ঢাকা ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, রোববার, ০৭ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে আজ থেকে সক্ষমতা বাড়াতে সুপরিকল্পিত বাজেটের তাগিদ টেকনাফ দিয়ে মাছ ধরা নৌকায় মানবপাচার প্রাকৃতিকভাবেই এইচআইভি দমনে সক্ষম দুই নারীর গল্প ঝিনাইদহে শিশু ধর্ষণের অভিযোগে গ্রাম্য চিকিৎসক আটক নিশ্চিহ্নের পথে শেরেবাংলার জন্মভিটা শিশু রামিসা হত্যা মামলার রায় আজ আম পাড়া নিয়ে ব্যস্ত মৌসুমি শ্রমিকরা মিউচুয়াল ফান্ড ও মার্জিন ঋণ বিধিমালা বাতিলের দাবি খুলনায় ধারাবাহিক খুন-চাঁদাবাজিতে উদ্বেগ, কাজে আসছে না বিশেষ অভিযানও নারায়ণগঞ্জে এনসিপির অনুষ্ঠানের চেয়ার টেবিল ভাঙচুর, আহত ১০ জয়পুরহাটে দিনমজুরকে পিটিয়ে হত্যা গ্রাহকের ব্যানারে আন্দোলনে ইসলামী ব্যাংকের কর্মকর্তারা এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার বিষয় ও কর্মদিবস কমানোর পরিকল্পনা ক্যানসার চিকিৎসায় নতুন যুগের সূচনা পুঁজিবাজারে লেনদেন বেড়েছে ৪৫ শতাংশ সাভারে তিন কারখানা থেকে ১৮৬৮ শ্রমিক অব্যাহতি এখনো উৎপাদনে আসেনি বন্ধ চিনিকল ৭ জুন: তুলা, বৃশ্চিক, ধনু, মকর, কুম্ভ ও মীনের আজকের রাশিফল সিরাজগঞ্জে ৪০০ একর জমির ওপর শিল্প পার্ক ৭ জুন: মেষ, বৃষ, মিথুন, কর্কট, সিংহ ও কন্যার আজকের রাশিফল ‘বরফ চিবিয়ে’ দিন পার, হামাগুড়ি দিয়ে বেস ক্যাম্পে ফেরা, বেঁচে ফেরা পর্বতারোহীর রোমহর্ষক বর্ণনা বন্ধ কারখানা চালু হলে গতি ফিরবে অর্থনীতিতে ময়মনসিংহে বাড়তি ভাড়া আদায়ে যাত্রীদের ভোগান্তি দিল্লিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র সমাবেশ যত আক্রোশ মুক্তিযুদ্ধে ৭ জুন  ২০২৬ তারিখের নামাজের সময়সূচি বাজেট অধিবেশন বসছে আজ দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ জনগণের একমাত্র আকাঙ্ক্ষা: সারোয়ার ওয়াদুদ চৌধুরী দৌলতদিয়া ফেরিতে বাস দুর্ঘটনায় গ্রেপ্তার ৩
Nagad desktop

শাকসু নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা ছাত্র ইউনিয়নের

প্রকাশ: ০৮ ডিসেম্বর ২০২৫, ১০:৩৫ এএম
শাকসু নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা ছাত্র ইউনিয়নের
ছবি: খবরের কাগজ

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) নির্বাচনকে একটি ইঞ্জিনিয়ার্ড, নিয়ন্ত্রিত, অসম ও অগণতান্ত্রিক আখ্যা দিয়ে বর্জনের ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের শাবিপ্রবি শাখা।

রবিবার (৭ ডিসেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে এক সংবাদ সম্মেলনে এই ঘোষণা দেন ছাত্র ইউনিয়নের শাবিপ্রবি শাখার সংগঠক নাজনীন লিজা। 

