ঈদযাত্রার ৫ দিনে যমুনা সেতুর ওপর দিয়ে মোট দুই লাখ ২৮ হাজার ৫৭টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এতে টোল আদায় হয়েছে ১৬ কোটি ৭৬ লাখ ৪৬ হাজার টাকা।
শুক্রবার (৬ জুন) রাতে যমুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী আহসানুল কবীর পাভেল এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
ঈদযাত্রার শেষ ২৪ ঘণ্টায় যমুনা সেতুতে ৪৮ হাজার ১৮৪টি যানবাহন থেকে তিন কোটি ৪৩ লাখ ৭২ হাজার ৭৫০ টাকা টোল আদায় করা হয়েছে।
সেতু কর্তৃপক্ষ বলছে, একদিন আগের তুলনায় শুক্রবার ১৬ হাজার ৯৯টি কম যানবাহন পারাপার হয়েছে। সেতু দিয়ে প্রতি মিনিটে ৩৩টি যানবাহন পারাপার হয়েছে।
বৃহস্পতিবার রাত ১২টা থেকে শুক্রবার রাত ১২টা পর্যন্ত উত্তরবঙ্গগামী লেনে ৩৩ হাজার ৮৫৪টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এগুলো থেকে টোল আদায় হয়েছে দুই কোটি ৩৩ লাখ ৮০ হাজার ১৫০ টাকা।
অপরদিকে ঢাকাগামী লেনে ১৪ হাজার ৩৩০টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এর বিপরীতে টোল আদায় হয়েছে এক কোটি ৯ লাখ ৯২ হাজার ৬০০ টাকা।
ঈদযাত্রার শেষদিনেও ভোগান্তি নিয়ে বাড়ি ফিরছেন মানুষ। ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে যানবাহনের চাপ এতটাই বেড়ে যায় যে, এতে ৩৫ কিলোমিটারের বেশি যানজটের সৃষ্টি হয়।
প্রকৌশলী আহসানুল কবীর পাভেল বলেন, অতিরিক্ত গাড়ির চাপ ও সেতুর উপর গাড়ি বিকল হওয়ায় টোল আদায়ে বিঘ্ন ঘটে। যার ফলে যানজটের সৃষ্টি হয়। এইজন্য বেশ কয়েক দফায় টোল আদায় বন্ধ ছিল।
ঈদযাত্রায় উভয় পাশেই ৯টি করে বুথ দিয়ে যানবাহন পারাপার হয়। এর মধ্যে মোটরসাইকেলের জন্য আলাদা দুটি করে বুথ করা হয়। মহাসড়ক এখন স্বাভাবিক আছে।স্বাভাবিক গতিতেই যানবাহন গন্তব্য যাচ্ছে।
জুয়েল রানা/অমিয়/