গ্রিক ‘গোল্ডেন রেশিও অব বিউটি’র ভিত্তিতে নতুন একটি গবেষণায় বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দরী নারী হিসেবে উঠে এসেছেন দুবারের অস্কারজয়ী অভিনেত্রী এমা স্টোন। মুখের বিভিন্ন উপাদানের গাণিতিক অনুপাত বিশ্লেষণ করে করা এই গবেষণায় এমা স্টোন ৯৪.৭২ শতাংশ স্কোর পেয়েছেন, যা তাকে তালিকার শীর্ষে তুলেছে।
গবেষণাটি পরিচালনা করেছেন লন্ডনের ‘সেন্টার ফর অ্যাডভান্সড ফেসিয়াল কসমেটিক অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি’র পরিচালক ড. জুলিয়ান ডি সিলভা। তার মতে, এমা স্টোন মুখের প্রতিটি বিভাগেই সব থেকে বেশি নম্বর পেয়েছেন। ডেইলি মেইলকে তিনি বলেন, ‘এমা তার ভ্রুতে ৯৪.২ শতাংশ, চোয়ালের রেখায় ৯৭ শতাংশ এবং ঠোঁটে ৯৫.৬ শতাংশ স্কোর করেছেন। গোল্ডেন রেশিওর প্রতিটি উপাদানে ধারাবাহিকভাবে উৎকর্ষতার কারণেই তিনি প্রথম স্থান অধিকার করেছেন।’
এ গবেষণায় এমা স্টোনের পাশাপাশি আরও কয়েকজন বিশ্ব তারকার নাম উঠে এসেছে। এদের মধ্যে ডুন অভিনেত্রী জেন্ডায়া ৯৪.৩৭ শতাংশ স্কোর পেয়েছেন, ফ্রিদা পিন্টো ৯৪.৩৪ শতাংশ স্কোর পেয়েছেন এবং তার পরেই রয়েছেন দ্য ক্রাউন তারকা ভেনেসা কিরবি (৯৪.৩১ শতাংশ)।
তালিকায় সেরা দশের প্রত্যেকেই ১০০ শতাংশের কাছাকাছি স্কোর পেয়েছেন।
এ ছাড়া বিশ্বের অন্যতম সুন্দরী নারী হিসেবে পরিচিত সাবেক বিশ্ব সুন্দরী ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন এ গবেষণায় ৯৩.৪১ শতাংশ স্কোর পেয়ে সেরা দশে জায়গা করে নিয়েছেন। তার প্রভাব এতটাই যে, ভক্তরা এখনো তার লাবণ্য ও কালজয়ী আকর্ষণের প্রশংসা করেন। এ ভারতীয় অভিনেত্রী কেবল তার প্রতিভা এবং বিশ্বব্যাপী উপস্থিতি দিয়েই নয়, তার অভিনয় দক্ষতা দিয়েও অনেককে অনুপ্রাণিত করেছেন।
গোল্ডেন রেশিও পদ্ধতি হলো সৌন্দর্য নির্ধারণের একটি প্রাচীন গাণিতিক সূত্র, যা গ্রিকরা উদ্ভাবন করেছিলেন। মুখ বা শরীরের অনুপাত যত ১.৬১৮ সংখ্যার কাছাকাছি হবে, তাকে তত বেশি নান্দনিক বা সুন্দর ধরা হয়। প্রকৃতি, স্থাপত্য এবং মানবদেহে পরিপূর্ণতা নির্ধারণ করতে এই সূত্রটি ব্যবহৃত হয়। লিওনার্দো দা ভিঞ্চিও তার বিখ্যাত ‘ভিট্রুভিয়ান ম্যান’-এ এ অনুপাত ব্যবহার করেছিলেন।
এদিকে, জেনা ওর্তেগা সামগ্রিকভাবে ৮৮ শতাংশ স্কোর পেয়ে তালিকায় নিচের দিকে অবস্থান করছেন। এর পরও ৯৯.৬ শতাংশ নম্বর পেয়ে ‘সবচেয়ে সুন্দর কপাল’-এর স্বীকৃতি পেয়েছেন এই হলিউড তারকা।
/এমএস