এ সময় তিনি বলেন, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন, শাবিপ্রবি সংসদ গভীর উদ্বেগের সাথে লক্ষ্য করছে যে- শাবিপ্রবির কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) নির্বাচনকে ঘিরে চলমান প্রক্রিয়া আজ সম্পূর্ণভাবে অবিশ্বস্ত, অস্বচ্ছ ও প্রশ্নবিদ্ধ। নির্বাচন কমিশন গঠনের পর থেকেই এর নিরপেক্ষতা নিয়ে আমরা উদ্বেগ প্রকাশ করে এসেছি। বাস্তবতা হলো- এই কমিশন থেকে ইতোমধ্যে চারজন সদস্য পদত্যাগ করেছিলেন। এ রকম ঘটনার মধ্য দিয়ে নির্বাচন কমিশন নিজেই প্রমাণ করেছে যে, তারা একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের ন্যূনতম কাঠামো ধরে রাখতে ব্যর্থ হয়েছে। এমন ভঙ্গুর ও বিতর্কিত কমিশনের হাতে একটি কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের নির্বাচন কীভাবে বিশ্বাসযোগ্য হবে?

এর পাশাপাশি আমরা কমিশনের কাছে তিন দফা যৌক্তিক দাবি উত্থাপন করেছিলাম সম্মেলন মারফত। দাবিগুলো ছিল-

একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠীকে ‘উইনিং পার্টি’ এবং একজন সম্ভাব্য প্রার্থীকে তাদের সবচেয়ে বড় নেতা হিসেবে আখ্যা দিয়ে উপাচার্যের করা প্রহসনমূলক মন্তব্যের জন্য নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করতে হবে।

গঠনতন্ত্র সংশোধনের জন্য ক্যাম্পাসের সব অংশীজনের সঙ্গে অবিলম্বে আলাপ করতে হবে।

অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের লক্ষ্যে সবার সঙ্গে কথা বলে অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও সমান সুযোগ নিশ্চিত করে শাকসু আয়োজন করতে হবে।

আমরা দাবি করেছিলাম সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন করতে হলে সব অংশীজনের সঙ্গে আলোচনায় বসতে হবে। আমরা লক্ষ্য করেছি, শাকসুর কথিত উইনিং পার্টি ও ক্ষমতাকাঠামোর লেজুড় স্বার্থান্বেষী কতিপয় শিক্ষার্থী ছাড়া কারও সঙ্গে প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশন আলোচনা করার প্রয়োজন বোধ করেনি। শুরু থেকে এখন পর্যন্ত নির্বাচন কমিশন আমাদের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ করেনি। নীরবতা, দায় এড়ানোর প্রবণতা এবং অস্বচ্ছতা স্পষ্ট ইঙ্গিত করে, আদতে সবজনের শাকসু আয়োজন করার তাড়না তারা বোধ করেন না। 

স্বৈরাচার-পরবর্তী সময়ে ক্ষমতার কাছাকাছি থাকা কিছু ব্যক্তি আমাদের সংগঠনের প্রতি সরাসরি অবমূল্যায়ন, বিদ্বেষ ও মনস্তাত্ত্বিক চাপ প্রয়োগের চেষ্টা চালাচ্ছে। ছাত্র ইউনিয়নের প্রার্থী কত ভোট পাবেন সেই সংখ্যাও নির্ধারণ করে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে, এই সমস্ত ঘটনাই ক্ষমতার কাঠামোর গায়ে চাষ করা ঔদ্ধত্যের বহিঃপ্রকাশ। এই ধরনের মন্তব্য নির্বাচনের আগে ভোটারদের ওপর চাপ সৃষ্টি করে, মাঠে অসম মানসিক পরিবেশ তৈরি করে এবং প্রশাসনের ছায়া-সুরক্ষায় থাকা ক্ষমতাবান গোষ্ঠীর দাপটকে নগ্নভাবে প্রকাশ করে।

