ঢাকা ৯ আষাঢ় ১৪৩৩, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
উদ্ভিদের বংশ বৃদ্ধি অধ্যায়ের ৬টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৩য় পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান অনুশীলনে নেইমার, বিশ্রামে অ্যালিসন ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে যুবদলের মোটরসাইকেল শোডাউন নারী কেলঙ্কারির ঘটনায় বিআইডব্লিউটিএর পরিচালক আরিফ উদ্দিন বরখাস্ত বরগুনায় বালুবাহী জাহাজের নিচ থেকে কিশোরের মরদেহ উদ্ধার ডান প্রান্তে রাফিনহার জায়গায় খেলতে প্রস্তুত মার্টিনেল্লি সিভিল সার্জনকে ‘ভাই’ বলায় ক্ষিপ্ত, বললেন ‘মহোদয়’ বলতে হবে সন্ত্রাসী ইমনের গ্রেপ্তার নিয়ে সিএমপির ব্যাখ্যা আইসক্রিমপ্রেমীদের জন্য সেভয়-এর নতুন চমক মানিকগঞ্জে মারিয়া হত্যা মামলার বিচার দাবিতে মানববন্ধন তারেক রহমানকে নিয়ে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর ফেসবুক পেজে ভিডিওতে হাবিবের গান চাপমুক্ত থাকার ৭টি কার্যকর উপায় ৩০ হাজার মামলার জটে স্থবির শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রম: শিক্ষামন্ত্রী লালমোহনে ব্রিজ ভেঙে খাদে ট্রাক, চালক নিহত ঈশ্বরদীতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ. লীগের অপপ্রচারের বিরুদ্ধে যুবদলের মিছিল ঘুষ কেলেঙ্কারি: দেবীগঞ্জের পিআইও বদলি বান্দরবান ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা নেই: জেলা প্রশাসন নিজেকে শ্রেষ্ঠ করে তোলার গুণটি কী? মারা গেছেন নৃত্য পরিচালক জাকির হোসেন দ্বিতীয় রাউন্ডের ম্যাচ শেষেই বিদায় নিল ৪ দল ফ্রান্সের কাছে হারলেও গর্বিত ইরাকি সমর্থকেরা টোল আদায়ে অনিয়ম: শেখ হাসিনাসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন ২০ সেপ্টেম্বর জুলাই অভ্যুত্থান: ঢাবির ৩ শিক্ষক বরখাস্ত, অব্যাহতি আরও ২ জনের রাঙামাটিতে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীসহ গ্রেপ্তার ১৬ অ্যান্টি-করোসিভ প্রেম কাপ্তাই হ্রদে নাব্যসংকটে লঞ্চ চলাচল সীমিত, ভোগান্তিতে ৫ লাখ মানুষ কবর থেকে তোলা হচ্ছে না সালমান শাহর মরদেহ মেহেরপুরে জেলা বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল ফুটবল বিশেষজ্ঞ বউ ডাকসুর জিএস গোলাম রাব্বানীর পদ বাতিল

মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ অকার্যকর ৩ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারেনি চসিক

প্রকাশ: ২০ অক্টোবর ২০২৫, ০৭:৪০ পিএম
৩ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারেনি চসিক

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) হিসাব বিভাগের প্রায় সাড়ে ৩ কোটি টাকা আত্মসাতের ঘটনায় তিন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নিতে স্থানীয় সরকার বিভাগের নির্দেশ আসতে সময় লেগেছিল ১৬ মাস। এখন সেই নির্দেশ আসার দুই সপ্তাহ পার হয়ে গেলেও ব্যবস্থা নেয়নি চসিক। এমনকি বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়াও শুরু করেনি প্রতিষ্ঠানটি। 

