সরকার নানা সময়ে বিভিন্ন পরিবারের জন্য রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে আইনগত সুরক্ষা দিয়েছে। শহিদ হাদির পরিবারকেও যেন সেই নিরাপত্তা দেওয়া হয় এবং সরকার যেন তার পরিবারের দায়িত্ব নেয় এ কামনা করছি বলে মন্তব্য করেছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. রেজাউল করিম।
শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের মসজিদ কমিটির আয়োজনে জবি কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে জুমার নামাজ শেষে হাদির রুহের মাগফেরাত কামনা ও দোয়া মাহফিল তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘যে শক্তিকে ছাত্র সমাজ মিলে ও সবাই মিলে পরাজিত করেছে তারা সুসংগঠিত এবং তাদের অর্থ আছে। তারা সুযোগ পেলেই সুযোগ নেবে। আমাদের দৃড় হওয়া দরকার।’
জুলাই যোদ্ধাদের সতর্ক করে তিনি বলেন, ‘জুলাই যোদ্ধারা যেন সতর্ক থাকেন। তাদের যদি কোনো প্রয়োজন হয় যে যেটা আমরা করতে পারবো সেক্ষেত্রে আমাদের জানাবে।
খুব আশা করেছিলাম, কেউ যদি হাসপাতালে যেতে পারে তাহলে সে ফিরে আসে। খবরটি শুনার পর খুবই খারাপ লেগেছে। আল্লাহ তাকে শহিদ হিসেবে কবুল করুন।’
এ সময় বক্তব্যে জবি শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন বলেছেন, শহিদ ওসমান হাদির শাহাদাতের মাধ্যমে তার সংগ্রাম শেষ হয়নি; বরং যারা বেঁচে আছেন, তাদের দায়িত্ব হলো তার আদর্শ ও মিশন বাস্তবায়ন করা।
দোয়া মাহফিলটি পরিচালনা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম ও খতিব মো. ছালাহ্ উদ্দিন।
মাহফিলে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. মোশাররাফ হোসেন, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় চেয়ারম্যান, রেজিস্ট্রার, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক, প্রক্টর, হল প্রভোস্ট, বিভিন্ন দপ্তরের পরিচালক, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী, ক্রিয়াশীল ছাত্র সংগঠনের নেতারা এবং সাংবাদিক প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।
মুজাহিদ বিল্লাহ/রিফাত