এর পাশাপাশি আমাদের প্যানেলের প্রার্থীদের হুমকি-ধামকি, ক্যাটকলিং, নানানভাবে অপদস্থ করার চেষ্টা, এমনকি আমাদের বিরুদ্ধে মব উসকানি এসব আচরণ গত কয়েকদিনে উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে। আমরা বারবার প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করলেও তারা কার্যত নীরব, নিষ্ক্রিয় এবং একপাক্ষিক। প্রশাসনের আচরণেই প্রতীয়মান হচ্ছে তারা সমান সুযোগ চান না, বরং তারা ক্ষমতাকেন্দ্রিক একটি নির্দিষ্ট ফল নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ন্যায়চক্ষু বন্ধ রেখে পক্ষপাতমূলক পরিবেশকে বৈধতা দিতে তৎপর।

(প্রসঙ্গত উল্লেখ করি, আমাদের প্রথম সংবাদ সম্মেলনে আমরা প্যানেলের একাংশ, সমমনা শিক্ষার্থীদেরকে নিয়ে আসলেও দ্বিতীয় সংবাদ সম্মেলনে মাত্র দুইজন থাকি। আমাদের প্যানেলে চা-বাগানের প্রতিকূলতা অতিক্রম করা ছাত্র ছিল, আদিবাসী ছাত্র ছিল, ভোকাল ফিমেইল ক্যান্ডিডেট যেমন ছিল; তেমনি ছিল মডারেট মুসলিম ফিমেইল যারা আমাদের সঙ্গে, আমাদের বিশ্বাস ও ধ্যান-ধারণায় আমাদেরকে সমর্থন করেন। প্রথম সংবাদ সম্মেলন থেকে শুরু করে, স্রেফ চা খাচ্ছি এমন জুনিয়র দেখলেও এই অংশ এদের ছবি তুলে বাসায় পাঠানো, নানান রকম হুমকি-ধামকি দেওয়ায় এদের নিরাপত্তা নিয়ে আমরা শঙ্কিত হই। তাদেরকেও ধারণা দেওয়া হয়, এই নির্বাচন করতে আসলে তাদেরকে এই নোংরামির ধারা মেনে নিয়েই করতে হবে। অথচ অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে এই পরিবেশ সরাসরি পতিত স্বৈরাচার আমলের অপরাজনীতি চর্চারই ধারা। আজকে যখন জেনোসাইডারের দোসর সংগঠনকে নর্মালাইজ করার পায়তারা চলে, যখন তাদেরকে একচ্ছত্র অধিপতি ঘোষণার সমস্ত আয়োজন চলে, তখন বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের কর্মী ও সমর্থকদের উপর এরূপ আচরণ আমাদের মনে প্রশ্নের সৃষ্টি করে যে, বিশ্ববিদ্যালয়কে পুরো জাশিকরণের জন্যেই ওনাদের এই আয়োজন কিনা।) ঢাবি, জাবি, রাবি, চবি আওব জায়গায় একই প্যাটার্ন আমাদের সেই প্রশ্নের উত্তর দেয়।)

অন্যদিকে, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ক্যাম্পাসের বিভিন্ন গ্রুপকে- যারা শাকসু নির্বাচনে অংশ নেবে - অনুষ্ঠান, টেন্ট স্থাপন, সাংস্কৃতিক আয়োজনসহ নানান কার্যক্রমের অনুমতি দিচ্ছে। অথচ ছাত্র ইউনিয়নের ক্ষেত্রে চলছে স্পষ্ট বৈষম্য ও প্রশাসনিক অসহযোগিতা। আমরা বাউল নির্যাতনের বিরুদ্ধে ‘বাউল সন্ধ্যা’ করতে চাইলে প্রশাসন বিনা কারণে তা বাতিল করেছে। কিন্তু একই ধরনের অনুষ্ঠান একটি প্রশাসন-সমর্থিত গ্রুপকে করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এটি কেবল সাংস্কৃতিক বঞ্চনা নয়- এটি রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ, মত প্রকাশের স্বাধীনতা খর্ব করা এবং নির্বাচনকে প্রভাবিত করার একটি সংগঠিত প্রয়াস।

