ঢাকা ৩ আষাঢ় ১৪৩৩, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
মৌলভীবাজারে বৃষ্টি উপেক্ষা করে জনসভাস্থলে নেতাকর্মীদের ঢল ব্যাপন, অভিস্রবণ ও প্রস্বেদন অধ্যায়ের ৭টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৪র্থ পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান ইসলামী ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা রাজনীতিতে অংশ নিতে পারবেন না বেরোবিতে রিডিং রুমের কাজ অসম্পূর্ণ রেখে হলে টিভি স্থাপন, শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ সংবাদ উপস্থাপক থেকে জনপ্রতিনিধি: শামীমা তন্বীর অসাধারণ অভিযাত্রা ন্যাশনাল ব্যাংকে চাকরির সুযোগ স্বীকৃত কূটনৈতিক পথে সমাধান খুঁজতে হবে ডাচ্-বাংলা ব্যাংকে ৩০ শতাংশ ডিভিডেন্ড অনুমোদন নারী থাকুক নিরাপদে... মৌলভীবাজারে তারেক রহমানের জনসভায় চিরচেনা বিলবোর্ড-ব্যানারের অনুপস্থিতি স্বপ্নে জীবিত দেখার দাবি! ১৮ দিন পর তরুণীর কবর খনন নওগাঁয় রেল লাইনের পাশ থেকে কলেজশিক্ষকের মরদেহ উদ্ধার টুকটুক ও চিকু পাঠ থেকে ২টি অনুশীলনীর প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বাংলা মেসির হ্যাটট্রি গোলে আর্জেন্টিনার জয়, হিলিতে সমর্থকদের উচ্ছ্বাস ‘আমরা সবচেয়ে বিখ্যাত জুটি’, মোদিকে জর্জিয়া মেলোনি সিলেটে একদিনে হামের উপসর্গে আরও তিন শিশুর মৃত্যু নাটোরে বলাৎকার মামলায় ২ জন কারাগারে ডলার স্থিতিশীল, বেড়েছে ইউরো ও পাউন্ডের দাম চাঁদপুরে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস রাসুল (সা.)-এর চুল সাদা হলেও যেমন দেখাত ১৯৭৮ সালে এসেছিলেন প্রেসিডেন্ট বাবা, ৪৮ বছর পর একই মাঠে প্রধানমন্ত্রী ছেলে লক্ষ্মীপুরে স্কুলছাত্রের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে বিদ্যালয় ভাঙচুর সিলেটে বৃষ্টিতে ভিজে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানালেন চা শ্রমিকরা ‘সমর্থকরা আর্জেন্টিনার এই দলকে নিয়ে পাগল’, ইতিহাস গড়ার পর মেসি সিলেট পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী ইরানি কৌশলেই উপসাগর থেকে গোপনে তেল সরাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বকাপে ইতিহাস বদলানোর হুঙ্কার টমাস টুখেলের ঘণ্টায় ১০ লাখ ডলার খরচ করলেও ১১৪ বছরে শেষ হবে না মাস্কের সম্পদ প্রধানমন্ত্রীকে বরণে প্রস্তুত মৌলভীবাজারবাসী রংপুরে আওয়ামী লীগ নেতা আখতারুজ্জামান ভুট্টু গ্রেপ্তার
Nagad desktop

আশরাফুল ও জরেজুলের সঙ্গে একসঙ্গে পরকীয়া করতেন শামীমা!

প্রকাশ: ১৫ নভেম্বর ২০২৫, ১০:৫৮ এএম
আপডেট: ১৭ নভেম্বর ২০২৫, ০৯:১১ এএম
আশরাফুল ও জরেজুলের সঙ্গে একসঙ্গে পরকীয়া করতেন শামীমা!
ছবি: সংগৃহীত

পরকীয়ার জেরে রংপুরের কাঁচামাল ব্যবসায়ী মো. আশরাফুল হককে (৪২) হত্যা করা হয়। পরে তার লাশ টুকরো টুকরো করে ড্রামে ভরে ফেলে দেওয়া হয় রাজধানীর হাইকোর্ট সংলগ্ন জাতীয় ঈদগাহ মাঠের গেটের কাছে। এ ঘটনায় নিহতের বন্ধু মো. জরেজুল ইসলাম ও শামীমা আক্তার নামে বিবাহিত এক নারীকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গতকাল শুক্রবার রাত ১০টার দিকে কুমিল্লার দাউদকান্দি থেকে জরেজুলকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। অন্যদিকে র‍্যাব-৩ এর একটি দল লাকসাম থেকে হত্যায় জড়িত আশরাফুলের পরকীয়া প্রেমিকা শামীমাকেও গ্রেপ্তার করে। এ সময় হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত বিভিন্ন আলামত জব্দ করা হয়। 

