আব্দুল মতিন তার দুই সন্তানের চিকিৎসা করাতে গিয়ে সর্বস্বান্ত হয়েছেন। ইতোমধ্যে অস্টিওপরোসিস রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন তার একমাত্র ছেলে। একই রোগে আক্রান্ত মেয়ে বুশরাকে বাঁচাতে চোখেমুখে অন্ধকার দেখছেন তিনি। মেয়ের চিকিৎসা করানোর সামর্থ্য নেই ভূমিহীন আব্দুল মতিনের। তাই মেয়েকে বাঁচাতে সমাজের বিত্তবানদের কাছে সহায়তা চেয়েছেন তিনি।
আব্দুল মতিন খবরের কাগজকে জানান, বুশরার বয়স ২৭ বছর। ২০০২ সাল থেকে অস্টিওপরোসিস রোগে আক্রান্ত বুশরা। তার দুই পা ভেঙে গেছে। মুখের নিচের অংশ চেপে গেছে। শয্যাশায়ী বুশরা কোনো রকমে বেঁচে আছেন।
তিনি বলেন, ‘আমার দুই সন্তান। এর মধ্যে ছেলে অস্টিওপরোসিস রোগে আক্রান্ত হয়ে ৩৩ বছর বয়সে ২০১৯ সালে মারা গেছে। আর মেয়ে বুশরা এখন মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছে। বিভিন্নজনের কাছে সহায়তা নিয়ে তাদের চিকিৎসা করিয়েছি। ছেলেকে হারিয়েছি, এখন মেয়েকে হারাতে চাই না।’
তিনি আরও বলেন, “বুশরার অবস্থা খারাপ হলে গত বছরের জানুয়ারিতে তাকে মিরপুর ডেন্টাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে অপারেশন করার কথা থাকলেও তা করানো হয়নি। পরে সেখান থেকে তাকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়। এরপর তাকে বিএসএমএমইউ হাসপাতালের এক চিকিৎসককে দেখানো হয়। চিকিৎসকরা বলেন, ‘ভাইয়ের মতোই বোনের পরিণতি হতে পারে। তবে চিকিৎসা চালিয়ে যান যতদিন বাঁচে।’ কিন্তু বুশরার চিকিৎসা করানোর সামর্থ্য আমার নেই। তাই সমাজের বিত্তবানরা যদি একটু সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেন, তাহলে হয়তো আমার মেয়ের চিকিৎসা করাতে পারব।”
কেউ সহায়তা পাঠাতে চাইলে যোগাযোগ করতে পারেন ০১৭৮৩২৩৭১৯৫ (বিকাশ) অথবা ০১৭৪৬৬২১৮৬৭ (নগদ)। এ ছাড়া জনতা ব্যাংক, সঞ্চয়ী হিসাব নম্বর ০১০০০৯১১৮০৪১৫, আবদুল্লাহপুর, টঙ্গীবাড়ি, মুন্সীগঞ্জ।