ঢাকা ৬ আষাঢ় ১৪৩৩, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
দ্রুততম গোলে এগিয়ে বিরতিতে মরক্কো সুইডিশ সমর্থকদের ‘ইয়েলো মার্চ’ রদ্রিকে নিয়ে সমালোচনা ‘অপমানজনক’ ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যয়ে স্পেন ৭২ সেকেন্ডে গোল করে বিশ্বকাপে রেকর্ড মরক্কোর জয়ের খোঁজে নেদারল্যান্ডস ফুরফুরে মেজাজে ইংলিশরা অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ২-০ গোলে জয় পেল যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণে বিধিনিষেধ ফিফার কাছে অভিযোগ করবে ইরান ২-০ গোলে এগিয়ে যুক্তরাষ্ট্র শুরুতেই আত্মঘাতী গোলে এগিয়ে গেল যুক্তরাষ্ট্র ব্রাজিল-হাইতি ম্যাচে অভিষেক হবে স্প্যানিশ হার্নান্দেজের সিরিজ হারের পর বাংলাদেশ শিবিরে দুসংবাদ হোর্হে মেসির গুজব ছড়ানোয় বরখাস্ত তিস্তা মহাপরিকল্পনা শিগগিরই একনেকে পাস হবে: পানিসম্পদমন্ত্রী চাঁদপুরের সানজিদার বিশ্বজয়, যুক্তরাষ্ট্রে ৬ কোটি টাকার পূর্ণাঙ্গ বৃত্তি জাবিতে শিক্ষামন্ত্রীর আগমনে ছাত্র ইউনিয়নের প্রতিবাদ ধর্ষণের অভিযোগে বিচারের মুখোমুখি মরক্কোর অধিনায়ক হাকিমি গণপিটুনির শিকার চার ডিবি সদস্য গ্রেপ্তার, অপহরণ চেষ্টার মামলা শিশুস্বাস্থ্যে বড় উদ্যোগ, ৬ মাসে চালু ৫ বিশেষায়িত হাসপাতাল জামালপুরে প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ বিশ্বকাপে মরক্কোর নতুন বিস্ময় আয়ুব বুয়াদ্দি সংবাদ প্রকাশের জেরে বগুড়ার সাংবাদিক কারাগারে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রদলের ২৬১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা ব্রাজিল ম্যাচে থাকছে বিরল ৫০০ বছরের পুরোনো ফুটবল লেখক শিবিরের ১৭তম জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত ইসরাইল-হিজবুল্লাহ সংঘাতে যুদ্ধবিরতি কার্যকর, স্বস্তির আশা ছারছীনা দরবার শরীফের মরহুম পীর ছাহেব স্মরণে মিশরে আন্তর্জাতিক সেমিনার হিলি স্থবন্দরের পাইকারি বাজারে বেড়েছে চালের দাম অস্ট্রেলিয়ার গতিময় কাউন্টার-অ্যাটাকে সতর্ক যুক্তরাষ্ট্র নোয়াখালীতে মোটরের তারে জড়িয়ে প্রাণ গেলো মা-ছেলের

Unemployment Problem বিষয়ক Writing Paragraph, ২৬তম পর্ব, এইচএসসির ইংরেজি ২য় পত্র

প্রকাশ: ৩১ মে ২০২৬, ০৫:১১ পিএম
Unemployment Problem বিষয়ক Writing Paragraph, ২৬তম পর্ব, এইচএসসির ইংরেজি ২য় পত্র
বাংলাদেশে জনসংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে বেকারত্বের সমস্যা দেখা দিয়েছে। প্রতীকী ছবি- সংগৃহীত

Writing Paragraph

Unemployment Problem

Unemployment problem is one of the greatest problems of Bangladesh and so many educated and skilled people have to live in utter poverty. There was a time when there was no unemployment problem but with the increase of population unemployment problem has emerged. Earlier, most of the people of our country were employed in agriculture and small industry but during the reign of the English colonialists the backbones of these industries broke down. With the advent of machines in small industry sectors, job opportunities decreased dramatically. Nowadays most of the machinery has been made automated, which are serving as substitutes for thousands of people. This has created unemployment

আরো পড়ুন : Gender Discrimination বিষয়ক Writing Paragraph, ২৫তম পর্ব, এইচএসসির ইংরেজি ২য় পত্র

problem on a great scale. Industrialization has not developed largely in our country so employment opportunities have not increased. Besides, very few people of our country are skilled and equipped with the necessary knowledge and techniques. There are many other reasons of unemployment problem but however acute the unemployment problem is, it is not we can tackle this problem by taking some measures. A drastic change has to be brought about in the present educational system. The establishment of small industry has to be encouraged. Government should take initiative to industrialize the country and have to establish vocational training centers.

