ঢাকা ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
কসবায় হজযাত্রীর লাগেজ নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১০ নিখোঁজ নাটকের অবসান, ‘গুপ্ত’ ছিলেন শিবির নেতা জিসান! যুক্তরাষ্ট্রের জয়ের পর ঐক্যের গান গাইলেন পচেত্তিনো মীনা বাজারে চাকরির সুযোগ, শুক্র-শনিবার ছুটি ইংল্যান্ডের ফুটবল ও বুট চুরি করল কে? গণমাধ্যম সংস্কারে ‘ইউনিফাইড ইনস্টিটিউশন’ গঠনের তাগিদ মদে ট্যাক্স বাড়ানোই বিরোধী দলের দুঃখ: প্রধানমন্ত্রী গোপালগঞ্জে নিখোঁজের ৩ দিন পর যুবকের মরদেহ উদ্ধার বাজেটে জনগণের স্বস্তি হলেও বিরোধী দলের অস্বস্তি: প্রধানমন্ত্রী লক্ষ্মীপুরে ইউপি কার্যালয়ে চুরি শাবিপ্রবি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ জ্বালানিপ্রতিষ্ঠানে ড. সাকিব বিশ্বকাপ উন্মাদনায় কুইজ ও রিচার্জ অফার, থাকছে জামাল ভূঁইয়ার সাথে খেলা দেখার সুযোগ গবেষণা ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষায় ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটির অগ্রণী ভূমিকা ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ উপলক্ষে ক্রাউন প্লাজা ঢাকা গুলশানে বিশেষ আয়োজন জীবের বৃদ্ধি ও বংশগতি অধ্যায় থেকে ৫টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৬ষ্ঠ পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান গাড়ি ভেঙে ইংল্যান্ড দলের সরঞ্জাম চুরি, গ্রেপ্তার ২ কার্যকর জবাবদিহি নিশ্চিতে ব্যবস্থা নিন শুধু সংখ্যা বাড়াতে বিশ্বকাপে আসেনি হাইতি বোয়ালমারীতে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা যদি এই ছবিগুলো আপনি না দেখে থাকেন শেরপুরে পাহাড়ি ঢলে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত কেমন ছিল প্রিয় রাসুল (সা.)-এর চুল মোবারক? কক্সবাজার সফরে প্রধানমন্ত্রী, চকরিয়া-পেকুয়ায় ব্যাপক প্রস্তুতি সরকারের জনকল্যাণ-প্রযুক্তিনির্ভর বাজেটকে স্বাগত জার্মানি বিএনপির পরমাণু সুড়ঙ্গে মাইন পুঁতেছে ইরান, যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দাদের দাবি কক্সবাজারের ‘পাতলী খাল’ পুনর্খনন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী প্রাইম ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের ৩য় পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত যেভাবে ট্রিলিয়নিয়ার হলেন মাস্ক এয়ার ইন্ডিয়ার ফ্লাইট দুর্ঘটনার তদন্তে আরও সময় লাগবে দেশের বাজারে স্বর্ণের দামে বড় লাফ
Nagad desktop

ওজন নয়, মনোযোগ দিতে হবে সুস্থতায়

প্রকাশ: ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১০:৩০ এএম
ওজন নয়, মনোযোগ দিতে হবে সুস্থতায়

অনেকেই সুস্থ থাকার নামে শুধু ওজন নিয়ন্ত্রণে মনোযোগ দেন। তবে স্বাস্থ্য শুধুই সংখ্যা নয়, এটি শরীর ও মনের সামগ্রিক সুস্থতা এবং জীবনধারার ভারসাম্যের ফল। সুষম খাদ্য, পর্যাপ্ত ঘুম, মানসিক শান্তি এবং নিয়মিত শারীরিক ক্রিয়াশীলতা মিলিতভাবে আমাদের সত্যিকারের সুস্থতা নিশ্চিত করে। লিখেছেন মুশফিরাত 

খাদ্যাভ্যাসে মনোযোগ দিন
স্বাস্থ্য সচেতনতার প্রথম ধাপ হলো খাদ্যাভ্যাস। প্রতিদিনের খাদ্য আমাদের শরীর ও মনকে শক্তি দেয়। শাকসবজি, ফলমূল, প্রোটিন, শস্য এবং স্বাস্থ্যকর চর্বি সমৃদ্ধ খাবার শুধু ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে না, বরং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বৃদ্ধি করে। তেল-মসলাযুক্ত, অতি প্রসেসড খাবার এবং অতিরিক্ত চিনি আমাদের শরীরকে ক্ষতি করে। 

