ঢাকা ৩ আষাঢ় ১৪৩৩, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
রাসুল (সা.)-এর চুল সাদা হলেও যেমন দেখাত ১৯৭৮ সালে এসেছিলেন প্রেসিডেন্ট বাবা, ৪৮ বছর পর একই মাঠে প্রধানমন্ত্রী ছেলে সিলেটে বৃষ্টিতে ভিজে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানালেন চা শ্রমিকরা ‘সমর্থকরা আর্জেন্টিনার এই দলকে নিয়ে পাগল’, ইতিহাস গড়ার পর মেসি সিলেট পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী বিশ্বকাপে ইতিহাস বদলানোর হুঙ্কার টমাস টুখেলের ঘণ্টায় ১০ লাখ ডলার খরচ করলেও ১১৪ বছরে শেষ হবে না মাস্কের সম্পদ প্রধানমন্ত্রীকে বরণে প্রস্তুত মৌলভীবাজারবাসী রংপুরে আওয়ামী লীগ নেতা আখতারুজ্জামান ভুট্টু গ্রেপ্তার আজকের আবহাওয়ার পূর্বাভাস কচুয়া উপজেলা বিএনপি সভাপতির হুমকি, ‘সাংবাদিকতা ছুটিয়ে দেব’ ৬০ বছরের অপেক্ষা বনাম ক্রোয়াট ধারাবাহিকতা নওগাঁ সীমান্তে স্থানীয়দের হাতে আটক সন্দেহভাজন ব্যক্তি সিলেট নগরীর ৪টি পয়েন্টে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাবে বিএনপি জাহাঙ্গীরনগরে অভিযুক্ত শিক্ষকদের দায়মুক্তির প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, পুনঃতদন্তের দাবি লালপুরে নৌকায় পড়ে ছিল জেলের গুলিবিদ্ধ মরদেহ লিওনেল মেসির হ্যাটট্রিকে আলজেরিয়ার বিপক্ষে আর্জেন্টিনার ৩-০ গোলের জয় প্রকল্পের অনিয়মে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা শাহরাস্তিতে নারীর পেট থেকে ৩ কেজি ওজনের টিউমার অপসারণ সিরাজগঞ্জে ট্রাকচাপায় ট্রাফিক পুলিশ নিহত কালুখালীতে অগ্নিদগ্ধ মরদেহ: মূল পরিকল্পনাকারীসহ গ্রেপ্তার ৩ ওমরাহ যাত্রীদের অর্থ আত্মসাৎ: দুই পীরজাদার বিরুদ্ধে মামলা নগরকান্দা উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতার পদত্যাগ ধামরাইয়ের কালামপুর সাব-পোস্ট অফিস: নাক-মুখ চেপে নিতে হয় সেবা বিশ্বমঞ্চে মেসির প্রথম হ্যাটট্রিক, ক্লোসাকে ছুঁয়ে বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতা! স্বপ্ন ছোঁয়ার শেষ মিশনে রোনালদো নারায়ণগঞ্জে পদ্মার উড়াল সেতুর পিলারের মাটি গেছে শ্রমিক লীগ নেতার ভাটায় বাকৃবিতে নজর কাড়ছে পেলে-ম্যারাডোনার গ্রাফিতি জাল ভিসায় ইউরোপে মানব পাচারের অভিযোগ টি-টোয়েন্টি সিরিজে আত্মবিশ্বাসী বাংলাদেশ
Nagad desktop

সন্দেহের তালিকায় কেয়ারটেকার রফিকুল হোটেলে সন্তানসহ স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু নিয়ে নানা প্রশ্ন

প্রকাশ: ০১ জুলাই ২০২৫, ০৯:০৫ এএম
হোটেলে সন্তানসহ স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু নিয়ে নানা প্রশ্ন
স্বপ্না আক্তার-নাঈম হোসেন-মনির হোসেন

রাজধানীর মগবাজারের একটি আবাসিক হোটেলে সন্তানসহ স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যুর ঘটনায় রহস্যের জট খোলেনি। তাদের মৃত্যু নিয়ে পরিবার-স্বজন ও সাধারণ মানুষের মনে দেখা দিয়েছে নানা প্রশ্ন। মৃত মনির হোসেনের বাড়ির কেয়ারটেকার রফিকুল ইসলামকে সন্দেহের তালিকায় রেখেছে পুলিশ। কেননা, রফিকুলই ওই হোটেল ভাড়া ও বাইরে থেকে খাবার কিনে এনে দেন।

