ঢাকা ৯ আষাঢ় ১৪৩৩, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
শিরোপার স্বপ্নে ভাসছেন না হালান্ড আশুরা উপলক্ষে ডিএমপির নির্দেশনা তৃণমূলের শীর্ষ পদ থেকে মমতাকে বাদ ১১৫ দিন পর হরমুজ অতিক্রম করল বাংলার জয়যাত্রা পর্তুগাল এখন যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি ঐক্যবদ্ধ: রবার্তো মার্তিনেস বিশ্ববিদ্যালয়ে জবাবদিহিতা, স্বচ্ছতা ও দায়িত্বশীলতার চর্চা বাড়াতে হবে: ইবি উপাচার্য ইউএনওর আইডি ব্যবহার করে টেন্ডার কারসাজি টেকনাফে ঝুঁকিপূর্ণ বসতি থেকে সরে যেতে মাইকিং বাউফল উপজেলা ছাত্রদল সভাপতি কারাগারে জাবিতে রোকনুজ্জামান খান ও বেগম রোকেয়ার জীবনকর্ম নিয়ে আলোচনা কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ কুড়িগ্রামে ধানের গোলায় বিপুল পরিমাণ ভারতীয় পণ্য পাবনায় আমবাগানে মিলল নিখোঁজ ব্যক্তির মরদেহ প্যারোলে মুক্তি পেয়ে মায়ের জানাজায় অংশ নিলেন আওয়ামী লীগ নেতা মাগুরায় ‘বাঘ’ আতঙ্ক, বন বিভাগ বলছে মেছো বিড়াল সেন্টমার্টিনে ৩২ কোটি টাকার অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ, আটক ৬ বায়ুদূষণের শীর্ষে দিল্লি, ঢাকার বায়ুরমান ‘অস্বাস্থ্যকর’ দিনাজপুরে দিলশাদ, ভিন্ন স্বাদ ও কাচ্চি ভাইকে ৩ লাখ টাকা জরিমানা যেমন থাকবে আজকের আবহাওয়া চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমন ঢাকায় গ্রেপ্তার নেইমার কি আর খেলবে বিশ্বকাপ? পা ভাঙা রাজহাঁস নিয়ে থানায় নারী এমবাপ্পে, ইয়ামালদের যুগেও মেসিই ফুটবলের ‘ফাইনাল বস’ রাঙামাটিতে সেনাবাহিনীর অভিযানে ৯০ লাখ টাকার অবৈধ সেগুন কাঠ জব্দ হারিয়ে যেতে বসা হলুদ পাহাড়ি কচ্ছপ উদ্ধার সাহাবিদের জন্য রাসুল (সা.) কী ধরনের পোশাক পছন্দ করতেন হাঁসের বাচ্চায় বদলে যাওয়া গ্রাম নকআউটে ফ্রান্সের প্রতিপক্ষ কে? জেনে নিন রাউন্ড অব ৩২-এর সমীকরণ বাংলা একাডেমিতে মানিক রফিক আজাদ ও চন্দ্রাবতীকে স্মরণ ক্যালকুলেটর দিয়ে হিসাব করে ঘুষ নেন দেবীগঞ্জের পিআইও!

শ্রীপুরে ঘর থেকে গৃহবধূর পোড়া মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশ: ০৩ আগস্ট ২০২৫, ০৩:৪৪ পিএম
আপডেট: ০৩ আগস্ট ২০২৫, ০৪:২৬ পিএম
শ্রীপুরে ঘর থেকে গৃহবধূর পোড়া মরদেহ উদ্ধার
ছবি: খবরের কাগজ

গাজীপুরের শ্রীপুরের মাওনা ইউনিয়নের ইন্দ্রপুর গ্রামে মারুফা আক্তার (৪৫) নামে এক গৃহবধূর আগুনে পোড়া মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শনিবার (৩ আগস্ট) রাত আড়াইটায় ওই গ্রামের মিজানুর রহমানের বাড়ি থেকে মরদেহটি উদ্ধার হয়।

মারুফা আক্তারের দ্বিতীয় স্বামী মিজানুর রহমান একই এলাকার ওষুধ ব্যবসায়ী।

স্থানীয়রা জানান, শনিবার মধ্যরাতে হঠাৎ মারুফার ঘর থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়। এরপর আশেপাশের বাসিন্দারা গিয়ে মারুফার ঘর বাইরে থেকে তালাবদ্ধ দেখেন। পরে তালা ভেঙে ভেতরে ঢুকে মারুফার আংশিক পোড়া মরদেহ উদ্ধার করেন। এ সময় মারুফার স্বামী সেখানে ছিলেন না। এমনকি ঘটনার পর থেকে তার খোঁজ নেই।

