ঢাকা ৬ আষাঢ় ১৪৩৩, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
নওগাঁয় ডাকাতি করতে গিয়ে পুলিশের খাঁচায় ৩ ডাকাত আইওএস ২৭-এ আসছে নতুন ফিচার কেমন ছিল রাসুল (সা.)-এর প্রিয় পোশাক রাঙামাটিতে জাম পাড়তে গিয়ে বিদ্যুৎস্পর্শে শিক্ষিকার মৃত্যু ব্রাজিলের কাছে হেরেও ফুটবলারদের নিয়ে গর্বিত হাইতির কোচ বরকে মিষ্টিমুখ করাতে গিয়ে প্রাণ গেল চাচা শ্বশুরের প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে ২ চুক্তি ও ১৩ সমঝোতা স্মারক সইয়ের প্রস্তুতি চট্টগ্রামে র‍্যাব সদস্য হত্যা মামলার আসামি গ্রেপ্তার সাতকানিয়ায় মাদরাসায় হামলা ও দেওয়ালে জয় বাংলা লেখার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন মোহনগঞ্জে ধর্ষণ মামলায় স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার আত্মসমর্পণ এআই ক্যামেরা বন্ধের পেছেন কি তবে ‘ইঁদুরের হাত’ অস্ট্রেলিয়ায় শনাক্ত হলো সংক্রামক এইচ৫ বার্ড ফ্লু রামপুরায় গুলিবিদ্ধ শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘কাইল্লা পলাশের’ মৃত্যু টুকটুক ও চিকু পাঠ থেকে ২টি অনুশীলনীর প্রশ্ন ও  উত্তর, ৪র্থ পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বাংলা ৮০তম জন্মদিন ঘিরে ট্রাম্পের ভাগ্যে বড় পরিবর্তনের আভাস জ্যোতিষীদের ৯০ মিনিট খেলতে এখনও প্রস্তুত নন ইয়ামাল ৪৮ লাখ টাকা খরচ করে বিয়ে, ৯ দিন পর বিচ্ছেদ চাইলেন যুবক টাঙ্গাইলে সেপটিক ট্যাংকের বিষাক্ত গ্যাসে প্রাণ গেল ৪ জনের কিংবদন্তি ক্রীড়াবিদ আব্দুস সাদেক আর নেই ফেনী স্টেশনে মেঘনা ট্রেনের ইঞ্জিন বিকল, যাত্রীদের ভোগান্তি ইরানের সঙ্গে শান্তিচুক্তি নস্যাৎ করতে পারেন নেতানিয়াহু: মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা তুরস্কের হারে নকআউটে যুক্তরাষ্ট্র নওগাঁর আম আমদানি করতে চায় জাপান বিশ্বকাপ থেকে প্রথম দল হিসেবে বিদায় নিল হাইতি টাঙ্গাইলে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে ৫০ লাখ টাকার সরকারি অনুদান হজ শেষে দেশে ফিরেছেন ৬১ হাজার ৬৯৭ হাজি দেশে আরও কমল স্বর্ণের দাম প্রতিরোধে কার্যকর উদ্যোগ জরুরি আজ ‘লম্বা মেয়েদের’ প্রশংসা পাওয়ার দিন সাড়ে তিন ঘণ্টা পর চট্টগ্রামের পথে মেঘনা এক্সপ্রেস

বাংলাদেশে ইয়ামাহার অফিসিয়াল এ্যাপারেলের যাত্রা শুরু

প্রকাশ: ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ০৩:৫৩ পিএম
বাংলাদেশে ইয়ামাহার অফিসিয়াল এ্যাপারেলের যাত্রা শুরু
বাংলাদেশে ইয়ামাহার অফিসিয়াল এ্যাপারেলের যাত্রা শুরু।

বর্তমানে বাংলাদেশের জনপ্রিয় মোটরসাইকেল ব্র্যান্ড ইয়ামাহা। তরুণদের মধ্যে এই বাইক ব্র্যান্ডটি নিয়ে রয়েছে আলাদা উন্মাদনা। ইয়ামাহার বাইকের ব্যাপক চাহিদার পাশাপাশি এর অফিসিয়াল এ্যাপারেলও অনেক জনপ্রিয়। বাংলাদেশে ইয়ামাহার অফিসিয়াল এ্যাপারেল পোশাক সহজলভ্য না হওয়ায়  অনেক ক্রেতাই দেশের বাইরে থেকে এগুলো সংগ্রহ করতো। তবে ইয়ামাহা ভক্তদের জন্য এখন থেকে বাংলাদেশেই ইয়ামাহা অফিসিয়াল এ্যাপারেল পণ্য পাওয়া যাবে।

শনিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর এসিআই সেন্টারে ইয়ামাহা অফিসিয়াল এ্যাপারেল পণ্যের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয়। 

