ঢাকা ৪ আষাঢ় ১৪৩৩, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
সততার মাপকাঠি কেমন হওয়া উচিত? সোনারগাঁয়ে শপিংমলে আগুন, ক্ষতি প্রায় ২০ লাখ টাকা আরেক ধাক্কা খেলেন মমতা ব্যাপন, অভিস্রবণ ও প্রস্বেদন অধ্যায়ের ৪টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৫ম পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান সুন্দরবনে কুমিরের হামলায় নারী জেলের মৃত্যু সাগর-রুনি হত্যা মামলার প্রতিবেদন পেছাল ১২৭ বার ব্রাজিলের প্রেসিডেন্টের জোক্সস, ‘ভাবছি মেসিকে ব্রাজিল দলে নিব’ প্রাথমিকে 'ম্যাথ ল্যাব' প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার: ববি হাজ্জাজ উন্নয়নের মাধ্যমে আগামীর বাংলাদেশ গড়ব: প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ আইসিইউতে চিত্রশিল্পী মুস্তাফা মনোয়ার পঞ্চগড়ে বালি-পাথরে পাওয়া গেলো মর্টার শেল অনুশীলনে ড্রোন আতঙ্ক, বিরক্ত কোরিয়ান কোচ হামে সিলেটে গত ২৪ ঘণ্টায় ২ শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৭১ রাবির জিএস আম্মারের বিরুদ্ধে হেনস্তার অভিযোগ মুন্সীগঞ্জে আরিফ হত্যার বিচার দাবিতে মানববন্ধন ও থানায় বিক্ষোভ অগ্ন্যুৎপাতে বইছে আগুনের স্রোত, ভাইরাল ভিডিও স্নায়ুচাপ কাটিয়ে জয়ে চোখ মেক্সিকো কোচের গাজীপুরে পোশাক কারখানায় পানি পান করে অসুস্থ ২ শতাধিক শ্রমিক ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ ১২০ মোড়ে বসছে এআই ক্যামেরা বিধিনিষেধ আরোপ সময়ের দাবি রাঙামাটির বরকল সীমান্তে বিজিবির অভিযানে রসুন ও সার জব্দ নড়াইলে শিশুকে যৌন হয়রানির অভিযোগে গণপিটুনি মেসিকে ছাড়িয়ে গেলেন হ্যারি কেইন রিজার্ভ চুরিতে জড়িত ৬৪ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান, বাংলাদেশের ১০ জন কানাডায় সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর মৃত্যু সীমানা পুনর্নির্ধারণের জন্য এনডিএর আর ৬ ভোট লাগবে টুকটুক ও চিকু পাঠ থেকে ৩টি অনুশীলনীর প্রশ্ন ও  উত্তর , ৩য় পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বাংলা চাঁপাইনবাবগঞ্জে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় এক শিশু নিহত চট্টগ্রামের নিখোঁজের ২ দিন পর শিশুর মরদেহ উদ্ধার টিভিতে আজকের খেলা
Nagad desktop

ঈদে বদলে যাচ্ছে খাবারের রুচি, হারিয়ে যাচ্ছে পিঠাপুলি

প্রকাশ: ২০ মার্চ ২০২৬, ১০:৪২ এএম
ঈদে বদলে যাচ্ছে খাবারের রুচি, হারিয়ে যাচ্ছে পিঠাপুলি
হাঁড়ির মধ্যে গ্রামীণ ঐতিহ্যবাহী গুড়া পিঠা। খবরের কাগজ

কক্সবাজারের পেকুয়ায় ঈদুল ফিতর ঘিরে জমে উঠেছে কেনাকাটা। বাজারে যেমন বেড়েছে ভিড়, তেমনি প্রতিটি ঘরে ঘরে চলছে ঈদের প্রস্তুতি। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বদলে যাচ্ছে মানুষের খাদ্যাভ্যাস ও পছন্দের ধরণ। বিশেষ করে প্রজন্মভেদে ঈদের খাবারের তালিকায় দেখা যাচ্ছে বড় ধরনের পরিবর্তন।

৬০ বছরের ঊর্ধ্বে নারী-পুরুষদের কাছে এখনো ঈদের প্রধান আকর্ষণ সেমাই ও গুড়া পিঠা। সকালে নামাজ শেষে পরিবারের সবাই মিলে সেমাই ও গুড়া পিঠা খাওয়ার সেই চিরচেনা দৃশ্য এখনো তাদের কাছে ঈদের আনন্দের অন্যতম অংশ। 