স্বজন ও তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, মনির হোসেনের ঢাকার পোস্তগোলায় পাঁচতলা বাড়ি আছে। এ ছাড়া একাধিক ফ্ল্যাটসহ ব্যবসায় বেশকিছু টাকা বিনিয়োগ ছিল। এগুলো দেখাশোনা করতেন কেয়ারটেকার রফিকুল ইসলাম। তবে খাবারের বিষক্রিয়ায় তাদের মৃত্যু হয়েছে কি না সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কিছু বলতে পারছে না পুলিশ। 

এ বিষয়ে রমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম ফারুক গতকাল সোমবার দুপুরে খবরের কাগজকে বলেন, ‘খাবারের বিষক্রিয়ায় তাদের মৃত্যু হয়েছে এমন শোনা গেলেও এই দাবির সত্যতা পাওয়া যায়নি। কারণ একই খাবার আরও অনেকে খেয়েও তারা সুস্থ আছেন। ফলে মৃত ব্যক্তিদের ভিসেরা পরীক্ষার মাধ্যমে তাদের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানার চেষ্টা করা হচ্ছে। এর বাইরেও খুবই মর্মান্তিক এই মৃত্যুর নেপথ্যে অন্য কোনো কারণ ও রহস্য আছে কি না সেটিও উদঘাটনের চেষ্টা চলছে। এই ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলমান আছে বলেও জানান তিনি।’ 

এদিকে গতকাল দুপুরে ওই তিনজনের ময়নাতদন্তের আলামত সংরক্ষণ সংক্রান্ত তদন্ত করেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের প্রভাষক ডা. জাকিয়া তাসনিম। এ বিষয়ে তিনি জানান, পুলিশের সুরতহালে উল্লেখ হয়েছে খাদ্যে বিষক্রিয়ায় মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। লাশের ‘সিম্পটম’ দেখে আমাদেরও সেটাই মনে হয়েছে। ভিসেরা পরীক্ষার জন্য লাশগুলো থেকে বিভিন্ন ধরনের আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। সেটা অ্যানালাইসিসের জন্য মহাখালীর রাসায়নিক পরীক্ষাগারে পাঠানো হবে। ওই প্রতিবেদন পেলেই মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। 

স্বজনরা জানান, মনির হোসেন-স্বপ্না আক্তার দম্পতি তিন ছেলের জনক-জননী ছিলেন। ঢাকায় বাড়ি থাকলেও লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জের দেহলা গ্রামের বাড়িতে থাকতেন তারা। মনির হোসেনের ঢাকার বাড়িসহ যাবতীয় বিষয় দেখাশোনা করতেন তার কেয়ারটেকার রফিকুল ইসলাম। শনিবার অসুস্থ ছেলে নাঈম হোসেনের চিকিৎসার জন্য তাকে নিয়ে ঢাকায় এসেছিলেন সৌদিপ্রবাসী মনির হোসেন ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার। মগবাজারের আবাসিক ‘হোটেল সুইট স্লীপে’ উঠেছিলেন তারা, যা ভাড়া করে দেন রফিকুল। রফিকুলের মাধ্যমে শনিবার রাতে পাশের ‘ভর্তা ভাত’ নামে একটি রেস্টুরেন্ট থেকে খাবার এনে খান তারা। রাতেই তারা অসুস্থ হয়ে পড়েন। এরপর রবিবার সকালে তাদের পাশের আদ্-দ্বীন হাসপাতালে নেওয়া হয়। কিন্তু তিনজনের কাউকেই বাঁচানো যায়নি। মৃত ছেলে নাঈম সবার ছোট। এই ঘটনায় স্বজন ও প্রতিবেশীসহ পরিচিতদের মধ্যে নেমে আসে শোকের ছায়া। 

সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরিকারী রমনা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. জালাল উদ্দিন জানান, তিনজনের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির সময় তিনটি লাশের শরীরের কোথাও কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, খাদ্যে বিষক্রিয়ার ফলে তাদের মৃত্যু হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।

মনিরের চাচাতো ভাই জাকির হোসেন মুঠোফোনে খবরের কাগজকে বলেন, ‘প্রকাশ্য তাদের কোনো শত্রু ছিল না। কোনো বিষয় নিয়ে কারও সঙ্গে দ্বন্দ্ব নাই। ছেলের চিকিৎসার জন্য তারা ঢাকায় এসেছিলেন। ঢাকার পোস্তগোলায় মনিরের একটি পাঁচতলা বাড়ির দেখভাল করেন রফিকুল ইসলাম। রফিকুলের জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়ে মগবাজারের ওই হোটেল ভাড়া করেছিলেন।’ 

