রাজধানীর বাংলামোটর মোড়ে দেশের অন্যতম সেরা ফ্যাশন ক্লোদিং প্ল্যাটফরম লাইভ শপিং এর আউটলেটে গ্রাহকদের উপচেপড়া ভিড়। বছর শেষে প্রতিষ্ঠানটিতে চলছে ১২ ১২ ক্যাম্পেইন অফার। অ্যাফোর্ডেবল ফ্যাশন ও প্রিমিয়াম কোয়ালিটির ট্রেন্ডি ফ্যাশন উইয়ারের এই প্রতিষ্ঠানের অফারটি চলবে ২০ ডিসেম্বর পর্যন্ত।
এই অফারের আওতায় একজন গ্রাহক মাত্র ৩১২ টাকায় কিনতে পারবেন আকর্ষণীয় ফ্যাশন উইয়ার। অফারটির মূল আকর্ষণ মাত্র ১ হাজার ২১২ টাকায় ব্লেজার। পাশাপাশি আরও থাকছে ৬১২ টাকায় জ্যাকেট ও শার্ট এবং ৯১২ টাকায় পাঞ্জাবি ও প্যান্ট। এ ছাড়াও তাদের দেশব্যাপী সব আউটলেটেই থাকছে ব্লেজার, জ্যাকেটসহ সকল শীতের পোশাকের উপর বিশেষ মূল্যছাড়।
সরেজমিনে দেখা গেছে ১১ ডিসেম্বর লাইভ শপিং তাদের ১২ ১২ ক্যাম্পেইন অফারের ঘোষণা দেওয়ার পর থেকেই বাংলামোটর আউটলেটে গ্রাহকদের উপচেপড়া ভিড়। ক্রেতারা শুধু পণ্য দেখার জন্য নয়, বরং তাৎক্ষণিক কেনাকাটার জন্যই তাদের উৎসাহ ছিল বেশি। যারাই এসেছেন তাদের কাউকেই খালি হাতে ফিরতে দেখা যায়নি। প্রত্যেকেই কিছু না কিছু কিনেছেন।

লাইভ শপিং এর ডিজিটাল মিডিয়া ম্যানেজার হাবিব খান জানান, অফার ঘোষণার পর থেকে সারাদেশ থেকেই অনলাইন এবং অফলাইনে কাস্টমারদের ব্যাপক সাড়া পাচ্ছেন। এত বেশি সাড়া পেয়েছেন যা আসলে তারা আশাও করেননি।
মানিকগঞ্জের মানিক যা পরে—ম্যানহাটনের মাইকেলও যেন একই পণ্য স্বাচ্ছন্দ্যে পরতে পারে। দেশের মানুষও যেন কম খরচে ভালো মানের পোশাক পরতে পারে এই উদ্দেশ্য নিয়ে ২০২০ সালে যাত্রা শুরু করে লাইভ শপিং। সব প্রজন্মের জন্য 'সাধ্যের মধ্যে ট্রেন্ডি ফ্যাশন' এই বিষয়টির একদম আক্ষরিক বাস্তবায়ন ঘটিয়েছেন এর কর্ণধার দেশের ইয়াংস্টার ফ্যাশন ইনফ্লুয়েন্সার আশিক খান। বর্তমানে ৮ টি আউটলেট এবং ৩৫ লাখ গ্রাহকের বিশাল অনলাইন প্ল্যাটফরম নিয়ে পোশাক ফ্যাশনে একের পর এক বিপ্লব ঘটিয়ে চলছেন এই তরুণ উদ্যোক্তা।

আশিক খান বলেন, 'আমরা গণমানুষের ব্র্যান্ড, আমাদের প্রোডাক্ট মানুষ সাধ্যের মধ্যেই কিনতে পারেন, টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া যেখান থেকেই অর্ডার করেন না কেন, কাস্টমারের দোরগোড়ায় প্রোডাক্ট পৌঁছে দেই, কোনো টাকা অগ্রিম ছাড়াই, সাথে আবার ৭ দিনের রিটার্ন ও রিফান্ড পলিসি। এই সব সুযোগ সুবিধাই আমাদেরকে পরিচিত করেছে মানুষের কাছে।'
তরুণ এই ফ্যাশন ইনফ্লুয়েন্সার আরও জানান মানুষের চাহিদা বাড়ার সাথে এই ব্যবসা এখন তার একার পক্ষে পরিচালনা করা প্রায় অসম্ভব। কারণ বাংলাদেশের এমন কোনো জায়গা নেই যেখান থেকে প্রতিদিন অর্ডার আসেনা, এমনকি প্রত্যন্ত এলাকাগুলোতেও লাইভ শপিং-এর আউটলেট দেওয়ার অনুরোধও পান তিনি। বর্তমানে তার প্রতিষ্ঠানগুলোতে কর্মীর সংখ্যা ৩০০ জনেরও বেশি। কাজ করছেনসুযোগ পেলে পৃথিবীর প্রতিটা প্রান্তে মানুষের ঘরে ঘরে লাইভ শপিং-এর পণ্য পৌঁছে দিতে চান ফ্যাশন ইনফ্লুয়েন্সার আশিক খান।