ঢাকা ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
আর্জেন্টিনা শিবিরে বড় সুসংবাদ হঠাৎই অবসরে উইলিয়ামসন সিলেটের মাজারে দানের টাকার ‘বেহিসেবী’ ঘোচাতে চান ডিসি সারওয়ার বেলকুচিতে উদ্ভাবননির্ভর দেশ গঠনে বিজ্ঞান মেলা টাঙ্গাইলে এলএসডি ভ্যাকসিনেশন কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন চলে গেলেন আধুনিক শিল্পের আইকন ডেভিড হকনি সনকে নিয়ে অস্বস্তিতে দক্ষিণ কোরিয়া ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি এখন শেষ পর্যায়ে? পাকিস্তানের নতুন দাবি নাটকীয় সমাপ্তিতে ১৬ বছর পর চ্যাম্পিয়ন মোহামেডান মন্তব্য ঘিরে আইনি জটিলতা, মমতার বিরুদ্ধে মামলা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতার দ্বারপ্রান্তে ইরান: আরাঘচি সিলেটে ফাহিমা হত্যার ১ মাস পর চার্জশিট দিল পুলিশ বিশ্ববিদ্যালয়, ছয় লেন সড়ক, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন; প্রধানমন্ত্রীর কাছে কক্সবাজারবাসীর যত প্রত্যাশা হাম ও উপসর্গে মোট মৃত্যু ৬৪৩ আক্রান্ত ৮৪২৬৬ স্থায়ী নিয়োগসহ ছয় দফা দাবিতে রাজশাহীতে কর্মচারীদের সমাবেশ সোনারগাঁওয়ে আইফোনসহ ১৪৬ মোবাইল চুরি, প্রায় কোটি টাকা ক্ষতি শাহ আমানত বিমানবন্দরে ৬৪৭ কার্টুন সিগারেট জব্দ প্রথম ম্যাচে খেলা হচ্ছে না ডেভিসের নওগাঁয় দুইদিন মাইকিং করেও মেলেনি ব্রাজিল সমর্থক বর্তমান বাজেটে অর্থনৈতিক সংস্কারের সুযোগ নেই: নাহিদ ইসলাম উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আগুন শেষ ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের ছয় হাসপাতালকে আদ্‌-দ্বীনের রোগী ভর্তি নিতে নির্দেশ হজ পালন শেষে দেশে ফিরলেন ৫২, ৪৯১ হাজি সরকার ব্যাংকমুখী নয় গণমানুষের বাজেট ঘোষণা করেছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঘণ্টাব্যাপী বিভ্রাটের পর স্বাভাবিক ফেসবুক চট্টগ্রামে ডেঙ্গু মোকাবেলায় প্রস্তুতি গ্রহণ দেশপ্রেমের কালজয়ী কণ্ঠকে শিল্পকলার বিশেষ সম্মাননা কুলাউড়া সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত দেশের ভঙ্গুর অবস্থায় ভালো বাজেট হয়েছে: সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী
Nagad desktop

ব্যালেরিনা থেকে গুপ্তচর, অভিনয়ে অস্কারও জিতেছিলেন এ অভিনেত্রী

প্রকাশ: ০৬ জানুয়ারি ২০২৫, ০৬:০৫ পিএম
ব্যালেরিনা থেকে গুপ্তচর, অভিনয়ে অস্কারও জিতেছিলেন এ অভিনেত্রী
অড্রে হেপবার্ন। ছবি: সংগৃহীত

১৯৫০ ও ‘৬০ এর দশকে চলচ্চিত্র ও ফ্যাশন জগতের আইকন হয়ে উঠেছিলেন অড্রে হেপবার্ন। অস্কারের জন্য পাঁচ বার মনোনীত হয়েছিলেন তিনি। ‘রোমান হলিডে’ সিনেমায় অভিনয়ের জন্য সেরা অভিনেত্রী হিসেবে অস্কার জিতেছিলেন ১৯৫৩ সালে। বিশ্বের অসংখ্য মানুষের মন জয় করা এই অভিনেত্রীর জীবনের এমন একটা অধ্যায়ও ছিল যা অনেকেরই অজানা।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় গুপ্তচর হিসেবে কাজ করেছেন তিনি। নাৎসি দখলদারির বিরুদ্ধে গড়ে ওঠা ডাচ প্রতিরোধ বাহিনীর জন্য অর্থ সংগ্রহ করতে ব্যালে মঞ্চস্থ করতেন এই অভিনেত্রী। তখন তিনি কেবল কিশোরী।

বিবিসি রেডিও ৪-এর 'হিস্ট্রিজ ইয়ংগেস্ট হিরোজ' শীর্ষক পডকাস্টে নিকোলা কফলান ইতিহাসের পাতা থেকে উঠে আসা এমন সব তরুণদের গল্প বলছেন যারা বিশ্বকে পরিবর্তন করেছে। বিদ্রোহ, ঝুঁকি ও তরুণ শক্তির মিশেলের অসাধারণ সব গল্পের তালিকায় অড্রে হেপবার্নও স্থাপ পেয়েছেন।