মারুার মেয়ের স্বামী মো. মোতালেব বলেন, ‘তার শাশুড়ি বিদেশে থাকতেন। তখন তার শ্বশুরের সঙ্গে বিচ্ছেদ হয়। বিদেশ থেকে এসে তার বাবার বাড়িতে থাকছিলেন। এরপর মিজানুর রহমান ভুয়া কাবিন করে তার শাশুড়িকে ব্ল্যাকমেইল করে স্ত্রী দাবি করছিলেন। এই ঘটনায় মিজানুর রহমানের সংশ্লিষ্টতা আছে বলে আমাদের ধারণা। তিনি ঘটনার পর থেকে পালিয়ে রয়েছেন।

শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহম্মদ আব্দুল বারিক বলেন, প্রাথমিকভাবে আমাদের ধারণা ঘরের ভিতরে স্ত্রীর শরীরে আগুন দিয়ে ও মাথায় আঘাত করে মারুফার মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছে। এরপর বাইরের দিক থেকে তালা লাগিয়ে মারুফার স্বামী মিজানুর রহমান পালিয়েছেন। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

পলাশ প্রধান/নাঈম/অমিয়/

চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমন ঢাকায় গ্রেপ্তার

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬, ০৯:৫০ এএম
আপডেট: ২৩ জুন ২০২৬, ০৯:৫৭ এএম
চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমন ঢাকায় গ্রেপ্তার
ছবি: খবরের কাগজ

চট্টগ্রামের আন্ডারওয়ার্ল্ডের অন্যতম শীর্ষ সন্ত্রাসী ও একাধিক মামলার পলাতক আসামি ডেভিড ইমনকে ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। 

সোমবার (২২ জুন) রাত আনুমানিক সাড়ে ১০টায় রাজধানীর গুলশান-২ এলাকার ‘আমারি ঢাকা’ নামের একটি অভিজাত হোটেল থেকে বড় সাজ্জাদের সহযোগী ইমনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

​পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ডেভিড ইমনের বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম নগরীর বিভিন্ন থানায় হত্যা, চাঁদাবাজি, অস্ত্র ও জমি দখলসহ একাধিক মামলা রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে তিনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপনে ছিলেন। সাম্প্রতিক সময়ে ঢাকায় বসে চট্টগ্রামের ব্যবসায়ীদের কাছে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করে আসছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

চট্টগ্রামের পুলিশ কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আইনশৃংখলা বাহিনীর একাধিক সংস্থা ইমনসহ বড় সাজ্জাদ বাহিনীর সদস্যদের গ্রেপ্তারে ধারাবাহিক কাজ করে চলছিল। সেই ধারাবাহিকতায় আমারি ঢাকা হোটেলের ৯১ নম্বর রুম থেকে ইমনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ  জানায়, দীর্ঘদিন ধরে ডেভিড ইমন ছদ্মনামে এবং বিভিন্ন বেশে দেশের বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপনে ছিলেন। সর্বশেষ প্রযুক্তির সহায়তা এবং গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে তার অবস্থান নিশ্চিত করে এই সফল অভিযান চালানো হয়। গ্রেপ্তারকালে তার কাছ থেকে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও সামগ্রী উদ্ধার করা হয়েছে।​

মোবারক হোসেন প্রকাশ ডেভিড ইমনের বিরুদ্ধে হত্যা, চাঁদাবাজি, অস্ত্র চোরাচালান, মারামারি এবং এলাকায় আধিপত্য বিস্তারসহ একাধিক সুনির্দিষ্ট মামলা রয়েছে। সাধারণ মানুষের কাছে তিনি এক আতঙ্কের নাম। ছদ্মনাম ব্যবহার করে দীর্ঘদিন ধরে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে আসছিলেন তিনি।​ গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সংশ্লিষ্ট থানায় সোপর্দ করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে থাকা আগের মামলাগুলোর পাশাপাশি নতুন করে আইনি ব্যবস্থার প্রক্রিয়া চলছে।

ইফতেখারুল/খাদিজা রুমি/

সাঁথিয়ায় বুদ্ধি প্রতিবন্ধীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার

প্রকাশ: ২২ জুন ২০২৬, ১০:৩৪ পিএম
সাঁথিয়ায় বুদ্ধি প্রতিবন্ধীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার
গ্রেপ্তার মো. আব্দুস ছালাম। ছবি: খবরের কাগজ

পাবনার সাঁথিয়ায় ১৫ বছর বয়সী এক বুদ্ধি প্রতিবন্ধী কিশোরীকে জাম দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে মো. আব্দুস ছালাম (৫৫) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