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, জাপানের ইয়ামাহা করপোরেশনের সঙ্গে এক্সক্লুসিভ লাইসেন্সিং-এর আওতায় এই ব্যবসা শুরু করা হয়েছে। যার মাধ্যমে বাংলাদেশে  ইয়ামাহার অফিসিয়াল ডিস্ট্রিবিউটর এসিআই মোটরস ইয়ামাহা ব্র্যান্ডের অফিসিয়াল জার্সি, জ্যাকেট, ক্যাপসহ বিভিন্ন সেফটি গিয়ার বাজারে বিক্রি করবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ইয়ামাহার এক্সক্লুসিভ পাঁচটি ডিজাইনের টি-শার্ট উন্মোচন করা হয়। যা খুব শীঘ্রই দেশের সকল শো-রুমে পাওয়া যাবে। 

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এসিআই মোটরস-এর উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব সুব্রত রঞ্জন দাস,  মি. হেরোশি সেতগাওয়া, ডিরেক্টর, ইয়ামাহা মোটর ইন্ডিয়া সেলস এবং  এসিআই মোটরস-এর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

বিজ্ঞপ্তি/তাওফিক/ 

প্রস্তাবিত বাজেটে প্রতিযোগিতামূলক বিনিয়োগ পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান

প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ০৯:২৬ এএম
আপডেট: ২০ জুন ২০২৬, ০৯:২৭ এএম
প্রস্তাবিত বাজেটে প্রতিযোগিতামূলক বিনিয়োগ পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান
ছবি: সংগৃহীত
বৈশ্বিক ও দেশীয় নানা চ্যালেঞ্জের মধ্যেও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে আগামী অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে নানা পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তবে টেকসই রাজস্ব প্রবৃদ্ধি ও বিনিয়োগ বাড়াতে কাঠামোগত সংস্কার এবং আরও প্রতিযোগিতামূলক ব্যবসায়িক পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি।
 
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) এক সংবাদ সম্মেলনে এমন পর্যবেক্ষণ তুলে ধরে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সংগঠন ফরেন ইনভেস্টরস চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ফিকি)। 
 
রাজধানীর গুলশানে সংগঠনটির নিজস্ব কার্যালয়ে আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট বিষয়ে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। 
 
সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণের প্রেক্ষাপটে দেশীয় ও বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে করের আওতা সম্প্রসারণ, ব্যবসার ব্যয় হ্রাস, রাজস্ব প্রশাসনের ডিজিটালাইজেশন এবং সমতাভিত্তিক ব্যবসায়িক পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করে ফিকি। 
 
ফিকি সভাপতি রূপালী হক চৌধুরী বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটটি একটি ইতিবাচক ও তুলনামূলকভাবে পূর্বানুমানযোগ্য বাজেট। বিশেষ করে সামাজিক সুরক্ষা, গ্রিন ইনিশিয়েটিভ ও সৌরবিদ্যুৎ খাতে প্রদত্ত প্রণোদনাকে স্বাগত জানিয়ে তিনি বলেন, এসব উদ্যোগ দেশের জ্বালানি খাতে জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমাতে সহায়তা করবে। এর ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামের ওঠানামার প্রভাব অর্থনীতি ও বিদ্যুৎ খাতের ওপর তুলনামূলকভাবে কম পড়বে। 
 
সংবাদ সম্মেলনে ফিকির ট্যাক্স কনসালট্যান্ট স্নেহাশীষ বড়ুয়া বাজেটের বিষয়ে চেম্বারের বিস্তারিত পর্যবেক্ষণ উপস্থাপন করেন। রাজস্ব ব্যবস্থাপনায় দক্ষতা ও স্বচ্ছতা বাড়াতে কাস্টমস, ভ্যাট ও আয়কর ব্যবস্থাকে সমন্বিত করে একটি পূর্ণাঙ্গ অটোমেশন রোডম্যাপ প্রণয়নের সুপারিশ করেন তিনি। 
 
স্নেহাশীষ বড়ুয়া বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটে সিগারেটের উচ্চ স্তরে দাম প্রায় ১৫ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। অথচ নিম্ন স্তরে দাম বেড়েছে মাত্র ৩ শতাংশ। এভাবে দাম বাড়ানো কোনো কার্যকরী উপায় নয়। এতে সিগারেটের অবৈধ বাজার বেড়ে যেতে পারে। পাশাপাশি শেয়ার বাজারে তামাক কোম্পানির ওপর প্রভাব পড়তে পারে। 
 
এ বিষয়ে রূপালী হক চৌধুরী বলেন, দেশে তামাক কোম্পানিকে ৮৩ শতাংশ কর দিতে হয়। এটি এ খাতে বিশ্বের অন্যতম সর্বোচ্চ কর। এর উপর যদি অবৈধ বাজার বেড়ে যায়, তাহলে কোম্পানিগুলো দুর্বল হয়ে যায়। এতে সরকারের রাজস্ব আদায়ও কমে আসবে।
 
