ঢাকা ৪ আষাঢ় ১৪৩৩, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
চট্টগ্রামে এইডসের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে রোহিঙ্গারা তরকারি পুড়ে যাওয়ায় গৃহকর্মীকে পুলিশ দম্পতির নির্যাতন ময়মনসিংহ বিভাগ: নীরবে বাড়ছে এইচআইভির বিস্তার বরিশালে ভুয়া ভাড়ার তালিকা নিয়ে বিভ্রান্তি শিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিক নীলিমাইব্রাহিমের মৃত্যুবার্ষিকী আজ নদী খননের মাটির নিচে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর পশুর শিংয়ে নান্দনিক শিল্পকর্ম কসাইয়ের ‘এইভাবে পইড়া থাকলে বাচ্চা দুইডা মইরা যাইব’ ছড়িয়ে পড়ছে এইডস: আক্রান্ত তরুণ ও শিক্ষার্থীরা কালীগঙ্গা নদীর ওপর সেতু আছে, তবু খেয়া পারাপার ১৮ জুন: তুলা, বৃশ্চিক, ধনু, মকর, কুম্ভ ও মীনের আজকের রাশিফল ১৮ জুন: মেষ, বৃষ, মিথুন, কর্কট, সিংহ ও কন্যার আজকের রাশিফল প্রথম জয়ের খোঁজে… বসনিয়া চ্যালেঞ্জ সুইসদের ১৮ জুন  ২০২৬ তারিখের নামাজের সময়সূচি কানাডার সামনে এশিয়ান চ্যাম্পিয়নরা ৬ গোলের ম্যাচে ক্রোয়েশিয়াকে হারাল ইংল্যান্ড দুবার পিছিয়ে পড়েও সমতায় ফিরল ক্রোয়েশিয়া ফুটবল তার শক্তি দেখাল, মাঠে আসছেন ভোজিনহার মা বিশ্বমঞ্চে নিস্তেজ রোনালদো রোনালদোর পর্তুগালকে আটকে দিয়ে বিশ্বকাপে ডিআর কঙ্গোর ইতিহাস অনুশীলনে ফিরলেন নেইমার যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তির খসড়া ফাঁস বিশ্বকাপে প্রথম গোলে পর্তুগালের বিপক্ষে সমতায় কঙ্গো ভারত বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের জাল বিস্তার করেছে: জাতীয় মুক্তি কাউন্সিল মেসির পর রোনালদোর কীর্তি পর্তুগালের একাদশে রোনালদো ইরান ও লেবাননে মানবিক সহায়তা দেবে চীন লায়লা বাউলের পাশে দাঁড়াল সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয় ফের উত্তপ্ত লেবানন, নতুন হামলা ইসরায়েলের
Nagad desktop

‘হ্যাপি সেলিং’ প্রতিপাদ্যে দারাজ সেলার সামিট অনুষ্ঠিত

প্রকাশ: ৩১ আগস্ট ২০২৫, ১১:৪৮ এএম
‘হ্যাপি সেলিং’ প্রতিপাদ্যে দারাজ সেলার সামিট অনুষ্ঠিত
বিজ্ঞপ্তি

সম্প্রতি বাংলাদেশের বৃহত্তম অনলাইন মার্কেটপ্লেস দারাজ বাংলাদেশ তার ফ্ল্যাগশিপ ইভেন্ট 'সেলার সামিট ২০২৫' সফলভাবে আয়োজন করেছে।

রাজধানীর বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ কনফারেন্স সেন্টারে অনুষ্ঠিত এ সম্মেলনে ১ হাজারেরও বেশি বিক্রেতা অংশীদার, শীর্ষস্থানীয় ব্র্যান্ড এবং শিল্পে অগ্রগামী ব্যক্তিরা একত্রিত হন। 'হ্যাপি সেলিং' থিমের ওপর ভিত্তি করে আয়োজিত এ সম্মেলনটি বাংলাদেশের ই-কমার্স খাতের উন্নয়নে বিক্রেতা ও
ব্র্যান্ডগুলোর অসামান্য অবদানকে স্বীকৃতি দিয়েছে। একইসঙ্গে ডিজিটাল মার্কেটপ্লেসকে আরও শক্তিশালী করতে দারাজের ভবিষ্যৎ উদ্ভাবনী পরিকল্পনাসমূহ উন্মোচন করা হয়।