তিনি অভিযোগ করেন, খাবারের সঙ্গে বিষ মিশিয়ে তাদের হত্যা করা হয়েছে। কে বা কারা জড়িত, কেন এটা করা হয়েছে তা তদন্তে বেরিয়ে আসবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি। 

এ বিষয়ে হোটেল সুইট স্লীপের সহকারী ব্যবস্থাপক আনোয়ারুল ইসলাম খবরের কাগজকে বলেন, ‘সিসিটিভি ক্যামেরায় দেখা গেছে, সন্ধ্যায় একটি ব্যাগে করে খাবার নিয়ে আসেন রফিকুল। পরে তিনি চলে যান। রাত আটটার দিকে মনির নিচে নেমে পানি নিয়ে ওপরে উঠেন। পরে রাতে তারা অসুস্থ হলেও হোটেলের কাউকে কিছু জানাননি। পরে রবিবার বেলা ১১টার দিকে রফিকুল তার মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে হোটেলে আসেন। তিনি প্রথমে স্বপ্না, তার প্রায় আধা ঘণ্টা পরে মনিরকে একই হাসপাতালে নিয়ে যান। কক্ষে রফিকুলের মেয়ের চিৎকার শুনে হোটেলের কর্মচারীরা অচেতন অবস্থায় এই দম্পতির ছেলে নাঈমকেও হাসপাতালে নিয়ে যান বলে জানান তিনি।

জাল ভিসায় ইউরোপে মানব পাচারের অভিযোগ

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ০৯:০৫ এএম
আপডেট: ১৭ জুন ২০২৬, ০৯:১৪ এএম
জাল ভিসায় ইউরোপে মানব পাচারের অভিযোগ
ছবি: সংগৃহীত

জাল ‘শেনজেন’ ভিসায় ইউরোপের দেশ ইতালিতে মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালানের অভিযোগে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের এক কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। গ্রেপ্তার মোহাম্মদ আখলাছুর রহমান (৪০) বিমানের জুনিয়র অফিসার (গ্রাউন্ড সার্ভিস, আইএনএস গেট) হিসেবে কর্মরত। গতকাল মঙ্গলবার (১৬জুন) ভোরে জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার নিলক্ষীয়া বাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে সিআইডি।
 
গতকাল এক সংবাদ সম্মেলনে সিআইডির সিরিয়াস ক্রাইম বিভাগের বিশেষ পুলিশ সুপার (এসএসপি) মোহাম্মদ বদরুল আলম মোল্লা জানান, ইতালিতে চাকরি ও উন্নত জীবনের প্রলোভন দেখিয়ে মানব পাচারকারী একটি চক্র কয়েকজন ভুক্তভোগীর কাছ থেকে ৩০ লাখ টাকায় চুক্তি করে। চুক্তির ২০ লাখ টাকা অগ্রিম নিয়ে তাদের নেপাল ও ইতালিগামী টিকিট, বোর্ডিং পাস এবং ইতালির ভুয়া শেনজেন ভিসা সরবরাহ করে চক্রটি।

সিআইডি জানায়, গত ২৬ মে বিমানের একটি ফ্লাইটে ইতালির উদ্দেশে রওনা হওয়ার পর রোমের ফিউমিচিনো লিওনার্দো দা ভিঞ্চি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তারা পৌঁছালে ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ ভিসাগুলো পরীক্ষা করে জাল বলে শনাক্ত করেন। পরে ভুক্তভোগীদের আটক রেখে দুই দিন পর ২৮ মে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়। দেশে ফিরলে ইমিগ্রেশন পুলিশ, সিআইডি ও সংশ্লিষ্ট সংস্থার জিজ্ঞাসাবাদে তারা ঘটনার বিস্তারিত তথ্য দেন। সেই তদন্তে উঠে আসে, মানব পাচারকারী চক্রটি বৈধ কর্মসংস্থানের মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে জাল ভিসা সরবরাহের মাধ্যমে বিপুল অর্থ আত্মসাৎ করেছে। এ ঘটনায় বিমানবন্দর থানায় মামলা করা হয়েছে। পরে গোয়েন্দা তথ্য বিশ্লেষণ ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তদন্তে বিমানের ওই জুনিয়র অফিসার আখলাছুর রহমানের সম্পৃক্ততার প্রমাণ মিললে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার বদরুল আলম বলেছেন, এ ধরনের অপকর্মে একাধিক সংস্থার কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জড়িত থাকার প্রাথমিক তথ্যপ্রমাণ পাওয়া গেছে। মানব পাচারে জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। মানব পাচার চক্রের মূল হোতা ও অন্যান্য সহযোগীকে শনাক্তে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। একই সঙ্গে বিদেশে কর্মসংস্থান বা অভিবাসনের ক্ষেত্রে শুধু সরকার অনুমোদিত ও বৈধ প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানান সিআইডির এই কর্মকর্তা।