তিনি বলেন, ‘সরকারের উচিত তামাক কোম্পানিকে ইন্ডাস্ট্রি হিসেবে বিবেচনা করা। হয় তামাক কোম্পানি থাকবে, না হয় থাকবে না। থাকলে বৈধ ইন্ডাস্ট্রি হিসেবেই এদেরকে ট্রিট করতে হবে।’ 
 
সিগারেটের দাম নিম্নস্তরে কম বাড়ানো ও উচ্চ স্তরে বেশি বাড়ানোর প্রভাব বিদেশি বিনিয়োগের ওপর পড়বে কিনা- সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে রূপালী হক চৌধুরী বলেন, ’এটা তো অবশ্যই। আমরা বারবার বলছি, রাজস্ব আদায়ে প্রিমিয়াম ও লোয়ার সেগমেন্ট – সবগুলোরই গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে।‘
 
সিগারেটের উচ্চ স্তরের দাম তুলনামূলক বেশি বেড়ে গেলে নিম্ন স্তরের অথবা অবৈধ সিগারেটের বিক্রি আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন রূপালী হক চৌধুরী। এ ধরনের বিষয় দেশি-বিদেশি সব ধরনের বিনিয়োগকারীকে নিরূৎসাহিত করে বলে মনে করেন তিনি।  
 
তিনি বলেন, সিগারেট খারাপ হলে সবার জন্যই খারাপ। কেন এক্ষেত্রে এতো বৈষম্য থাকবে? প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে তো বলা যাবে না তারা বেশি করে সিগারেট খাক। কিন্তু প্রিমিয়ামের ক্ষেত্রে যে জিনিসটা হচ্ছে সেটা হলো ওই কোম্পানির সাস্টেইনিবিলিটিটা একটা প্রশ্নের মধ্যে দাঁড়িয়ে যাচ্ছে। দেশি কোম্পানি হোক অথবা বিদেশি হোক। এই জিনিসটা যৌক্তিক করতে হবে। 
 
এছাড়াও রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা প্রসঙ্গে রূপালী হক বলেন, বাজেটে উল্লেখযোগ্য ঘাটতি রয়েছে। অতীতে এ ধরনের ঘাটতি পূরণে পরোক্ষ কর ও সম্পূরক শুল্ক বৃদ্ধির প্রবণতা দেখা গেছে। এতে নিয়মিত করদাতাদের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হয় এবং বিভিন্ন খাতে কার্যকর করহার প্রতিযোগী দেশগুলোর তুলনায় বেশি হয়ে যায়। তিনি কর ব্যবস্থাকে আরও ভারসাম্যপূর্ণ ও বিনিয়োগবান্ধব করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। 
 
সংবাদ সম্মেলনে বিনিয়োগ আকর্ষণ ও ধরে রাখার লক্ষ্যে কার্যকর করহার যৌক্তিক পর্যায়ে নিয়ে আসার জন্য একটি রোডম্যাপ প্রণয়নের আহ্বান জানায় ফিকি। 
 
ফিকির সহ-সভাপতি মোহাম্মদ ইকবাল চৌধুরী, পরিচালক হাবিবুর রহমান ভূঁইয়া, নির্বাহী পরিচালক টি আই এম নুরুল কবির এবং চেম্বারের ট্যাক্স কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন সংবাদ সম্মেলনে।

ফ্লোরা সিস্টেমসের সঙ্গে কমিউনিটি ব্যাংকের চুক্তি সম্পন্ন

প্রকাশ: ১৯ জুন ২০২৬, ০৩:৩৮ পিএম
আপডেট: ১৯ জুন ২০২৬, ০৩:৩৯ পিএম
ফ্লোরা সিস্টেমসের সঙ্গে কমিউনিটি ব্যাংকের চুক্তি সম্পন্ন
ছবি: বিজ্ঞপ্তি

ইসলামিক ব্যাংকিং কার্যক্রমকে আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে আরও শক্তিশালী ও কার্যকর করতে ফ্লোরা সিস্টেমস লিমিটেডের সঙ্গে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ, পিএলসি।

ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (চলতি দায়িত্ব), জনাব সামসুল হক সুফিয়ানী এবং ফ্লোরা সিস্টেমস লিমিটেডের চিফ টেকনিক্যাল অফিসার সুবোধ কুমার ভৌমিক নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। এ সময় উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।

