জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী মনির খান। বাংলাদেশের শহর, গ্রামগঞ্জ এমনকি বিদেশেও মনির খানের অসংখ্য ভক্ত রয়েছে। এখনো তারা মনির খানের নতুন গানের অপেক্ষায় থাকেন। মনির খানের জীবনে গীতিকার, সুরকার, সংগীত পরিচজালক মিল্টন খন্দকারের অনেক ভূমিকা রয়েছে। আর মনির খান তা অনায়াসে স্বীকার করেন এখনো প্রতি মুহূর্তে।
আবারও মিল্টন খন্দকারের কথা ও সুরে মনির খান বিরহের একটি গান গেয়েছেন। গানের শিরোনাম ‘চোখ ভরে কাঁদবো’। গানটি এরই মধ্যে ‘এমকে মিউজিক টুয়েন্টফোরইউটিউব’ চ্যানেলে প্রকাশিত হয়েছে। গানটি প্রকাশের পর অভূতপূর্ব সাড়া পাচ্ছেন মনির খান। কারণ দীর্ঘদিন পর মনির খানের কণ্ঠে এই ঘরানার গান প্রকাশিত হয়েছে।
গানটি প্রকাশের পর ইউটিউবে অনেক ভক্ত-দর্শক তাদের অভিমত প্রকাশ করেছেন। অনেকেই লিখেছেন- সেই আগের মনির খানকে তারা ফিরে পেয়েছেন এ গানের মাঝে। ৬ মিনিট ১০ সেকেন্ডের এ গানটি নিয়ে ভীষণ প্রত্যাশা ছিল মনির খানের।
মনির খান বলেন, ‘মিল্টন ভাইয়ের কথা ও সুরে আমি অনেক গান গেয়েছি। অনেক গানই জনপ্রিয়তা পেয়েছে। আমার সংগীত জীবনে তার অনেক অবদান। নতুন করে তার লেখা ও সুরে চোখ ভরে কাঁদবো গানটি গাইলাম। গানটির কথা ও সুর আমার কাছে ভীষণ ভালো লেগেছে। মিল্টন ভাই চমৎকার লেখেন, দারুন সুর করেন, এটা নতুন করে বলার কিছু নেই। যথারীতি এ গানের ক্ষেত্রেও তাই হয়েছে। গানটি প্রকাশের পর থেকে আমি সত্যিই অনেক সাড়া পাচ্ছি।
বিশেষ করে শ্রোতা-ভক্তরা গানটির কমেন্ট বক্সে এত চমৎকার কিছু কথা লিখছেন যা আমাকে সত্যিই আবেগাপ্লুত করে তুলছে। সত্যি বলতে কী সংগীতশিল্পী হিসেবে আমি এখানেই নিজেকে পরিপূর্ণভাবে খুঁজে পাই যখন একটি গান প্রকাশের পর শ্রোতা-ভক্তরা গান নিয়ে অনেক কথা লেখেন, তাদের প্রত্যাশার কথা জানান। বরাবরের মতো আবারও কৃতজ্ঞতা মিল্টন ভাইয়ের প্রতি আমাকে আরও একটি সুন্দর গান উপহার দেওয়ার জন্য।’
১৯৯৬ সালে ‘তোমার কোনো দোষ নেই’ নামক একক অ্যালবাম নিয়ে সংগীতাঙ্গনে পদার্পণ করেন। সুদীর্ঘ সংগীত জীবনে তিনি প্রায় ৫০টি একক অ্যালবাম এবং ৩০০-এর অধিক দ্বৈত ও মিশ্র অ্যালবাম প্রকাশ করেছেন। তিনি তিনবার শ্রেষ্ঠ সংগীতশিল্পী হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন। সিনেমাগুলো হচ্ছে ‘প্রেমের তাজমহল (২০০১)’, ‘লাল দরিয়া (২০০২)’ ও ‘দুই নয়নের আলো (২০০৫)’।
প্রথম অ্যালবাম ‘তোমার কোনো দোষ নেই’ দিয়েই তিনি সারা বাংলাদেশে আলোড়ন সৃষ্টি করেছিলেন। এদিকে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনির খান বিএনপি থেকে নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তিনি ভীষণ আশাবাদী তার এলাকাবাসী (ঝিনাইদহ-৩) তার পাশে থাকবেন।
/এমএস