গোপালগঞ্জে যৌতুকের জন্য স্বামীর হাতে স্ত্রী খুন

প্রকাশ: ১৫ জুন ২০২৬, ১০:১১ পিএম
গোপালগঞ্জে যৌতুকের জন্য স্বামীর হাতে স্ত্রী খুন
প্রতীকী ছবি

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় যৌতুকের দাবিতে শিল্পী বেগম (৩৫) নামে এক গৃহবধূকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার স্বামী ইকবাল সিকদারের বিরুদ্ধে। হতভাগা শিল্পী বেগম তিন সন্তানের জননী ছিলেন। মাকে হারিয়ে তার দুই মেয়ে ও এক ছেলে এখন দিশেহারা।

সোমবার (১৫ জুন) সকালে কোটালীপাড়া উপজেলার রাধাগঞ্জ ইউনিয়নের বুরুয়াবাড়ী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ঘাতক ইকবালের বাড়ি উপজেলার রাধাগঞ্জ ইউনিয়নের বুরুয়ারবাড়ী গ্রামে।

নিহত শিল্পী বেগমের ভাই ছারোয়ার কাজী অভিযোগ করে বলেন, বিয়ের পর থেকেই যৌতুকসহ নানা অজুহাতে আমার বোনের ওপর নিয়মিত শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালিয়ে আসছিলেন স্বামী ইকবাল সিকদার। গত রবিবার রাতে তাকে পুনরায় অমানুষিক নির্যাতন ও বেদম মারপিট করা হয়। মারধরের একপর্যায়ে শিল্পী বেগমের মৃত্যু হলে ঘাতক স্বামী মরদেহটি গোয়ালঘরে ফেলে পালিয়ে যান। আমরা আমার বোনের হত্যাকারীর ফাঁসি চাই।

কোটালীপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রিয়াদ মাহমুদ জানান, সকালে খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য গোপালগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে পাঠায়। এ ঘটনায় নিহতের স্বামী ইকবাল সিকদার পলাতক থাকলেও, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য অভিযুক্তের বড় ভাই জাকির সিকদারকে পুলিশ হেফাজতে নিয়েছে। পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

বাদল সাহা/নাঈম

শার্শায় প্রবাসীর স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ৩

প্রকাশ: ১৫ জুন ২০২৬, ০৯:৫৫ পিএম
শার্শায় প্রবাসীর স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ৩
গ্রেপ্তার হওয়া তিন আসামি। ছবি: খবরের কাগজ

যশোরের শার্শা উপজেলায় এক প্রবাসীর স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে থানায় মামলার পর অভিযান চালিয়ে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

সোমবার (১৫ জুন) ভোর রাতে তাদের গ্রেপ্তার করা হয় বলে নিশ্চিত করেন শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মারুফ হোসেন।

গ্রেপ্তাররা হলেন, উপজেলার নিজামপুর ইউনিয়নের চান্দুড়িয়া ঘোপ গ্রামের হাসিব আল হাসান (১৯), ছোট বসন্তপুর গ্রামের আব্দুর রহমান ইমন (২২) এবং মেহেদি হাসান টুটুল (২৩)। এ ছাড়া মামলার অন্য দুই আসামি আব্দুল্লাহ আল মামুন (২৪) ও ইমন (২৩) বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ১৩ জুন রাতে প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে ঘরের বাইরে বের হন ওই প্রবাসীর স্ত্রী। এ সময় ওত পেতে থাকা একই গ্রামের আব্দুর রহমান ইমন ও মেহেদি হাসান টুটুলসহ ৫ জন তাকে অস্ত্রের মুখে জোরপূর্বক জিম্মি করে। পরে প্রাণনাশের হুমকি ও ভয়ভীতি দেখিয়ে একটি নির্জন স্থানে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে।