সোমবার (২২ জুন) দুপুরে তাকে পাবনা আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এর আগে রবিবার রাতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার, আব্দুস ছালাম উপজেলার ধোপাদাহ ইউনিয়নের হলুদঘর গ্রামের বাসিন্দা।

ভুক্তভোগী কিশোরীর পরিবার ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত ১৬ জুন ওই কিশোরীর মা ডাক্তার দেখানোর উদ্দেশ্যে ঢাকায় যান। বাড়িতে কিশোরীটি একাই ছিল। এ সুযোগে প্রতিবেশী আব্দুস ছালাম গত ১৭ জুন বিকেল চারটার দিকে কিশোরীকে জাম খাওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে তার বাড়িতে ডেকে নিয়ে যান এবং জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। ঘটনাটি কাউকে না বলার জন্য তিনি মেয়েটিকে বিভিন্ন রকম ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দেন।

গত ১৯ জুন বিকেলে ভুক্তভোগীর মা ঢাকা থেকে বাড়ি ফিরলে, ২০ জুন (শনিবার) বিকেলে কিশোরীটি তার মায়ের কাছে কান্নাকাটি করে ঘটনার বিস্তারিত প্রকাশ করে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে আপোশ-মীমাংসার চেষ্টা করা হলেও তা ব্যর্থ হয়। অবশেষে ভুক্তভোগী পরিবার নিরুপায় হয়ে ২১ জুন সাঁথিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। পুলিশ এজাহারটি আমলে নিয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধনী ২০০৩) এর ৯ (১) ধারায় একটি মামলা করে।

এ বিষয়ে সাঁথিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনিছুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, অভিযোগ পাওয়ার পরপরই বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে মামলাটি নেওয়া হয়েছে। পুলিশ দ্রুত অভিযান পরিচালনা করে অভিযুক্ত আসামি আব্দুস
ছালামকে তার নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করেছে এবং যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাকে বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে। ভুক্তভোগী কিশোরীর ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

জুয়েল/নাঈম

রাউজানে যুবদল নেতা মাসুদ হত্যা মামলার আসামি গ্রেপ্তার

প্রকাশ: ২১ জুন ২০২৬, ০২:৫৭ পিএম
রাউজানে যুবদল নেতা মাসুদ হত্যা মামলার আসামি গ্রেপ্তার
মো. আইয়ুব। ছবি: খবরের কাগজ

চট্টগ্রামের রাউজানে যুবদল নেতা মাকসুদুল হক চৌধুরী মাসুদ হত্যা মামলার অন্যতম মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে অভিযুক্ত মো. আইয়ুবকে রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলা থেকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)-৭।

রবিবার (২১ জুন) ভোরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তার অবস্থান শনাক্ত করে বাঘাইছড়ি উপজেলার খেদারমারা ইউনিয়নের দুর্গম দুরছড়ি এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

জানা গেছে, হত্যাকাণ্ডের পর চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার কদলপুর এলাকার বাসিন্দা মো. আইয়ুব দীর্ঘদিন ধরে আত্মগোপনে ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-৭ এর একটি দল ভোর ৬টার দিকে দুরছড়ি এলাকায় তার ভগ্নিপতি শাহ আলমের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে।

স্থানীয়রা জানান, ভোরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা বাড়িটি ঘিরে ফেলে এবং অভিযান শেষে আইয়ুবকে হেফাজতে নেয়। অভিযান শেষে র‌্যাব সদস্যরা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে ও পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার জন্য চট্টগ্রামে নিয়ে যায়।

বাঘাইছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাছির উদ্দীন মজুমদার বলেন, র‌্যাবের একটি বিশেষ টিম বাঘাইছড়িতে অভিযান চালিয়ে হত্যা মামলার আসামি আইয়ুবকে গ্রেপ্তার করে চট্টগ্রাম নিয়ে গেছে। সেখানে মাকসুদুল হক চৌধুরী মাসুদ হত্যা মামলায় তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত ও আইনি কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

জিয়াউর রহমান জুয়েল/অন্তরা/

গোয়ালন্দে প্রশাসনের ওপর হামলা চালিয়ে আসামিকে ছিনিয়ে নিল মাদক ব্যাবসায়ীরা

প্রকাশ: ২১ জুন ২০২৬, ১০:৪৭ এএম
আপডেট: ২১ জুন ২০২৬, ১০:৫৭ এএম
গোয়ালন্দে প্রশাসনের ওপর হামলা চালিয়ে আসামিকে ছিনিয়ে নিল মাদক ব্যাবসায়ীরা
ছবি: খবরের কাগজ