চসিক সূত্র জানায়, ৬ অক্টোবর স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের সিটি করপোরেশন–২ শাখা থেকে চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে চিঠি পাঠানো হয়। তাতে হিসাব বিভাগের তিন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে বিভাগীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়। চিঠিতে বলা হয়, জাইকা প্রকল্পের আওতায় সোনালী ব্যাংকের সিরাজউদ্দৌলা রোড শাখায় পরিচালিত একটি হিসাব থেকে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়রের অনুকূলে জামানতের অর্থ জমা দেওয়ার জন্য ইস্যুকরা চেক চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়রের অনুকূলে জমা না করে ভাউচার পরিবর্তন করে ৩ কোটি ৪৫ লাখ ৩ হাজার ৫২৭ টাকা আত্মসাৎ করা হয়।

ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেডের আগ্রাবাদ বাণিজ্যিক এলাকা করপোরেট শাখার তিন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) মামলা দায়ের করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। ব্যাংক কর্মকর্তাদের ছাড়াও অর্থ আত্মসাতকাণ্ডে জড়িত আরও এক ব্যক্তিকে আসামি করা হয়।

এ ছাড়া অপরাধ সংঘটনের সময় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে অগ্রণী ব্যাংকের আরও একজন কর্মকর্তা এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের হিসাব বিভাগের তিন কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করে দুদক। যা আদালত মঞ্জুর করে। তারা হলেন, চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির চৌধুরী, হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা (বিল) আশুতোষ দে ও হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা (বাজেট) মাসুদুল ইসলাম।

দুদকের ২০২৪ সালের ১৩ জুনের পত্রের ভিত্তিতেই স্থানীয় সরকার বিভাগ ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেয় চসিককে। কিন্তু দুই সপ্তাহ পার হলেও চসিক কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।

স্থানীয় সরকার বিভাগের উপসচিব মো. ফিরোজ মাহমুদের স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়, সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণপূর্বক বিষয়টি দ্রুততম সময়ের মধ্যে দুর্নীতি দমন কমিশন ও স্থানীয় সরকার বিভাগকে জানাতে হবে।

একবছরের বেশি সময় আগে দুদকের অভিযোগপত্রে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে অভিযুক্ত থাকার পরও গত ২৯ সেপ্টেম্বর চসিকের প্রধান হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা পদে পদোন্নতি দেওয়া হয় মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির চৌধুরীকে। তবে বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর সমালোচনার মুখে পড়ে চসিক প্রশাসন। পদোন্নতির এক সপ্তাহ পেরোনোর আগেই ৫ অক্টোবর মেয়রের অনুমোদনে সেই পদোন্নতির আদেশ বাতিল করা হয়।

একই দিনে এ বিষয়ে তদন্ত করার জন্য তদন্তকারী কর্মকর্তা নিয়োগ দেয়া হয় চসিকের আইন কর্মকর্তা মহিউদ্দিন মুরাদকে। সাত কর্মদিবসের তদন্তপূর্বক তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করার নির্দেশনা থাকলেও তা পার হয়ে গেছে।  

মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ ও বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ সম্পর্কে জানতে চাইলে চসিক সচিব (ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা) মোহাম্মদ আশরাফুল আমীন জানান, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তদন্তকারী কর্মকর্তা হিসেবে আইন কর্মকর্তাকে নিয়োগ করা হয়েছে। তার মতামতের ওপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। সময় পার হয়ে গেলেও প্রতিবেদন না পাওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আইন কর্মকর্তা দুইদিনের ছুটিতে ছিলেন। এই সময়ের মধ্যে ওনাকে ঢাকায়ও যেতে হয়েছে। এসব কারণে হয়তো একটু দেরি হচ্ছে। তবে আইন কর্মকর্তা জানিয়েছেন প্রতিবেদন দিয়ে দেবেন।

মাহফুজ/

বরগুনায় বালুবাহী জাহাজের নিচ থেকে কিশোরের মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬, ০৩:৪০ পিএম
আপডেট: ২৩ জুন ২০২৬, ০৪:০৪ পিএম
বরগুনায় বালুবাহী জাহাজের নিচ থেকে কিশোরের মরদেহ উদ্ধার
নিহত কিশোর 'মুসা'। ছবি: খবরের কগজ