লেখক : সহযোগী অধ্যাপক, ইংরেজি বিভাগ
আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, ঢাকা

কবীর

প্রাকৃতিক ভূগোল অধ্যায়ের ১৩টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৪র্থ পর্ব, এইচএসসির ভূগোল ১ম পত্র

প্রকাশ: ১৯ জুন ২০২৬, ১১:০০ এএম
প্রাকৃতিক ভূগোল অধ্যায়ের ১৩টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৪র্থ পর্ব, এইচএসসির ভূগোল ১ম পত্র
প্রাকৃতিক ভূগোলের আধুনিক রূপকার ভন হামাবোল্ট। প্রতীকী ছবি- সংগৃহীত

প্রথম অধ্যায় : প্রাকৃতিক ভূগোল

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর

৩৬। ভূত্বকের বৈচিত্র্যের ইতিহাস, গঠন, বিন্যাস ভূগোলের কোন শাখায় আলোচনা করা হয়?
ক) বারিতত্ত্বে        খ) ভূমিরূপ বিদ্যায়
গ) হিমবাহতত্ত্বে    ঘ) জীব ভূগোলে

৩৭। প্রাকৃতিক ভূগোলের পরিসরের অন্তর্ভুক্ত নিচের কোনটি?
ক) জনসংখ্যা ভূগোল     খ) বসতি ভূগোল
গ) কৃষি ভূগোল               ঘ) সমুদ্র ভূগোল

৩৮। প্রাকৃতিক ভূগোলের আলোচনার বিষয়বস্তু হলো-
i. নদী, প্লাবন ভূমি, কৃষিকাজ    
ii. বায়ুমণ্ডল, বন্যা, সমুদ্র স্রোতে
iii. ওজোনস্তর, মহীসোপান, জোয়ার
নিচের কোনটি সঠিক?
ক) i ও ii      খ) i ও iii 
গ) ii ও iii     ঘ) i, ii ও iii

৩৯। প্রাকৃতিক পানিচক্রের স্থান ও কালগত বিশ্লেষণ ভূগোলের কোন শ্রেণিভুক্ত?
ক) নদীজ ভূগোল         খ) মৃত্তিকা ভূগোল
গ) প্রাকৃতিক ভূগোল     ঘ) জলবায়ু ভূগোল

৪০। প্রাকৃতিক ভূগোলের আধুনিক রূপকার কে?
ক) ভন হামাবোল্ট    খ) কার্ল রিটার
গ) ড্যাডলি স্ট্যাম্প    ঘ) ফ্রেডরিক র্যাটজেল

৪১। বারিমণ্ডল ভূগোলের কোন শাখার অন্তর্ভুক্ত?
ক) মানব ভূগোল         খ) নগর ভূগোল
গ) আঞ্চলিক ভূগোল    ঘ) প্রাকৃতিক ভূগোল

আরো পড়ুন : প্রাকৃতিক ভূগোল অধ্যায়ের ১১টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৩য় পর্ব, এইচএসসির ভূগোল ১ম পত্র

৪২। প্রাকৃতিক ভূগোল অধ্যয়নের দৃষ্টিভঙ্গি পুনঃপরিবর্তিত হয়েছে কেন?
ক) রাজনৈতিক কারণে    
খ) সময়ের পরিবর্তনে
গ) বিশ্ব উষ্ণায়নের কারণে    
ঘ) আঞ্চলিক কারণে

৪৩। জলবায়ুবিদ্যার উপাদানগুলো হলো-
i. আবহাওয়া ও জলবায়ু    
ii. সাগর ও মহাসাগর
iii. বায়ুর গঠন ও উপাদান
নিচের কোনটি সঠিক?
ক) i ও ii     খ) i ও iii
গ) ii ও iii     ঘ) i, ii ও iii

৪৪। বিংশ শতাব্দী থেকে প্রাকৃতিক ভূগোলে কোন বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে?
ক) জীবতত্ত্ব            খ) সমুদ্রতত্ত্ব 
গ) উপকূলীয়তত্ত্ব    ঘ) বারিতত্ত্ব

৪৫। প্রাকৃতিক ভূগোলের কোন শাখায় ভূত্বকের গঠন নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে?
ক) জলবায়ু বিদ্যায়    খ) পানি বিদ্যায়
গ) ভূমিরূপ বিদ্যায়    ঘ) সমুদ্র বিদ্যায়

৪৬। প্রাকৃতিক ভূগোলের কোন শাখায় ঘূর্ণিঝড় ও টর্নেডো নিয়ে আলোচনা করা হয়?
ক) ভূমিরূপ বিদ্যায়    খ) সমুদ্র বিদ্যা
গ) জলবায়ু বিদ্যায়     ঘ) জীব বিদ্যায়

৪৭। প্রাকৃতিক ভূগোলের অন্তর্ভুক্ত নিচের কোনটি?
ক) নগর ভূগোল    খ) জনসংখ্যা ভূগোল
গ) বসতি ভূগোল    ঘ) ভূমিরূপ ভূগোল

