শিশুদের হাতে বই তুলে দেওয়ার নীরব দায়বোধ, শ্রেণিকক্ষে মমতার আলো ছড়িয়ে দেওয়া এবং শিক্ষাকে আনন্দময় করে তোলার নিরন্তর প্রয়াস- এসব কাজের স্বীকৃতি মিলেছে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২৬-এ।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলায় শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক নির্বাচিত হয়েছেন তারাগন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রূপা ঘোষ।
সম্প্রতি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তি ক্যাটাগরিতে বাছাই কার্যক্রম সম্পন্ন করে নির্বাচিতদের হাতে আনুষ্ঠানিক চিঠি তুলে দেয়।
এ বছর উপজেলার শ্রেষ্ঠ বিদ্যালয় নির্বাচিত হয়েছে রাধানগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।
এ ছাড়া শ্রেষ্ঠ সহকারী শিক্ষক (পুরুষ) নির্বাচিত হয়েছেন খড়মপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মো. ইকবাল হোসেন এবং শ্রেষ্ঠ সহকারী শিক্ষক (নারী) নির্বাচিত হয়েছেন হীরাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ফেরদৌসি আক্তার।
উপজেলা পর্যায়ে নির্বাচিতরা এখন জেলা পর্যায়ের বাছাইয়ে অংশ নেবেন।
রূপা ঘোষ আখাউড়া পৌরশহরের রাধানগর ঘোষপাড়া এলাকার বাসিন্দা। তিনি রাধামাধব আখড়া কেন্দ্রীয় মন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতি চন্দন কুমার ঘোষের ছোট মেয়ে।
নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে রূপা ঘোষ বলেন, ‘এই স্বীকৃতি শুধু আমার একার নয়। বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল এটি। শিশুদের সুন্দর মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে আমি সবসময় আন্তরিকভাবে কাজ করে যেতে চাই।’
উপজেলার শিক্ষাঙ্গনে এ অর্জনকে ঘিরে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের মধ্যে আনন্দের আবহ তৈরি হয়েছে। অনেকের মতে, এমন স্বীকৃতি শিক্ষকদের দায়িত্ববোধ ও সৃজনশীলতাকে আরও এগিয়ে নিতে অনুপ্রেরণা জোগাবে।
অমিয়/