বরগুনার তালতলী উপজেলায় একটি বালুবাহী জাহাজের নিচে আটকে থাকা মুসা (১৭) নামে এক কিশোরের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

সোমবার (২২ জুন) রাত ১১টার দিকে উপজেলার সোনাকাটা ইউনিয়নের ইদুপাড়া গ্রামের ছকিনাখাল এলাকা থেকে স্থানীয় জেলেরা মরদেহটি উদ্ধার করেন।

মুসা উপজেলার নিদ্রার চর এলাকার চাঁন মিয়া ও পাখি বেগমের ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার বেলা ১১টার দিকে মুসা ইদুপাড়া গ্রামের শিশু জালাল উদ্দিন রুমির সঙ্গে ছকিনাখালে গোসল করতে নামে। কিছুক্ষণ পর রুমি বাড়িতে ফিরে এলেও মুসা আর ফেরেনি।

রাতে পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করলে রুমি জানায়, গোসলের সময় মুসা পানিতে ডুব দেওয়ার পর আর উঠেনি। সে ভেবেছিল, মুসা হয়তো অন্যদিক দিয়ে বাড়িতে চলে গেছে।

পরে রাত সাড়ে ৯টার দিকে খবর পেয়ে কোস্টগার্ড ও স্থানীয় জেলেরা উদ্ধারকাজ শুরু করেন। স্থানীয় জেলে ফারুক, জামাল ও বেল্লালসহ কয়েকজন খালে জাল ফেলেন। একপর্যায়ে রাত ১১টার দিকে এমভি ইসলাম মোল্লা নামের একটি বালুবাহী জাহাজের নিচ থেকে মুসার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয়দের ধারণা, পানির স্রোতে ভেসে গিয়ে মুসা জাহাজের নিচে আটকে পড়তে পারেন। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।

তালতলী নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ সাগর ভদ্র বলেন, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মহিউদ্দিন অপু/আজহার/

সিভিল সার্জনকে ‘ভাই’ বলায় ক্ষিপ্ত, বললেন ‘মহোদয়’ বলতে হবে

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬, ০৩:৩১ পিএম
আপডেট: ২৩ জুন ২০২৬, ০৩:৫৭ পিএম
সিভিল সার্জনকে ‘ভাই’ বলায় ক্ষিপ্ত, বললেন ‘মহোদয়’ বলতে হবে
ছবি: খবরের কাগজ

সিরাজগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. মো. নুরুল আমীনকে ‘ভাই’ ডাকায় তিনি অসন্তুষ্ট হয়েছেন। এ সময় তাকে ‘মহোদয়’ বলে সম্বোধন করতে এক সাংবাদিককে নির্দেশ দিয়েছেন এই সিভিল সার্জন। এরপর ‘মহদোয়’ না বলে তাকে ‘ভাই’ বলায় তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। একই সঙ্গে হাসপাতালের অনিয়মের সংবাদ তাকে কে দিয়েছে, সেই গোপন তথ্য ও সোর্সের নাম বারবার জানতে চান তিনি।

সোমাবার (২২ জুন) সিরাজগঞ্জে কর্মরত একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের সাংবাদিক হাসপাতালে ওষুধ সরবরাহে অনিয়ম নিয়ে তার পেশাগত বিষয়ে সিভিল সার্জনের কাছে মন্তব্য জানতে চাইলে ডা. নুরুল আমীন বলেন, ’আপনি কাকে ভাই বলছেন? আপনি একজন সিভিল সার্জনকে ভাই বলতে পারেন না। আমি একজন জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তা। আপনি আমাকে ‘মহোদয়’ বলেন। আমাকে ভাই বলার কোনো অধিকার আপনার নেই।’

শুধু তাই নয়, এই সিভিল সার্জন উল্লাপাড়ার ৫০ শয্যার হাসপাতালে মজুত থাকা মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধের বিষয়ে তাকে তথ্য দেওয়া সূত্রের নাম প্রকাশ করার জন্য ওই সাংবাদিককে চাপ দেন।

