উত্তর: ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকের দ্বিতীয় অঙ্কের তৃতীয় দৃশ্যে ক্লাইভ তাকে এ যুগের সেরা বিশ্বাসঘাতক বলেছিলেন, কারণ উমিচাঁদ অর্থের মোহে অন্ধ হয়ে যেকোনো ধরনের প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের কাজ করতে পারেন।
উমিচাঁদ অর্থ উপার্জনের জন্য লাহোর থেকে বাংলায় এসেছিল। তার ছিল অর্থের প্রতি সীমাহীন লোভ। অর্থের মোহে পড়ে তিনি যেকোনো কাজ করে দিতে পারতেন। তার চরিত্রে নীতি-নৈতিকতার বালাই ছিল না। অর্থের লোভে তিনি নবাবকে ছেড়ে ইংরেজদের পক্ষে যোগ দিয়েছেন, আবার যদি নবাবের কাছ থেকে বেশি অর্থপ্রাপ্তির সম্ভাবনা দেখা দেয়, তবে তিনি ইংরেজদের ত্যাগ করে নবাবের পক্ষে চলে যেতে দ্বিধা করবেন না। এসব দিক বিবেচনায় ক্লাইভ উমিচাঁদকে এ যুগের সেরা বিশ্বাসঘাতক বলে অভিহিত করেছেন।
উত্তর: ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকের দ্বিতীয় অঙ্কের তৃতীয় দৃশ্যে মীর জাফর ষড়যন্ত্রের দলিলে স্বাক্ষর করা প্রসঙ্গে এ কথা বলেছিলেন।
নবাব সিরাজউদ্দৌলার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করার জন্য তার সিপাহসালার মীর জাফর ও কোম্পানির প্রতিনিধিরা মিরনের বাসগৃহে একত্রিত হয়েছিলেন। যুদ্ধে ক্লাইভ বিজয়ী হলে কে কতটা ভাগ পাবেন, তা নিয়ে দলিল তৈরি করেছিলেন তারা। কিন্তু দলিলে সই করতে গিয়ে চক্রান্তকারীরা তর্কে জড়িয়ে পড়েন।
তখন বিলম্ব না করে দলিলে সই করার মাধ্যমে নিজ স্বার্থকে পাকাপোক্ত করার জন্য মীর জাফর আলোচ্য উক্তিটি করেন। ‘ক্লাইভের গর্দভ’ বলে কুখ্যাত মীর জাফর বুঝতেই পারেননি বাংলাকে তারা চিরতরে ব্রিটিশ শক্তির কাছে বিক্রি করে দিচ্ছিলেন।
আরো পড়ুন : সিরাজউদ্দৌলা নাটকের ৪টি অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর, ৩য় পর্ব, এইচএসসির বাংলা ১ম পত্র
উত্তর: ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকের দ্বিতীয় অঙ্কের তৃতীয় দৃশ্যে ক্লাইভের এ উক্তিতে নবাব সিরাজের অমাত্যবর্গের বিশ্বাসঘাতকতাপূর্ণ চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের প্রকাশ ঘটেছে।
মিরনের বাড়িতে ষড়যন্ত্র সভায় ক্লাইভ নারীর ছদ্মবেশে আসেন। জগৎশেঠ ও রাজবল্লভ ক্লাইভের দুঃসাহস দেখে অবাক হন এবং জানান নবাব যদি জানতে পারেন ক্লাইভ এখানে তবে আর উপায় থাকবে না। বিচক্ষণ ক্লাইভ স্পষ্ট জবাব দেন, নবাবের কোনো শক্তি নেই। যার চারপাশে সবাই বেইমান তিনি কী করে ক্লাইভের ক্ষতি করবেন বা শাস্তি দেবেন। বেইমান হিসেবে বরং ওরাই ক্লাইভের ক্ষতি করতে পারেন। বেইমান চিরকাল বেইমান, ক্লাইভ তা জানতেন।
উত্তর: ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকের দ্বিতীয় অঙ্কের তৃতীয় দৃশ্যে ক্লাইভের ষড়যন্ত্রের দলিলে স্বাক্ষর দিতে গিয়ে মীর জাফর নিজের মনের শঙ্কা প্রকাশ করে এ কথা বলেছিলেন, যা ক্ষণিক বিবেক জাগরণের মতো ব্যাপার ছিল।
নবাবের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে ইংরেজদের সঙ্গে হাত মেলান মীর জাফরসহ নবাবের পরিষদবর্গের প্রায় সবাই। ষড়যন্ত্রের জন্য নিজেদের মধ্যে সমঝোতার দলিল তৈরি করেন ক্লাইভ। ক্লাইভ এ দলিলে সই করতে বললে মীর জাফর ক্ষণিকের জন্য উদ্বিগ্ন হন। তার মনে হয়, নিজেদের স্বার্থের জন্য দেশের চূড়ান্ত ক্ষতি সাধন করছেন না তো তারা? দেশটা যেন বেনিয়াদের হাতে বিক্রি হয়ে গেল। আসলে লোভী, অদূরদর্শী মীর জাফর ক্ষণিকের জন্য বিবেক দ্বারা তাড়িত হলেও তা ছিল অর্থহীন।
লেখক : সহকারী অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ
আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, ঢাকা
কবীর
২৬। মানুষের দেহকোষে কত জোড়া ক্রোমোজোম থাকে?