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়ায় মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনাকালে প্রশাসনের ওপর হামলা চালিয়ে হ্যান্ডকাপসহ আটক আসামিকে ছিনিয়ে নিয়েছে স্থানীয় মাদক ব্যাবসায়ীরা।

হামলায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কয়েকজন সদস্য আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

শনিবার (২০ জুন) বিকেলে দৌলতদিয়া পুড়াভিটা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, গোয়ালন্দ উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মুনতাসীর হাসান খানের নেতৃত্বে দৌলতদিয়া এশিয়া বোর্ডিং এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। এ সময় গাঁজাসহ আশীষ চন্দ্র শীল (২৬) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ভ্রাম্যমাণ আদালত মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় আশীষ চন্দ্র শীলকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০০ টাকা অর্থদণ্ড দেন।

একই অভিযানে দৌলতদিয়া পুড়াভিটার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী বেবীর ছেলে ফয়সাল (২৪) কে মাদকসহ আটক করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সদস্যরা।

পরে তাকে হ্যান্ডকাফ পরানো হলে মাদক ব্যবসায়ীরা অভিযানকারী দলের ওপর হামলা চালায়। একপর্যায়ে তারা হ্যান্ডকাফসহ আটক ফয়সালকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়।

গোয়ালন্দ উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মুনতাসীর হাসান খান বলেন, “অভিযানে দুইজনকে মাদকসহ আটক করা হয়। একজনকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে সাজা দেওয়া হয়েছে। অপর আসামি ফয়সালকে মাদক ও নগদ টাকাসহ আটক করা হয়েছিল। তাকে হ্যান্ডকাফ পরানোর পর পুড়াভিটার সংঘবদ্ধ মাদক ব্যবসায়ীরা হামলা চালিয়ে তাকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়।”

রাজবাড়ী মাদক দ্রব‌্য নিয়ন্ত্রণ অ‌ধিদপ্ত‌রের উপপ‌রিচালক আবু আব্দুল্লাহ জাহিদ জানান, ছি‌নি‌য়ে নি‌য়ে যাওয়া আসামি ফয়সাল‌কে এখ‌নো গ্রেপ্তার করা যায়নি।

সুমন বিশ্বাস/তামান্না রুপা/

মোহনগঞ্জে ধর্ষণ মামলায় স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার আত্মসমর্পণ

প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ১২:৩৯ পিএম
আপডেট: ২০ জুন ২০২৬, ১২:৫৮ পিএম
মোহনগঞ্জে ধর্ষণ মামলায় স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার আত্মসমর্পণ
ধর্ষণ মামলার পর থানায় আত্মসমর্পন করেন পলাতক আসামি ও বহিষ্কৃত স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মহন তালুকদার

নেত্রকোণার মোহনগঞ্জে ১০ বছর বয়সী শিশু ধর্ষণ ও অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার মামলায় পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন অভিযুক্ত স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মো. মহন তালুকদার।

শুক্রবার (১৯ জুন) রাত পৌনে ১টার দিকে মোহনগঞ্জ থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করেন তিনি।

এ সময় স্থানীয় সাংবাদিকদের কাছে তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করে বলেন, ‘আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই আত্মসমর্পণ করেছেন।’

মামলা হওয়ার পর থেকেই অভিযুক্ত মহন তালুকদার গা ঢাকা দিয়েছিলেন। কিন্তু তার ব্যক্তিগত ফেসবুক প্রোফাইলে এ বিষয়ে বেশ কয়েকটি পোস্ট করেন মহন। পুলিশ এতদিন তাকে গ্রেপ্তার করেনি। ধর্ষণের অভিযোগের পর তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়।

মোহনগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাফিজুল ইসলাম হারুন আত্মসমর্পণের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য ও মামলার নথি থেকে জানা যায়, শিশুটির বাবা জীবিকার তাগিদে দেশের বিভিন্ন এলাকায় দিনমজুরের কাজ করেন। মা স্থানীয়ভাবে বাসাবাড়িতে কাজ করে তিন মেয়েকে নিয়ে সংসার চালান। এরকম অবস্থায় গত বছরের ৯ ডিসেম্বর দুপুরে শিশুটির মা কাজের জন্য বাইরে গেলে ঘরে শিশুটি ও তার দুই ছোট বোন ছিল। এ সময় প্রতিবেশী মহন তালুকদার ঘরে ঢুকে শিশুটিকে ধর্ষণ করেন। বিষয়টি কাউকে জানালে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়। ভয়ে শিশুটি ঘটনাটি দীর্ঘদিন গোপন রাখে।

ওসি মো. হাফিজুল ইসলাম হারুন বলেন, আসামি মহন তালুকদারকে আইনি প্রক্রিয়া শেষে আদালতে পাঠানো হবে।

তামান্না রুপা/