এই ইসলামিক কোর ব্যাংকিং সল্যুশন বাস্তবায়নের মাধ্যমে কমিউনিটি ব্যাংকের ইসলামিক ব্যাংকিং উইং একটি সমন্বিত ও আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংকিং সেবা প্রদান করতে সক্ষম হবে। এর ফলে রিয়েল-টাইম লেনদেন প্রক্রিয়াকরণ, কার্যক্রমের দক্ষতা বৃদ্ধি, ডিজিটাল ব্যাংকিং সক্ষমতা জোরদার, শরিয়াহসম্মত তহবিল ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন, বিনিয়োগ ও আমানত ব্যবস্থাপনায় গতি বৃদ্ধি, অধিকতর স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণ এবং তথ্য নিরাপত্তা আরও সুসংহত হবে।

এ উদ্যোগের মাধ্যমে কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি, গ্রাহকদের জন্য নিরাপদ, সহজ, দক্ষ ও নৈতিক ব্যাংকিং সেবা প্রদানে এবং ইসলামিক ব্যাংকিং কার্যক্রমের পরিধি সম্প্রসারণে তাদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে।

বিজ্ঞপ্তি/নাঈম

ওয়ালটন পিসিবিএ'র রপ্তানি উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি উপদেষ্টা

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ১০:১২ পিএম
ওয়ালটন পিসিবিএ'র রপ্তানি উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি উপদেষ্টা
ওয়ালটন হেডকোয়ার্টার্স পরিদর্শনকালে ফিতা কেটে যুক্তরাষ্ট্রে পিসিবিএ রপ্তানি শিপমেন্ট উদ্বোধন করেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম এবং প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি বিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ। ছবি: বিজ্ঞপ্তি

বাংলাদেশে উচ্চ প্রযুক্তি সম্পন্ন বিশ্বমানের মাদারবোর্ড বা পিসিবিএ (প্রিন্টেড সার্কিট বোর্ড এ্যাসেম্বলি) উৎপাদন করছে গ্লোবাল টেক জায়ান্ট ওয়ালটন। নিজস্ব ও দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি বিশ্বের নানান দেশে পিসিবিএসহ বিভিন্ন প্রযুক্তিপণ্য রপ্তানি করছে ওয়ালটন। 

এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) গাজীপুরের চন্দ্রায় ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি'র হেডকোয়ার্টার্সে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ফিতা কেটে যুক্তরাষ্ট্রে ওয়ালটনের পিসিবিএ'র রপ্তানি শিপমেন্ট উদ্বোধন করেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম এবং প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি বিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ।

এ সময় অন্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন, গাজীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. মজিবুর রহমান, ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি'র ম্যানেজিং ডিরেক্টর এস এম মাহবুবুল আলম, পরিচালক এস এম নূরুল আলম রেজভী এবং এস এম মঞ্জুরুল আলম অভি।

বাংলাদেশ থেকে রপ্তানিকৃত ওয়ালটন পিসিবিএ বা মাদারবোর্ড যুক্তরাষ্ট্রের অত্যাধুনিক গান শট শনাক্তকরণ ও জরুরি উদ্ধারকাজ পরিচালন সিস্টেমের সিকিউরিটি ডিভাইসে ব্যবহৃত হবে। আমেরিকার উইসকনসিন প্রদেশে অবস্থিত তথ্যপ্রযুক্তি খাতের প্রতিষ্ঠান সেফপ্রো টেকনোলজিস ইনকরপোরেশন (SAFEPRO Technologies Inc.) ওয়ালটনের তৈরি এ মাদারবোর্ড আমদানি করছে। আমেরিকার স্কুল-কলেজের কোমলমতি শিক্ষার্থীসহ সব ধরনের মানুষের জীবন রক্ষায় কার্যকর নিরাপত্তা ব্যবস্থা সরবরাহে সেফপ্রো টেকনোলজিস ইনকরপোরেশনের ব্যাপক সুনাম ও অবদান রয়েছে।

ওয়ালটন হেডকোয়ার্টার্স পরিদর্শনকালে সর্বাধুনিক প্রযুক্তির অসংখ্য পণ্যের উৎপাদন প্রক্রিয়া এবং সুবিশাল ইন্ডাস্ট্রি দেখে অভিভূত হন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী এবং প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি বিষয়ক উপদেষ্টা। তারা দেশীয় হাই-টেক শিল্পখাতে ওয়ালটনের অবদানের ভূয়সী প্রশংসা করেন।

এ সময় ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেন, "ওয়ালটন সত্যিই এক বিস্ময়। ওয়ালটন যে এত সুন্দর এবং সুবিশাল এক দেশীয় ইন্ডাস্ট্রি গড়ে তুলেছে তা দেখে আমরা অভিভূত। ওয়ালটন অসংখ্য ধরনের ইলেকট্রনিক্স ও প্রযুক্তিপণ্য উৎপাদন করছে। বাংলাদেশও যে বিশ্বমানের সর্বাধুনিক প্রযুক্তিপণ্য উৎপাদন করতে পারে তা ওয়ালটন প্রমাণ করেছে। শুধু তাই নয়, তারা যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পণ্য রপ্তানি করছে। ওয়ালটন বাংলাদেশের গর্ব। ওয়ালটনকে নিয়ে আমরা বাংলাদেশিরা অত্যন্ত গর্বিত।”