লন্ডনে থাকা অবস্থায় তার বাবা-মা আকৃষ্ট হন ইহুদিবিদ্বেষী ও সহিংস সংগঠন ব্রিটিশ ইউনিয়ন অফ ফ্যাসিস্টস বা বিইউএফ নেতা ওসওয়াল্ড মোসলের প্রতি। নাৎসি জার্মানির মহিমার কথা উল্লেখ করে বিইউএফ এর ম্যাগাজিনের জন্য একটি নিবন্ধও লিখেছিলেন এলা ভ্যান হিমস্ট্রা।

অড্রে হেপবার্নের বয়স যখন ছয় বছর তখন তার বাবা জোসেফ হেপবার্ন রাস্টন বাড়ি ছাড়েন। পরে তাকে গ্রেফতার করা হয়। তার বিরুদ্ধে ‘বিদেশি ফ্যাসিবাদীদের সহযোগী’ হিসেবে ভূমিকা পালনের অভিযোগ ছিল। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়টা ব্রিটিশ কারাগারে কেটেছিল তার।

নীতিগতভাবে নাৎসিদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিলেন অড্রে হেপবার্নের চাচা কাউন্ট অটো ভ্যান লিমবার্গ স্টিরাম। ১৯৪২ সালে একটা প্রতিরোধকারী গোষ্ঠী রটারডামের কাছে একটি জার্মান ট্রেন বিস্ফোরক দিয়ে উড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছিল। এই ঘটনায় জড়িত না থাকার পরও গ্রেফতার করা হয় কাউন্ট লিমবার্গ স্টিরামকে।

নাৎসি এজেন্টরা তাকে ও আরো চারজনকে ধরে জঙ্গলে নিয়ে গিয়ে গুলি করে এবং দেহগুলো মাটি চাপা দিয়ে আসে।

চাচাকে বাবার মতোই ভালোবাসতেন অড্রে হেপবার্ন। এই হত্যাকাণ্ড তার মনের গভীরে দাগ ফেলে এবং তিনি একেবারে ভেঙে পড়েন।

তবে তিনি নাচ ছাড়েননি। করতেন লুকিয়ে। সেফ হাউসের পর্দা নামিয়ে, মোমবাতি জ্বালিয়ে নাচ করতেন যাতে তাকে কেউ দেখতে না পায়।

লুকিয়ে আয়োজন করা ব্যালে অনুষ্ঠানে মৃদু সুরে পিয়ানো বাজানো হতো। কেউ হাততালি দিতে পারতেন না। সব শেষে অনুষ্ঠান থেকে সংগ্রহ করা অর্থ ব্যবহার করা হতো নাৎসিদের বিরুদ্ধে গড়ে তোলা প্রতিরোধ বাহিনীর কাজকর্মের জন্য।

১৯৪৪ সালের বসন্তে হেনড্রিক ভিসার হুফ্ট নামে এক চিকিৎসকের সহকারী হিসেবে কাজ করা শুরু করেন অড্রে হেপবার্ন, যিনি প্রতিরোধ যোদ্ধা দলের সদস্য ছিলেন। তার সঙ্গে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করতেন অড্রে।

যদিও এলার মা ব্যাপকভাবে নাৎসিদের সহযোগী হিসেবেই পরিচিত ছিলেন, কিন্তু তা সত্ত্বেও মি. হুফ্টের সাঙ্ঘাতিকভাবে অড্রে হেপবার্নের সাহায্যের প্রয়োজন ছিল। উদ্দেশ্য ছিল একটাই, নাৎসিদের হাত থেকে লুকিয়ে থাকা হাজার হাজার মানুষকে সাহায্য করা। এই কাজের দায়িত্ব দেওয়ার জন্য যতটা বিশ্বাস থাকা প্রয়োজন তার ঠিক ততটাই ভরসা ছিল মিজ হেপবার্নের ওপর।

ঘটনাটা ১৯৪৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বরের। তখন গীর্জায় ছিলেন মিজ হেপবার্ন। সেই সময় হঠাৎই ইঞ্জিনের তীব্র আওয়াজ শোনা যায়।

ততক্ষণে শুরু হয়ে গিয়েছে ‘অপারেশন মার্কেট গার্ডেন’ যা ছিল রাইন নদীর ওপর বিস্তৃত নয়টা সেতু দখল করার জন্য মিত্র বাহিনীর একটা পরিকল্পনা।

এক ছুটে বাইরে এসে অড্রে হেপবার্ন দেখেন মিত্র বাহিনীর হাজার হাজার সেনা প্যারাসুটের সাহায্যে ভাসছে।

