চট্টগ্রাম মহানগরের রিয়াজউদ্দিন বাজারে অভিযান চালিয়েছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। এ সময় ডিমের অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধি ও মূল্য তালিকা দেখাতে না পারায় তিন ব্যবসায়ীকে জরিমানা করা হয়েছে।
রবিবার (৬ অক্টোবর) দুপুরে অভিযানটি চালানো হয়।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের উপপরিচালক মোহাম্মদ ফয়েজ উল্যাহ, সহকারী পরিচালক মো. আনিছুর রহমান, রানা দেবনাথ ও চট্টগ্রাম জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক নাসরিন আক্তার।
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা মোহাম্মদ ফয়েজ উল্যাহ বলেন, ‘ডিমের অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধি ও মূল্য তালিকা দেখাতে না পারায় ডিম ব্যবসায়ী মতিনকে ২০ হাজার টাকা, মেসার্স আবুল বশর সওদাগরকে ১০ হাজার টাকা ও সালমা এন্টারপ্রাইজকে ৮ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। তা ছাড়া মূল্য তালিকা দেখাতে না পারায় একই বাজারের গরিবে নেওয়াজ মুরগির দোকানকে ৩ হাজার টাকা, শাহ আমানত পোল্ট্রি সেলস সেন্টারকে ৫ হাজার টাকা ও পাইকারি মরিচ বিক্রেতা লোকমানকে ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।’
চট্টগ্রামে ডিমের বাজারে চলছে রীতিমতো নৈরাজ্য। সরকারের বেঁধে দেওয়া দর মানছেন না বিক্রেতারা। পাইকারি ও খুচরা সব জায়গায় উপেক্ষিত নির্দেশনা। বিক্রি হচ্ছে বাড়তি দামে। এ পরিস্থিতির জন্য প্রশাসনের তদারকির অভাবকে দুষছেন ভোক্তারা।
পাইকারিতে ১১ টাকা ১ পয়সা দরে প্রতিটি ডিম বিক্রির সরকারি নির্দেশনা থাকলেও, চট্টগ্রামের পাহাড়তলীর এসব আড়তে বিক্রি হচ্ছে সাড়ে ১৩ টাকা দরে। এ জন্য খামারিদের দুষছেন আড়তদাররা। তাদের দাবি, উৎপাদকদের কাছ থেকে বেশি দামে ডিম কিনতে হচ্ছে। তাই বিক্রিও করতে হচ্ছে বাড়তি দরে।
সরকারি নির্দেশনা উপেক্ষিত খুচরা বাজারেও। বেঁধে দেওয়া ১১ টাকা ৮৭ পয়সার পরিবর্তে চট্টগ্রামে প্রতিটি ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৫-১৬ টাকায়। তদারকি না থাকায় অসাধু বিক্রেতারা সুযোগ নিচ্ছে বলে অভিযোগ ক্রেতাদের।