ওজনের দিকে নজর দিলে অনেক সময় আমরা এক ধরনের খাবারের ওপর বেশি নির্ভর করি, যা শরীরের জন্য উপকারী নয়। বরং পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান, সুষম ডায়েট এবং নিয়মিত খাবার গ্রহণ স্বাস্থ্য বজায় রাখতে সবচেয়ে কার্যকর। 

শারীরিক সক্রিয়তা এবং ব্যায়াম
সুস্থ থাকার জন্য ওজন নিয়ন্ত্রণই সব নয়, নিয়মিত শারীরিক সক্রিয়তা স্বাস্থ্যকে পুরোপুরি গড়ে তোলে। অনেকেই শুধু ডায়েট বা জিমে সময় কাটিয়ে ফেলে, কিন্তু দৈনন্দিন হালকা ও নিয়মিত ব্যায়াম যেমন দ্রুত হাঁটা, সাইক্লিং, যোগব্যায়াম, হালকা শক্তি ব্যায়াম বা স্ট্রেচিং এগুলোও দেহের জন্য অপরিহার্য। নিয়মিত শারীরিক ক্রিয়াশীলতা ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করার পাশাপাশি শক্তি বৃদ্ধি, মেদ কমানো, হাড়ের ঘনত্ব বজায় রাখা এবং হৃৎপিণ্ডের রোগের ঝুঁকি কমাতে কার্যকর।

শরীরচর্চা কেবল শারীরিক নয়, মানসিক ও আবেগগত সুস্থতার জন্যও অপরিহার্য। ব্যায়াম করলে মস্তিষ্কে এন্ডরফিন এবং সেরোটোনিনের নিঃসরণ বৃদ্ধি পায়, যা চাপ ও উদ্বেগ কমাতে সাহায্য করে। 

মানসিক সুস্থতা
শরীর যতই ফিট হোক না কেন, মানসিক চাপ ও উদ্বেগ স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। বিশেষ করে কাজের চাপ বা সামাজিক প্রত্যাশা আমাদের ওপর অতিরিক্ত মানসিক চাপ সৃষ্টি করতে পারে। এজন্য ধ্যান, প্রাণায়াম বা হালকা স্ট্রেস রিলিফ এক্সারসাইজকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ করা উচিত। এই ধরনের অনুশীলন মনকে শান্ত ও সংহত রাখে, আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি করে এবং মানসিক সুস্থতাকে নিশ্চিত করে।

পর্যাপ্ত ঘুম
সুস্থতার একটি অপরিহার্য ভিত্তি হলো পর্যাপ্ত এবং মানসম্পন্ন ঘুম। ঘুম কেবল বিশ্রামের সময় নয় এটি শরীরের পুনর্জীবন, মস্তিষ্কের কার্যকারিতা এবং শারীরিক প্রতিরোধ ক্ষমতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অনিয়মিত বা অপর্যাপ্ত ঘুম ওজন নিয়ন্ত্রণে প্রভাব ফেলে, হরমোনের ভারসাম্য বিঘ্নিত করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল করে। এ ছাড়া ঘুম কম হলে মস্তিষ্ক ঠিকমতো বিশ্লেষণ করতে পারে না, মনোযোগ কমে যায় এবং মানসিক চাপ বেড়ে যায়।

স্বাস্থ্য সচেতন জীবনধারায় ঘুমকে একটি অপরিহার্য উপাদান হিসেবে ধরা প্রয়োজন। প্রতিদিন অন্তত ৭-৮ ঘণ্টা ঘুম নিশ্চিত করা উচিত। সকালে প্রাকৃতিক আলোতে ওঠা, রাতে ব্যস্ততা কমানো এবং ঘুমের আগে ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার সীমিত রাখা ঘুমের মান উন্নত করতে সাহায্য করে। মানসম্পন্ন ঘুম শুধু শারীরিক স্বাস্থ্যের জন্যই নয়, মানসিক স্থিতিশীলতা এবং দৈনন্দিন কার্যক্ষমতা বজায় রাখার জন্যও অপরিহার্য।