দুর্ভাগ্যক্রমে, নাৎসিদের দু‘টো সাঁজোয়া ওই অঞ্চলে আবার অবস্থান নিচ্ছিল। এলা ভ্যান হিমস্ট্রাসের বাড়ির সামনে নাৎসি ট্যাংক চলাচল করতে থাকে।

যুদ্ধ চলাকালীন অড্রে হেপবার্ন ও তার পরিবার নয় দিন সেলারে লুকিয়ে ছিলেন। যখন তারা বাইরে আসেন, তখন খবর আসে নাৎসিরা জিতেছে।

কাছাকাছি ভবন থেকে মানুষের চিৎকার ভেসে আসে তার কানে। সেখানে নাৎসিদের বিরুদ্ধে গড়ে তোলা ডাচ প্রতিরোধ বাহিনীর সদস্যদের নির্যাতন ও হত্যা করা হচ্ছিল।

জার্মানির উদ্দেশে রওনা হওয়া মিত্রবাহিনীর বৈমানিকরা নেদারল্যান্ডসে জরুরি অবতরণ করতে বাধ্য হয়েছিল। সেই সময় অড্রে হেপবার্নকে দিয়ে তাদের কাছে খবর পাঠাতেন চিকিৎসক হুফ্ট।

এক ব্রিটিশ প্যারাট্রুপারের সঙ্গে দেখা করার জন্য অড্রে হেপবার্নকে জঙ্গলে পাঠিয়েছিলেন ডাক্তার হুফ্ট। অড্রে তার মোজার মধ্যে লুকিয়ে নেন সাংকেতিক বার্তা।

বৈঠকের পর জঙ্গল থেকে বেরিয়ে আসার সময় তিনি লক্ষ্য করেন, তার দিকে ডাচ পুলিশ এগিয়ে আসছে।

এটা দেখে হঠাৎ করে ঝুঁকে বুনো ফুল কুড়াতে শুরু করেন তিনি। তারপর মোহময়ী ভিঙ্গিতে তা পুলিশককর্মীদের দিকে এগিয়ে দেন। মিজ হেপবার্নকে দেখে মুগ্ধ হয়ে তাকে আর বিশেষ জিজ্ঞাসাবাদ করেনি তারা।

এরপর থেকে নাৎসিদের বিরুদ্ধে গড়ে ওঠা প্রতিরোধ বাহিনীর জন্য প্রায়শই বার্তা বহন করতেন তিনি।

সেই সময় নাৎসিদের বিরুদ্ধে সক্রিয় হয়ে ওঠা অড্রে হেপবার্নের মতো কিশোর-কিশোরীদের কথা উল্লেখ করেছেন মি. ম্যাটজেন।

তিনি জানিয়েছেন, নাৎসিরা তেমন গুরুত্ব সহকারে নিত না এই ‘বাচ্চাদের’। আচরণটা ছিল অনেকটা এমন- আমার পথ থেকে সরে যাও বাছা! আর সেটা চোখ এড়ায়নি প্রতিরোধ বাহিনীর সদস্যদের। এটাকেই কাজে লাগায় ডাচরা।

১৯৪৫ সালের ফেব্রুয়ারির মধ্যে রিপোর্ট আসে যে প্রতি সপ্তাহে পাঁচশোর মতো ডাচ অনাহারে মারা যাচ্ছেন। অন্য অনেকের মতোই অড্রে হেপবার্ন ও তার পরিবারও তীব্র খাদ্য সংকটে ভুগছিলেন। তিনি রক্তশূন্যতা, জন্ডিসসহ বিভিন্ন রোগে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন।

এই অবস্থাতেই তার বাড়ির দোরগোড়ায় আবার ভয়াবহ যুদ্ধ শুরু হয়। অড্রে হেপবার্ন ও তার পরিবারের সদস্যরা তিন সপ্তাহ ধরে সেলারে লুকিয়ে থাকতে বাধ্য হন।

শেষ পর্যন্ত ১৯৪৫ সালের ১৬ এপ্রিল পরিবেশ ঠান্ডা হয়। যুদ্ধ শেষ হয়েছে এটা তিনি আঁচ করতে পেরেছিলেন নাকে তামাকের গন্ধ পেয়ে, কারণ যুদ্ধের সময় নেদারল্যান্ডসে অসম্ভব ঘটনা ছিল এটা। সেলার থেকে বাইরে এসে সিঁড়ি বেয়ে উঠে দরজা খুলে দেখেন পাঁচজন কানাডিয়ান সৈন্য সিগারেট খাচ্ছেন।

তাকে দেখতে পেয়েই সৈন্যরা মেশিনগান তাক করে। সঙ্গে সঙ্গে তাদের সাথে ইংরেজিতে কথা বলতে শুরু করেন মিজ হেপবার্ন। তার কথা শুনে একজন সৈন্য চিৎকার করে বলে ওঠে, "আমরা শুধু একটা জনপদই স্বাধীন করিনি, আমরা এক ইংরেজ মেয়েকেও মুক্ত করেছি।"