এই কথোপকথনটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে গেলে সাংবাদিক ও সুশীল সমাজে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

মূলত, সাংবাদিকরা নিজেদের নিরাপত্তার জন্য সবসময় তাদের সূত্র বা সোর্সের নাম গোপন রাখেন। কিন্তু সিভিল সার্জনের কাছে যে তথ্য চাওয়া হয়েছিল তা দেওয়ার পরিবর্তে সিভিল সার্জন নুরুল আমীন উল্টো সাংবাদিককে একের পর এক পাল্টা প্রশ্ন করতে থাকেন। এই সাংবাদিক সেখানে কেন গিয়েছিলেন? কে তাকে তথ্য দিয়েছে?

সরকারি চাকরির বিধিমালায় যা আছে:

বাংলাদেশের সংবিধান ও প্রশাসনিক বিধি অনুযায়ী, সরকারি কর্মচারীরা জনগণের সেবক, তাদের প্রভু নন। যদিও অতীতে কিছু ক্ষেত্রে তাদেরকে ‘স্যার’ বলে সম্বোধন করার প্রচলন ছিল, অন্তর্বর্তী সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে এই নিয়মটি বাতিল করেছে।

সংবিধান এবং সরকারি চাকরি বিধি অনুসারে জানা যায়, সংবিধানের ২১(২) ধারা অনুসারে, প্রজাতন্ত্রের চাকরিতে নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তির কর্তব্য হলো সর্বদা জনগণের সেবা করার জন্য সচেষ্ট থাকা। কোনো আইন বা প্রবিধানে সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জনসাধারণকে তাদেরকে ‘স্যার’ বা ‘ম্যাডাম’ বলে সম্বোধন করতে বাধ্য করার কোনো বিধান নেই।

এ ছাড়াও, সম্প্রতি সরকার সরকারি কর্মকর্তাদের ‘স্যার’ বলে সম্বোধন করার নিয়ম বা বাধ্যবাধকতা বাতিল করেছে।

এ বিষয়ে আরও জানতে সিভিল সার্জন ডা. মো. নুরুল আমীনের সঙ্গে একাধিকবার ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

তবে উল্লেখিত ঘটনায় উল্লাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সরকারি ওষুধ সরবরাহের বিভিন্ন অনিয়ম নিয়ে টিভি চ্যানেলে সংবাদ প্রচারের পর সিভিল সার্জনের তত্বাবধানে আজ মঙ্গলবার তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কমিটিকে সরজমিনে তদন্ত করে আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সিরাজুল শিশির/খাদিজা রুমি/

সন্ত্রাসী ইমনের গ্রেপ্তার নিয়ে সিএমপির ব্যাখ্যা

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬, ০৩:২৭ পিএম
আপডেট: ২৩ জুন ২০২৬, ০৩:৩২ পিএম
সন্ত্রাসী ইমনের গ্রেপ্তার নিয়ে সিএমপির ব্যাখ্যা

চট্টগ্রামের সন্ত্রাসী ডেভিড ইমনের গ্রেপ্তার বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি)। গতকাল সোমবার রাতে রাজধানীর একটি হোটেল থেকে গ্রেপ্তার সন্ত্রাসী ইমন রাউজানের হত্যা মামলায় জড়িত। তিনি দুবাইয়ে পলাতক বড় সাজ্জাদের সহযোগী সন্ত্রাসী মোবারক হোসেন ইমন বা ডেভিড ইমন নন বলে জানায় সিএমপি। 

মঙ্গলবার (২৩ জুন) দুপুরে সিএমপি থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, ঢাকার একটি হোটেল থেকে ইমন নামের একজন সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সন্ত্রাসী চট্টগ্রামের রাউজানের হত্যা মামলায় জড়িত। কিন্তু তিনি বড় সাজ্জাদের সহযোগী নন।

