নাটোর সদর ও বড়াইগ্রাম উপজেলায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় এক প্রকৌশলীসহ ২ জন নিহত হয়েছেন। এছাড়া আহত হয়েছেন আরও দুই জন।
নিহতরা হলেন- সদর উপজেলার নারায়ণপুর গ্রামের নাঈম হোসেন(১৯) এবং পাবনা ঈশ্বরদী থানার নওদাপাড়া গ্রামের আনসারুল হকের ছেলে জুলফিকার আলী জিল্লু (২৯)। জুলফিকার আলী ঢাকায় একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে প্রকৌশলী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। সোমবার তার বিয়ের দিন নির্ধারিত ছিল।
আহতরা হলেন- সদর উপজেলার নারায়ণপুর একডালা এলাকার মনসুর আলীর ছেলে শফিকুল ইসলাম (২৫) এবং হয়বতপুর গ্রামের
শহিদুল ইসলামের ছেলে রাব্বি ইসলাম(২৪)।
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম এবং বনপাড়া হাইওয়ে থানার ওসি মনিরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বনপাড়া হাইওয়ে থানার ওসি মনিরুল ইসলাম জানান, নাটোরের বনপাড়ায় জুলফিকার আলীর বোন-ভগ্নিপতির বাড়ি। সোমবার জুলফিকারের বিয়েতে বোন-ভগ্নিপতিকে নিয়ে যেতে রবিবার সকালে নিজেই চালিয়ে আসছিলেন প্রাইভেটকার। পথে বড়াইগ্রামের গড়মাটি এলাকায় পৌঁছলে প্রাইভটকারটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশের একটি গাছে সজোরে ধাক্কা দিয়ে পাশে থেমে থাকা একটি ট্রাকে আঘাত করে। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
অপরদিকে সদর থানার ওসি শফিকুল ইসলাম জানান, শনিবার রাত ৯টার দিকে সদর উপজেলার বনবেলঘড়িয়া বাইপাস বাবুর পুকুরপাড় এলাকায় দুই মোটরসাইকেলে সংঘর্ষে নাইম হোসেন মারা যায়। ওই ঘটনায় আহত হয় ২ জন।
কামাল মৃধা/সুমন/