যুদ্ধ শেষে আবার লন্ডনে ফেরেন অড্রে হেপবার্ন। লন্ডনে 'রাম্বার্ট স্কুল অফ ব্যালে অ্যান্ড কনটেম্পোরারি ডান্স'-এ বৃত্তি পান তিনি।

তবে প্রতিভা থাকার পরও অপুষ্টির কারণে তার স্বাস্থ্যের ক্ষতি হয়ে গিয়েছিল। ব্যালেরিনা হওয়ার মতো শক্তি আর অবশিষ্ট ছিল না।

তাই অভিনয়কে বেছে নেন তিনি। ‘ওয়েস্ট অ্যান্ড’ থিয়েটারে কাজ শুরু করেন। ‘দ্য ল্যাভেন্ডার’ এবং ‘হিল মব’-এর মতো চলচ্চিত্রে ছোটখাটো ভূমিকাও পান।

মুখ্যচরিত্রে অভিনয়ের সুযোগ পান ১৯৫৩ সালে ‘রোমান হলিডে’ চলচ্চিত্রে। এই সিনেমাটি সমালোচনামূলক ও বাণিজ্যিক সাফল্য যেমন পায়, তাকে বিখ্যাতও করে তোলো। এতে অভিনয়ের জন্য তিনি অস্কার যেতেন। তার ঝুলিতে এমি, গ্র্যামি ও টনি পুরস্কারও আসে।

পুরো ক্যারিয়ার জুড়ে অভিনয় ছাড়াও জনহিতকর কাজ চালিয়ে গিয়েছিলেন অড্রে হেপবার্ন। তিনি ইউনিসেফের 'গুড উইল অ্যাম্বাসেডর ছিলেন।

তার মৃত্যু হয় ১৯৯৩ সালে।

লেখক ম্যাটজেন বলেছেন, ‘যুদ্ধের সাক্ষী থাকা এবং নানান পরিস্থিতির সম্মুখিন হওয়ার ফলে অড্রের ইন্দ্রিয় সুতীক্ষ্ণ হয়ে উঠেছিল। আর তার অভিজ্ঞতার কারণে যে কোনো চরিত্রকেই সহজে ফুটিয়ে তুলতে পারতেন তিনি।’

বিবিসি

হাসান

নতুন তিন সিনেমায় নিশো

প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৬, ০৬:৩২ পিএম
আপডেট: ১২ জুন ২০২৬, ০৬:৩৩ পিএম
নতুন তিন সিনেমায় নিশো
ছবি: সংগৃহীত

জনপ্রিয় তারকা আফরান নিশো। একসময় ছোটপর্দায় নিয়মিত অভিনয় করলেও এখন বড়পর্দাতেই সব ব্যস্ততা তার। ২০২৩ সালে রায়হান রাফীর ‘সুড়ঙ্গ’ সিনেমা দিয়ে বড়পর্দায় নিশোর অভিষেক হয়। তিন বছরের চলচ্চিত্র ক্যারিয়ারে তিনটি সিনেমা মুক্তি পেয়েছে তার। তিনটি সিনেমার পরিচালক ভিন্ন হলেও প্রযোজনার সঙ্গে যুক্ত আছে আলফা আইয়ের নাম।
সম্প্রতি প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহরিয়ার শাকিল জানিয়েছেন, নিশোর সঙ্গে নতুন আরও তিনটি সিনেমা চূড়ান্ত হয়েছে প্রতিষ্ঠানটির। এ ছাড়া আরও একটি সিনেমা নিয়ে আলোচনা চলছে।
এখন পর্যন্ত মুক্তি পাওয়া তিন সিনেমাতে নিশোকে দুঃখী ও প্রতারিত মানুষের গল্পের চরিত্রে দেখা গেছে। এবার নায়কসুলভ চরিত্র নিয়ে রুপালি পর্দায় হাজির হবেন এক সময়ের ছোটপর্দার এই বড় তারকা। 
প্রযোজক শাহরিয়ার শাকিল বলেন, ‘দর্শকের দৃষ্টিকোণ থেকে নিশোকে সব সিনেমায় স্ট্রাগলিং চরিত্রে দেখা গেছে। তারা নিশোকে পর্দায় নায়ক অবতারে দেখতে চান। নিশোর সঙ্গে আমাদের যে তিনটি সিনেমা চূড়ান্ত হয়েছে, তার প্রতিটিতে নিশোকে দর্শক যেভাবে দেখতে চায়, সেভাবেই দেখা যাবে।’
তবে তিনটি সিনেমা নিশ্চিত হলেও এখনো সিনেমা ও পরিচালকের নাম জানাননি শাহরিয়ার শাকিল। 
এ বছরের শুরুতে আলফা আই জানিয়েছিল, ভিকি জাহেদের পরিচালনায় দেখা যাবে নিশোকে। তার সঙ্গে ভাবা হচ্ছে মেহজাবীন চৌধুরীকে। সিনেমার নাম ‘পুলসিরাত’। এ বিষয়ে নির্দিষ্ট করে কিছু না বললেও শাহরিয়ার শাকিল জানালেন, তিন সিনেমার একটিতে নিশোর সঙ্গে দেখা যেতে পারে মেহজাবীনকে। 
এ ছাড়া নির্মাতা রায়হান রাফীর একাধিক প্রজেক্ট ও জাহিদ প্রীতমের সঙ্গে সিনেমা নিয়ে কাজ করছেন তারা। কয়েক দিন আগে ফেসবুকে ‘তাণ্ডব’ সিনেমার দৃশ্য থেকে শাকিব খান, আফরান নিশো ও সিয়াম আহমেদের ছবি শেয়ার করে রায়হান রাফী ফিল্ম ইউনিভার্সে স্বাগত জানান রাফী। এর পর গুঞ্জন শুরু হয়, নিশোকে নিয়ে ‘তাণ্ডব ২’ শুরু করছেন নির্মাতা। নিশোও ফেসবুক স্টোরিতে তাণ্ডব ২ সিনেমার ইঙ্গিত দেন। 