৪৮। প্রাকৃতিক ভূগোলের গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য বিষয় নিচের কোনটি?
ক) পৃথিবীর বর্ণনা    খ) পরিবেশ ও প্রকৃতি
গ) পৃথিবীর জন্ম      ঘ) খনিজ সম্পদ

উত্তর: ৩৬. খ, ৩৭. ঘ, ৩৮. ঘ, ৩৯. গ, ৪০. ক, ৪১. ঘ, ৪২. খ, ৪৩. খ, ৪৪. খ, ৪৫. গ, ৪৬. গ, ৪৭. ঘ, ৪৮. গ।

লেখক : প্রভাষক
ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ঢাকা

কবীর

কৃষিকাজে বিজ্ঞান বিষয়ক প্রবন্ধ রচনা, ১ম পর্ব, এইচএসসির বাংলা ২য় পত্র

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ০৫:৩৫ পিএম
কৃষিকাজে বিজ্ঞান বিষয়ক প্রবন্ধ রচনা, ১ম পর্ব, এইচএসসির বাংলা ২য় পত্র
কৃষিকাজে ড্রোন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে। ছবি- সংগৃহীত

প্রবন্ধ রচনা : কৃষিকাজে বিজ্ঞান

ভূমিকা: আধুনিক যুগ বিজ্ঞানের যুগ। মানুষ আল্লাহ প্রদত্ত জ্ঞান কাজে লাগিয়ে নিত্যনতুন আবিষ্কারের মাধ্যমে সভ্যতার চরম উন্নয়ন সাধন করেছে। সভ্যতার উষালগ্নে মানুষ যেদিন মাটিতে বীজ বুনে ফল ও ফসল ফলাতে শুরু করল, সেদিন থেকেই ফসল উৎপাদনের কাজে নতুন পন্থার উদ্ভাবন হলো। শুরু হলো কৃষিকাজে বিজ্ঞানের প্রয়োগ। ফলে বিশ্বের জনসংখ্যা বৃদ্ধির পাশাপাশি ফসল উৎপাদনের পরিমাণও বৃদ্ধি পেয়েছে।

কৃষি ও সভ্যতা: কৃষিকাজ মানুষের আদিম পেশা। কৃষি কাজের মধ্য দিয়েই যাত্রা শুরু মানবসভ্যতার। সভ্যতার অগ্রযাত্রায় বিভিন্ন স্তরে মানুষ বিভিন্ন পেশা গ্রহণ করলেও খাদ্যের উৎস হিসেবে কৃষির ভূমিকা আজও গৌরবময়। দার্শনিক রুশো বলেছেন, ‘সবচেয়ে বড় এবং সর্বাধিক গৌরবমণ্ডিত শিল্প হচ্ছে কৃষিকাজ’। জর্জ ওয়াশিংটন  বলেছেন, ‘কৃষি হলো সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর, উপকারী এবং  মহৎ পেশা’। কবি আমানত উল্লাহ সোহান তার ‘কৃষকের হাসি’ কবিতায় লিখেছেন-

কৃষকের মুখে হাসি
প্রাণে ভালোবাসা,
সোনালি ফসল পাবে
একটাই আশা।

কৃষি কাজের তাৎপর্য: কৃষিকাজ ও মানবজীবন ওতপ্রোতভাবে জড়িত। মানুষের অস্তিত্ব রক্ষার শ্রেষ্ঠ চাবিকাঠি হচ্ছে কৃষি। মানুষের হৃৎপিণ্ড থেকে রক্ত সঞ্চারিত হয়ে যেমন দেহযন্ত্রকে সবল ও সচল রাখে, কৃষিকাজও তেমনি মানুষকে জোগান দিয়ে থাকে বেঁচে থাকার অপরিহার্য উপকরণ।

বিজ্ঞানের জয়যাত্রা: যেদিন থেকে মানুষ আগুন জ্বালাতে শেখে, যেদিন সে পাথরের অস্ত্র নিয়ে বন্য পশুর সঙ্গে যুদ্ধ শুরু করেছে, যেদিন সে চাকা বানাতে পেরেছে, সেদিন থেকেই বিজ্ঞানের জয়যাত্রা শুরু হয়েছে। সেদিন মানুষ আবিষ্কার করে অন্যান্য প্রাণীর তুলনায় তার ক্ষুদ্র অবয়বে রয়েছে সূক্ষ্ম অথচ প্রবল বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন মস্তিষ্ক। সে প্রকৃতির রহস্য ভেদ করার জন্য নিত্যনতুন তত্ত্ব আবিষ্কার করল। সে প্রকৃতিকে আবিষ্কার করার নেশায় অস্থির হয়ে উঠল। কিছুতেই তার তৃপ্তি নেই। তাই প্রকৃতির দেওয়া শস্যসম্পদে সে সন্তুষ্ট থাকতে পারেনি। আধুনিক কৃষিবিদ্যা রপ্ত করে নিজের রুচির পরিতৃপ্তি পরিপুষ্টি সাধন করছে।