এর আগে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে ঢাকার হাইকোর্ট সংলগ্ন জাতীয় ঈদগাহ মাঠের গেটের কাছে দুটি নীল রঙের ড্রাম থেকে ব্যবসায়ী আশরাফুলের মরদেহের ২৬টি খণ্ডিত অংশ উদ্ধার করে পুলিশ।

ডিবি সূত্র জানায়, কুমিল্লার বাসিন্দা শামীমা আক্তারের এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। শামীমার স্বামী সৌদি প্রবাসী। তিন বছর আগে ফেসবুকে সম্পর্ক হয় মালয়েশিয়া প্রবাসী জরেজুল ইসলামের সঙ্গে। পরে ছুটিতে দেশে আসলে শামীমার সঙ্গে জরেজুলের শারীরিক সম্পর্ক শুরু হয়।

অন্যদিকে একই এলাকায় থাকা জরেজুল ও আশরাফুলের মধ্যে গভীর বন্ধুত্ব ছিল। দীর্ঘদিন পর মালয়েশিয়া থেকে দেশে ফিরে জরেজুল সবসময় আশরাফুলের সঙ্গেই বেড়াতেন। জরেজুলের মাধ্যমেই আশরাফুলের সঙ্গে শামীমার পরিচয় হয়। এরপর আশরাফুলের সঙ্গেও শামীমার পরকীয়ার সম্পর্ক গড়ে ওঠে। দুজনের সঙ্গেই শারীরিক সম্পর্ক চলতো শামীমার।

সম্প্রতি  জরেজুল ঢাকায় এসে দক্ষিণ দনিয়ায় একটি বাসা ভাড়া নেন। শামীমা তার ছেলে-মেয়েকে কুমিল্লায় রেখে সেখানে এসে ওঠেন। ঘটনার দিন আশরাফুল ও জরেজুল একসঙ্গেই ওই বাসায় যান। ওই সময় জরেজুলের সঙ্গে শামীমার শারীরিক সম্পর্ক হয়। এটি জেনে জরেজুলের অগোচরে আশরাফুলও শামীমার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করতে চান। তখন শামীমা আশরাফুলের সঙ্গেও শারীরিক সম্পর্ক করেন। 

কিন্তু কোনো ভাবে বিষয়টি টের পেয়ে যান জরেজুল। তখন ক্ষিপ্ত হয়ে বাসা থেকে বের হয়ে যান তিনি। বের হওয়ার সময় ভুলে আশরাফুলের মোবাইলটি সঙ্গে নিয়ে যান তিনি। পরে নিজের মোবাইলটি নিতে এসে শামীমা ও আশরাফুল একসঙ্গে ঘুমিয়ে থাকতে দেখেন জরেজুল। ওই সময় জরেজ বাসার ভেতরে লুকিয়ে রাতের জন্য অপেক্ষা করতে থাকেন। রাতে শামীমা ও আশরাফুল আবারও শারীরিক সম্পর্ক করলে জরেজুল তা মেনে নিতে পারেনি। পরে আশরাফুলকে বালিশচাপা দিয়ে ধরেন জরেজুল। ওই সময় শামীমাও সেখানে ছিলেন।

এক পর্যায়ে হাতুড়ি দিয়ে মাথায় আঘাত করলে আশরাফুল মারা যান। হত্যার পর মরদেহ দুই দিন বাসায় রেখে দুইজন ভাবতে থাকে কী করা যায়। পরে দুইজন মিলে আশরাফুলের দেহ ২৬ টুকরো করে দুটি ড্রামে ভরে হাইকোর্ট সংলগ্ন জাতীয় ঈদগাহ মাঠের সামনে রেখে কুমিল্লায় পালিয়ে যান।

এ বিষয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ-ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার (ডিবি-দক্ষিণ) মোহাম্মদ নাসিরুল ইসলাম সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ত্রিভুজ পরকীয়া প্রেমের জের ধরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে। আশরাফুল ও জরেজুল ইসলাম একে অপরের বন্ধু। শামীমা নামে কুমিল্লার এক প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে তাদের দুজনেরই পরকীয়ার সম্পর্ক গড়ে উঠে। ‌ এই সম্পর্ককে কেন্দ্র করে আশরাফুল তার বন্ধু জরেজুল ও প্রেমিকা শামীমার হাতে খুন হয়। 

তিনি বলেন, মরদেহ উদ্ধারের পর থেকে বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করে ডিবি। পরে তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। এ বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়াও চলমান।