রোমান্টিক গল্পের সিনেমা নিয়ে আসছেন রাজীব

প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৬, ০৫:১৫ পিএম
রোমান্টিক গল্পের সিনেমা নিয়ে আসছেন রাজীব
ছবি: সংগৃহীত

জনপ্রিয় বিজ্ঞাপন নির্মাতা আদনান আল রাজীব। বিজ্ঞাপন নির্মাতা হিসেবেই সর্বজন পরিচিত তিনি। তবে বিজ্ঞাপনের পাশাপাশি তার নির্মিত একাধিক টেলিভিশন নাটকও জনপ্রিয়তা পেয়েছে। পেয়েছেন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজের কাজের স্বীকৃতি।
গত বছর তার নির্মিত স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘আলী’ কান চলচ্চিত্র উৎসবের স্বল্পদৈর্ঘ্য বিভাগে জায়গা করে নিয়েছিল। পরে ছবিটি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক উৎসবে  প্রদর্শিত হয়ে প্রশংসা কুড়ানোর পাশাপাশি পুরস্কার অর্জন করে। দীর্ঘদিন ধরেই দর্শকদের প্রশ্ন ছিল– কবে, কবে পূর্ণদৈর্ঘ্য সিনেমা নির্মাণ করবেন এই নির্মাতা।
অবশেষে সেই অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে নিজের প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য সিনেমার ঘোষণা দিলেন আদনান আল রাজীব। এই নির্মাতার প্রথম চলচ্চিত্র হবে একটি প্রেমের গল্প।
শুক্রবার ১২ জুন নিজের ফেসবুকে এক পোস্টের মাধ্যমে বিষয়টি জানান রাজীব। পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘‘অ্যাডভারটাইজিং ক্যারিয়ারের একেবারে শুরুর দিকে একটা প্রেমের গল্প বানিয়েছিলাম ‘কাছে আসার গল্প।’ সেই সময়ের হিসেবে ওটাই ছিল আমার জীবনের সবচেয়ে বড় হিট। সেখান থেকেই মনের ভেতর একটা স্বপ্ন জন্মেছিল, কোনো একদিন একটা প্রেমের সিনেমা বানাব। স্বপ্নেরও বয়স বাড়ে। দেখতে দেখতে অনেক বছর কেটে গেল। এর মধ্যে অনেক গল্প বলেছি। অনেক চরিত্র এসেছে, আবার চলে গেছে। কিন্তু নিজের মতো করে একটা প্রেমের গল্প খুঁজে ফিরেছি সব সময়। এমন একটা গল্প, যেটা সত্যি আমার।”
রাজীব আরও লিখেছেন, ‘গল্পগুলো অনেকটা ভালোবাসার মানুষের মতো। কেউ কেউ হঠাৎ এসে দরজায় কড়া নাড়ে। কেউ আসে না। দূরে বসে থাকে। ডাকলেও আসে না। আমার গল্পটাও তেমন ছিল। চুপচাপ বসে ছিল। আমিও চুপচাপ তার পাশে বসে ছিলাম। লিখেছি। কেটেছি। আবার লিখেছি। কখনো মনে হয়েছে পেয়ে গেছি। পরে বুঝেছি পাইনি। হঠাৎ একদিন খেয়াল করলাম, গল্পটা আর দূরে বসে নেই। ধীরে ধীরে আমার পাশে এসে বসেছে। গল্পটা এখন স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছি। আমার জীবনের প্রথম সিনেমা বানাতে যাচ্ছি। দেখা হবে সিনেমা হলে।’
তবে সিনেমা ও অভিনয়শিল্পীর নাম, মুক্তির সময় সম্পর্কে এখনো কোনো তথ্য প্রকাশ করেননি এই নির্মাতা। তবে রাজীবের সিনেমা নির্মাণের ঘোষণায় চলচ্চিত্রপ্রেমী ও ভক্ত-অনুরাগীদের মধ্যে নতুন কৌতূহল তৈরি হয়েছে।