সামাজিক জীবন এবং সম্পর্ক
সুস্থতা শুধু শারীরিক অবস্থার সঙ্গে সীমাবদ্ধ নয়, সামাজিক ও মানসিক সুস্থতাও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। পরিবার, বন্ধু এবং সহকর্মীর সঙ্গে দৃঢ় এবং ইতিবাচক সম্পর্ক মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে, আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি করে এবং সুখী জীবন নিশ্চিত করে। একটি সমর্থনশীল সামাজিক পরিবেশ মানুষকে মানসিক স্থিতিশীলতা এবং ইতিবাচক মানসিক দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে তুলতে সহায়তা করে।

একাকিত্ব বা সামাজিক বিচ্ছিন্নতা দীর্ঘমেয়াদে শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য উভয়ের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। এটি উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ, ডায়াবেটিস এবং উদ্বেগ বা বিষণ্নতার ঝুঁকি বাড়াতে পারে। তাই নিয়মিত সামাজিক সংযোগ বজায় রাখা, পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটানো এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে সহায়তা চাওয়া সুস্থ জীবনের অংশ হিসেবে বিবেচিত হতে হবে।

গোল্ডেন টিউলিপ দ্য গ্র্যান্ডমার্ক ঢাকায় শিশুদের জন্য সাঁতার প্রশিক্ষণ কর্মসূচি

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ০৩:৩৯ পিএম
গোল্ডেন টিউলিপ দ্য গ্র্যান্ডমার্ক ঢাকায় শিশুদের জন্য সাঁতার প্রশিক্ষণ কর্মসূচি

শিশুদের সাঁতার শেখানোর পাশাপাশি পানিভীতি দূর করা এবং জীবনরক্ষাকারী একটি গুরুত্বপূর্ণ দক্ষতা গড়ে তুলতে বিশেষ সাঁতার প্রশিক্ষণ কর্মসূচি শুরু করেছে গোল্ডেন টিউলিপ দ্য গ্র্যান্ডমার্ক ঢাকা। 

প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ইতোমধ্যে প্রথম ব্যাচের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। বর্তমানে প্রতি শুক্রবার ও শনিবার সকাল ৯টা থেকে ১০টা পর্যন্ত প্রথম সেশন পরিচালিত হচ্ছে। একই সঙ্গে সকাল ১০টা ৩০ মিনিট থেকে ১১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত দ্বিতীয় সেশন চালুর প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

কর্তৃপক্ষ জানায়, এই কর্মসূচির মাধ্যমে শিশুরা শুধু সাঁতার শেখার সুযোগই পাবে না, বরং পানিতে আত্মবিশ্বাস অর্জন, নিরাপত্তা বিষয়ে সচেতনতা এবং জীবনরক্ষাকারী গুরুত্বপূর্ণ দক্ষতাও অর্জন করবে। প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করছেন অভিজ্ঞ ও পেশাদার প্রশিক্ষকরা।

আয়োজকদের মতে, নিরাপদ ও আনন্দময় পরিবেশে পরিচালিত এই প্রশিক্ষণ শিশুদের শারীরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, আত্মবিশ্বাস গড়ে তোলা এবং স্বাস্থ্যকর জীবনধারায় উৎসাহিত করতে সহায়ক হবে।

প্রশিক্ষণ কোর্সে ৫ বছর বা তার বেশি বয়সী এবং ১২ বছরের কম বয়সী শিশুদের অংশগ্রহণের সুযোগ রয়েছে। প্রতিটি ব্যাচে আসন সংখ্যা সীমিত রাখা হয়েছে, যাতে অংশগ্রহণকারীরা পর্যাপ্ত মনোযোগ ও প্রশিক্ষণ সুবিধা পেতে পারে। রেজিস্ট্রেশনের জন্য যোগাযোগ করুন +88 01777 734 797 নাম্বারে

/এমটি 

বিশ্বকাপের উন্মাদনা এবার রঙ বাংলাদেশে

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ০৫:০৫ পিএম
বিশ্বকাপের উন্মাদনা এবার রঙ বাংলাদেশে

