বাগেরহাট ও চুয়াডাঙ্গায় বজ্রপাতে চারজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৭ জন।
শনিবার (১১ মে) সকাল ৮ থেকে বেলা ১১টার মধ্যে এসব দুর্ঘটনা ঘটে। প্রতিনিধিদের পাঠানো প্রতিবেদন-
বাগেরহাট: বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার চাল-রায়েন্দা গ্রামের বান্ধাঘাটা এলাকায় বজ্রপাতে দুই শ্রমিক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও ৬ বালুশ্রমিক আহত হন। শনিবার বেলা ১১টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন, শেখ মিলন (৪০) ও মোস্তফা (৫৫)।`
স্থানীয় বাসিন্দা তারিকুল ইসলাম বলেন, ‘মোরেলগঞ্জ উপজেলার একটি ইটভাটা থেকে গতকাল সকাল ৯টার দিকে নদী পথে ইট নিয়ে একটি ট্রলার বান্ধাকাটায় পৌঁছায়। বৃষ্টি শুরু হওয়ায় ট্রলারের শ্রমিকরা ইট না নামিয়ে পাশের একটি ঘরে আশ্রয় নেন। এ সময় বজ্রপাতে ৮ জন আহত হন। তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দুজনকে মৃত ঘোষণা করেন। বাকি ৬ জনকে একই হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।’
শরণখোলা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান রায়হান উদ্দিন বলেন, ‘বজ্রপাতে মারা যাওয়া দুজন ইটের ট্রলারের শ্রমিক। তাদের বাড়ি মোরেলগঞ্জ উপজেলা বালিবাপাড়া এলাকায়। নিহত দুজনের সঙ্গে আরও ৬ জন ছিলেন। তারা আহত হন।’
চুয়াডাঙ্গা: চুয়াডাঙ্গায় বজ্রপাতে দুই কৃষক নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন টনু খাতুন নামে এক নারী। শনিবার সকাল ৮ থেকে ৯টার মধ্যে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন, জেলার সদর উপজেলার বেগমপুর ইউনিয়নের ঝাজরী গ্রামের আব্দুল মালেকের ছেলে রুবেল হোসেন (২৫) ও দামুড়হুদা সদর ইউনিয়নের পাটাচোরা গ্রামের মল্লিকপাড়ার মৃত খেদের মল্লিকের ছেলে আহম্মেদ আলী (৬০)। আহত টনু খাতুন (২৫) দামুড়হুদা উপজেলার গোবিন্দহুদা গ্রামের মিলনের স্ত্রী। দামুড়হুদা সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হযরত আলী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
জানা যায়, বৃদ্ধ আহম্মেদ আলী সকাল ৮টার দিকে কৃষিকাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে বজ্রপাতে গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দামুড়হুদা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে (চিৎলা হাসপাতাল) নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
অন্যদিকে, সকাল ৯টার দিকে রুবেল হোসেন কৃষিকাজ শেষে বাড়িতে ফিরছিলেন। ঝাজরী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠের কাছে পৌঁছালে বজ্রপাতে তিনি নিহত হন।