কৃষি বিজ্ঞানের জনক: পৃথিবীর প্রতিটি সৃষ্টি কোনো না কোনো উদ্ভাবকের কৃতিত্বে গঠিত। তেমনই, আধুনিক কৃষি বিজ্ঞানের ভিত্তি স্থাপনকারী ব্যক্তি হলেন জাস্টাস ফন লিবিগ (Justus von Liebig), যাকে আধুনিক কৃষি বিজ্ঞানের জনক বলা হয়। 
জাস্টাস ফন লিবিগ কৃষি বিজ্ঞানে গুরুত্বপূর্ণ তত্ত্ব ও গবেষণার মাধ্যমে এ শাখাকে একটি সুসংগঠিত ও বিজ্ঞানভিত্তিক রূপ দেন। তার গবেষণার মূল লক্ষ্য ছিল মাটির পুষ্টিগুণ, সার ব্যবস্থাপনা এবং ফসল উৎপাদন পদ্ধতির উন্নয়ন। তিনি প্রমাণ করেন যে, উদ্ভিদের বৃদ্ধি নির্ভর করে নির্দিষ্ট কিছু রাসায়নিক উপাদানের উপস্থিতির ওপর- যা পরে কৃষিতে সার ব্যবহারের বৈজ্ঞানিক ভিত্তি স্থাপন করে। তার উদ্ভাবিত তত্ত্ব ও পদ্ধতিগুলো কৃষিক্ষেত্রে বিপ্লব সৃষ্টি করে এবং আজকের আধুনিক কৃষিবিজ্ঞান তার ভিত্তিতেই গড়ে উঠেছে। মানবসভ্যতার অগ্রগতিতে এই বিজ্ঞানীর ভূমিকা আজও চিরস্মরণীয়।

আরো পড়ুন : বাংলাদেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগ বিষয়ক প্রবন্ধ রচনা, ৩য় পর্ব, এইচএসসির বাংলা ২য় পত্র

কৃষি ও কৃষিকাজ: মাটি কর্ষণ করে ফসলের সম্ভার ফলানোর প্রক্রিয়াটিই কৃষিকাজ নামে পরিচিত। আদিকালে মানুষ অস্তিত্ব রক্ষার সংগ্রামে কৃষিকাজের উদ্ভাবন করে। প্রকৃতির দানকে নিজের শক্তি ও সৃষ্টিক্ষমতায় রূপান্তর ঘটিয়ে সে গড়ে তুলেছে কৃষিব্যবস্থা। কৃষির প্রথম উদ্দেশ্য মুখের আহার জোটানো হলেও পরবর্তী সময়ে মানুষ শিল্পের কাঁচামাল থেকে শুরু করে জীবনের সব ধরনের উপকরণ কৃষি থেকে সংগ্রহ করতে শিখেছে। শিল্প যুগে এসে কৃষিক্ষেত্রেও মানুষ বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি ও উপকরণের ব্যবহার করছে। ফলে আজ ভোঁতা কর্ষণসামগ্রী ও পশুশক্তির পরিবর্তে ব্যবহৃত হচ্ছে অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি। ফলে কৃষি  পেশায় আজ এসেছে বৈচিত্র্য ও গতির ছোঁয়া।

কৃষি কাজের গুরুত্ব: কৃষিকাজ দিয়েই মানুষ পৃথিবীতে স্বপোষিত অর্থনৈতিক জীবনের সূত্রপাত করেছিল। এখনো কৃষির ওপর নির্ভর করে মানব জীবনের ধারা বয়ে চলেছে। সারা বিশ্বের মানুষের খাদ্য, শিক্ষা উপকরণ, গৃহ ও অবকাঠামোগত উপকরণের মুখ্য জোগানদাতা কৃষি। বিশ্বের মোট আয়ের ২৭ ভাগ আসে কৃষি থেকে।  মানুষের প্রয়োজন বিবেচনা করে কৃষিক্ষেত্রে অনবরত গবেষণা চলছে এবং এর পরিণামে উন্নত দেশগুলো তাদের কৃষিক্ষেত্রে বৈপ্লবিক পরিবর্তন সাধন করেছে। বেশি করে ফলন বাড়িয়ে উন্নত দেশ একদিকে যেমন নিজেদের অর্থনৈতিক স্বাচ্ছন্দ্য আনছে, তেমনি ঘাটতি পূরণে দেশের জন্য প্রয়োজনীয় খাদ্য সরবরাহ করে মানবজাতিকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করছে।