চার বছরের প্রতীক্ষা শেষে আবারও বিশ্বজুড়ে শুরু হতে যাচ্ছে ফুটবল বিশ্বকাপের মহোৎসব। মাঠে বল গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে জেগে উঠবে কোটি ভক্তের আবেগ, উচ্ছ্বাস, প্রত্যাশা এবং প্রিয় দলকে ঘিরে অসংখ্য স্মৃতি। এই বৈশ্বিক ক্রীড়া উৎসবকে আরও রঙিন করে তুলতে বিশেষ ফুটবল থিমভিত্তিক ফ্যাশন কালেকশন নিয়ে এসেছে রঙ বাংলাদেশ।

বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে তৈরি করা এই বিশেষ কালেকশনে ফুটবলের আবেগ, পারিবারিক বন্ধন এবং উৎসবের আনন্দকে তুলে ধরা হয়েছে নান্দনিক নকশায়। কালেকশনে রয়েছে শাড়ি, পাঞ্জাবি, টপস, প্রাপ্তবয়স্কদের টি-শার্ট এবং শিশুদের টি-শার্ট। প্রতিটি পোশাকে ফুটবলের প্রাণচাঞ্চল্য ও উৎসবমুখর আবহ ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করা হয়েছে সৃজনশীল ডিজাইনের মাধ্যমে।

ফুটবল কেবল একটি খেলা নয়; এটি মানুষের অনুভূতি, ভালোবাসা এবং একসঙ্গে উদযাপনের উপলক্ষ। সেই ভাবনাকে কেন্দ্র করে রঙ বাংলাদেশের এই আয়োজনে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে ফ্যামিলি ম্যাচিং আউটফিটে। বাবা-ছেলে, মা-মেয়ে কিংবা পুরো পরিবারের সদস্যরা একই থিমে নিজেদের সাজিয়ে বিশ্বকাপের আনন্দকে আরও স্মরণীয় করে তুলতে পারবেন।

কালেকশনের প্রতিটি নকশায় ফুটবলের বিভিন্ন উপাদানকে আধুনিক ফ্যাশনের সঙ্গে সংযুক্ত করা হয়েছে। কোথাও ফুটবলের গতিময়তা, কোথাও গ্যালারির উচ্ছ্বাস, আবার কোথাও বিশ্বকাপের চিরচেনা উত্তেজনা স্থান পেয়েছে সৃজনশীল উপস্থাপনায়। দেশীয় পোশাকের স্বাচ্ছন্দ্য, গুণগত মান ও নান্দনিকতার সঙ্গে আন্তর্জাতিক ক্রীড়া উৎসবের আবেগকে একসূত্রে গেঁথে তৈরি করা হয়েছে এই বিশেষ সংগ্রহ।

রঙ বাংলাদেশের মতে, পোশাক শুধু পরিধানের উপকরণ নয়; এটি মানুষের অনুভূতি, সংস্কৃতি এবং সময়ের গল্পও বহন করে। সেই দর্শন থেকেই বিশ্বকাপকে ঘিরে ফুটবলপ্রেমীদের জন্য এমন একটি কালেকশন তৈরি করা হয়েছে, যা উৎসবের আবহকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলবে এবং স্মৃতির অংশ হয়ে থাকবে দীর্ঘদিন।

বিশ্বকাপের প্রতিটি ম্যাচ, প্রতিটি উল্লাস এবং প্রতিটি প্রতীক্ষার মুহূর্তকে আরও রঙিন করে তুলতে ফুটবল থিমের এই বিশেষ কালেকশন এখন দেশের সব রঙ বাংলাদেশ আউটলেটে পাওয়া যাচ্ছে। পাশাপাশি অনলাইনে কেনাকাটার জন্য ভিজিট করা যাবে। রঙ বাংলাদেশের ওয়েবসাইট (https://www.rang-bd.com?utm_source=chatgpt.com) এবং [রঙ বাংলাদেশের ফেসবুক পেজ 

(https://www.facebook.com/rangbangladeshlimited?utm_source=chatgpt.com)। বিস্তারিত তথ্যের জন্য যোগাযোগ করা যাবে হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর ০১৭৭৭৭৪৪৩৪৪-এ।

/এমটি  

সেলফ কেয়ার রুটিন যখন থেরাপি

প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৬, ০১:৫৭ পিএম
আপডেট: ০৬ জুন ২০২৬, ০১:৫৮ পিএম
সেলফ কেয়ার রুটিন যখন থেরাপি