তিনি আরও বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে আমরা দেশীয় শিল্পকে এগিয়ে নিতে কাজ করছি। যার প্রেক্ষিতে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে আমরা দেশে উৎপাদিত পণ্যকে করমুক্ত করার চেষ্টা করেছি। কীভাবে বাংলাদেশি শিল্প ও পণ্যকে আরও উৎসাহিত করা যায় সেজন্য আমরা কর কাঠামোতে বিশেষ নজর দিচ্ছি।

এর আগে ওয়ালটন হেডকোয়ার্টার্সে পৌঁছালে অতিথিদের ফুল দিয়ে স্বাগত জানানো হয়। তারা প্রথমে ওয়ালটনের ওপর নির্মিত ভিডিও ডকুমেন্টারি উপভোগ করেন। এরপর ওয়ালটনের সুসজ্জিত প্রোডাক্ট ডিসপ্লে সেন্টার ঘুরে দেখেন। পরে অতিথিরা ওয়ালটনের মাদারবোর্ড (এসএমটি), টেলিভিশন প্যানেল ক্লিন রুম, পিসিবি, মোল্ড অ্যান্ড ডাই ইত্যাদি পণ্যের উৎপাদন ইউনিটগুলো পরিদর্শন করেন।

উল্লেখ্য, বিশ্বমানের প্রযুক্তিপণ্য উৎপাদনে ওয়ালটন একটি প্রশংসিত নাম। গাজীপুরের কালিয়াকৈরে সুবিশাল এলাকাজুড়ে স্থাপন করা হয়েছে ওয়ালটনের অত্যাধুনিক কারখানা। এখানে ফ্রিজ, কম্প্রেসার, টিভি, এসি, ল্যাপটপ, কম্পিউটার, মোবাইল ফোন, ফ্যান, ক্যাবলস, ভিআরএফ ও চিলার, হোম ও ইলেকট্রিক্যাল অ্যাপ্লায়েন্স এবং লিফটসহ বিভিন্ন উচ্চমানের পণ্য তৈরি হচ্ছে। উৎপাদনের পাশাপাশি বিভিন্ন পণ্যের গবেষণা ও উদ্ভাবন (আরঅ্যান্ডআই), মান নিয়ন্ত্রণ, আন্তর্জাতিক ব্যাবসা ইউনিটসহ বিভিন্ন বিভাগ গড়ে তুলেছে ওয়ালটন।

'মেইড ইন বাংলাদেশ' লেখা বুকে নিয়ে ওয়ালটনের তৈরি আন্তর্জাতিক মানের পণ্য বর্তমানে এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য, আফ্রিকা, ইউরোপ ও আমেরিকার অঞ্চলের ৫৫টিরও বেশি দেশে রপ্তানি হচ্ছে। শতাধিক দেশে ব্র্যান্ড বিজনেস সম্প্রসারণের মাধ্যমে বিশ্বের অন্যতম সেরা ব্র্যান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক বাজারে সাফল্যের সঙ্গে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে ওয়ালটন।

বিজ্ঞপ্তি/নাঈম

ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে অনুষ্ঠিত হলো গ্লোবাল ইয়ুথ লিডারশিপ কনফারেন্স

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ১০:০৮ পিএম
ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে অনুষ্ঠিত হলো গ্লোবাল ইয়ুথ লিডারশিপ কনফারেন্স
ছবি: বিজ্ঞপ্তি

ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘গেট এনগেজড’ সম্মেলনের ১৩তম আসর। শিক্ষার্থীদের উদ্যোগ ও তরুণ নেতৃত্ব নিয়ে আয়োজিত সপ্তাহব্যাপী এই আন্তর্জাতিক সম্মেলনে বাংলাদেশসহ বিশ্বের ১২টি দেশের ৪৩জন কো-অর্ডিনেটর অংশ নেন।

নেতৃত্বের দক্ষতা গড়ে তোলা, নাগরিক কাজে অংশগ্রহণ এবং কমিউনিটির প্রয়োজনকে গুরুত্ব দিয়ে শেখা ছিল এই সম্মেলনের মূল বিষয়। এবারই প্রথম এই সম্মেলন বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হলো। গত বছর লিথুয়ানিয়ার ভিলনিয়াসে ইউরোপিয়ান হিউম্যানিটিজ ইউনিভার্সিটি ক্যাম্পাসে সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সাতদিনব্যাপী এই কনফারেন্স শেষ হয়। ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির স্কুল অব জেনারেল এডুকেশন এবং বার্ড কলেজের সেন্টার ফর সিভিক এনগেজমেন্ট যৌথভাবে ‘জিএইচইএ২১ গেট এনগেজড কনফারেন্স ২০২৬: স্টুডেন্ট অ্যাকশন অ্যান্ড ইয়ুথ লিডারশিপ’ আয়োজন করে।