কৃষি খাতে বিজ্ঞানের প্রভাব:  একবিংশ শতাব্দীর উষালগ্নে বিশ্ববাসীর জীবনে বিজ্ঞান এতটাই প্রভাব ফেলেছে যে, বিজ্ঞান ছাড়া আজ সভ্য মানবজীবনই কল্পনা করা যায় না। কৃষি কাজে বিজ্ঞানের প্রয়োগে ফসল উৎপাদনে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন সাধিত হয়েছে। উন্নত বৈজ্ঞানিক প্রযুক্তি প্রয়োগে আজ মরুভূমিও হয়ে উঠছে শস্যশ্যামল। মানুষ আজ উদ্দাম-উচ্ছৃঙ্খল নদীস্রোতকে বশীভূত করে উষ্ণ মরুপ্রান্তরকে করেছে পানিসিক্ত। অনুর্বর কঠিন ভূমিকে উর্বর করে তাকে করেছে শস্যবতী। এতে শস্য উৎপাদনে সূচিত হয়েছে যুগান্তকারী বিপ্লব। 

কৃষি কাজে বিজ্ঞানের প্রয়োজন: পৃথিবীতে জনসংখ্যা জ্যামিতিক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে, অথচ কৃষি জমি বাড়ছে না; বরং অধিক হারে বাড়িঘর তৈরি হচ্ছে। ফলে কৃষিজমি ক্রমশ কমছে। অন্যদিকে উৎপাদনও বাড়ছে না। বিশেষত, আমাদের দেশের মতো উন্নয়নশীল দেশগুলোতে প্রাচীন পদ্ধতির চাষাবাদের ফলে উৎপাদিত ফসল বাড়তি জনসংখ্যার চাহিদা পূরণ করতে পারছে না। অথচ উন্নত দেশগুলোতে কৃষিক্ষেত্রে ব্যাপকভাবে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ব্যবহারে উৎপাদন বাড়ছে। আমাদের দেশেও মানুষের খাদ্যাভাব পূরণের জন্য কৃষি কাজে বৈজ্ঞানিক প্রযুক্তি ব্যবহার অপরিহার্য হয়ে পড়েছে।

বাংলাদেশের কৃষি:  পশ্চাৎপদতার পটভূমিতে কৃষিক্ষেত্রেও আমাদের প্রত্যাশিত অগ্রগতি আসেনি। কৃষি ও কৃষক বলতে আমাদের চোখের সামনে ভেসে ওঠে জীর্ণ-দীর্ণ মানুষের মুখ, কঙ্কালসার বলদ আর প্রকৃতিনির্ভর উৎপাদন প্রক্রিয়া। কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য কৃষকের ছবি অঙ্কন করেছেন এভাবেই- ‘বহুদিন উপবাসী নিঃস্ব জনপদে, মাঠে মাঠে আমাদের ছড়ানো সম্পদ; কাস্তে দাও আমার এ হাতে।’
আমাদের কৃষিক্ষেত্রে পশ্চাৎপদতার শুরু আজ থেকে অর্ধশত বছর আগে। আজও যে অবস্থার আমূল পরিবর্তন হয়েছে তা আমরা জোর দিয়ে বলতে পারি না। অথচ আমাদের কৃষক সম্প্রদায় জমি চাষের জন্য গবাদি পশুচালিত সনাতন লাঙল ব্যবহার করে। কৃষিপ্রযুক্তি এখনো আমাদের দেশে সুলভ নয়। প্রযুক্তিজ্ঞানও আমাদের সীমিত। ফলে আমাদের কৃষি আজও পিছিয়ে রয়েছে।

(বাকি অংশ ২য় পর্বে প্রকাশ করা হবে)

লেখক : সহকারী অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ
রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা

কবীর

বাংলাদেশের বেসরকারি সমাজ উন্নয়ন কার্যক্রম অধ্যায়ের ১টি প্রশ্ন ও উত্তর, ৪র্থ পর্ব, এইচএসসির সমাজকর্ম ২য় পত্র

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ০৪:৩৯ পিএম
বাংলাদেশের বেসরকারি সমাজ উন্নয়ন কার্যক্রম অধ্যায়ের ১টি প্রশ্ন ও উত্তর, ৪র্থ পর্ব, এইচএসসির সমাজকর্ম ২য় পত্র
শিক্ষার্থীরা শিক্ষকের লেকচার শুনছে ও নোট করছে। ছবি- খবরের কাগজ

সপ্তম অধ্যায় : বাংলাদেশের বেসরকারি সমাজ উন্নয়ন কার্যক্রম

নমুনা প্রশ্ন ও উত্তর

প্রশ্ন: গ্রামীণ ব্যাংকের কার্যক্রমে সমাজকর্ম পদ্ধতির প্রয়োগ ও অনুশীলন সম্পর্কে সংক্ষেপে লেখ।

