টিএসও’এস নৃত্য সংস্থার উদ্যোগ এবং প্রযোজনায় ৮ নৃত্য পরিচালক আগামী ২০ জুলাই তাইওয়ানে তাদের কাজ মঞ্চস্থ করবেন। তারা সবাই ওয়ার্ল্ড ড্যান্স অ্যালায়েন্স এশিয়া প্যাসিফিকের সদস্য।
এই ৮ নৃত্য পরিচালকের একজন বাংলাদেশের আনন্দিতা খান। ১৮ বছর ধরে চলছে তার নৃত্যচর্চা। বর্তমানে তিনি দেশের তরুণ প্রজন্মের প্রথম সারির একজন নৃত্যশিল্পী। একই সঙ্গে কাজ করছেন সাধনা এবং কল্পতরুর ধানমন্ডি শাখার একজন শিক্ষক হিসেবে।
আনন্দিতা খানের পরিচালিত সমসাময়িক নৃত্যলেখ্যটির নাম ‘ইনোসেন্স লস্ট’। এটি একটি মর্মস্পর্শী নৃত্যলেখ্য যা যুদ্ধের ভয়াবহ প্রভাবগুলো অন্বেষণ করে নিষ্পাপ জীবনের ওপর।
এটি শুরু হয় নৃত্যশিল্পীদের সুখী জীবন দিয়ে, মৃদু একটি সুর দোলা দেয়, মঞ্চে শিশুদের শৈশব দেখা যায় তখনই জেট ফাইটারের গর্জন এবং বিস্ফোরণের শব্দে এই প্রশান্তি হঠাৎ ভেঙে পড়ে বিশৃঙ্খলা ও অন্ধকারে। ধোঁয়া ও ধ্বংসের মাঝে বেঁচে থাকার আকুল আন্দোলন চালিয়ে যায়।
একটি কবিতা আবৃত্তি মৃত্যুর দীর্ঘস্থায়ী দুর্গন্ধ এবং চলমান দুর্ভোগের কথা তুলে ধরে। আখ্যানটি মর্মস্পর্শী ফিলিস্তিনিদের দুর্দশা, নির্বাসিত এবং তাদের নিজস্ব ভূমিতে নিপীড়নের গল্প। পরিবেশনাটি এমন দুর্ভোগের মুখে বিশ্বের নীরবতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে। গুলির আওয়াজ আর অবিরাম বিস্ফোরণ নিরলস সহিংসতা তুলে ধরে। ‘ইনোসেন্স লস্ট’ মানবতা, ন্যায়বিচারের জন্য একটি আলোড়ন সৃষ্টিকারী আহ্বান এবং দ্বন্দ্ব দ্বারা বিচ্ছিন্ন নির্দোষ জীবনের স্বীকৃতি।
সালমান/