ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) থেকে পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদের ডক্টর অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (ডিবিএ) ডিগ্রি অর্জনে অনিয়মে প্রমাণ পেয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সত্যানুসন্ধান কমিটি। এ নিয়ে অধিকতর তদন্ত করতে ৫ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
জানা গেছে, তদন্ত চূড়ান্ত না হওয়া পর্যন্ত তার ডক্টরেট ডিগ্রি স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে। ওই কমিটিকে ৩০ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
গত ২০ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরামে তথ্যানুসন্ধান কমিটি তাদের প্রতিবেদন তুলে ধরে। পরে প্রতিবেদনের ভিত্তিতে বিষয়টি উচ্চতর তদন্তের জন্য কমিটিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদকে আহ্বায়ক এবং রেজিস্ট্রার মুন্সি শামস উদ্দিন আহম্মদকে সদস্য সচিব করা হয়।
এছাড়া সদস্য হিসেবে রয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদের ডিন ড. মোহাম্মদ ইকরামুল হক, সিন্ডিকেট সদস্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবু ইউসুফ ও মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. এবিএম শহিদুল ইসলাম।
এর আগে গেল বছরের ৪ জুন বেনজীরের ডক্টরেট ‘বিশেষ বিবেচনায়’ শীর্ষক খবরের কাগজে প্রতিবেদন প্রকাশ পায়। যেখানে বলা হয়, বেনজীর আহমেদকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের অধীনে ডিবিএ প্রোগ্রামে ভর্তির অনুমতির জন্য ২০১৫ সালের ১৪ জানুয়ারি অনুষদের পক্ষ থেকে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বরাবর চিঠি দেওয়া হয়। যার উত্তরে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, ‘ডিনস কমিটির ১৪-০৫-২০১৫ তারিখের সভায় র্যাবের মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদকে নিয়ম শিথিল করে বিশেষ বিবেচনায় বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের অধীনে ডিবিএ প্রোগ্রামে ভর্তির অনুমতি প্রদান করা হয়েছে, যদি তিনি অন্য কোনো প্রকারে অযোগ্য বিবেচিত না হন।
পরবর্তীতে ২০১৫ সালের আগস্টে অনুষ্ঠিত একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় তাকে ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষে ডিবিএ প্রোগ্রামে রেজিস্ট্রেশনের অনুমতি দেওয়া হয়।
আরিফ জাওয়াদ/মাহফুজ