মালেকা বেগম (৭০) মনে করেন, সেমাই ছাড়া যেন ঈদের পূর্ণতা আসে না।

অন্যদিকে বর্তমান সময়ের শিশু-কিশোর ও তরুণ-তরুণীদের পছন্দের তালিকায় এসেছে ব্যাপক পরিবর্তন। তাদের কাছে ঈদের খাবার মানেই হালিম, বিরিয়ানি, কাস্টার্ড, ফালুদা, কেক-মিক্স ও পুডিংয়ের মতো আধুনিক ও বাহারি আইটেম।

প্রবীণরা মনে করছেন, নতুন প্রজন্মের মধ্যে সেমাইয়ের প্রতি আগ্রহ বা রুচি নেই বললেই চলে। তারা বরং রেস্টুরেন্ট স্টাইল বা ভিন্নধর্মী খাবারের দিকেই বেশি ঝুঁকছে।

এদিকে একসময় পেকুয়া ও কক্সবাজার অঞ্চলে ঈদের অন্যতম জনপ্রিয় ও ঐতিহ্যবাহী নাস্তা ছিল গুঁড়া পিঠা। ঈদের চাঁদ দেখা যাওয়ার রাতেই গ্রামাঞ্চলের প্রায় প্রতিটি বাড়িতে শুরু হতো এই পিঠা তৈরির আয়োজন। পরিবারের নারী-পুরুষ সবাই এতে অংশ নিতেন। কেউ চাল ভিজিয়ে গুঁড়া তৈরি করতেন, কেউ আবার পিঠার আকার দিতেন। এ যেন শুধু খাবার তৈরিই নয়, বরং পারিবারিক বন্ধন দৃঢ় করার এক অনন্য উপলক্ষও ছিল।

গুড়া পিঠা তৈরির প্রক্রিয়াটিও ছিল বেশ যত্নসাধ্য। চালের গুড়া দিয়ে ছোট ছোট আকারে পিঠা বানিয়ে তা দুধ, চিনি ও নারকেল দিয়ে তৈরি মিষ্টি সিরার মধ্যে জ্বাল করা হতো। অনেক পরিবার আবার খেজুরের রস ব্যবহার করে পিঠার স্বাদ আরও বাড়িয়ে তুলতেন। এই পিঠার স্বাদ ও ঘ্রাণ ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন, যা ঈদের আমেজকে আরও বিশেষ করে তুলতো।

কিন্তু আধুনিকতার ছোঁয়া, ব্যস্ত জীবনযাপন এবং সহজলভ্য ফাস্টফুড সংস্কৃতির কারণে ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে এই ঐতিহ্যবাহী গুঁড়া পিঠা। এখন আর আগের মতো ঈদের চাঁদ রাতে পিঠা তৈরির সেই জমজমাট পরিবেশ চোখে পড়ে না। নতুন প্রজন্মের অনেকেই এই পিঠার নাম পর্যন্ত ঠিকমতো জানে না।

স্থানীয় প্রবীণ শহর বানু আক্ষেপ করে জানান, আগে ঈদের আনন্দ মানেই ছিল পরিবারকে নিয়ে একসঙ্গে সময় কাটানো, নিজের হাতে পিঠা তৈরি করা। এখন সবকিছুই যেন বাজারনির্ভর হয়ে গেছে। 

তার মতে, এই ঐতিহ্য রক্ষা করতে হলে পরিবার থেকেই উদ্যোগ নিতে হবে এবং নতুন প্রজন্মকে দেশীয় খাবারের সঙ্গে পরিচিত করে তুলতে হবে।

অনেকেই মনে করেন, আমাদের গ্রামীণ ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ এই ধরনের দেশীয় পিঠা-পুলি। তাই ঈদের মতো উৎসবগুলোতে এসব ঐতিহ্যবাহী খাবারকে আবারও ফিরিয়ে আনতে উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। না হলে একটা সময় পেকুয়া-কক্সবাজারের জনপ্রিয় গুড়া পিঠা কেবল স্মৃতির পাতায়ই থাকবে।

রকিবুল হাসান/অমিয়/

সোনারগাঁয়ে শপিংমলে আগুন, ক্ষতি প্রায় ২০ লাখ টাকা

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ০২:৫৩ পিএম
আপডেট: ১৮ জুন ২০২৬, ০৩:০৯ পিএম
সোনারগাঁয়ে শপিংমলে আগুন, ক্ষতি প্রায় ২০ লাখ টাকা
ছবি: খবরের কাগজ

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে আল মদিনা শপিংমলে আগুনের ঘটনা ঘটেছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকালে উপজেলার মোগরাপাড়া চৌরাস্তা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। 

এ ঘটনায় শপিংমলের বেইসমেন্টে থাকা বৈদ্যুতিক মিটার ও বিভিন্ন বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম পুড়ে যায়। প্রাথমিকভাবে প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।

খবর পেয়ে সোনারগাঁও ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে আগুনের সূত্রপাত বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে হয়ে থাকতে পারে ।

