেশের গণমাধ্যম ও সাংবাদিকদের প্রতি আমার আস্থা রয়েছে। আমাকে হেয় করার জন্য যেসব গণমাধ্যম ভুয়া খবর ছড়িয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেব। আমাকে আপনারা দীর্ঘদিন ধরে চেনেন, যদি বিয়ে নামে পবিত্র সম্পর্কে জড়িয়ে থাকি, সেটি অবশ্যই আমি নিজ থেকে সামনে আনব।’
এদিকে সংবাদ সম্মেলনে এডিসি আল আমিন হোসাইন জানান, গাড়ি কেনাবেচার নামে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে গত বছরের ২৩ ডিসেম্বর গুলশান থানায় আবুল বাশারের বিরুদ্ধে একটি প্রতারণার মামলা দায়ের হয়। এরপর থেকে তাকে একাধিকবার গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালানো হলেও তিনি বারবার অবস্থান পরিবর্তন করে আত্মগোপনে ছিলেন।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার রাতে গুলশান-১ এলাকার একটি বাসায় অভিযান চালানো হয়। গ্রেপ্তার এড়াতে আবুল বাশার বাসার ভেতরে থাকা একটি সুড়ঙ্গসদৃশ গোপন স্থানে লুকিয়ে ছিলেন। প্রায় ১৮ ঘণ্টার অভিযানের পর শনিবার দুপুরে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।