আধুনিক জীবনের দ্রুতগতির মধ্যে মানুষ সবচেয়ে বেশি যে বিষয়টি হারিয়ে ফেলে, তা হলো নিজের জন্য সময়। কাজ, পড়াশোনা, পরিবার ও সামাজিক দায়িত্ব পালনের ভিড়ে নিজের শরীর ও মন প্রায়ই অবহেলিত থাকে। অথচ প্রতিদিনের কিছুটা সময় শুধু নিজের জন্য রাখাই হতে পারে মানসিক চাপ কমানোর সবচেয়ে সহজ উপায়। লিখেছেন মুশফিরাত তাসকিন 

স্কিনকেয়ার রুটিন: আত্ম যত্নের প্রথম ধাপ
অনেকেই মনে করেন স্কিনকেয়ার শুধু সৌন্দর্য চর্চা, কিন্তু বাস্তবে এটি সেলফ কেয়ারের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। মুখ ধোয়া, টোনার ব্যবহার, ময়েশ্চারাইজার লাগানো কিংবা হালকা ফেস ম্যাসাজ–এই প্রতিটি ধাপই এক ধরনের রিল্যাক্সেশন তৈরি করে। দিনের শেষে এই রুটিন শরীর ও মনকে জানান দেয় যে এখন বিশ্রামের সময়। নিয়মিত স্কিনকেয়ার রুটিন মানসিক প্রশান্তি বাড়ায় এবং নিজের প্রতি যত্নশীল হওয়ার অনুভূতি তৈরি করে। 

মানসিক প্রশান্তিতে ছোট ছোট অভ্যাস
সেলফ কেয়ারের সবচেয়ে সুন্দর দিক হলো এর ছোট ছোট অভ্যাস। হালকা মিউজিক শোনা, কিছুক্ষণ নীরবে বসে থাকা, জানালার পাশে চা খাওয়া বা প্রিয় বইয়ের কয়েক পাতা পড়া এই সাধারণ বিষয়গুলোই মনকে হালকা করে। মনোবিজ্ঞানীদের মতে, এমন ছোট বিরতি মস্তিষ্ককে রিফ্রেশ করে এবং স্ট্রেস কমাতে সাহায্য করে। এই অভ্যাসগুলো নিয়মিত করলে মানসিক ভারসাম্য বজায় রাখা সহজ হয়।   

শরীরচর্চা: মানসিক স্বাস্থ্যের শক্ত ভিত
শরীরচর্চা শুধু শারীরিক ফিটনেসের জন্য নয়, মানসিক স্বাস্থ্যের জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। হাঁটাহাঁটি, যোগব্যায়াম বা হালকা ব্যায়াম শরীরে এন্ডোরফিন হরমোন নিঃসরণ করে, যা মেজাজ ভালো রাখতে সাহায্য করে। প্রতিদিন মাত্র ২০-৩০ মিনিট হাঁটাও মানসিক চাপ অনেকাংশে কমিয়ে দিতে পারে। এটি শুধু শরীরকে সক্রিয় রাখে না, বরং মনকেও করে তোলে হালকা ও প্রাণবন্ত।

খাবার ও ঘুম: সেলফ কেয়ারের মৌলিক ভিত্তি
সেলফ কেয়ারের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো স্বাস্থ্যকর খাবার ও পর্যাপ্ত ঘুম। পুষ্টিকর খাবার শরীরকে শক্তি জোগায় এবং মস্তিষ্ককে সচল রাখে। অন্যদিকে অনিয়মিত ঘুম মানসিক চাপ ও ক্লান্তি বাড়িয়ে দেয়। তাই সুষম খাবার গ্রহণ ও নির্দিষ্ট সময় ঘুমের অভ্যাস গড়ে তোলা সেলফ কেয়ার রুটিনের অপরিহার্য অংশ।