সম্মেলনে বিভিন্ন দেশের তরুণ নেতা, সিভিক এনগেজমেন্ট কার্যক্রমের সাথে যুক্ত নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক ও পেশাজীবীরা অংশ নেন। তারা নিজেদের কমিউনিটিভিত্তিক উদ্যোগগুলো সবার সামনে তুলে ধরেন এবং এগুলো নিয়ে আলোচনা করেন। এই কনফারেন্সের বিভিন্ন আয়োজনে লিডারশিপ, কমিউনিকেশন্স, নেটওয়ার্কিং এবং টেকসই সিভিক এনগেজমেন্ট দক্ষতা গড়ে তোলার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়।

জিএইচইএ ২১ বিশ্বের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের একটি বৈশ্বিক নেটওয়ার্ক। এই নেটওয়ার্কের লক্ষ্য হলো লিবারেল আর্টস ও বিজ্ঞান শিক্ষার সুযোগ বাড়ানো এবং শিক্ষার্থীরা যাতে বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় করতে পারে সেভাবে তাদের প্রস্তুত করা।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আন্তর্জাতিক প্রতিনিধিদের স্বাগত জানান ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারপারসন তামারা হাসান আবেদ। তিনি বলেন, বর্তমানে বিশ্ব যেসব জটিল সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছে, সেগুলো মোকাবেলা করতে হলে আমাদের দরকার গ্লোবাল সিটিজেন। যাদের সরাসরি সমাজের মানুষের সাথে মিলেমিশে কাজ করার মানসিকতা আছে। তিনি বলেন, “ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে সমাজের জন্য কাজ করার ধারণাটা পাঠক্রমের বাইরের কোনো বিষয় নয়, এটা আমাদের কারিকুলামের একটা অংশ। আমরা চাই আমাদের শিক্ষার্থীরা এভাবেই গড়ে উঠুক।

তারা এখানে শেখে যে লিডারশিপ কোনো পদবি নয়। এটি হলো একটি চর্চার বিষয়। মানুষের পাশে থাকা, তাদের কথা শোনাই হলো লিডারশিপ। ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর সৈয়দ ফারহাত আনোয়ার বলেন, কেবল প্রযুক্তি ও বিদ্যমান তথ্যের ওপর নির্ভর করে অর্থবহ উদ্ভাবন সম্ভব নয়। তিনি বলেন, “শিক্ষাব্যবস্থার প্রচলিত কাঠামোর মধ্যে শুধু বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল ও গণিতভিত্তিক উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিলে হবে না। এর সঙ্গে সমাজ, লিবারেল আর্টস এবং মানবিক প্রযুক্তির বিষয়গুলোও যুক্ত করতে হবে।”

বার্ড কলেজের এক্সিকিউটিভ ভাইস-প্রেসিডেন্ট ও একাডেমিক অ্যাফেয়ার্সবিষয়ক ভাইস- প্রেসিডেন্ট জোনাথন অ্যাডাম বেকার উচ্চশিক্ষায় সিভিক এনগেজমেন্টের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বার্ড কলেজের সেন্টার ফর সিভিক এনগেজমেন্টের পরিচালক এবং জিএইচইএ২১-এর ভাইস- চ্যান্সেলর।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন। তিনি বলেন, “বৈশ্বিক কোলাবোরেশনের মাধ্যমে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি যেভাবে নেতৃত্ব দিচ্ছে, সেই মডেল আমরা দেশের অন্যান্য ক্ষেত্রেও অনুসরণ করতে পারি।” ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির স্কুল অব জেনারেল এডুকেশনের ডিন এবং জিএইচইএ২১-এর ফ্যাকাল্টি সদস্য প্রফেসর সামিয়া হক শিক্ষা ও সামাজিক পরিবর্তনকে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দেওয়ার বিষয়ে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানের অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন পিকার্ড বাংলাদেশ লিমিটেডের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর অমৃতা মাকিন ইসলাম। সমাপনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন অতিরিক্ত সচিব এবং শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান। তিনি সম্মেলনে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের অংশগ্রহণের বিষয়টি তুলে ধরেন।

বাংলাদেশে শরণার্থী শিবিরে বসবাসরত রোহিঙ্গাদের দক্ষতা বাড়াতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে সহায়তার আহ্বান জানান তিনি। সমাপনী অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির রেজিস্ট্রার ড. ডেভিড ডাউল্যান্ড, মিলেনিয়াম ক্যাম্পাস নেটওয়ার্ক কাউন্সিলের কো-চেয়ার ড. সু এল ম্যাক্সাম এবং ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির সিভিক এনগেজমেন্ট বিষয়ক অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর নাবিল বি আরিফ।