সোনারগাঁও ফায়ার স্টেশনের স্টেশন কর্মকর্তা জাহিদ চৌধুরী জানান, আগুন লাগার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। আগুনে শপিংমলের বেইসমেন্টে থাকা বৈদ্যুতিক মিটার ও অন্যান্য ইলেকট্রিক সরঞ্জাম পুড়ে যায়। প্রাথমিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ২০ লাখ টাকা বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এদিকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাকে ঘিরে শপিংমলের কয়েকজন দোকান মালিকের মধ্যে নানা প্রশ্ন ও সন্দেহের সৃষ্টি হয়েছে। তাদের অভিযোগ, মার্কেট থেকে উচ্ছেদ করার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে আগুন লাগানো হয়ে থাকতে পারে। দোকান মালিকদের দাবি, আগুন লাগার মাত্র একদিন আগে তাদের দোকান ছেড়ে দেওয়ার জন্য নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। নোটিশ পাওয়ার পরদিনই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটায় বিষয়টিকে তারা ‘রহস্যজনক’ বলে মনে করছেন এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

তবে শপিংমলের মালিক মাজারুল ইসলাম নবী অভিযোগ নাকচ করে বলেন, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে তদন্তের পর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণে তদন্ত চলছে।

ইমরান হোসেন/খাদিজা রুমি/

সুন্দরবনে কুমিরের হামলায় নারী জেলের মৃত্যু

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ০২:৪৪ পিএম
আপডেট: ১৮ জুন ২০২৬, ০৩:০৩ পিএম
সুন্দরবনে কুমিরের হামলায় নারী জেলের মৃত্যু
ছবি: খবরের কাগজ

সুন্দরবনের শেলা নদীতে মাছের পোনা ধরার সময় কুমিরের হামলায় এক নারী জেলে নিহত হয়েছেন। 

বুধবার (১৭ জুন) বিকেল পৌনে ছয়টার দিকে বাগেরহাটের মোংলা উপজেলার জয়মনি এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

​নিহত সেলিনা বেগম (৫০) মোংলার চিলা ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের জয়মনি গ্রামের বাসিন্দা এবং আব্দুল শেখের স্ত্রী।

​সুন্দরবন পূর্ব বনবিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জের স্টেশন কর্মকর্তা মো. হামিদুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

​বনবিভাগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার( ১৭ জুন) বিকেলে সুন্দরবনের শেলা নদীর লঞ্চঘাট এলাকায় আরও দুই নারী জেলের সঙ্গে জাল টেনে মাছের পোনা ধরছিলেন সেলিনা বেগম। বিকেল আনুমানিক ৫টা ৪০ মিনিটের দিকে হঠাৎ একটি কুমির জাল থেকে উঠে এসে সেলিনাকে টেনে গভীর নদীর দিকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে।

​এ সময় তার সঙ্গে থাকা অপর দুই নারী জেলে সাহসিকতার পরিচয় দেন। তারা পোনা ধরার জালে ব্যবহৃত কাঠের লাঠি দিয়ে কুমিরটিকে এলোপাতাড়ি আঘাত করতে থাকেন। এক পর্যায়ে কুমিরটি সেলিনা বেগমকে ছেড়ে দিয়ে পানিতে তলিয়ে যায়। পরে সন্ধ্যা ৬টার দিকে সহযাত্রী জেলেরা নদী থেকে সেলিনা বেগমের মরদেহ উদ্ধার করেন।

সুন্দরবন পূর্ব বনবিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জের স্টেশন কর্মকর্তা মো. হামিদুর রহমান জানান, বুধবার( ১৭ জুন) বিকেলে সুন্দরবনের শেলা নদীর লঞ্চ ঘাট এলাকায় নেট জাল টেনে পোনা ধরছিল পঞ্চাশোর্ধ নারী জেলে সেলিনা বেগম। এ সময় তার সঙ্গে আর দুই নারী জেলে সহযাত্রী ছিল। তখন হঠাৎ করে একটি কুমির সেলিনাকে টেনে নিয়ে যায়। পরে সহযাত্রী অপর দুই নারী জেলে কুমিরটিকে আঘাত করলে এক পর্যায়ে সেলিনাকে ছাড়তে সক্ষম হন। তবে নারী জেলেটি উদ্ধার হয় জীবিত নয়, মৃত। 

রিফাত আল মাহামুদ/খাদিজা রুমি/

পঞ্চগড়ে বালি-পাথরে পাওয়া গেলো মর্টার শেল

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ০২:০৯ পিএম
আপডেট: ১৮ জুন ২০২৬, ০২:৩৯ পিএম
পঞ্চগড়ে বালি-পাথরে পাওয়া গেলো মর্টার শেল
ছবি: খবরের কাগজ