সম্মেলনের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ ছিল দারাজের নতুন ঘোষণা। বর্তমানে ২০০টিরও বেশি শীর্ষস্থানীয় স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের সঙ্গে দারাজ কাজ করছে, এবং খুব শিগগিরই এই সংখ্যা ৫০০-তে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে। এর পাশাপাশি, দারাজ বাংলাদেশে ডিজিটাল মার্কেটিংয়ে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনতে একটি ‘ওয়ান-স্টপ সলিউশন’ তৈরির ঘোষণা দিয়েছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে বিক্রেতা ও ব্র্যান্ডগুলোকে ১ হাজারেরও বেশি ইনফ্লুয়েন্সার ও অ্যাফিলিয়েটের সাথে যুক্ত করা হবে, যাদের সার্বিকভাবে ৫০ লাখের বেশি ফলোয়ার রয়েছে। এই প্রচেষ্টা বিক্রেতাদের জন্য তাদের পণ্যগুলোকে আরও বিস্তৃতভাবে ক্রেতাদের কাছে প্রচার এবং ব্যবসার প্রসারে একটি নির্বিঘ্ন উপায় সরবরাহ করবে।

দারাজ তাদের আসন্ন মেগা ক্যাম্পেইনগুলো—৯.৯, ১০.১০ এবং বহুল প্রতীক্ষিত ১১.১১—সম্পর্কে বিস্তারিত জানায়, যেখানে বিক্রেতারা তাদের বিক্রি দ্বিগুণ করতে সক্ষম হবেন বলে আশা করা হচ্ছে। এই ক্যাম্পেইনগুলো, দারাজের শক্তিশালী প্ল্যাটফর্ম পরিষেবা এবং দারাজ মার্কেটিং সলিউশনস (ডিএমএস)-এর মতো টুলসের সঙ্গে মিলিত হয়ে বিক্রেতাদের ব্যবসার পরিধি বাড়ানোর জন্য মূল সুযোগ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়। সেলার সামিটে প্ল্যাটফর্মের উন্নয়নে অসামান্য অবদানের জন্য বিভিন্ন ব্র্যান্ড পার্টনারকে সম্মাননা জানানো হয়।

এর মধ্যে ডেটল 'সুপারব্র্যান্ড অ্যাওয়ার্ড' লাভ করে, লোটো, হেয়ার এবং রিয়েলমি যথাক্রমে প্লাটিনাম, গোল্ড এবং সিলভার ব্র্যান্ড অ্যাওয়ার্ডে ভূষিত হয়। ডিএমএস সুপারস্টার অ্যাওয়ার্ড পায় টেটন এবং ওয়েলেসিয়াকে বর্ষসেরা নারী উদ্যোক্তা হিসেবে মনোনীত করা হয়। শপ্রোবিডি 'বেস্ট চয়েস সেলার অ্যাওয়ার্ড' লাভ করে এবং ইউনিলিভার 'বেস্ট চয়েস ব্র্যান্ড পার্টনার' হিসেবে স্বীকৃতি পায়।

সবশেষে, টিভি হাট অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স, নিউ উদয় ইলেকট্রনিক্স, রিস্ট ওয়াচ, ফার্নিচার প্লাস, লুক শপ বিডি, গ্যালাক্সি হেলথকেয়ার, মুড স্ট্রিংস এবং বাটা 'মার্কেটপ্লেস লিডার অ্যাওয়ার্ড' অর্জন করে।