সমাপনী অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন স্কুল অব জেনারেল এডুকেশনের প্রোগ্রাম ডিরেক্টর এবং জিএইচইএ২১-এর ফ্যাকাল্টি সদস্য ফাহমিদা রহমান। কেলনার ফ্যামিলি ফাউন্ডেশন, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি এবং বার্ড কলেজ সেন্টার ফর সিভিক এনগেজমেন্টের শুভানুধ্যায়ীদের সহায়তায় সম্মেলনটি আয়োজন করা হয়।

সম্মেলনের প্রাইম সাসটেইনেবল পার্টনার ছিল অ্যাপেক্স ফুটওয়্যার লিমিটেড, ফিনট্রা সিকিউরিটিজ লিমিটেড, যমুনা ব্যাংক, মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক এবং স্কয়ার গ্রুপ। স্ট্র্যাটেজিক সাসটেইনেবল পার্টনার ছিল বেঙ্গল মিট প্রসেসিং ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, কটন গ্রুপ বাংলাদেশ, গার্ডিয়ান লাইফ ইনস্যুরেন্স লিমিটেড, ইস্পাহানি গ্রুপ এবং স্টেপ ফুটওয়্যার।

বাংলাদেশের বাজারে এল টেকনো স্পার্ক ৫০ প্রো

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ০৫:৫৭ পিএম
বাংলাদেশের বাজারে এল টেকনো স্পার্ক ৫০ প্রো
টেকনো স্পার্ক ৫০ প্রো মোবাইল। ছবি: বিজ্ঞপ্তি

গ্লোবাল ইনোভেটিভ এআই-চালিত প্রযুক্তি ব্র্যান্ড টেকনো বাংলাদেশের বাজারে নিয়ে এল টেকনো স্পার্ক ৫০ প্রো, যা জনপ্রিয় স্পার্ক সিরিজের সর্বশেষ সংযোজন।

ফ্ল্যাগশিপ-লেভেলের প্রটেকশন, শক্তিশালী পারফরম্যান্স, দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারি, উন্নত ক্যামেরা প্রযুক্তি এবং স্মার্ট এআই সুবিধার সমন্বয়ে তৈরি এই স্মার্টফোনটি আধুনিক ব্যবহারকারীদের চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে আনা হয়েছে।

স্পার্ক সিরিজের সফলতার ধারাবাহিকতায় টেকনো স্পার্ক ৫০ প্রো-তে যুক্ত করা হয়েছে এমন কিছু ফিচার, যা এই সেগমেন্টের স্মার্টফোনে কম দেখা যায়। এর মধ্যে রয়েছে আইপি৬৮/আইপি৬৯ ডাস্ট ও ওয়াটার রেজিস্ট্যান্স, সর্বোচ্চ ৬ মিটার পানির গভীরতায় সার্ভাইভ করার ক্ষমতা, ৬০০০ এমএএইচ ব্যাটারি, ৬০ ওয়াট সুপার ফাস্ট চার্জিং, ৫০ মেগাপিক্সেল সনি লাইটিয়া ৬০০ ফ্ল্যাশস্ন্যাপ মেইন ক্যামেরা, মিডিয়াটেক হেলিও জি১০০ আল্টিমেট প্রসেসর, ১২০ হার্জ ডিসপ্লে এবং টেকনো এআই সুবিধা।

দৈনন্দিন ব্যবহারে বাড়তি নিশ্চয়তা দিতে টেকনো স্পার্ক ৫০ প্রো-তে রয়েছে আইপি৬৮ ও আইপি৬৯ সার্টিফায়েড সুরক্ষা, যা ডিভাইসটিকে ধুলাবালি ও পানির প্রভাব থেকে সুরক্ষিত রাখতে সক্ষম।

এ ছাড়াও, সর্বোচ্চ ৬ মিটার গভীর পানির মধ্যেও ডিভাইসটি নির্ভরযোগ্যভাবে কাজ করতে সক্ষম, যা আন্ডারওয়াটার ছবি ও ভিডিও ধারণের ক্ষেত্রে বাড়তি সুবিধা যোগ করে। শুধু পানি থেকে সুরক্ষাই নয়, টেকনো স্পার্ক ৫০ প্রো-তে রয়েছে এসজিএস ফাইভ-স্টার প্রিমিয়াম ড্রপ রেজিস্ট্যান্স এবং ৩৬০ ডিগ্রি ড্রপ প্রোটেকশন, যা দৈনন্দিন ব্যবহারে অনাকাঙ্ক্ষিত পড়ে যাওয়া বা আঘাতের ঝুঁকি মোকাবিলায় সহায়তা করে। এ ছাড়া টি-গার্ড প্রোটেকশন সিস্টেম ডিভাইসটির নিরাপত্তাকে আরও শক্তিশালী করেছে, যা এটিকে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে সুরক্ষিত স্পার্ক স্মার্টফোনগুলোর একটি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

