শরীয়তপুরের নড়িয়ায় মোটরসাইকেল আটকে রাখাকে কেন্দ্র করে নড়িয়া থানায় হামলার অভিযোগ উঠেছে ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে। এ সময় ভাঙচুর করা হয় থানা কমপ্লেক্সের ২ টি কক্ষ। হামলাকারীদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে আহত হয়েছেন এক পুলিশ কনস্টেবল। এ ঘটনায় ৪ জনকে আটক করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (৮ মে) রাতে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, বুধবার নড়িয়ায় কাগজপত্রবিহীন তিনটি মোটরসাইকেল আটক করে পুলিশ। বৃহস্পতিবার রাতে মোটরসাইকেলগুলো ছাড়াতে বৃহস্পতিবার রাতে থানায় আসেন নড়িয়া পৌর যুবদলের সভাপতি নুরুজ্জামান শেখের ভাতিজা ও কলেজ ছাত্রদল নেতা শাহীন শেখসহ বেশ কয়েকজন। এ সময় তারা কাগজপত্র দেখাতে না পারায় মোটরসাইকেলগুলো ছাড়তে অপারগতা প্রকাশ করে পুলিশ। বিষয়টি নিয়ে বাকবিতণ্ডার এক পর্যায়ে থানার হামলা করে বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা। ভাঙচুর চালানো হয় থানা কমপ্লেক্সের দুটি কক্ষে। এ সময় হামলাকারীদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে মো. বিল্লাল নামে এক কনষ্টেবল গুরুতর আহত হন। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা পাঠানো হয়েছে। এঘটনায় চারজনকে আটক করেছে পুলিশ। অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনিব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে পুলিশ।
এ বিষয়ে শরীয়তপুর পুলিশ সুপার (এসপি) মো. নজরুল ইসলাম বলেন, ‘বুধবার রাতে আমরা কয়েকটি মোটরসাইকেল জব্দ করেছিলাম, মোটরসাইকেলগুলোর কোনো কাগজপত্র ছিল না। বৃহস্পতিবার রাতে তারা মোটরসাইকেলগুলো ছাড়তে থানায় এসেছিল। দায়িত্বরত পুলিশ কর্মকর্তারা তাদের মোটরসাইকেলের কাগজপত্র চাইলে তারা দিতে ব্যর্থ হয়। তখন গাড়িগুলোকে ছেড়ে না দেয়ায় সংঘবদ্ধ হয়ে থানার দুটি কক্ষ, থানায় ব্যবহৃত পিকআপ ভাঙচুরসহ আমাদের একজন পুলিশ সদস্যকে আহত করেন। তাকে আমরা উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা পাঠিয়েছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘অপরাধীদের শনাক্ত করার চেষ্টা করছি, তারা যে দলেরই হোক না কেন তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
রাজিব হোসেন/সুমন