উত্তর: সমাজকর্ম সাহায্যকারী পেশা হিসেবে বিশ্বে সমাদৃত। সমাজকর্ম পেশার রয়েছে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি, যার মাধ্যমে নানাবিধ সমস্যা সমাধানের প্রচেষ্টা চালানো হয়। শুধু তাই নয়, সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে সমাজকর্মের সব পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়ে থাকে। গ্রামীণ ব্যাংক বাংলাদেশের গ্রামাঞ্চলে বিস্তৃত একটি ক্ষুদ্র ঋণদানকারী স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান। গ্রামীণ ব্যাংকের সার্বিক কর্মকাণ্ড সমাজকর্ম পদ্ধতি অনুশীলনের ব্যাপক সুযোগ রয়েছে।
প্রথমত, গ্রামীণ ব্যাংকের কার্যক্রম দলীয় অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে পরিচালিত হয়। ক্ষুদ্র দলভিত্তিক ক্ষুদ্রঋণ দিয়ে গ্রামীণ ব্যাংক তার কার্যক্রম পরিচালনা করে। এক্ষেত্রে দল সমাজকর্ম পদ্ধতি প্রয়োগ করে সফলতা  পাওয়া সম্ভব। দল সমাজকর্মের হস্তক্ষেপ প্রক্রিয়াগুলো হলো দল গঠন, সমস্যা নির্ণয়, লক্ষ্য নির্ধারণ, মূল্যায়ন। গ্রামীণ ব্যাংকের দলভিত্তিক ঋণদান কার্যক্রমে দল সমাজকর্মের এসব প্রক্রিয়া অতি সহজেই প্রয়োগ করা যায়।
দ্বিতীয়ত, গ্রামীণ ব্যাংকের ঋণগ্রহীতা টার্গেট গ্রুপের সব সদস্য সমভাবে ঋণের সর্বোত্তম ব্যবহার এবং সুফল ভোগ করতে পারেন না। কোনো কোনো ক্ষেত্রে যথাসময়ে ঋণ পরিশোধ করতেও অপারগ হন। এসব ব্যাপারে ঋণগ্রহীতার ব্যক্তিগত সীমাবদ্ধতা ও সমস্যা নির্ণয় করে তাকে ঋণের যথাযথ ব্যবহার এবং ঋণ পরিশোধ করতে সক্ষম করে তোলার ক্ষেত্রে ব্যক্তি সমাজকর্ম পদ্ধতির জ্ঞান, প্রক্রিয়া ও কলাকৌশলের অনুশীলন বিশেষভাবে সহায়ক হতে পারে।
তৃতীয়ত, গ্রামীণ ব্যাংকের শিক্ষা ও স্বাস্থ্য কার্যক্রমেও ব্যক্তি সমাজকর্ম প্রযোজ্য। যেমন- গ্রামীণ ব্যাংকের স্বাস্থ্যকর্মীর দায়িত্ব পালন বা শিক্ষায় ঝরে পড়া রোধে ব্যক্তি সমাজকর্মের জ্ঞান ও দক্ষতা প্রয়োগ করা যায়। 
চতুর্থত, পল্লী উন্নয়ন কর্মসূচির সফলতা নির্ভর করে স্থানীয় নেতৃত্বের ওপর। গ্রামীণ ব্যাংকের সমাপ্ত পল্লী উন্নয়ন কর্মসূচির সফলতায়ও স্থানীয় নেতৃত্বের প্রভাব রয়েছে। গ্রাম্য রাজনীতি ও দ্বন্দ্বমূলক পরিবেশে নেতা নির্বাচন এবং তাদের মাঝে নেতৃত্বের বিকাশ সৃষ্টিতে ব্যক্তি সমাজকর্ম বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাছাড়া যেকোনো দেশের জনগোষ্ঠীর সর্বোচ্চ জীবনযাত্রা নিশ্চিতকরণ ও সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সফল বাস্তবায়নে ব্যক্তি সমাজকর্মের কলাকৌশল প্রয়োগ করা হয়। সেক্ষেত্রে গ্রামীণ ব্যাংকের সমাজ উন্নয়ন ও অন্যান্য কর্মসূচিতেও এই পদ্ধতির সফল প্রয়োগ লক্ষণীয়। মোট কথা, গ্রামীণ ব্যাংকের প্রদত্ত সামাজিক নিরাপত্তামূলক কার্যক্রমে সমাজকর্মের অন্যান্য পদ্ধতির মতো ব্যক্তি সমাজকর্ম পদ্ধতির সক্রিয় প্রয়োগ আবশ্যক।

আরো পড়ুন :  বাংলাদেশের বেসরকারি সমাজ উন্নয়ন কার্যক্রম অধ্যায়ের ১টি প্রশ্ন ও উত্তর, ৩য় পর্ব, এইচএসসির সমাজকর্ম ২য় পত্র