ক) ২২ জোড়া খ) ২৩ জোড়া
গ) ২৪ জোড়া ঘ) ৪৬ জোড়া
২৭। নিচের কোনটিতে ডিএনএ থাকে না?
ক) ভাইরাসে খ) ই-কলিতে
গ) ব্যাকটেরিয়ায় ঘ) ইএমভিতে
২৮। নিউক্লিক অ্যাসিড হলো-
i. DNA
ii. CNA
iii. RNA
নিচের কোনটি সঠিক?
ক) i ও iii খ) i ও ii
গ) ii ও iii ঘ) i, ii ও iii
আরো পড়ুন : জীবের বৃদ্ধি ও বংশগতি অধ্যায় থেকে ৫টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৫ম পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান
২৯। মানুষের চামড়ার রং নিয়ন্ত্রণ করে নিচের কোনটি?
ক) DNA খ) নিউক্লিয়াস
গ) RNA ঘ) মাইটোকন্ড্রিয়া
৩০। দুটি ক্রোমাটিডের পরস্পর যুক্ত হওয়ার স্থানকে কী বলে?
ক) ক্রোমোজোম খ) সেন্ট্রোজোম
গ) সেন্ট্রোমিয়ার ঘ) ক্রোমোমিয়ার
উত্তর: ২৬. খ, ২৭. ঘ, ২৮. ক, ২৯. ক, ৩০. গ।
লেখক : সহকারী শিক্ষক
লৌহজং বালিকা পাইলট উচ্চবিদ্যালয়, মুন্সীগঞ্জ
কবীর
৬৮. ANSI-এর পূর্ণরূপ কী?
ক. American National Standards Institute
খ. American National Standards Interchange
গ. American National Security Institute
ঘ. American Nations Security Institute
৬৯. ভালো সংগঠনের প্রোগ্রামগুলো কোন সময়ের নিয়ম মেনে চলে?
ক. প্রচলিত খ. আগের
গ. ভবিষ্যৎ ঘ. অদূর ভবিষ্যতের
৭০. ভালো সংগঠনের প্রোগ্রামগুলোর বৈশিষ্ট্য-
i. প্রচলিত নিয়ম মেনে চলে
ii. প্রোগ্রামের বিভিন্ন অংশের মধ্যে সহজ সম্পর্ক থাকে
iii. প্রোগ্রামের গতি প্রবাহ সুনির্দিষ্ট থাকে
নিচের কোনটি সঠিক?
ক. i ও ii খ. i. ও iii
গ. ii. ও iii ঘ. i, ii ও iii
৭১. পাইথন ভাষা আবিষ্কার করেন কে বা কারা?
ক. জন স্ট্রাউস্ট্রপ খ. গিডো ভান রসাম
গ. আইবিএম কোম্পানি ঘ. মাইক্রোসফট কোম্পানি
৭২. কি-ওয়ার্ড কেন ব্যবহৃত হয়?
ক. এটা কিছু সংরক্ষিত শব্দ, যা প্রোগ্রাম করার সময় ব্যবহার করা হয়
খ. একগুচ্ছ ক্যারেক্টার নিয়ে গঠিত
গ. কনস্ট্যান্ট সংখ্যা নিয়ে কাজ করে
ঘ. স্ট্রাকচার নিয়ে কাজ করে
৭৩. ফ্লোচার্টে বৃত্ত দিয়ে কী বোঝায়?
ক. শুরু খ. দিক
গ. সংযোগ ঘ. ইনপুট
৭৪. সব টেস্ট কেসের জন্য প্রোগ্রাম রান করলে প্রোগ্রামকে কী করা হয়?
ক. পুনরায় কোডিং খ. সিলিজ
গ. ডিবাগ ঘ. ডিলিট
৭৫. কে বা কারা ফোরট্রান আবিষ্কার করেন?