নিজের অনুভূতিকে গুরুত্ব দেওয়া
মানসিক সেলফ কেয়ারের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো নিজের অনুভূতিকে গুরুত্ব দেওয়া। অনেক সময় আমরা আবেগ চেপে রাখি বা নিজেদের ক্লান্তিকে উপেক্ষা করি, যা দীর্ঘমেয়াদে মানসিক চাপ বাড়ায়। নিজের অনুভূতিকে বোঝা, গ্রহণ করা এবং প্রয়োজনে বিরতি নেওয়া এগুলো মানসিক সুস্থতার জন্য খুব জরুরি। নিজেকে সময় দেওয়া মানে নিজের আবেগকে সম্মান করা।

পছন্দের কাজ: মনের থেরাপি
নিজের পছন্দের কাজগুলো করা সেলফ কেয়ারের সবচেয়ে স্বস্তিদায়ক ও আনন্দদায়ক অংশ। প্রতিদিনের চাপ, দায়িত্ব আর ব্যস্ততার মাঝে যখন মানুষ কিছু সময় নিজের ভালো লাগার কাজে ব্যয় করে, তখন তা এক ধরনের মানসিক পুনর্জীবনের মতো কাজ করে। গান শোনা, রান্না করা, বই পড়া, ছবি আঁকা, লেখালেখি করা কিংবা প্রিয় কোনো সিরিজ দেখা এই সাধারণ অভ্যাসগুলোই মনকে ধীরে ধীরে হালকা করে দেয়।

এই সময়টুকু শুধু বিনোদন নয়, বরং মানসিক চাপ থেকে দূরে সরে গিয়ে নিজের ভেতরের শান্তিকে খুঁজে পাওয়ার একটি সুযোগ। মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, পছন্দের কাজে মনোযোগ দিলে মস্তিষ্কে ডোপামিন নিঃসরণ বাড়ে, যা মানুষকে সুখী ও ইতিবাচক অনুভূতি দেয়। ফলে ক্লান্ত মন আবার নতুনভাবে কাজ করার শক্তি পায়। এই অভ্যাসকে অনেকেই ‘ইমোশনাল রিচার্জ’ হিসেবে দেখেন, যা দৈনন্দিন জীবনের মানসিক ক্লান্তি দূর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

সেলফ কেয়ার: বিলাসিতা নয়, প্রয়োজন
অনেকেই এখনো মনে করেন সেলফ কেয়ার মানে বাড়তি সময় বা বিলাসিতা, যা ব্যস্ত জীবনে গুরুত্ব দেওয়ার মতো বিষয় নয়। কিন্তু বাস্তবতা হলো, সেলফ কেয়ার কোনো অপশন নয়, এটি একটি প্রয়োজনীয় জীবনধারা। নিজের শরীর ও মনকে উপেক্ষা করে দীর্ঘদিন কাজ চালিয়ে গেলে তা ধীরে ধীরে মানসিক চাপ, ক্লান্তি এবং হতাশার জন্ম দিতে পারে।

সেলফ কেয়ার হলো নিজেকে সচেতনভাবে গুরুত্ব দেওয়া। এটি ছোট ছোট অভ্যাসের মাধ্যমে গড়ে ওঠে নির্দিষ্ট সময়ে বিশ্রাম নেওয়া, নিজের আবেগকে গুরুত্ব দেওয়া, পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করা, স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া এবং নিজের জন্য কিছুটা সময় রাখা। এই অভ্যাসগুলো নিয়মিত চর্চা করলে মানুষ নিজের সঙ্গে একটি ইতিবাচক ও স্বাস্থ্যকর সম্পর্ক তৈরি করতে পারে।

সবচেয়ে বড় বিষয় হলো, নিজের যত্ন নেওয়া মানে আত্মকেন্দ্রিক হওয়া নয়, বরং নিজের মানসিক ও শারীরিক ভারসাম্য বজায় রাখা। একজন সুস্থ ও স্থিতিশীল মানুষই পরিবার, কাজ এবং সমাজের প্রতি ভালোভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারে। তাই সেলফ কেয়ারকে বিলাসিতা না ভেবে জীবনযাপনের একটি অপরিহার্য অংশ হিসেবে গ্রহণ করাই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ।