পঞ্চমত, গ্রামীণ ব্যাংকের লক্ষ্যভুক্ত জনগোষ্ঠীর আর্থসামাজিক সমস্যা মোকাবিলা ও উন্নয়নে দলীয় প্রচেষ্টা হিসেবে দল সমাজকর্মের অবদান রয়েছে। ব্যক্তির বিকাশ ও উন্নয়নে, গঠনমূলক দলীয় অভিজ্ঞতার ক্ষেত্রে দল সমাজকর্ম অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। গ্রামীণ ব্যাংকের যেসব অর্থনৈতিক ও সামাজিক কর্মসূচি চালু রয়েছে সেগুলোকে জনগণের চাহিদা ও সম্পদের ওপর ভিত্তি করে পরিকল্পিত কর্মসূচি গ্রহণ ও বাস্তবায়নে দল সমাজকর্ম প্রয়োগ করা যেতে পারে। এক্ষেত্রে ছোট ছোট প্রকল্প গ্রহণের মাধ্যমে জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করছে গ্রামীণ ব্যাংক।
ষষ্ঠত, গ্রামীণ ব্যাংকের অন্য সব কর্মসূচিতে দল ও সমবায় গঠন করে হাঁস-মুরগির খামার, মৎস্য চাষ, দুগ্ধ উৎপাদন, পশুপালন, চাষাবাদ প্রভৃতি আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করার সহজ মাধ্যম হচ্ছে দল সমাজকর্ম পদ্ধতি।
সপ্তমত, অন্যদিকে সমষ্টি উন্নয়ন হচ্ছে একটি আন্দোলন যার মাধমে জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা যায়। গ্রামীণ জনগোষ্ঠীকে সংঘবদ্ধ করে স্বীয় প্রতিভা ও ক্ষমতার বিকাশ এবং সম্পদের সর্বোচ্চ সদ্ব্যবহার করে উন্নত জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত করতে সমষ্টি উন্নয়ন পদ্ধতি প্রয়োগ করা হয়। গ্রামীণ জনসমষ্টির কৃষির উন্নয়নে উন্নতমানের বীজ, যন্ত্রপাতি সরবরাহ, সমবায় কৃষি খামার, কৃষিঋণের ব্যবস্থাকরণসহ অন্যান্য কর্মসূচিতে জনগণের বলিষ্ঠ অংশগ্রহণ নিশ্চিতকরণের অন্যতম উপায় হলো সমষ্টি উন্নয়ন পদ্ধতি।
অষ্টমত, সচেতনতা সৃষ্টি, শিক্ষা আন্দোলন, পরিবার পরিকল্পনা, গৃহনির্মাণ প্রকল্প প্রভৃতিতে সমাজকর্মের সামাজিক কার্যক্রম প্রযোজ্য।
নবমত, গ্রামীণ ব্যাংকের বিভিন্ন কার্যক্রমের আবশ্যকতা নির্ণয়, মাঠপর্যায়ে এর প্রবর্তন, সীমাবদ্ধতা ও গ্রহণযোগ্যতা যাচাইয়ের কাজে গবেষণা ও অনুসন্ধান কার্যক্রমের প্রয়োজন হয়। গ্রামীণ ব্যাংকের সার্বিক কার্যক্রম পরিচালনা ও মূল্যায়নে গবেষণা করা হয়। এক্ষেত্রে সমাজকর্ম গবেষণা পদ্ধতি অনুশীলনের বিশেষ সুযোগ রয়েছে।
দশমত, গ্রামীণ ব্যাংক দেশে-বিদেশে ব্যাপক কার্যক্রম পরিচালনা করে। তাই এর ব্যবস্থাপনা ও প্রশাসনিক ক্ষেত্রে সমাজকল্যাণ জ্ঞান, দর্শন, নীতি ও দক্ষতা প্রয়োগের মাধ্যমে তা কার্যকর করা যেতে পারে। সুতরাং দেখা যাচ্ছে যে, গ্রামীণ ব্যাংকের বিবিধ কার্যক্রমে সমাজকর্মের সবগুলো মৌলিক ও সহায়ক পদ্ধতির প্রয়োগ গ্রামীণ ব্যাংকের কার্যক্রমকে আরও বাস্তবসম্মত ও সফল করে তুলতে পারে।

লেখক : প্রভাষক, সমাজকর্ম বিভাগ
শের-ই-বাংলা স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মধুবাগ, মগবাজার, ঢাকা

কবীর

 

ব্যাপন, অভিস্রবণ ও প্রস্বেদন অধ্যায়ের ৪টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৫ম পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ০২:৪৬ পিএম
ব্যাপন, অভিস্রবণ ও প্রস্বেদন অধ্যায়ের ৪টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৫ম পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান
শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা দেওয়ার পর প্রশ্ন নিয়ে গ্রুপ ডিসকাশন করছে। ছবি- সংগৃহীত