অনুষ্ঠানের অতিথি, ই-ক্যাবের প্রশাসক ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কেন্দ্রীয় ডিজিটাল কমার্স সেলের সমন্বয়ক মুহাম্মদ সাঈদ আলী, বলেন, “দারাজ শুধু একটি মার্কেটপ্লেস নয়, এটি বাংলাদেশের ডিজিটাল কমার্সের জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ ইকোসিস্টেম তৈরি করছে। বিক্রেতা, ব্র্যান্ড এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগগুলোকে (এসএমই) ক্ষমতায়নের মাধ্যমে দারাজ দেশের অনলাইন অর্থনীতির টেকসই উন্নয়নে অবদান রাখছে।”

দারাজ বাংলাদেশ-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং দারাজ গ্রুপের প্রধান বাণিজ্যিক কর্মকর্তা বেন ই বলেন, “আলিবাবা ইকোসিস্টেমের ২০ বছরেরও বেশি ই-কমার্স দক্ষতার উপর ভিত্তি করে, দারাজ বাংলাদেশে গ্রাহক, ব্র্যান্ড এবং বিক্রেতাদের জন্য অভিজ্ঞতাকে ক্রমাগত উন্নত করছে। প্রযুক্তি, লজিস্টিকস এবং মার্কেটিং সলিউশনসে চলমান বিনিয়োগের মাধ্যমে আমরা আরও বড় প্রবৃদ্ধির সুযোগ তৈরি করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

সম্মেলনের সমাপনী বক্তব্যে দারাজ গ্রাহকের স্বার্থে বিক্রেতা ও ব্র্যান্ড অংশীদারদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বাংলাদেশের ই-কমার্স খাতে টেকসই প্রবৃদ্ধি অর্জনের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে। এই আয়োজনটি কেবল অতীতের অর্জনগুলোকে উদ্‌যাপন করেনি বরং ভবিষ্যৎ সহযোগিতা এবং সম্মিলিত সাফল্যের পথও প্রশস্ত করেছে।

বিজ্ঞপ্তি/মেহেদী/

ZEEHO Bangladesh ও Riding School BD-এর মধ্যে কৌশলগত সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ০৯:০২ পিএম
ZEEHO Bangladesh ও Riding School BD-এর মধ্যে কৌশলগত সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর
ছবি: বিজ্ঞপ্তি

নারীদের নিরাপদ, দক্ষ ও আত্মবিশ্বাসী রাইডার হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে ZEEHO Bangladesh এবং Farzana Akter পরিচালিত Riding School BD-এর মধ্যে এক বছরের একটি সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

এই অংশীদারিত্বের আওতায় Riding School BD-এর নারী শিক্ষার্থীদের মোটরসাইকেল ও স্কুটার রাইডিং প্রশিক্ষণে ZEEHO Bangladesh প্রয়োজনীয় যানবাহন সহায়তা প্রদান করবে। পাশাপাশি নারী রাইডার উন্নয়ন, সচেতনতা বৃদ্ধি এবং বিভিন্ন প্রচারণামূলক কার্যক্রমে উভয় প্রতিষ্ঠান যৌথভাবে কাজ করবে।

চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করেন ZEEHO Bangladesh-এর CEO Rezaul Karim Sumon এবং Riding School BD-এর Founder Farzana Akter।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, ZEEHO Bangladesh-এর ব্র‍্যান্ড ম্যানেজার মো. ফজলে এলাহী তুর্জ। 

তিনি বলেন, এ সহযোগিতা নারীদের স্মার্ট ও স্বাধীন চলাচল নিশ্চিত করার পাশাপাশি দেশে নিরাপদ রাইডিং সংস্কৃতি গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আমরা বিশ্বাস করি। 

বিজ্ঞপ্তি/নাঈম

প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের কর্মীদের ইন্স্যুরেন্স সুবিধা দেবে গার্ডিয়ান

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ০৫:২৩ পিএম
আপডেট: ১৭ জুন ২০২৬, ০৫:২৪ পিএম
প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের কর্মীদের ইন্স্যুরেন্স সুবিধা দেবে গার্ডিয়ান
ছবি: বিজ্ঞপ্তি