গরুর ভিন্ন স্বাদ

প্রকাশ: ২৫ মে ২০২৬, ০৬:৩৬ পিএম
গরুর ভিন্ন স্বাদ

ঈদুল আজহা মানেই উৎসবের আমেজ, পারিবারিক মিলন এবং সুস্বাদু নানা পদে ভরপুর এক বিশেষ সময়। কোরবানির মাংস দিয়ে তৈরি হয় ঘরোয়া রান্নার অসংখ্য ঐতিহ্যবাহী ও আধুনিক রেসিপি, যা এ উৎসবকে করে তোলে আরও উপভোগ্য। তাই এই বিশেষ উপলক্ষে কিছু গরুর মাংসের পদ দিয়েছেন রন্ধনশিল্পী আফরোজা খানম মুক্তা

গরুর নেহারি 
উপকরণ 
গরুর পায়া ২টি, আদা ও রসুন বাটা ২ টেবিল চামচ, হলুদ, মরিচ, ধনে গুঁড়া ১ চা চামচ করে, পেঁয়াজ বাটা ১ কাপ, জিরা গুঁড়া ১ চা চামচ, চিনি টেস্টিং সল্ট ১ চা চামচ করে, গরম মসলা গুঁড়া ১ টেবিল চামচ, দুধ ১/৪ কাপ, বাদাম বাটা ২ টেবিল চামচ, লবণ স্বাদমতো, পানি ২ লিটার, ময়দা বা কর্নফ্লাওয়ার ১/৪ কাপ, সয়াবিন তেল ২ টেবিল চামচ, কেওড়া জল ১/২ চা চামচ, কাঁচামরিচ ৬/৭টি, আদা ও পেঁয়াজ কুচি ১/২ কাপ। 

প্রণালি
গরুর পায়া ভালো কর পরিষ্কার করে ধুয়ে নিন। তার পর আবার গরম পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। হাঁড়িতে সয়াবিন তেল গরম হলে এলাচ ও দারুচিনির ফোড়ন দিন। এবার আদা ও রসুন বাটা, পেঁয়াজ বাটা, বাদাম বাটা, হলুদ, মরিচ, ধনে, জিরা গুঁড়া, লবণ দিয়ে ভালো করে কষিয়ে নিন। গরুর পায়া আর পানি (২ লিটার) দিয়ে ভালো করে রান্না করুন প্রায় ৩/৪ ঘণ্টা। পরে জিরা গুঁড়া, চিনি টেস্টি সল্ট, গরম মসলা গুঁড়া, লিকুইটড দুধ, কেওড়া জল দিয়ে ঢাকনাসহ আরও কিছু সময় রান্না করুন। সবশেষে কাঁচা মরিচ, ময়দা গুলিয়ে দিয়ে নেড়ে ঘন করে নিন। কড়াইয়ে তেল গরম করে পেঁয়াজ ও আদা কুচি বাদামি করে ভেজে রান্না করা পায়া ঢেলে নিন। তৈরি হয়ে গেল গরুর পায়া/নেহারি।

ঝাল ঝাল মগজ ভুনা 
উপকরণ
গরুর মগজ ১টা, পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ, আদা ও রসুন বাটা ১ চা চামচ, হলুদ, মরিচ, ধনে গুঁড়া ১ চা চামচ করে, জিরা গুঁড়া ১/২ চা চামচ, কাঁচা মরিচ ৭/৮টা, এলাচ ও দারুচিনি ২/৩ পিস করে, তেজপাতা ২টা, সয়াবিন তেল ১/২ কাপ, ঘি ১ টেবিল চামচ, লবণ স্বাদমতো।

প্রণালি
গরুর মগজ ধুয়ে রগ ফেলে নিন। পরে বাটিতে ১ কাপ পেঁয়াজ কুচি, আদা ও রসুন বাটা, হলুদ, মরিচ, ধনে গুঁড়া, লবণ দিয়ে আলতো হাতে চটকে নিন। পরে কড়াইয়ে সয়াবিন তেল গরম হলে ১/২ কাপ পেঁয়াজ কুচি সোনালি করে ভেজে মাখানো মগজ দিয়ে রান্না করুন। পরে এলাচ, দারুচিনি, ঘি, তেজপাতা দিয়ে নেড়ে আরও ৫-৬ মিনিট রান্না করে লবণ দেখে নামিয়ে নিন। তৈরি হয়ে গেল ঝাল ঝাল মগজ ভুনা।

/এমটি 

 