কালুখালীতে অগ্নিদগ্ধ মরদেহ: মূল পরিকল্পনাকারীসহ গ্রেপ্তার ৩

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ০৯:৩১ এএম
আপডেট: ১৭ জুন ২০২৬, ০৯:৪২ এএম
কালুখালীতে অগ্নিদগ্ধ মরদেহ: মূল পরিকল্পনাকারীসহ গ্রেপ্তার ৩
ছবি: খবরের কাগজ

রাজবাড়ীর কালুখালী উপজেলায় যুবক আশাদুল ইসলামকে হত্যা করে মরদেহে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার ঘটনায় মূল পরিকল্পনাকারীসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

ঋণের টাকা পরিশোধ নিয়ে বিরোধের জের ধরে পূর্বপরিকল্পিতভাবে এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয় বলে জানায় পুলিশ।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) বিকেলে পুলিশ সুপারের কার্যালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

গত ১৫ জুন সকাল সাড়ে ৭টার দিকে কালুখালী উপজেলার মদাপুর ইউনিয়নের সূর্যদিয়া গ্রামের একটি মাদরাসার পেছনের পাটখেত থেকে আশাদুল ইসলামের (২২) অগ্নিদগ্ধ মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনি উপজেলার বিল মানুষমারি গ্রামের শাহজাহান মণ্ডলের ছেলে।

ঘটনায় নিহতের বাবা শাহজাহান মণ্ডল বাদী হয়ে কালুখালী থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলার পর কালুখালী থানা পুলিশ ও জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) যৌথভাবে তদন্ত শুরু করে।

পুলিশ জানায়, প্রায় চার মাস আগে আশাদুল ইসলাম মদাপুর গ্রামের কাউসার শেখের ছেলে মিজান শেখের (২৪) কাছ থেকে ৬৮ হাজার টাকা ধার নিয়েছিলেন। নির্ধারিত সময়ে টাকা পরিশোধ করতে না পারায় দুজনের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। এরই জেরে পূর্বপরিকল্পিতভাবে মিজান শেখ ও তার সহযোগীরা আশাদুলকে হত্যা করেন। পরে হত্যার আলামত নষ্ট এবং পরিচয় গোপনের উদ্দেশ্যে মরদেহে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়।

সহকারী পুলিশ সুপার (পাংশা সার্কেল) দেবব্রত সরকারের নেতৃত্বে কালুখালী থানা পুলিশ ও জেলা গোয়েন্দা শাখার একটি যৌথ টিম অভিযান চালিয়ে মামলার তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তাররা হলেন- মদাপুর গ্রামের মিজান শেখ (২৪), পশ্চিম রতনদিয়া গ্রামের আসমত মণ্ডলের ছেলে আনোয়ার মণ্ডল (৪৪) এবং সূর্যদিয়া গ্রামের শাহাজউদ্দীনের ছেলে আব্দুল করিম মোল্লা (৩৫)।

পুলিশ আরও জানায়, মামলার মূল আসামি মিজান শেখ আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল, রক্তমাখা একটি হেলমেট, একটি এসএস পাইপ (রড) এবং একটি লোহার ফোল্ডিং স্টিক উদ্ধার করা হয়েছে।

কালুখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তফা কামাল বলেন, হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী মিজান শেখ। তার কাছ থেকেই ভিকটিম টাকা ধার নিয়েছিল। ঋণের টাকা নিয়ে বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়। হত্যার পর মরদেহে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়, যাতে কোনো ধরনের আলামত বা ফিঙ্গারপ্রিন্ট না থাকে।

তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তারদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। মামলার সঙ্গে জড়িত অন্য অজ্ঞাতনামা আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

সুমন বিশ্বাস/খাদিজা রুমি/

জাল ভিসায় ইউরোপে মানব পাচারের অভিযোগ

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ০৯:০৫ এএম
আপডেট: ১৭ জুন ২০২৬, ০৯:১৪ এএম
জাল ভিসায় ইউরোপে মানব পাচারের অভিযোগ
ছবি: সংগৃহীত

জাল ‘শেনজেন’ ভিসায় ইউরোপের দেশ ইতালিতে মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালানের অভিযোগে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের এক কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। গ্রেপ্তার মোহাম্মদ আখলাছুর রহমান (৪০) বিমানের জুনিয়র অফিসার (গ্রাউন্ড সার্ভিস, আইএনএস গেট) হিসেবে কর্মরত। গতকাল মঙ্গলবার (১৬জুন) ভোরে জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার নিলক্ষীয়া বাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে সিআইডি।
 