৬০০০ এমএএইচ ব্যাটারি এবং ৬০ ওয়াট সুপার ফাস্ট চার্জিং প্রযুক্তির সমন্বয়ে টেকনো স্পার্ক ৫০ প্রো দীর্ঘ সময় ব্যবহার এবং দ্রুত চার্জিং সুবিধা নিশ্চিত করে। যারা সারাদিন স্মার্টফোনের ওপর নির্ভরশীল, তাদের জন্য এটি হতে পারে একটি নির্ভরযোগ্য সঙ্গী। টেকনোর তথ্য অনুযায়ী, ব্যাটারিটি ১,৯০০টিরও বেশি চার্জিং সাইকেলের পরেও ৮০ শতাংশের বেশি ব্যাটারি সক্ষমতা ধরে রাখতে পারে, যা দীর্ঘদিন ভালো পারফরম্যান্স নিশ্চিত করবে।

ফটোগ্রাফি প্রেমীদের জন্য টেকনো স্পার্ক ৫০ প্রো-তে রয়েছে ৫০ মেগাপিক্সেলের সনি লাইটিয়া ৬০০ ফ্ল্যাশস্ন্যাপ মেইন ক্যামেরা, যা বিভিন্ন লাইটিং কন্ডিশনে চমৎকার ডিটেইল ধরে রাখতে সক্ষম। এছাড়া ৮ মেগাপিক্সেলের ফ্রন্ট ক্যামেরা ক্লিয়ার সেলফি এবং উন্নত ভিডিও কলিং এক্সপেরিয়েন্স নিশ্চিত করে। ভ্রমণ, প্রতিদিনের মুহূর্ত কিংবা সোশ্যাল মিডিয়া কনটেন্ট তৈরিতে ক্যামেরা সিস্টেমটি একটি ভার্সেটাইল ফটোগ্রাফি এক্সপেরিয়েন্স প্রদান করে।

মিডিয়াটেক হেলিও জি১০০ আল্টিমেট প্রসেসরচালিত টেকনো স্পার্ক ৫০ প্রো মাল্টিটাস্কিং, গেমিং, ভিডিও স্ট্রিমিং এবং ডেইলি ইউজে স্মুথ পারফরম্যান্স নিশ্চিত করে। স্মার্টফোনটি ২৪ জিবি ডাইনামিক র‍্যাম (৮ জিবি র‍্যাম + ১৬ জিবি এক্সটেন্ডেড র‍্যাম) এবং ১৮ জিবি ডাইনামিক র‍্যাম (৬ জিবি র‍্যাম + ১২ জিবি এক্সটেন্ডেড র‍্যাম)–এ দুই সংস্করণে পাওয়া যাবে। উভয় সংস্করণেই রয়েছে ১২৮ জিবি স্টোরেজ।

স্মার্টফোনটিতে রয়েছে ৬.৭৮ ইঞ্চির ১২০ হার্জ ডিসপ্লে, যা স্মুথ স্ক্রলিং এবং ইমার্সিভ ভিউয়িং এক্সপেরিয়েন্স নিশ্চিত করে। পাশাপাশি ডিটিএস সাউন্ডসমৃদ্ধ ডুয়াল স্পিকার এবং অল-সিনারিও নয়েজ ক্যানসেলেশন প্রযুক্তি ব্যবহারকারীদের জন্য আরও রিচ অডিও এক্সপেরিয়েন্স নিশ্চিত করে, যা বিনোদন ও ভয়েস কমিউনিকেশনকে আরও উপভোগ্য করে তোলে।

অ্যান্ড্রয়েড ১৬ ভিত্তিক টেকনো স্পার্ক ৫০ প্রো-তে রয়েছে ওয়ান-ট্যাপ সামারাইজেশন, এআই ফ্ল্যাশমেমো, এআই হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাসিস্ট্যান্ট, এআই প্রবলেম সলভিং, এআই রাইটিং, এআই হেলথ অ্যাসিস্ট্যান্ট এবং এআই স্মার্ট স্কেডিউলিংসহ বিভিন্ন এআই সুবিধা। এ ছাড়া ফ্রিলিংক ২.০ এবং টাচ ট্রান্সফার উইথ আইফোন ফিচার বিভিন্ন ডিভাইসের মধ্যে আরও সহজ ও স্মুথ কানেক্টিভিটি নিশ্চিত করে।

টেকনো স্পার্ক ৫০ প্রো এখন দেশজুড়ে টেকনোর সকল ব্র্যান্ড আউটলেট ও রিটেইল স্টোরে পাওয়া যাচ্ছে এবং স্মার্টফোনটির মূল্য শুরু হচ্ছে ২৬,৯৯৯ টাকা থেকে (ভ্যাট প্রযোজ্য)।

বিজ্ঞপ্তি/নাঈম