আন্তর্জাতিক উন্নয়ন ও মানবিক সহায়তা সংস্থা প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের কর্মী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের জন্য জীবন ও স্বাস্থ্যবিমা সুরক্ষা দেবে গার্ডিয়ান লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড।

এ লক্ষ্যে সম্প্রতি প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের প্রধান কার্যালয়ে দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন গার্ডিয়ান লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ রকিবুল করিম, এফসিএ এবং প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের ডিরেক্টর অব বিজনেস, পার্টনারশিপ অ্যান্ড ইমপ্যাক্ট জলি নূর হক।

অনুষ্ঠানে গার্ডিয়ানের পক্ষ থেকে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড চিফ এন্টারপ্রাইজ বিজনেস অফিসার সানিয়াত রহমান; সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট অ্যান্ড হেড অব গ্রুপ বিজনেস গাজী রাফি আহমেদ শামস; সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট অ্যান্ড ডেপুটি হেড অব গ্রুপ বিজনেস ইফতেখার আহমেদ; সিনিয়র অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট অ্যান্ড হেড অব গ্রুপ সার্ভিস জিনাত ফেরদৌসী এবং কি অ্যাকাউন্ট ম্যানেজার, গ্রুপ বিজনেস আবদুল্লাহ আল মেহেদী।

প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের পক্ষে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ডিরেক্টর অব পিপল অ্যান্ড কালচার সাবরিনা খান; হেড অব ফাইন্যান্স মোহাম্মদ ওমর ফারুক; ম্যানেজার, ট্যালেন্ট অ্যাকুইজিশন অ্যান্ড রিওয়ার্ডস শান্তা দে এবং স্পেশালিস্ট, পিপল অ্যান্ড কালচার সিকদার উম্মে কুলসুম (আইরিন)।

অনুষ্ঠানে গার্ডিয়ানের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ রকিবুল করিম, এফসিএ, বলেন, “আমরা বিশ্বাস করি, মানুষের জীবন সুরক্ষিত করা শুধু আমাদের ব্যবসা নয়, এটি আমাদের মূল উদ্দেশ্য। প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের মতো একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত হতে পেরে আমরা গর্বিত।

প্রতিষ্ঠানটি মানুষের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছে। এই চুক্তির মাধ্যমে সেই পরিবর্তনের পেছনে কাজ করা মানুষদের কাছেও আমরা আমাদের সুরক্ষার পরিধি পৌঁছে দিতে পারছি।”

গার্ডিয়ানের বিস্তৃত করপোরেট গ্রাহক তালিকায় নতুন সংযোজন প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ। এর ফলে প্রতিষ্ঠানটির করপোরেট গ্রাহকভিত্তি আরও শক্তিশালী হলো। বর্তমানে ৫০০ এর বেশি করপোরেট প্রতিষ্ঠান এবং দেশের ১ কোটি ৩০ লাখের বেশি মানুষকে ইন্স্যুরেন্স সুরক্ষা দিচ্ছে গার্ডিয়ান লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড।

পাশাপাশি সারা দেশে ৫০০ এর বেশি অংশীদার হাসপাতালের মাধ্যমে সেবাগ্রহীতাদের জন্য উন্নতমানের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করছে প্রতিষ্ঠানটি।

বাংলাদেশের বাজারে দীর্ঘমেয়াদে কাজ করবে দারাজ

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ০৩:৩৪ পিএম
আপডেট: ১৭ জুন ২০২৬, ০৩:৩৫ পিএম
বাংলাদেশের বাজারে দীর্ঘমেয়াদে কাজ করবে দারাজ
ছবি: দারাজ

দারাজ বাংলাদেশ তাদের কার্যক্রম স্বাভাবিক রেখে প্রযুক্তিনির্ভর বিনিয়োগ, বিক্রেতা নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ এবং দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করছে। এতে ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম হিসেবে দীর্ঘমেয়াদে তাদের ব্যবসায়িক প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত হয়েছে। 