অপূর্বকে নিয়ে যা বললেন পপি

প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৬, ০৫:১০ পিএম
অপূর্বকে নিয়ে যা বললেন পপি
ছবি: সংগৃহীত

একসময়ের জনপ্রিয় নায়িকা পপি। সিনেমার পাশাপাশি ভালো গল্পের কিছু নাটক ও টেলিফিল্মে অভিনয় করেছেন। জনপ্রিয় অভিনেতা জিয়াউল ফারুক অপূর্বর সঙ্গে পপি একটি টেলিফিল্মে অভিনয় করেছিলেন প্রায় দশ বছর আগে। বিইউ শুভ পরিচালিত টেলিফিল্মটির নাম ছিল ‘দুপুর আকাশে একলা চিল’।
টেলিফিল্মটি ঈদে এটিএন বাংলায় প্রচারিত হয়েছিল। দীর্ঘদিন পর সিনেমার বাইরে টেলিফিল্মটির কথা বলতে গিয়ে পপি বলেন, ‘এক জীবনে অনেক সিনেমাতে অভিনয় করেছি। তিনবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারও পেয়েছি। তবে কিছু কিছু নাটক-টেলিফিল্মে অভিনয় করেও আমি বেশ সাড়া পেয়েছি। যার মধ্যে অপূর্বের সঙ্গে অভিনীত টেলিফিল্মটি আমার ভীষণ প্রিয়। অপূর্ব আমার খুব প্রিয় একজন অভিনেতা। তার সঙ্গে যে সময় অভিনয় করেছিলাম সেই সময়টাতে আসলে আমরা দুজনেই এত বেশি ব্যস্ত ছিলাম যে, আমাদের সিডিউল মেলানো কঠিন হয়ে পড়ত। কিন্তু শুভর চেষ্টায় দুজনেই সিডিউল মিলিয়ে কাজটি করেছিলাম। কাজটি প্রচার হওয়ার পর বেশ সাড়া পাই। এখনো মাঝে মাঝে এই কাজটির কথা মনে পড়ে। অপূর্ব ভীষণ বিনয়ী একজন মানুষ আর দারুণ সহযোগিতা পরায়ণ একজন শিল্পী। তার জন্য অনেক অনেক শুভ কামনা।’
পপিকে নিয়ে অপূর্ব বলেন, ‘পপি আমাদের চলচ্চিত্রের একজন ভীষণ গ্ল্যামারাস এবং গুণী অভিনেত্রী। কাজের প্রতি ভীষণ ডেডিকেটেডে একজন শিল্পী। আমাদের এই কাজটি আমারও ভীষণ প্রিয়। পপি যেখানেই আছেন ভালো থাকুন, স্বামী সন্তান নিয়ে সুখে থাকুন।’

দর্শকের ভালোবাসাই আমার জীবনের সেরা প্রাপ্তি: সূচরিতা

প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৬, ১২:০৫ এএম
দর্শকের ভালোবাসাই আমার জীবনের সেরা প্রাপ্তি: সূচরিতা

বহু সিনেমায় যেমন একজন নায়িকা হিসেবে অভিনয় করে একসময় এই দেশের তরুণ দর্শকের মনে ঝড় তুলেছিলেন, আবার একটা সময় পেরিয়ে সিনেমায় তিনি একের পর এক মায়ের চরিত্রে অভিনয় করেও এই দেশের সিনেমাপ্রেমী দর্শকের মন জয় করে নিয়েছেন। তবে এই সময়ে এসে তাকে আর আগের মতো সিনেমাতে দেখা না গেলেও দর্শক তাকে ঠিকই মিস করেন। 

এখনো তার ভক্ত দর্শকেরা তার অভিনীত নতুন সিনেমার জন্য প্রবল আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষা করেন। যদিও এই মুহুর্তে সূচরিতা নতুন কোনো সিনেমায় অভিনয় করছেন না। তবে ইচ্ছে আছে ভালো গল্পের সিনেমাতে কাজ করার প্রস্তাব পেলে অভিনয় করার। রাজধানীর বারিধারা ডিপ্লোমেটিক জোনে নিজের বাসাতেই সময় কাটে সূচরিতার। দীর্ঘদিনের অভিনয় জীবনে তিনি পেয়েছেন এই দেশের কোটি কোটি দর্শকের অসীম ভালোবাসা। সেই ভালোবাসাকে সাথে নিয়েই এখনো অভিনয় করে চলেছেন তিনি। ’ 