ক. জন স্ট্রাউস্ট্রপ খ. গিডো ভান রসাম
গ. আইবিএম কোম্পানি ঘ. মাইক্রোসফট কোম্পানি
৭৬. প্রোগ্রাম লেখার আগে-
i. চিন্তা করতে হয়
ii. ধাপগুলো লিখতে হয়
iii. চিত্ররূপ দিতে হয়
নিচের কোনটি সঠিক?
ক. i ও ii খ. i. ও iii
গ. ii. ও iii ঘ. i, ii ও iii
৭৭. কোন স্টেটমেন্টের সাহায্যে ফলাফল প্রদর্শন করা হয়?
ক. আউটপুট স্টেটমেন্ট খ. লুপিং স্টেটমেন্ট
গ. ইনপুট স্টেটমেন্ট ঘ. কন্ট্রোল স্টেটমেন্ট
৭৮. উচ্চ স্তরের ভাষায় প্রোগ্রাম-
i. লেখা সহজ
ii. পড়া সহজ
iii. সময়সাপেক্ষ
নিচের কোনটি সঠিক?
ক. i ও ii খ. i. ও iii
গ. ii. ও iii ঘ. i, ii ও iii
৭৯. একটি প্রোগ্রামের বিভিন্ন অংশের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ককে কী বলে?
ক. প্রোগ্রামের সংগঠন খ. প্রোগ্রামের ফ্লোচার্ট
গ. প্রোগ্রামের অ্যালগরিদম ঘ. প্রোগ্রামের সুডোকোড
উত্তর: ৬৮. ক, ৬৯. ক, ৭০. ঘ, ৭১. খ, ৭২. ক, ৭৩. গ, ৭৪. খ, ৭৫. গ, ৭৬. ঘ, ৭৭. ক, ৭৮. ক, ৭৯. ক।
লেখক : সহকারী অধ্যাপক
রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা
কবীর
প্রখর, রাজকীয়, ভারসাম্য, বিপন্ন, নখর, ক্ষিপ্র, নির্দিষ্ট
ক. বাঘটি …. গতিতে দৌড়ে শিকার ধরল।
খ. শিকার ধরার সময়ে বাঘের থাবা থেকে বেরিয়ে আসে ….।
গ. মেয়েটির স্মরণশক্তি …..।
ঘ. বাঘটি …. ভঙ্গিমায় বসে আছে।
ঙ. সুন্দরবন ধ্বংস হতে থাকলে বাঘের জীবন …. হবে।
চ. কাজটি…. সময়ের মধ্যে শেষ করতে হবে।
ছ. পরিবেশের বিপর্যয়ের কারণে প্রকৃতির ….. নষ্ট হচ্ছে।
উত্তর: ক. বাঘটি ক্ষিপ্র গতিতে দৌড়ে শিকার ধরল।
খ. শিকার ধরার সময়ে বাঘের থাবা থেকে বেরিয়ে আসে নখর।
গ. মেয়েটির স্মরণশক্তি প্রখর।
ঘ. বাঘটি রাজকীয় ভঙ্গিমায় বসে আছে।
ঙ. সুন্দরবন ধ্বংস হতে থাকলে বাঘের জীবন বিপন্ন হবে।
চ. কাজটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে শেষ করতে হবে।
ছ. পরিবেশের বিপর্যয়ের কারণে প্রকৃতির ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে।
উত্তর: বাংলাদেশের জাতীয় পশুর নাম হলো রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার।
লেখক : সহকারী শিক্ষক
ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, বসুন্ধরা, ঢাকা
কবীর
উত্তর: ব্র্যাক হচ্ছে বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ এনজিও। গ্রামীণ দরিদ্রদের আর্থসামাজিক উন্নয়নের জন্য ব্র্যাক প্রচেষ্টা চালায়। ব্র্যাকের গৃহীত কর্মসূচির মধ্যে পল্লী উন্নয়ন, পল্লী ঋণদান, স্বাস্থ্যসেবা, প্রাথমিক শিক্ষা, ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর উন্নয়ন, দক্ষতা উন্নয়ন, মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা এবং গবেষণা ও মূল্যায়ন অন্যতম। এসব কার্যক্রম বা কর্মসূচিতে সমাজকর্ম পদ্ধতির অনুশীলনের যথেষ্ট সুযোগ বিদ্যমান। নিম্নে পদ্ধতিভিত্তিক অনুশীলন ব্যবস্থা আলোচনা করা হলো-