পরে ঘটনার সঙ্গে জড়িত ভুক্তভোগী নারী ৫ জনের নাম উল্লেখ করে শার্শা থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে তাৎক্ষণিকভাবে মামলা রুজু করে পুলিশ। 

শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মারুফ হোসেন বলেন, ভুক্তভোগী নারীর লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে মামলা করা হয়। পরে ভোর রাতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আজ সোমবার দুপুরে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

ওসি আরও জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িত পলাতক দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

নজরুল ইসলাম/নাঈম

কচুয়ায় শিশু ধর্ষণের অভিযোগে ধর্ষক গ্রেপ্তার

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ০৬:৪৫ পিএম
কচুয়ায় শিশু ধর্ষণের অভিযোগে ধর্ষক গ্রেপ্তার
কচুয়া থানায় গ্রেপ্তার হওয়া ধর্ষক শাহ আলম। ছবি: খবরের কাগজ

কচুয়া উপজেলার খিলা হাজী বাড়ির শাহ আলমের বিরুদ্ধে পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ুয়া (১২) তার নাতনিকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযোগে তার বিরুদ্ধে কচুয়া থানায় মামলা করেছেন ভুক্তভোগী শিশুটির মা।

রবিবার (১৪ জুন) মামলার জেরে ধর্ষক শাজাহানকে চাঁদপুরের বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে। 

এর আগে শনিবার (১৩ জুন) রাতে উপজেলার খিলা গ্রাম থেকে ধর্ষক শাহ আলমকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

থানা সূত্রে জানা গেছে, ১৯ মার্চ রাত সাড়ে বারোটার সময় মেয়েটিকে শাহ আলম তার বসত ঘরে ডেকে নিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে। পরে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে অভিযুক্ত শাহ আলম। শিশুটির মা গত ২৮ মে কুমিল্লায় তার মেয়েকে তার কর্মস্থলে নিয়ে গেলে শিশুটির শরীরের পিঠে, গলায় নখের চিহ্ন দেখতে পান এবং তাকে অস্বাভাবিক মনে হয়। পরে শিশুটিকে তার মা জিজ্ঞাসা করলে সে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণের বিষয়টি জানান।

কচুয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো.রাশেদুল হক জানান, ধর্ষকের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করা হয়েছে।  মেডিকেল পরীক্ষার জন্য ভিকটিমকে চাঁদপুর জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

প্রসঙ্গত : চাকুরির সুবাদে মেয়েটির মা কুমিল্লায় বসবাস করত। মেয়েটি উপজেলার রহিমানগর এলাকার একটি মাদরাসার আবাসিক ছাত্রী হিসেবে সেখানে পড়াশোনা করত। 

সঞ্জীব/নাঈম

খুলনায় মসজিদে ঢুকে ২ মুসল্লিকে গুলি

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ০১:০৩ পিএম
আপডেট: ১৪ জুন ২০২৬, ০১:০৫ পিএম
খুলনায় মসজিদে ঢুকে ২ মুসল্লিকে গুলি
ছবি: খবরের কাগজ

খুলনার দৌলতপুরে মসজিদে ঢুকে দুই মুসল্লিকে গুলি করেছে দুর্বৃত্তরা। এতে দুজনেই গুরুতর আহত হয়েছেন। এর মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

রবিবার (১৪ জুন) ফজরের নামাজের সময় দৌলতপুর বিএল কলেজ রোডে ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির বিদ্যুৎ জামে মসজিদে এ ঘটনা ঘটে।

​আহতরা হলেন- লোকমান হাকিম (৫৫) ও  আলম শেখ (৫৬)।

স্থানীয়রা জানায়, ওজোপাডিকো বিদ্যুৎ জামে মসজিদে অন্যান্য মুসল্লিদের সঙ্গে লোকমান হাকিম ও আলম শেখ ফজরের নামাজ আদায় করছিলেন। নামাজ চলাকালীন কয়েকজন মসজিদে ঢুকে তাদেরকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। গুলিবিদ্ধ হয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় তারা মসজিদে লুটিয়ে পড়েন।

দুজনকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে লোকমান হাকিমের অবস্থার অবনতি হলে তাকে  উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়। গুলিবিদ্ধ আলম শেখ খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। 

খবর পেয়ে দৌলতপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করেছে। ​পূর্ব শত্রুতার জের ধরে এ ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ।

মাকসুদ/আমান