মুস্তাফিজের ‘কুলি’ চলচ্চিত্রে শিশু চরিত্রে প্রথম অভিনয় করেন সূচরিতা। তখন তার নাম ছিলো হেলেন। ‘কুলি’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের পর তিনি শিশু চরিত্রে আরো অভিনয় করেন ‘নিমাই সন্নাসী’,‘ অবাঞ্চিত’, ‘রং বেরং’, ‘টাকা আনা পাই’, কতো যে মিনতি’,‘রাজ মুকুট’,‘বাবলু’সহ আরো বেশ কয়েকটি চলচ্চিত্রে। নায়িকা হিসেবে আজিজুর রহমানের নির্দেশনায় ‘স্বীকৃতি’, দীলিপ বিশ্বাসের ‘সমাধি’ এবং অশোক ঘোষের ‘মাস্তান’ চলচ্চিত্রে পরপর অভিনয় করেন। 

তবে ১৯৭৭ সালে প্রয়াত আব্দুল লতিফ বাচ্চুর ‘জাদুর বাঁশী’ সিনেমাতে তার অভিনয় তাকে জনপ্রিয়তার শীর্ষে পৌঁছে দেয়। এরপর থেকে একে একে তিনি তিনশো সিনেমাতে অভিনয় করেন। 

সূচরিতার নিজের অভিনীত চলচ্চিত্রের মধ্যে ‘বজ্রমুষ্ঠি’ সিনেমার ‘জীবনে একজন প্রিয়জন সবারই প্রয়োজন’, ‘আঁখি মিলন’ চলচ্চিত্রের ‘আমার গরুর গাড়িতে’ এবং ‘জাদুর বাঁশি’ চলচ্চিত্রের ‘আকাশ বীনা চাঁদ’, ‘জীবন নৌকা’ সিনেমার ‘তুমিতো এখন আমারই কথা ভাবছো’ ‘মহেশখালীর বাঁকে’র ‘আমার প্রেমের তরী বইয়া চলে’, ‘মেঘ বৃষ্টি বাদল’ সিনেমার ‘ও বন্ধুরে প্রাণও বন্ধুরে’ গান পাঁচটি ভীষণ প্রিয়। 

অভিনয় জীবনের প্রাপ্তি প্রসঙ্গে সূচরিতা বলেন,‘ সেই ছোট্টবেলা থেকে সিনেমাতে অভিনয় করছি আমি। পরিণত বয়সে এসে নায়িকা হয়েও বহু সিনেমাতে অভিনয় করেছি। বারবার দর্শকের ভালোবাসায় নিজেকে সিক্ত করেছি। আবার যখন সিনেমাতে মায়ের চরিত্রে অভিনয় করেছি তখনও দর্শক আমার চরিত্রগুলোকে নিয়ে আবেগে মেতেছেন।

এই যে দর্শকের ভালোবাসা, শ্রদ্ধা এটাইতো এক জীবনে অনেক বড়প্রাপ্তি। আবার আমি মনেকরি একজন শিল্পী যতোদিন সুস্থ থাকেন, সচেতন থাকেন, ভালো থাকেন ততোদিনই তিনি অভিনয় করে যেতে পারেন। শিল্পীদের কোনো অবসর নেই। তাই আমি যতোদিন অভিনয় করবো ততোদিন যেন আমাকে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে আজীবন সম্মাননা যেন না দেয়া হয়।’

/এমটি 

স্পিলবার্গের নতুন সিনেমা স্টার সিনেপ্লেক্সে

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ০৪:১০ পিএম
স্পিলবার্গের নতুন সিনেমা স্টার সিনেপ্লেক্সে

বিশ্ব চলচ্চিত্রের বহুল সমাদৃত এক নাম স্টিভেন স্পিলবার্গ। যার সিনেমা দেখার জন্য মুখিয়ে থাকেন তাবৎ দুনিয়ার মানুষ। সিনেমা নির্মাণে অর্ধ শতাব্দীরও বেশি সময় উৎসর্গ করে এই আমেরিকান পরিচালক গড়ে তুলেছেন এক বিশাল চলচ্চিত্র সাম্রাজ্য। তাঁর পরিচালিত চলচ্চিত্রগুলো থেকে মোট বক্স অফিস আয় ১০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে, যা এখনও একটি অপরাজেয় রেকর্ড। আর সর্বোচ্চ সম্মাননা অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ডতো রয়েছেই।

এ যাবৎ তিনবার অস্কার পুরস্কার ঘরে তুলেছেন তিনি। এমন একজন পরিচালক যখন নতুন সিনেমা নির্মাণের ঘোষণা দেন তখন থেকেই দর্শকের উম্মাদনার পারদ উপরে উঠতে থাকে। আর সিনেমা মুক্তির দিন ঘনিয়ে আসলে তো কথাই নেই। বড় খবর হলো, সারা বিশ্বের দর্শকদের সামনে আবার এমন একটি দিন দরোজায় কড়া নাড়ছে। পর্দায় আসছে স্টিভেন স্পিলবার্গের নতুন সিনেমা। ‘ডিসক্লোজার ডে’ নামের এই সিনেমা বিশ্বজুড়ে মুক্তি পেতে যাচ্ছে ১২ জুন। বাংলাদেশের দর্শকরাও পিছিয়ে থাকবেন না। একই দিনে বাংলাদেশের স্টার সিনেপ্লেক্সেও মুক্তি পাবে কাঙ্খিত এই সিনেমা।