গতকাল এক সংবাদ সম্মেলনে সিআইডির সিরিয়াস ক্রাইম বিভাগের বিশেষ পুলিশ সুপার (এসএসপি) মোহাম্মদ বদরুল আলম মোল্লা জানান, ইতালিতে চাকরি ও উন্নত জীবনের প্রলোভন দেখিয়ে মানব পাচারকারী একটি চক্র কয়েকজন ভুক্তভোগীর কাছ থেকে ৩০ লাখ টাকায় চুক্তি করে। চুক্তির ২০ লাখ টাকা অগ্রিম নিয়ে তাদের নেপাল ও ইতালিগামী টিকিট, বোর্ডিং পাস এবং ইতালির ভুয়া শেনজেন ভিসা সরবরাহ করে চক্রটি।

সিআইডি জানায়, গত ২৬ মে বিমানের একটি ফ্লাইটে ইতালির উদ্দেশে রওনা হওয়ার পর রোমের ফিউমিচিনো লিওনার্দো দা ভিঞ্চি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তারা পৌঁছালে ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ ভিসাগুলো পরীক্ষা করে জাল বলে শনাক্ত করেন। পরে ভুক্তভোগীদের আটক রেখে দুই দিন পর ২৮ মে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়। দেশে ফিরলে ইমিগ্রেশন পুলিশ, সিআইডি ও সংশ্লিষ্ট সংস্থার জিজ্ঞাসাবাদে তারা ঘটনার বিস্তারিত তথ্য দেন। সেই তদন্তে উঠে আসে, মানব পাচারকারী চক্রটি বৈধ কর্মসংস্থানের মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে জাল ভিসা সরবরাহের মাধ্যমে বিপুল অর্থ আত্মসাৎ করেছে। এ ঘটনায় বিমানবন্দর থানায় মামলা করা হয়েছে। পরে গোয়েন্দা তথ্য বিশ্লেষণ ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তদন্তে বিমানের ওই জুনিয়র অফিসার আখলাছুর রহমানের সম্পৃক্ততার প্রমাণ মিললে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার বদরুল আলম বলেছেন, এ ধরনের অপকর্মে একাধিক সংস্থার কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জড়িত থাকার প্রাথমিক তথ্যপ্রমাণ পাওয়া গেছে। মানব পাচারে জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। মানব পাচার চক্রের মূল হোতা ও অন্যান্য সহযোগীকে শনাক্তে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। একই সঙ্গে বিদেশে কর্মসংস্থান বা অভিবাসনের ক্ষেত্রে শুধু সরকার অনুমোদিত ও বৈধ প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানান সিআইডির এই কর্মকর্তা।

গোপালগঞ্জে যৌতুকের জন্য স্বামীর হাতে স্ত্রী খুন

প্রকাশ: ১৫ জুন ২০২৬, ১০:১১ পিএম
গোপালগঞ্জে যৌতুকের জন্য স্বামীর হাতে স্ত্রী খুন
প্রতীকী ছবি

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় যৌতুকের দাবিতে শিল্পী বেগম (৩৫) নামে এক গৃহবধূকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার স্বামী ইকবাল সিকদারের বিরুদ্ধে। হতভাগা শিল্পী বেগম তিন সন্তানের জননী ছিলেন। মাকে হারিয়ে তার দুই মেয়ে ও এক ছেলে এখন দিশেহারা।

সোমবার (১৫ জুন) সকালে কোটালীপাড়া উপজেলার রাধাগঞ্জ ইউনিয়নের বুরুয়াবাড়ী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ঘাতক ইকবালের বাড়ি উপজেলার রাধাগঞ্জ ইউনিয়নের বুরুয়ারবাড়ী গ্রামে।

নিহত শিল্পী বেগমের ভাই ছারোয়ার কাজী অভিযোগ করে বলেন, বিয়ের পর থেকেই যৌতুকসহ নানা অজুহাতে আমার বোনের ওপর নিয়মিত শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালিয়ে আসছিলেন স্বামী ইকবাল সিকদার। গত রবিবার রাতে তাকে পুনরায় অমানুষিক নির্যাতন ও বেদম মারপিট করা হয়। মারধরের একপর্যায়ে শিল্পী বেগমের মৃত্যু হলে ঘাতক স্বামী মরদেহটি গোয়ালঘরে ফেলে পালিয়ে যান। আমরা আমার বোনের হত্যাকারীর ফাঁসি চাই।

কোটালীপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রিয়াদ মাহমুদ জানান, সকালে খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য গোপালগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে পাঠায়। এ ঘটনায় নিহতের স্বামী ইকবাল সিকদার পলাতক থাকলেও, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য অভিযুক্তের বড় ভাই জাকির সিকদারকে পুলিশ হেফাজতে নিয়েছে। পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

বাদল সাহা/নাঈম

শার্শায় প্রবাসীর স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ৩

প্রকাশ: ১৫ জুন ২০২৬, ০৯:৫৫ পিএম
শার্শায় প্রবাসীর স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ৩
গ্রেপ্তার হওয়া তিন আসামি। ছবি: খবরের কাগজ

যশোরের শার্শা উপজেলায় এক প্রবাসীর স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে থানায় মামলার পর অভিযান চালিয়ে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

সোমবার (১৫ জুন) ভোর রাতে তাদের গ্রেপ্তার করা হয় বলে নিশ্চিত করেন শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মারুফ হোসেন।

গ্রেপ্তাররা হলেন, উপজেলার নিজামপুর ইউনিয়নের চান্দুড়িয়া ঘোপ গ্রামের হাসিব আল হাসান (১৯), ছোট বসন্তপুর গ্রামের আব্দুর রহমান ইমন (২২) এবং মেহেদি হাসান টুটুল (২৩)। এ ছাড়া মামলার অন্য দুই আসামি আব্দুল্লাহ আল মামুন (২৪) ও ইমন (২৩) বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ১৩ জুন রাতে প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে ঘরের বাইরে বের হন ওই প্রবাসীর স্ত্রী। এ সময় ওত পেতে থাকা একই গ্রামের আব্দুর রহমান ইমন ও মেহেদি হাসান টুটুলসহ ৫ জন তাকে অস্ত্রের মুখে জোরপূর্বক জিম্মি করে। পরে প্রাণনাশের হুমকি ও ভয়ভীতি দেখিয়ে একটি নির্জন স্থানে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে।

পরে ঘটনার সঙ্গে জড়িত ভুক্তভোগী নারী ৫ জনের নাম উল্লেখ করে শার্শা থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে তাৎক্ষণিকভাবে মামলা রুজু করে পুলিশ। 

শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মারুফ হোসেন বলেন, ভুক্তভোগী নারীর লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে মামলা করা হয়। পরে ভোর রাতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আজ সোমবার দুপুরে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

ওসি আরও জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িত পলাতক দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

নজরুল ইসলাম/নাঈম

কচুয়ায় শিশু ধর্ষণের অভিযোগে ধর্ষক গ্রেপ্তার

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ০৬:৪৫ পিএম
কচুয়ায় শিশু ধর্ষণের অভিযোগে ধর্ষক গ্রেপ্তার
কচুয়া থানায় গ্রেপ্তার হওয়া ধর্ষক শাহ আলম। ছবি: খবরের কাগজ

কচুয়া উপজেলার খিলা হাজী বাড়ির শাহ আলমের বিরুদ্ধে পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ুয়া (১২) তার নাতনিকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযোগে তার বিরুদ্ধে কচুয়া থানায় মামলা করেছেন ভুক্তভোগী শিশুটির মা।

রবিবার (১৪ জুন) মামলার জেরে ধর্ষক শাজাহানকে চাঁদপুরের বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে। 

এর আগে শনিবার (১৩ জুন) রাতে উপজেলার খিলা গ্রাম থেকে ধর্ষক শাহ আলমকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

থানা সূত্রে জানা গেছে, ১৯ মার্চ রাত সাড়ে বারোটার সময় মেয়েটিকে শাহ আলম তার বসত ঘরে ডেকে নিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে। পরে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে অভিযুক্ত শাহ আলম। শিশুটির মা গত ২৮ মে কুমিল্লায় তার মেয়েকে তার কর্মস্থলে নিয়ে গেলে শিশুটির শরীরের পিঠে, গলায় নখের চিহ্ন দেখতে পান এবং তাকে অস্বাভাবিক মনে হয়। পরে শিশুটিকে তার মা জিজ্ঞাসা করলে সে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণের বিষয়টি জানান।

কচুয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো.রাশেদুল হক জানান, ধর্ষকের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করা হয়েছে।  মেডিকেল পরীক্ষার জন্য ভিকটিমকে চাঁদপুর জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

প্রসঙ্গত : চাকুরির সুবাদে মেয়েটির মা কুমিল্লায় বসবাস করত। মেয়েটি উপজেলার রহিমানগর এলাকার একটি মাদরাসার আবাসিক ছাত্রী হিসেবে সেখানে পড়াশোনা করত। 

সঞ্জীব/নাঈম