তৃতীয় অধ্যায় : ব্যাপন, অভিস্রবণ ও প্রস্বেদন

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর

২৭। কিউটিকল কোথায় থাকে না-
i. মূলে      
ii. কাণ্ডে 
iii. পাতায়
নিচের কোনটি সঠিক?
ক) i                            খ) ii 
গ) i ও ii                       ঘ) iii

২৮। উদ্ভিদে পানি পরিবহন পরীক্ষার জন্য কোন উদ্ভিদ ব্যবহার করা হয়?
ক) ছোলাবীজের চারা     
খ) হাইড্রেলা 
গ) ঘাস     
ঘ) পেপারোমিয়া

আরো পড়ুন : ব্যাপন, অভিস্রবণ ও প্রস্বেদন অধ্যায়ের ৭টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৪র্থ পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান

২৯। লেন্টিসেল কোথায় থাকে?
ক) কাণ্ডের ত্বকে    
খ) ফুলে 
গ) ফলে     
ঘ) মূলে

৩০। কোষ রসে নিচের কোনটি থাকে?
i. লবণ      
ii. চিনি   
iii. পানি
নিচের কোনটি সঠিক?
ক) i ও iii     
খ) ii ও iii 
গ) i ও ii     
ঘ) i, ii ও iii

উত্তর: ২৭. ক, ২৮. ঘ, ২৯. ক, ৩০. ক।

লেখক : সহকারী শিক্ষক
লৌহজং বালিকা পাইলট উচ্চবিদ্যালয়, মুন্সীগঞ্জ

কবীর

টুকটুক ও চিকু পাঠ থেকে ৩টি অনুশীলনীর প্রশ্ন ও  উত্তর , ৩য় পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বাংলা

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ১২:০৮ পিএম
টুকটুক ও চিকু পাঠ থেকে ৩টি অনুশীলনীর প্রশ্ন ও  উত্তর , ৩য় পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বাংলা
টুকটুক পশুপাখির প্রতি বেশ যত্নবান ছিল। ছবি- সংগৃহীত

পাঠ-৯ : টুকটুক ও চিকু

অনুশীলনীর প্রশ্ন ও উত্তর 

প্রশ্ন: অন্য পশুপাখির যত্নে টুকটুক কী কী করত?

উত্তর: বিড়ালছানা চিকুর প্রতি যত্ন নেওয়ার পর টুকটুক আশপাশের অন্য পশুপাখির প্রতিও বেশ যত্নবান হয়ে উঠল। পাখিদের যত্ন নিতে সে প্রতিদিন জানালার ধারে এক মুঠো ভাত রেখে দিত। গ্রীষ্মের তীব্র গরমে পাখিরা যেন পানি খেতে পারে, তাই বাটি ভরে পানি রেখে দিত। এছাড়া রাস্তায় কোনো ছেলে অন্য বিড়ালছানাকে তাড়া করলে সে দৌড়ে গিয়ে তাদের থামাত এবং ছানাটিকে কোলে তুলে নিরাপদ জায়গায় পৌঁছে দিত। সহপাঠীদের সঙ্গে নিয়ে সে ‘প্রাণীদের বন্ধু’ নামে একটি ক্লাবও গঠন করেছিল।

প্রশ্ন: ‘প্রাণীদের বন্ধু’ ক্লাবটি কীভাবে গঠিত হয়েছিল?

উত্তর: টুকটুক সহপাঠীদের সঙ্গে নিয়ে ‘প্রাণীদের বন্ধু’ নামে একটি ছোটখাটো ক্লাব গঠন করেছিল। ক্লাব গঠনের কাজে তাদের শ্রেণিশিক্ষক সহযোগিতা করেছিলেন।

আরো পড়ুন : টুকটুক ও চিকু পাঠ থেকে ৪টি সংক্ষিপ্ত উত্তর প্রশ্ন, ২য় পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বাংলা

প্রশ্ন: সঠিক উত্তরসহ বাক্যটি লেখ।

ক. টুকটুকের মামাতো ভাইবোনেরা আসবে—।
ঈদের ছুটিতে
শীতের ছুটিতে
গ্রীষ্মের ছুটিতে
পূজার ছুটিতে

উত্তর: টুকটুকের মামাতো ভাইবোনেরা আসবে গ্রীষ্মের ছুটিতে।

খ. ছানাটি জড়োসড়ো হয়ে—।
খিদেয় কাঁপছে
ভয়ে কাঁপছে
ঠাণ্ডায় কাঁপছে
জ্বরে কাঁপছে

উত্তর: ছানাটি জড়োসড়ো হয়ে ভয়ে কাঁপছে।

লেখক : সহকারী শিক্ষক
ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, বসুন্ধরা, ঢাকা

কবীর