সম্প্রতি গণমাধ্যমে দারাজের বিনিয়োগ ও পরিচালনা সংক্রান্ত খবরের প্রেক্ষিতে প্রতিষ্ঠানটি স্পষ্ট করেছে যে, তাদের নিয়মিত ব্যবসায়িক কার্যক্রম সম্পূর্ণ স্বাভাবিক। তারা দেশের ডিজিটাল অর্থনীতি বিকাশে অবদান এবং টেকসই প্রবৃদ্ধি অর্জনে কাজ করে যাচ্ছে।

দারাজ কর্তৃপক্ষ জানান, পরিচালন দক্ষতা ও গ্রাহক অভিজ্ঞতা উন্নয়নে প্রযুক্তি-নির্ভর সমাধানে বিনিয়োগ অব্যাহত রেখেছে দারাজ। বাংলাদেশ জুড়ে একটি টেকসই ও দীর্ঘমেয়াদি ডিজিটাল বাণিজ্য কার্যক্রম গড়ে তোলাই প্রতিষ্ঠানটির কেন্দ্রীয় পরিকল্পনার অংশ।

দারাজ আরও জানায়, গত এক বছরে তাদের প্ল্যাটফর্মে নতুন করে ৭ হাজারেরও বেশি বিক্রেতা যুক্ত হয়েছেন। যা প্রতিষ্ঠানটির বিক্রেতা ইকোসিস্টেমের ধারাবাহিক সম্প্রসারণের ইঙ্গিত দেয়। স্থানীয় উদ্যোক্তা ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য সুযোগ তৈরিতে দারাজের এই অঙ্গীকার কার্যকর ভূমিকা রাখছে। এতে বৃহত্তর ইকোসিস্টেমে কর্মসংস্থান ও আয়ের সুযোগও বৃদ্ধি পাচ্ছে।

এ ছাড়াও সামাজিক দায়বদ্ধতা পালনেও দারাজ সবসময় সক্রিয়। ২০২৪ সালের ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত জেলাগুলোতে মানবিক সহায়তার হাত বাড়িয়েছিল দারাজ। প্রতিষ্ঠান ও কর্মীদের যৌথ অনুদানে সে সময় ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীর পুনর্বাসনে ১ কোটি ২০ লাখ টাকারও বেশি সহায়তা প্রদান করা হয়।

দারাজ বাংলাদেশের এক মুখপাত্র বলেন, ‘বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহার ও স্মার্টফোনের বিস্তার বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে ই-কমার্স খাতের সম্ভাবনা প্রসারিত হচ্ছে। তাই ই-কমার্স খাতে বিক্রেতা, ব্র্যান্ড ও গ্রাহকদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করছে দারাজ। এ প্রেক্ষাপটে প্রযুক্তিগত সক্ষমতা, দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা এবং একটি শক্তিশালী ডিজিটাল ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার উদ্যোগ ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধির জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’

থিওটোনিয়াস

প্রথমবার ইউএনএইচসিআর ব্যুরোর সভাপতিত্বে বাংলাদেশ

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ০১:৩৯ পিএম
প্রথমবার ইউএনএইচসিআর ব্যুরোর সভাপতিত্বে বাংলাদেশ
ছবি: সংগৃহীত

জেনেভায় জাতিসংঘ কার্যালয় এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থায় বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত নাহিদা সোবহান প্রথমবারের মতো জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনারের (UNHCR) নির্বাহী কমিটির (ExCom) ব্যুরোর সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। 

১৯৫৯ সালে UNHCR-এর নির্বাহী কমিটি কার্যক্রম শুরু করার পর থেকে বাংলাদেশ এর আগে কখনো নির্বাহী কমিটির ব্যুরোতে দায়িত্ব পালন করেনি। নির্বাহী কমিটির ব্যুরো হলো চার সদস্যবিশিষ্ট নেতৃত্ব কাঠামো, যা কমিটির কার্যক্রমে দিকনির্দেশনা প্রদান করে এবং বৈশ্বিক শরণার্থী ও জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতি সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে ঐকমত্য গড়ে তুলতে সহায়তা করে। নির্বাহী কমিটির ব্যুরোতে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তি ও নেতৃত্বের এই দায়িত্ব গ্রহণ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের জন্য একটি তাৎপর্যপূর্ণ মাইলফলক।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) জেনেভায় জাতিসংঘ কার্যালয়ে এ দায়িত্ব দেওয়া হয়। 

এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় গ্রুপের অভ্যন্তরীণ পরামর্শক্রমে বাংলাদেশ সর্বসম্মত আঞ্চলিক প্রার্থী হিসেবে মনোনীত হয় এবং ভিন্ন দুটি আঞ্চলিক গোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্বকারী আলজেরিয়া ও অস্ট্রিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে সেই মনোনয়ন সমর্থন করে, যা বাংলাদেশের নেতৃত্বের প্রতি বিভিন্ন আঞ্চলিক গ্রুপজুড়ে বিদ্যমান ব্যাপক সমর্থনের প্রতিফলন। পরবর্তীতে তাঁর মনোনয়ন নির্বাহী কমিটির সকল ১১০ সদস্য রাষ্ট্রের সমর্থন লাভ করে। সভাপতি হিসেবে বাংলাদেশের নির্বাচিত হওয়া নবনির্বাচিত বাংলাদেশের নেতৃত্বের প্রতি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আস্থা এবং বহুপাক্ষিক ব্যবস্থায় দেশের ক্রমবর্ধমান প্রভাবের স্বীকৃতি বহন করে।

পেশাদার কূটনীতিক রাষ্ট্রদূত নাহিদা সোবহান রোম, জেনেভা ও কলকাতায় বাংলাদেশের বিভিন্ন মিশনে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া তিনি জর্ডানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এবং কানাডায় বাংলাদেশের হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পূর্বে তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জাতিসংঘ অনুবিভাগের মহাপরিচালক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। সে সময় তিনি ইউএনএইচসিআরসহ বিভিন্ন জাতিসংঘ সংস্থার সঙ্গে রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেছেন। তিনি জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিক (এফডিএমএন) বিষয়ক জাতীয় টাস্কফোর্সের সদস্য-সচিব হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন, যা বাংলাদেশে অবস্থানরত রোহিঙ্গাদের সম্পর্কিত জাতীয় নীতি, মানবিক সহায়তা কার্যক্রম এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকাণ্ডের সমন্বয় তদারকি করে।

এই দায়িত্ব গ্রহণ মানবিক ও জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতি সংক্রান্ত বিষয়ে বাংলাদেশের গঠনমূলক নেতৃত্বের প্রতি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের স্বীকৃতির প্রতিফলন। বিশেষত, বাংলাদেশ বর্তমানে মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত প্রায় ১৩ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে যাচ্ছে এবং তাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবর্তনের পক্ষে ধারাবাহিকভাবে সোচ্চার ভূমিকা পালন করছে- এই প্রেক্ষাপটে এ নির্বাচন বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।

বিশ্বব্যাপী বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা রেকর্ড পর্যায়ে পৌঁছানো, ক্রমবর্ধমান মানবিক চাহিদা এবং তহবিল সংকটের কারণে আতিথ্যদানকারী দেশসমূহ ও আন্তর্জাতিক মানবিক সহায়তা কার্যক্রম যখন ব্যাপক চাপের মুখে, ঠিক সেই সময় বাংলাদেশ এই দায়িত্ব গ্রহণ করছে। বাংলাদেশ এমন একটি দেশের অভিজ্ঞতা ও দৃষ্টিভঙ্গি সামনে নিয়ে আসবে, যা দীর্ঘদিন ধরে উল্লেখযোগ্য মানবিক দায়িত্ব বহন করে আসছে এবং আন্তর্জাতিক সংহতি ও দায়িত্ব ভাগাভাগির পক্ষে ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