সব মিলিয়ে প্রশ্নবিদ্ধ কমিশন, প্রশাসনের পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ, আমাদের প্রতি বৈষম্যমূলক ব্যবহার, রাজনৈতিক চাপ, ভয় দেখানো, হুমকি, ক্যাম্পাসে মব-উসকানির অবাধ বিস্তার এবং সমান সুযোগের সম্পূর্ণ অনুপস্থিতি এই নির্বাচনকে একটি ইঞ্জিনিয়ার্ড, নিয়ন্ত্রিত, অসম ও অগণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় পরিণত করেছে। এখানে কোনো অংশগ্রহণমূলক পরিবেশ নেই, নেই নিরাপত্তা, নেই সমান অধিকার।

এই পরিস্থিতিতে ছাত্র ইউনিয়ন মনে করে এই নির্বাচন গণতান্ত্রিক নয়, গ্রহণযোগ্য নয়, এবং এতে অংশ নেওয়া মানে এই প্রহসনকে বৈধতা দেওয়া।

সুতরাং বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন শাবিপ্রবি সংসদ আনুষ্ঠানিকভাবে শাকসু নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিচ্ছে। আমরা গণতন্ত্রের লড়াই থেকে সরে দাঁড়াচ্ছি না - বরং ভুয়া গণতন্ত্রের মুখোশ ছিন্ন করতেই আমাদের এই অবস্থান।

অমিয়/

চাঁদপুরে ‘টেইল অব হিলসা অ্যান্ড আ বয়’ এর মোড়ক উন্মোচন

প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৬, ০২:২৭ পিএম
আপডেট: ০৬ জুন ২০২৬, ০২:৩৪ পিএম
চাঁদপুরে ‘টেইল অব হিলসা অ্যান্ড আ বয়’ এর মোড়ক উন্মোচন
ছবি: খবরের কাগজ

চাঁদপুর জেলার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থীদের সংগঠনের উদ্যোগে গবেষণাভিত্তিক ফিকশন গ্রন্থ ‘টেইল অব হিলসা অ্যান্ড আ বয়’–এর মোড়ক উন্মোচন করা হয়েছে।

শনিবার (৬ জুন) দুপুর সাড়ে ১২টায় ইলিশের শহরখ্যাত চাঁদপুরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বইটির আনুষ্ঠানিক প্রকাশনা করা হয়।

মেঘনা নদী, ইলিশ এবং মেঘনা অববাহিকার জীবন-জীবিকা, সংস্কৃতি ও নদীমাতৃক ঐতিহ্যকে কেন্দ্র করে গ্রন্থটি রচনা করেছেন গবেষক ও কবি মো. হাবিবুর রহমান। গবেষণাভিত্তিক এ ফিকশন গ্রন্থে সাহিত্যিক আঙ্গিকে নদী, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য-সংশ্লিষ্ট নানা বিষয় তুলে ধরা হয়েছে।

বইটিতে জলবায়ু পরিবর্তন, নদীভাঙন, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, স্থানীয় ঐতিহ্য, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা এবং মেঘনা অববাহিকার সামাজিক-অর্থনৈতিক বাস্তবতার বিভিন্ন দিক স্থান পেয়েছে। আয়োজকদের মতে, গ্রন্থটি শিক্ষার্থী, গবেষক ও তরুণ প্রজন্মকে নদীকেন্দ্রিক জীবন ও পরিবেশগত সংকট সম্পর্কে সচেতন করতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।

গ্রন্থটির লেখক মো. হাবিবুর রহমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী, গবেষক ও কবি। এর আগে তার কাব্যগ্রন্থ ‘মেঘবালিকার লোচনে জলতরঙ্গ’ একুশে বইমেলা ২০২৫-এ প্রকাশিত হয়।

মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে লেখক বলেন, বইটি তরুণ প্রজন্মের জন্য একটি গবেষণাধর্মী ও নীতিনির্ধারণ-সহায়ক সংকলন হিসেবে কাজ করবে।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, মেঘনা নদী ও ইলিশকেন্দ্রিক ঐতিহ্য, পরিবেশগত চ্যালেঞ্জ এবং সম্ভাবনা সম্পর্কে পাঠকদের নতুন দৃষ্টিভঙ্গি দিতে সক্ষম হবে গ্রন্থটি।

তিনি আরও জানান, প্রকাশের পর থেকেই বইটি দেশি-বিদেশি গবেষক, শিক্ষাবিদ ও নীতিনির্ধারকদের মধ্যে আগ্রহের সৃষ্টি করেছে। ইতোমধ্যে বিভিন্ন পর্যায়ের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের কাছে এর সৌজন্য কপি পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

অনুষ্ঠানে আয়োজক কমিটির সদস্য, পাঠক, স্থানীয় শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

আজম হোসেন/তামান্না রুপা/

আইইউবির কোষাধ্যক্ষ ওয়াছিম জাব্বার

প্রকাশ: ০৩ জুন ২০২৬, ০৫:৪২ পিএম
আইইউবির কোষাধ্যক্ষ ওয়াছিম জাব্বার
মো. ওয়াছিম জাব্বার

ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ-এর (আইইউবি) কোষাধ্যক্ষ হিসেবে যোগ দিয়েছেন মো. ওয়াছিম জাব্বার।

বুধবার (৩ জুন) তারিখে তিনি এ পদে যোগ দেন। 

তিনি খন্দকার মো. ইফতেখার হায়দারের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন।
 
আইইউবিতে যোগদানের আগে জাব্বার বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (বিসিএস) প্রশাসন ক্যাডারে ৩২ বছরের বেশি সময় দায়িত্ব পালন করেছেন। 

এ সময়ে তিনি জনপ্রশাসন, আর্থিক ব্যবস্থাপনা, সরকারি ক্রয়, প্রাতিষ্ঠানিক পরিচালনা ও নীতি বাস্তবায়ন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন।
 
সর্বশেষ তিনি ইতালির তুরিনে ইন্টারন্যাশনাল লেবার অর্গানাইজেশনের ইন্টারন্যাশনাল ট্রেনিং সেন্টারে (আইএলও-আইটিসিআইএলও) ডিজিটাইজিং ইমপ্লিমেন্টেশন মনিটরিং অ্যান্ড পাবলিক প্রকিউরমেন্ট প্রজেক্ট–ক্যাপাসিটি ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড প্রফেশনালাইজেশন (ডিআইএমএপিপিপি-সিডিপি)-এর ডেপুটি টিম লিডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
 
এর আগে তিনি জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগের অধীন বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ইনস্টিটিউটের (বিপিআই) মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব), বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) প্রশাসন ও অর্থ বিভাগের পরিচালক, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অ্যান্ড ম্যানেজমেন্টের (বিয়াম) পরিচালক (প্রশিক্ষণ ও শিক্ষা), এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
 
জাব্বার ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি থেকে প্রকিউরমেন্ট অ্যান্ড সাপ্লাই ম্যানেজমেন্টে মাস্টার্স, ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি চিটাগং (ইউএসটিসি) থেকে মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনায় এক্সিকিউটিভ এমবিএ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মার্কেটিংয়ে স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। 

তিনি যুক্তরাজ্যের চার্টার্ড ইনস্টিটিউট অব প্রকিউরমেন্ট অ্যান্ড সাপ্লাই (সিআইপিএস) থেকে প্রকিউরমেন্ট ও সাপ্লাই বিষয়ে ডিপ্লোমা, অ্যাডভান্সড ডিপ্লোমা ও প্রফেশনাল ডিপ্লোমা সম্পন্ন করেছেন।

তিনি ২০১৭ সাল থেকে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে খণ্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এ ছাড়াও, বাংলাদেশ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অথরিটির (বিপিপিএ) পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিষয়ক জাতীয় প্রশিক্ষক হিসেবেও তিনি যুক্ত রয়েছেন। তিনি সিআইপিএস ইউকে-এর সদস্য এবং ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট কনসালট্যান্টস বাংলাদেশের আজীবন সদস্য।