নানা স্বাদের কাবাব

প্রকাশ: ২৫ মে ২০২৬, ০৬:২৭ পিএম
নানা স্বাদের কাবাব

ঈদুল আজহার উৎসব মানেই পরিবার, অতিথি আপ্যায়ন আর বাহারি খাবারের আয়োজন। আর এ আয়োজনকে আরও লোভনীয় করে তুলতে কাবাবের বিভিন্ন পদ হতে পারে সবার পছন্দের তালিকায় শীর্ষে। ধোঁয়াওঠা গরম, মসলাদার ও রসালো কাবাবের স্বাদ যেমন বাড়িয়ে দেয় উৎসবের আমেজ, তেমনি খাবারের টেবিলেও আনে ভিন্নতা। তাই ঈদ উপলক্ষে ঘরে সহজে তৈরি করা যায় এমন সুস্বাদু ও ভিন্নধর্মী কিছু কাবাবের পদ দিয়েছেন শেফ ফারহানা কুনতুম 

পেশোয়ারি বিফ কাবাব
উপকরণ 
গরুর কিমা ৫০০ গ্রাম, পেঁয়াজ কুচি ১টা বড়, টমেটো কুচি ১টা, ডিম ১টা, ধনে পাতা কুচি ১ মুঠো, কাঁচা মরিচ কুচি ৩টা, আদা বাটা ১ টেবিল চামচ, রসুন বাটা ১ টেবিল চামচ, লাল মরিচ গুঁড়া ১ টেবিল চামচ, কাশ্মীরি মরিচ গুঁড়া ১ টেবিল চামচ, ধনে গুঁড়া ১ চা চামচ, জিরা গুঁড়া ১ চা চামচ, গরম মসলা ১ চা চামচ, লবণ স্বাদমতো, বেসন ২ টেবিল চামচ, তেল ভাজার জন্য। 

প্রণালি 
একটি বাটিতে কিমার সঙ্গে সব মসলা, পেঁয়াজ, টমেটো, ধনে পাতা, কাঁচা মরিচ ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। ডিম ও বেসন দিয়ে মিশ্রণটা ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। মেরিনেট করা মিশ্রণটি ৩০ মিনিট ঢেকে রেস্টে রেখে দিন। হাত ভিজিয়ে বড় গোল ও একটু চ্যাপ্টা চাপলি আকৃতির করে কাবাব বানিয়ে রাখুন। প্যানে পর্যাপ্ত তেল গরম করুন, মাঝারি আঁচে দুই পাশ সোনালি ও ক্রিস্পি হওয়া পর্যন্ত ভাজুন। গরম গরম পেশোয়ারি বিফ কাবাব পরিবেশন করুন পেঁয়াজ, লেবু, চাটনি দিয়ে।

গ্রিক বিফ কাবাব
উপকরণ 
গরুর মাংস কিউব করে কাটা ৫০০ গ্রাম, অলিভ অয়েল ৩ টেবিল চামচ, দই হাফ কাপ, লেবুর রস ২ টেবিল চামচ, রসুন বাটা ১ টেবিল চামচ, অরিগানো ১ চা চামচ, কালো গোলমরিচ গুঁড়া ১ চা চামচ, পাপরিকা গুঁড়া ১ চা চামচ, জিরা গুঁড়া হাফ চা চামচ, লবণ স্বাদমতো, পেঁয়াজ কিউব ১টা, ক্যাপসিকাম কিউব ১টা, ⁠গাজর কিউব ১টা। 
 

প্রণালি 
একটি বড় বাটিতে গরুর মাংসের কিউব নিয়ে সব উপকরণ অলিভ অয়েল, দই, লেবুর রস, রসুন বাটা, অরিগানো, কালোমরিচ, পেপরিকা, জিরা গুঁড়ো, লবণ একসঙ্গে দিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। মিশ্রণটি ঢেকে ফ্রিজে কমপক্ষে ৬ ঘণ্টা রেখে দিন, যাতে মসলার স্বাদ ভেতরে ঢুকে। ম্যারিনেট করা মাংস ইস্টিকে গেঁথে নিন।

মাঝে পেঁয়াজ, গাজর ও ক্যাপসিকাম কিউব গেঁথে দিন। ওভেনে ২০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপে ১৫-২০ মিনিট রান্না করুন। নামিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন টম্যাটো, শসা, পেঁয়াজ সঙ্গে দই দিয়ে মজাদার গ্রিক বিফ কাবাব।

/এমটি