পঞ্চগড় সদর উপজেলার সাতমেরা ইউনিয়নের বড় ঝিটকীখুড়া এলাকায় বালি পাথর উত্তোলনের সময় পাওয়া গেছে একটি পরিত্যক্ত মর্টার শেল।

বুধবার (১৭ জুন) সন্ধ্যায় ওই এলাকার মাঝিপাড়া ব্রিজ-সংলগ্ন চিলকা নদী থেকে বালু ও পাথর উত্তোলনের সময়ে মর্টার শেলটি খুঁজে পান শ্রমিকরা। মূল্যবান সম্পদ ভেবে তারা সেটি বাড়িতে নিয়ে যান। 

পুলিশ জানায়, ওই এলাকার শ্রমিক আনোয়ার হোসেন, ফেরদৌস ও মোমিনুল ইসলাম মর্টার শেলটি বাড়িতে নিয়ে আসার পর বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে  তারা বড় ঝিটকীখুড়া এলাকায় আব্দুস সালামের বাড়ির কাছে সড়কের পাশে মর্টার শেলটি ফেলে রেখে যায়।

খবর পেয়ে পঞ্চগড় সদর থানা পুলিশে টহল দল মর্টার শেলটি থানায় নিয়ে যায়।

পঞ্চগড় সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফুল ইসলাম বলেন, 'বালি, পাথর উত্তোলনের সময় পরিত্যক্ত অবস্থায় মর্টার শেলটি খুঁজে পায়। সেনাবাহিনীর বোম ডিসপোজাল ইউনিটকে খবর দেওয়া হয়েছে। তারা এসে এটি নিষ্ক্রিয় করবেন।'

রনি মিয়াজী/তামান্না রুপা/  

হামে সিলেটে গত ২৪ ঘণ্টায় ২ শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৭১

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ০১:৫৯ পিএম
আপডেট: ১৮ জুন ২০২৬, ০২:০২ পিএম
হামে সিলেটে গত ২৪ ঘণ্টায় ২ শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৭১
ছবি: শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন হাম আক্রান্ত শিশুরা

সিলেটে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে সিলেটে হামে আক্রান্ত হয়ে ও হাম উপসর্গ নিয়ে ৭৪ শিশুর মৃত্যু হলো। নিশ্চিত হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা ৪ জন। 

এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় সিলেটে নতুন করে আরও ২ জনের শরীরে হামের সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। সেই সঙ্গে সন্দেহজনক রোগী হিসেবে নতুন ভর্তি হয়েছেন ৭১ জন।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়।

বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে  চিকিৎসাধীন অবস্থায় সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার ইলশাপুর গ্রামের দিপন পালের ৯ মাস বয়সী মেয়ে দিবানি পাল মারা যায়। একই হাসপাতালে সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার চাতুরবাগ, বিলাইউরি গ্রামের মনোয়ারের ২ মাস ২৪ দিন বয়সী ছেলে রাইয়ান মারা যায়।

চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৬ জুন পর্যন্ত মোট ৩২৫ জনের পরীক্ষাগারে হামের সংক্রমণ পাওয়া গেছে। এর মধ্যে হবিগঞ্জে ২৪ জন (২ জন রুবেলা), মৌলভীবাজারে ১৬ জন, সুনামগঞ্জে ১৭৮ জন এবং সিলেট জেলায় ১০৭ জন।

বর্তমানে সিলেট বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রে মোট ২৬৮ জন সন্দেহজনক রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ১০০ জন ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে, ৭৫ জন ভর্তি আছেন শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে, ও ৩২ জন সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে রোগীরা চিকিৎসা নিচ্ছেন।

শাকিলা ববি/খাদিজা রুমি/

মুন্সীগঞ্জে আরিফ হত্যার বিচার দাবিতে মানববন্ধন ও থানায় বিক্ষোভ

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ০১:২৪ পিএম
আপডেট: ১৮ জুন ২০২৬, ০১:৫৩ পিএম
মুন্সীগঞ্জে আরিফ হত্যার বিচার দাবিতে মানববন্ধন ও থানায় বিক্ষোভ
ছবি: খবরের কাগজ

মুন্সীগঞ্জে আরিফ হোসেন হত্যার বিচার ও জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছেন নিহতের স্বজন ও স্থানীয়রা।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মুন্সীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

গত ১৪ জুন লেনদেন সংক্রান্ত বিরোধের জেরে শহরের মুন্সিরহাট জসিমনগর এলাকা থেকে আরিফ হোসেনকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয়। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তারা।

মানববন্ধন শেষে অংশগ্রহণকারীরা মিছিল নিয়ে মুন্সীগঞ্জ সদর থানায় যান। সেখানে তারা পুলিশের কাছে বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানান।

সুমন/তামান্না রুপা/