দীর্ঘদিন ধরে স্পিলবার্গ তুলনামূলকভাবে ব্যক্তিগত ও সংবেদনশীল গল্পে মন দিয়েছেন। দ্য ফ্যাবেলম্যানস-এ তিনি নিজের বেড়ে ওঠার গল্প বলেছেন আর ‘ওয়েস্ট সাইড স্টোরি’তে ক্ল্যাসিক মিউজিককে নতুনভাবে উপস্থাপন করেছেন। এবার তিনি ফিরে এসেছেন তাঁর সেই পুরোনো পরিচিত ময়দানে, যেখানে রহস্য, প্রযুক্তি, বিস্ময় আর অজানার আকর্ষণ একসঙ্গে কাজ করে। ‘ডিসক্লোজার ডে’র কাহিনী পুরোপুরি প্রকাশ করা হয়নি। তবে জানা গেছে, এটি ভিনগ্রহের প্রাণী, তাদের পৃথিবীতে আগমন এবং সেই সত্যকে আড়াল করার এক বিশাল সরকারি ষড়যন্ত্রকে কেন্দ্র করে নির্মিত। এ ধরনের কাহিনী স্পিলবার্গের জন্য নতুন নয়; বরং তাঁর চলচ্চিত্রজীবনের অন্যতম শক্তিশালী অধ্যায়ই গড়ে উঠেছে এই ধারার ওপর। 

‘ই.টি. দ্য এক্সট্রা টেরেস্ট্রিয়াল’, ‘ক্লোজ এনকাউন্টারস অব থার্ড কাইন্ড’ বা ‘ওয়ার অব দ্য ওয়ার্ল্ডস’-এ তিনি অজানা জগৎকে মানুষের আবেগের সঙ্গে যুক্ত করেছেন। এ ছবিতে এমিলি ব্লান্ট অভিনয় করেছেন এক আবহাওয়া সংবাদকর্মীর ভূমিকায়, যাঁর সঙ্গে ভিনগ্রহের আগন্তুকদের রহস্যময় যোগাযোগ রয়েছে। জশ ও’কনরকে দেখা যাবে এমন এক চরিত্রে, যিনি প্রমাণ হাতে পেয়েছেন যে মানুষের সঙ্গে অন্য জগতের যোগাযোগ ইতিমধ্যে ঘটেছে। অন্যদিকে কলিন ফার্থ ক্ষমতাধর এক প্রশাসনিক ব্যক্তি, যিনি এই সত্য গোপন রাখতে যেকোনো পর্যায়ে যেতে প্রস্তুত। সিনেমাটির চিত্রনাট্য লিখেছেন ডেভিড কোয়েপ, যিনি আগে স্পিলবার্গের সঙ্গে ‘জুরাসিক পার্ক’-এ কাজ করেছেন।

সিনেমার উদ্বোধনী প্রদর্শনীতে মুগ্ধ হয়েছেন চলচ্চিত্র সাংবাদিকরা। প্রথম প্রতিক্রিয়ায় অনেকেই এটিকে ‘গত ২০ বছরে স্পিলবার্গের সেরা সিনেমা’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। তারা জানান, ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া, রহস্য ও প্রেমের এ টান টান মিশ্রণটি স্পিলবার্গের চিরচেনা জাদুতে ভরপুর এ সিনেমা। পাশাপাশি মূল তারকা এমিলি ব্লান্ট তার ক্যারিয়ারের অন্যতম সেরা অভিনয় উপহার দিয়েছেন বলে প্রশংসা পেয়েছেন। স্পিলবার্গ মনে করেন, এই সিনেমাটি দর্শকদের মনে মহাবিশ্ব সম্পর্কে নতুন অনেক প্রশ্নের জন্ম দিবে। ছোটবেলা থেকেই মহাকাশ নিয়ে কৌতূহলী স্পিলবার্গের কথায়, ‘আমি বিশ্বাস করি এই মুভিটি যেমন অনেক উত্তর দেবে, তেমনি মানুষকে অনেক অজানাকে নিয়ে প্রশ্ন করতেও বাধ্য করবে।’ 

সবমিলিয়ে সিনেমাটি নিয়ে সকলের প্রত্যাশা রীতিমত আকাশচুম্বী। এখন শুধু দেখার অপেক্ষা- এই প্রত্যাশা কতখানি ছাড়িয়ে যায়।

/এসএল