হলিউড অভিনেত্রী স্যাডি সিঙ্ক। ২৩ বছর বয়সী এই আমেরিকান তারকা প্রথম ক্যামেরার সামনে দাঁড়ান ব্রডওয়ের ‘অ্যানি’ চরিত্রে মাত্র ১০ বছর বয়সে। এ অভিনেত্রী সম্প্রতি জানিয়েছেন, শিশুশিল্পী হিসেবে তিনি তার বয়সের তুলনায় বেশ ‘পরিপক্ব’ ছিলেন।
২০১৬ সালে নেটফ্লিক্সের হিট সিরিজ ‘স্ট্রেঞ্জার থিংস’-এ অভিনয় করে বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয়তা অর্জন করেন স্যাডি। এরপর থেকে আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে।
বর্তমানে এই মার্কিন তারকা ‘জন প্রক্টর ইজ দ্য ভিলেন’ নাটকে শেলবির চরিত্রে অভিনয় করছেন। চরিত্রটি সম্পর্কে স্যাডি বলেন, ‘(শেলবির) চরিত্রে আমার এমন সব অভিজ্ঞতা তুলে ধরার চেষ্টা করেছি যেগুলোর সঙ্গে আমি খুব একটা পরিচিত নই।’

নাটকটিতে স্যাডি একজন হাইস্কুল ছাত্রীর চরিত্রে অভিনয় করছেন, যার আগে একজন শিক্ষকের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল। নাটকে ‘কোনো তারকা নেই’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘সত্যি কথা বলতে, এখানে কাজ করতে গিয়ে আমি অনেক কিছু শিখেছি।’
ফিমেল ফার্স্ট ইউকের প্রতিবেদন অনুসারে, এই অভিনেত্রী সম্প্রতি জনপ্রিয় টেলিভিশন সিরিজ ‘স্ট্রেঞ্জার থিংস’-এর শেষ সিজনের শুটিং সম্পন্ন করেছেন। সিরিজটিতে ম্যাক্স মেফিল্ড চরিত্রে অভিনয় করা স্যাডি শেষ দিনগুলোর শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে জানান, আমি শুটিং সেটে অনেক আবেগপ্রবণ হয়েন গিয়েছিলাম এবং অনেক কেঁদেছিলাম।
দ্য হলিউড রিপোর্টারকে অভিনেত্রী বলেন, ‘আমি এখনো এটির (স্ট্রেঞ্জার থিংস) কিছুই দেখিনি, তবে আমি এটা নিয়ে ভীষণ কৌতূহলী। এটা অত্যন্ত আবেগপ্রবণ হতে চলেছে। তাই আমি সবার সঙ্গে কাঁদতে প্রস্তুত। শুটিংয়ের শেষ সময়ে আমি এতই কেঁদেছিলাম যে, আমার চোখ ফুলে গিয়েছিল।
এই অভিজ্ঞতার মাধ্যমে স্যাডি সিঙ্ক তার অভিনয় দক্ষতা এবং ব্যক্তিগত সংবেদনশীলতাকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাচ্ছেন।
/শাকিল