১. ব্যক্তি সমাজকর্ম ও ব্র্যাকের কার্যক্রম: ব্যক্তি সমাজকর্ম এমন এক সাহায্যকারী প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে ব্যক্তির ভূমিকা পালন ক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে ব্যক্তিগত সামর্থ্যের উন্নয়ন ও বিকাশ সাধন করা হয়। অন্যদিকে ব্র্যাকের উদ্দেশ্য হলো দরিদ্রদের আত্ম সাহায্যে উদ্বুদ্ধ করা, সচেতনতা সৃষ্টিকারী প্রশিক্ষণ দান, প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবা, আর্থসামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধি করা ইত্যাদি। এ ধরনের উদ্দেশ্য সাধনে ব্যক্তি সমাজকর্ম পদ্ধতির প্রক্রিয়া বিশেষ করে সমস্যা নিরূপণ ও হস্তক্ষেপ ব্যবস্থা খুবই ফলপ্রসূ হবে। এ ছাড়া ব্যক্তিভিত্তিক উদ্বুদ্ধকরণেও ব্যক্তি সমাজকর্মীর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।
২. দল সমাজকর্ম: প্রাতিষ্ঠানিকভাবে শিক্ষা বিস্তারে পদক্ষেপ, বেকারত্ব, দূরীকরণ, পুষ্টিহীনতা দূরীকরণ, আয় বৃদ্ধিমূলক পদক্ষেপ, প্রশিক্ষণ কর্মসূচি ইত্যাদি কর্মকাণ্ডে ব্র্যাক দল সমাজকর্ম পদ্ধতি অনুশীলন করে থাকে। এ ছাড়া কৃষি ও মৎস্য চাষ উন্নয়ন প্রকল্প, খামার উন্নয়ন কর্মসূচি, উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা কর্মসূচি, চিত্তবিনোদনের জন্য বিভিন্ন কার্যক্রম, গ্রন্থাগার স্থাপন ও পরিচালনা কর্মসূচি, ব্র্যাক চিকিৎসা কেন্দ্র, নারীর ক্ষমতায়ন ইত্যাদি কর্মকাণ্ডে ব্র্যাক সমাজকর্মের দল সমাজকর্ম পদ্ধতি অনুসরণ করে থাকে।
৩. সমষ্টি সমাজকর্ম: ব্র্যাকের বিভিন্ন কর্মসূচিতে সমষ্টি সমাজকর্মের প্রয়োগ দেখা যায়। অ্যাসিড এবং সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ব্র্যাকের সামাজিক আন্দোলনের একটি উদাহরণ। স্বাস্থ্য, শিক্ষা, সমবায়, দারিদ্র্য বিমোচন, কৃষি উন্নয়ন ইত্যাদি কর্মকাণ্ডে ব্র্যাককে কখনো কখনো সমষ্টি সমাজকর্মের অনুশীলন করতে দেখা যায়।
৪. সমাজকল্যাণ প্রশাসন: ব্র্যাক সমন্বিত ব্যবস্থার মাধ্যমে বঞ্চিত ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর আর্থসামাজিক উন্নয়নে বিভিন্ন সময় যেসব কার্যক্রম গ্রহণ করে সেগুলো বিশ্লেষণ করলে সমাজকর্মের এ পদ্ধতির প্রয়োগ দেখা যায়। স্থানীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থার সঙ্গে সমাজকল্যাণমূলক প্রশাসনিক ব্যবস্থার সমন্বয় সাধনের মাধ্যমে ব্র্যাক কার্যকরভাবে সেবা দিয়ে থাকে।
৫. সমাজকর্ম গবেষণা: মানসম্মত নীতি প্রণয়ন, সমস্যা বিশ্লেষণ ও বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি নির্ভর সেবার জন্য ব্র্যাক সুপরিচিত। এক্ষেত্রে কার্যকরী নীতি প্রণয়ন ও সমস্যা সমাধানের বাস্তবতা নির্ভর রূপকল্প নীতি বাস্তবায়নে সামাজিক গবেষণার অনুশীলন লক্ষ করা যায়।
৬. সামাজিক কার্যক্রম: ব্র্যাক জনগোষ্ঠীর আত্মসচেতনতা সৃষ্টি, বঞ্চিত, দুস্থ, প্রান্তিক ও দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মধ্যে আত্মবিশ্বাস ও উন্নয়ন চেতনা সৃষ্টি করার লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। অপুষ্টি দূরীকরণ, নারী নির্যাতন প্রতিরোধ, মা ও শিশুর স্বাস্থ্যের উন্নয়ন, জেন্ডার সমতা, কুটির শিল্পের উন্নয়ন প্রভৃতি কার্যক্রমে সামাজিক কার্যক্রম পদ্ধতির অনুশীলন লক্ষ করা যায়।
লেখক : প্রভাষক, সমাজকর্ম বিভাগ
শের-ই-বাংলা স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মধুবাগ, মগবাজার, ঢাকা
কবীর