ইউএনএইচসিআর-এর নির্বাহী কমিটির ব্যুরোর সভাপতি হিসেবে বাংলাদেশের দায়িত্ব গ্রহণ মানবিক মূল্যবোধের প্রতি দেশের অঙ্গীকার, বাস্তুচ্যুত জনগোষ্ঠীর প্রতি দায়িত্বশীল ভূমিকা এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতায় গঠনমূলক অবদানের একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি।

রিফাত/

ডাচ্-বাংলা ব্যাংকে ৩০ শতাংশ ডিভিডেন্ড অনুমোদন

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ১২:৪৯ পিএম
আপডেট: ১৭ জুন ২০২৬, ১২:৫৮ পিএম
ডাচ্-বাংলা ব্যাংকে ৩০ শতাংশ ডিভিডেন্ড অনুমোদন
ছবি: সংগৃহীত

ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের শেয়ারহোল্ডাররা ২০২৫ সালের আর্থিক বিবরণী, ৩০ শতাংশ ডিভিডেন্ড (শেয়ার প্রতি ২৫% ক্যাশ ডিভিডেন্ড এবং ৫% স্টক ডিভিডেন্ড) অনুমোদন করেছেন।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) বেলা ১১টায় ডাচ্-বাংলা ব্যাংক পিএলসির ৩০তম বার্ষিক সাধারণ সভা ব্যাংকের চেয়ারম্যান সাদিয়া রাইয়ান আহমেদের সভাপতিত্বে ভার্চুয়াল প্লাটফর্মে অনুষ্ঠিত হয়।

২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ব্যাংকের মোট সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৮১৭,৭৯৭.৬ মিলিয়ন টাকা যা ২০২৪ সালে ছিল ৬৭৯,৮৭৫.৫ মিলিয়ন টাকা, যার প্রবৃদ্ধির পরিমাণ ২০.৩ শতাংশ।

২০২৫ সালে ব্যাংক কর্তৃক প্রদানকৃত ঋণের পরিমান ৪৫০,৫০৩.৮ মিলিয়ন টাকা যা ২০২৪ সালে ছিল ৪২৮,৬৮৯.৪ মিলিয়ন টাকা যার প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়ায় ৫.১%। ২০২৫ সালে ব্যাংকের ডিপোজিট ১০০,১৮৫.৫ মিলিয়ন টাকা বৃদ্ধি পেয়ে ৬২২,০৫৭.৮ মিলিয়ন টাকা হয়েছে যা ২০২৪ সালে ছিল ৫২১,৮৭২.৫ মিলিয়ন টাকা যার প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়ায় ১৯.২%।

ব্যাংক ২০২৫ সালে ট্যাক্স পূর্ববর্তী নিট মুনাফা অর্জন করে ১৫,৯১১.৬ মিলিয়ন টাকা এবং ট্যাক্স পরবর্তী নিট মুনাফা অর্জন করে ৯,৬৪৭.৭ মিলিয়ন টাকা। চলতি বছরে শেয়ারহোল্ডারদের শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ৯.৯৮ টাকা। ২০২৫ সালের শেষে ব্যাংকের ঝুঁকিভিত্তিক সম্পদের বিপরীতে মূলধনের হার দাঁড়িয়েছে ১৭.১% যা বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ম অনুযায়ী সর্বনিম্ন ১২.৫০% থাকা বাঞ্ছনীয়।

সভা ব্যাংকের পরিচালক হিসেবে সাদিয়া রাইয়ান আহমেদ এবং মো. ফখরুল ইসলামের পুনঃনিয়োগ অনুমোদন করেন এবং স্বতন্ত্র পরিচালক হিসেবে মনজুর আহমেদ ও মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলমের নিয়োগ অনুমোদন করেন।

সভা ২০২৬ সালের জন্য কোম্পানির বহিঃনিরীক্ষক হিসেবে আজিজ হালিম খায়ের চৌধুরী, চাটার্ড একাউন্ট্যান্টস এবং কর্পোরেট গভর্নেন্স নিরীক্ষক হিসেবে হোদা ভাসি চৌধুরী এন্ড কোং, চাটার্ড একাউন্ট্যান্টস-এর নিয়োগ অনুমোদন করেন।