সিএমপির সহকারী কমিশনার ও মুখপাত্র আমিনুর রশিদ বলেন, ‘বড় সাজ্জাদের সহযোগী ডেভিড ইমন গ্রেপ্তার বিষয় বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া সংবাদটি সম্পূর্ণরূপে বিভ্রান্তিকর ও তথ্যগতভাবে অসত্য। ডেভিড ইমনকে আমরা গ্রেপ্তার করতে পারিনি। তবে যাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে তিনি অন্য ইমন।’

আবদুস সাত্তার/আজহার

মানিকগঞ্জে মারিয়া হত্যা মামলার বিচার দাবিতে মানববন্ধন

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬, ০৩:২১ পিএম
মানিকগঞ্জে মারিয়া হত্যা মামলার বিচার দাবিতে মানববন্ধন
ছবি: খবরের কাগজ

মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার সাহরাইল উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী মারিয়া মাহী (১৪) হত্যা মামলায় জড়িতদের গ্রেপ্তার, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং সুষ্ঠু বিচারের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) সকালে সাহরাইল উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে স্থানীয় এলাকাবাসীর উদ্যোগে এ মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। এতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, শিক্ষার্থী, অভিভাবক, জনপ্রতিনিধি এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অংশ নেন।

মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা বলেন, মারিয়া হত্যাকাণ্ড শুধু একটি পরিবারের নয়, পুরো এলাকার জন্য একটি মর্মান্তিক ও হৃদয়বিদারক ঘটনা। একজন স্কুলছাত্রীর এমন নৃশংস হত্যাকাণ্ডে এলাকাবাসী গভীরভাবে শোকাহত ও ক্ষুব্ধ। তারা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত প্রত্যেক ব্যক্তিকে আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান।

এর আগে, গত ১৫ জুন নিখোঁজ হওয়ার ছয় দিন পর সিংগাইর উপজেলার জামির্তা ইউনিয়নের চন্দননগর এলাকার একটি কবরস্থান-সংলগ্ন ঝোপ থেকে মারিয়ার খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় সোমবার নিহতের মা কামরুন্নাহার বাদী হয়ে ১৫ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার পর বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকসহ আটজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

আসাদ জামান/রিফাত/

লালমোহনে ব্রিজ ভেঙে খাদে ট্রাক, চালক নিহত

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬, ০৩:০৯ পিএম
আপডেট: ২৩ জুন ২০২৬, ০৩:১০ পিএম
লালমোহনে ব্রিজ ভেঙে খাদে ট্রাক, চালক নিহত
ছবি: খবরের কাগজ

ভোলার লালমোহন উপজেলায় খালের ওপর নির্মিত একটি আয়রন ব্রিজ ভেঙে মালবাহী ট্রাক খাদে পড়ে নাঈম (২৫) নামে এক চালক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ট্রাকের হেলপার আল আমিন (১৪) আহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) উপজেলার ধলীগৌরনগর ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের চতলা বাজারের পূর্ব পাশে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত নাঈম চতলা এলাকার বাসিন্দা। তিনি ফরিদ মিয়ার ছেলে। আহত আল আমিন বর্তমানে চিকিৎসাধীন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মালবাহী ট্রাকটি চতলা বাজারসংলগ্ন খালের ওপর নির্মিত আয়রন ব্রিজ পার হওয়ার সময় হঠাৎ ব্রিজটির পূর্ব পাশ ধসে পড়ে। এতে ট্রাকটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নিচের খাদে পড়ে যায়। দুর্ঘটনার সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় লোকজন উদ্ধারকাজে এগিয়ে এসে ট্রাকের চালক ও হেলপারকে উদ্ধার করে লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।

হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক নাঈমকে মৃত ঘোষণা করেন। অপরদিকে গুরুতর আহত আল আমিনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নিহতের স্বজনদের আহাজারিতে হাসপাতাল ও বাড়ির পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে ব্রিজটি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় ছিল। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে একাধিকবার জানানো হলেও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। তারা দ্রুত ব্রিজটি পুনর্নির্মাণ এবং এলাকায় নিরাপদ যোগাযোগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করার দাবি জানান।

ইমতিয়াজুর রহমান/রিফাত/