বিজ্ঞপ্তি/

নেচার ইনডেক্স র‌্যাংকিংয়ে দেশের শীর্ষ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইইউবি

প্রকাশ: ০১ জুন ২০২৬, ১০:২৪ এএম
আপডেট: ০১ জুন ২০২৬, ১০:২৫ এএম
নেচার ইনডেক্স র‌্যাংকিংয়ে দেশের শীর্ষ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইইউবি
ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ (আইইউবি)। ছবি : সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক গবেষণা মূল্যায়ন প্ল্যাটফর্ম ‘নেচার ইনডেক্স ইনস্টিটিউশনাল র‌্যাংকিংয়ে’ বাংলাদেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে শীর্ষস্থান অর্জন করেছে ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ (আইইউবি)।

সামগ্রিকভাবে দেশের সব গবেষণা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে আইইউবির অবস্থান পঞ্চম এবং দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে আইইউবি তৃতীয় স্থান অধিকার করেছে। এছাড়া পদার্থবিজ্ঞান (ফিজিক্যাল সায়েন্সেস) গবেষণার ক্ষেত্রেও এই র‌্যাংকিংয়ে দেশের শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে আইইউবি।

বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বিজ্ঞান ও স্বাস্থ্যবিষয়ক সাময়িকীতে প্রকাশিত মানসম্মত গবেষণা প্রবন্ধের ওপর ভিত্তি করে এই বিখ্যাত বৈশ্বিক র‌্যাংকিং তৈরি করা হয়। ২০২৫ সালের ১ ফেব্রুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত প্রকাশিত গবেষণাকর্মের ওপর ভিত্তি করে এবারের মূল্যায়নটি করা হয়েছে। এই মূল্যায়ন প্রক্রিয়ায় মোট চারটি গবেষণা প্রবন্ধ থেকে আইইউবির নেচার ইনডেক্স শেয়ার স্কোর দাঁড়িয়েছে ০.৬৩।

আইইউবির সেন্টার ফর কম্পিউটেশনাল অ্যান্ড ডেটা সায়েন্সেসের (সিসিডিএস) কম্পিউটেশনাল ফিজিক্স উইংয়ের পরিচালক ও ফিজিক্যাল সায়েন্সেস বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. জুয়েল কুমার ঘোষের দুটি গবেষণা প্রবন্ধ এবারের র‌্যাকিংয়ে ভূমিকা রেখেছে। 

প্রবন্ধ দুটি হলো ‘স্কেল উইদাউট কনফর্মাল সিমেট্রি ইন হাইড্রোডায়নামিক্স’ এবং ‘হাইড্রোস্ট্যাটিক ইকুইলিব্রিয়াম ইন মাল্টি-ওয়েইল সেমিমেটালস’। এগুলো প্রকাশিত হয়েছে যথাক্রমে ইউরোপিয়ান ফিজিকেল জার্নাল সি এবং জার্নাল অফ হাই এনার্জি ফিজিক্সে।
এছাড়া আইইউবির সেন্টার ফর অ্যাস্ট্রোনমি, স্পেস সায়েন্স অ্যান্ড অ্যাস্ট্রোফিজিকসের (কাসা) সহযোগী সদস্য ড. আনোয়ার জামান সজীব “অ্যান অ্যাকিউরেট মেজারমেন্ট অফ দা স্পেকট্রাল রেজোলিউশন অফ দা জেডব্লিউএসটি নিয়ার ইনফ্রারেড স্পেক্টোগ্রাফ” শীর্ষক গবেষণা প্রবন্ধটিও এই র্যাংকিংয়ে বিবেচনা করা হয়েছে। এটি প্রকাশিত হয়েছিলো অ্যাস্ট্রোনমি অ্যান্ড অ্যাস্ট্রফিজিক্স সাময়িকীতে।

আইইউবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. ম. তামিম বলেন, অর্থবহ বৈজ্ঞানিক গবেষণার জন্য দীর্ঘমেয়াদি একাডেমিক পরিবেশ, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও অনুসন্ধানভিত্তিক গবেষণা সংস্কৃতি প্রয়োজন। আইইউবি গত কয়েক বছরে সেই পরিবেশ গড়ে তুলতে ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এই স্বীকৃতি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা সক্ষমতার ক্রমবর্ধমান পরিপক্বতার প্রতিফলন।

আইইউবির উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. ড্যানিয়েল ডব্লিউ. লুন্ড বলেন, নেচার ইনডেক্স বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি বিশ্বের স্বীকৃত শীর্ষ বৈজ্ঞানিক সাময়িকীতে প্রকাশিত গবেষণাকে মূল্যায়ন করে। এই র‌্যাংকিংয়ে আইইউবির অবস্থান বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণার আন্তর্জাতিক দৃশ্যমানতা ও মানকে তুলে ধরেছে।

২০১৪ সালে যাত্রা শুরু করা নেচার ইনডেক্সকে উচ্চমানের বৈজ্ঞানিক গবেষণা মূল্যায়নের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক সূচক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। নেচার, সায়েন্স, নেচার ফিজিক্স, দা ল্যানসেট, সেল, জার্নাল অফ হাই এনার্জি ফিজিক্স এবং অ্যাস্ট্রোনমি ও অ্যাস্ট্রফিজিক্স-এর মতো আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সাময়িকীতে প্রকাশিত গবেষণা প্রবন্ধ এই সূচকে বিবেচনায় নেওয়া হয়।

বেরোবিতে জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকীতে দোয়া মাহফিল

প্রকাশ: ৩১ মে ২০২৬, ০৯:১৩ এএম
বেরোবিতে জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকীতে দোয়া মাহফিল
ছবি: খবরের কাগজ

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) যথাযোগ্য মর্যাদায় শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী পালন করা হয়েছে।

এই উপলক্ষে শনিবার (৩০ মে) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে এক বিশেষ দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর এর উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. শওকাত আলী। এ সময় তিনি জিয়াউর রহমানের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং দেশের শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণের জন্য দোয়া করেন।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রফেসর ড. মো. ফেরদৌস রহমান, ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসিউরেন্স সেল (আইকিউএসি)-এর পরিচালক প্রফেসর ড. মো. তাজুল ইসলাম, জনসংযোগ, তথ্য ও প্রকাশনা বিভাগের পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. মাসুদ রানা।

এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ দোয়া মাহফিলে অংশগ্রহণ করেন।

দোয়া ও মোনাজাতে জিয়াউর রহমানের রুহের মাগফিরাত কামনা করা হয় এবং দেশের অগ্রগতি, শান্তি ও জনগণের কল্যাণে বিশেষ প্রার্থনা করা হয়।

দোয়া মাহফিল শেষে উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান গেটের সামনে তবারক বিতরণ করেন।

গাজী আজম/আমান

ঢাবিকে কোচিং সেন্টারের সঙ্গে তুলনা গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর, বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবি সাদা দলের

প্রকাশ: ২৯ মে ২০২৬, ০৪:৪৩ পিএম
ঢাবিকে কোচিং সেন্টারের সঙ্গে তুলনা গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর, বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবি সাদা দলের
ছবি: সংগৃহীত

সম্প্রতি একটি ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত সাক্ষাৎকারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে (ঢাবি) কোচিং সেন্টারের সাথে তুলনা করেছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।

প্রতিমন্ত্রীর এমন বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে, বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদে বিশ্বাসী বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষকদের সংগঠন সাদা দল। অন্যথায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মান রক্ষার্থে শিক্ষক-শিক্ষার্থী সমাজ কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবে, হুঁশিয়ারী দেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার (২৯ মে) ঢাবি সাদা দলের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মোর্শেদ হাসান খান, যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. আব্দুস সালাম ও অধ্যাপক ড. মো. আবুল কালাম সরকার স্বাক্ষ‌রিত এক বিবৃ‌তি‌তে তা জানানো হয়। বিবৃতিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজের চরম অবমাননাকর ও দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্য উল্লেখ করে প্রতিবাদ জানানো হয়। 

ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘গবেষণা ও প্রকাশনায় দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শীর্ষস্থানে রয়েছে। টাইমস হায়ার এডুকেশন এশিয়া র‍্যাংকিং অনুযায়ী, এটি বর্তমানে দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় গবেষণা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। শুধু তাই নয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান, কলা ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের অধীনে প্রায় ৫৬টি সক্রিয় ও বিশেষায়িত গবেষণা ব্যুরো ও কেন্দ্র রয়েছে। এর মধ্যে উচ্চতর বিজ্ঞান গবেষণা কেন্দ্র এবং সামাজিক বিজ্ঞান গবেষণা কেন্দ্র অন্যতম। এমনকি প্রতি বছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত স্কোপাস এবং ওয়েব অব সায়েন্স ইনডেক্সড জার্নালে অসংখ্য গবেষণাপত্র প্রকাশ করে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে তিনি অসত্য তথ্যের ভিত্তিতে দু'টি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের যে তুলনা করেছেন তা অত্যন্ত নিন্দনীয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেবল একটি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়: এই বিশ্ববিদ্যালয় স্বাধীন বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের অস্তিত্ব, জন্ম এবং বিকাশের ইতিহাসের সাথে আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িত।’

এতে আরো বলা হয়, ‘রাষ্ট্রীয় উদাসীনতা ও সীমিত বাজেটের মধ্যেও এ দেশের শিক্ষা ও গবেষণায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় যে অনন্য ও গৌরবোজ্জ্বল অবদান রেখে চলেছে, তা বিশ্বজুড়ে সমাদৃত। সংক্ষেপে বলতে গেলে বাংলাদেশ মানেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। এমন একটি ঐতিহ্যবাহী ও জাতীয় আবেগ জড়ানো প্রতিষ্ঠান সম্বন্ধে একজন দায়িত্বশীল প্রতিমন্ত্রীর মুখে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হলো কোচিং সেন্টার- এই ধরণের বক্তব্য অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক।’

বক্তব্য প্রত্যাহার না করা হলে কঠোর কর্মসূচিতে নামার হুঁশিয়ারী দিয়ে বলা হয়, ‘এই অবিবেচনাপ্রসূত মন্তব্যের মাধ্যমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান শিক্ষার্থী, শিক্ষক, সাবেক শিক্ষক-শিক্ষার্থীবৃন্দ এবং সর্বোপরি এই বিশ্ববিদ্যালয়ের গৌরবময় ইতিহাস ও অবদানকে চরমভাবে অপমান করা হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাদা দল অবিলম্বে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজের এই অবমাননাকর মন্তব্য অতি দ্রুত প্রত্যাহার করার জোর দাবি জানাচ্ছে। অন্যথায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মান রক্ষার্থে শিক্ষক-শিক্ষার্থী সমাজ কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবে।’

এর আগে ইউটিউবে প্রকাশিত একটি পডকাস্টে সঞ্চালকের এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেন, ‘আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে কোচিং সেন্টার বলি। নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি যে গবেষণা করে তার কানাকড়িও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় করে না। যেখানে ঢাকা ইউনিভার্সিটি স্টেট সাবসিডাইজ, একশোর উপরে তাদের মেজর রয়েছে; সেই জায়গা থেকে নর্থ সাউথ এবং ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি, দুটো প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি; তাদের ডিপার্টমেন্টই আছে ৬-৭টি। অনেক বেশি বাই মার্জিন ঢাকা ইউনিভার্সিটি থেকে বেশি রিসার্চ করে।’

আরিফ জাওয়াদ/এসএন