ঢাকা ৮ আষাঢ় ১৪৩৩, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
১০ মার্কিন প্রতিষ্ঠানের ওপর চীনের রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ ২২ জুন: কমেছে পাউন্ড ইউরোর দাম, বেড়েছে রিয়াল দেরহামের জীব ও পরিবেশের পারস্পরিক নির্ভরশীলতা অধ্যায়ের থেকে ৪টি অনুশীলনীর প্রশ্ন ও  উত্তর , ১ম পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বিজ্ঞান বার্ষিক পরীক্ষার পরপরই নতুন বই পাবে ৪ কোটি শিক্ষার্থী : এনসিটিবি চেয়ারম্যান সিরাজগঞ্জে অজ্ঞাত নারীর মরদেহ উদ্ধার সংকট নিরসনে দ্রুত ব্যবস্থা নিন কলম্বিয়ার নতুন প্রেসিডেন্ট আবেল্যার্দো দে লা এসপ্রিয়েলা রোগী সেজে ইয়াবা পাচার, স্বামী-স্ত্রী আটক ফিলিপাইনে স্কুলে বন্দুকধারীর হামলায় নিহত ৩, আহত ৫ দুই দফা কমে ৪৪৩২ টাকা বাড়ল স্বর্ণের দাম প্রধানমন্ত্রীকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানালেন আনোয়ার ইব্রাহিম আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে রাজধানীতে থাকবে ১৮০০০ পুলিশ মাদরাসা ছাত্রকে অমানুষিক নির্যাতন সাবেক এমপি সেলিমা আহমাদ মেরী মারা গেছেন টিভিতে আজকের খেলা চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ভারতীয় ট্রাকের যন্ত্রাংশের চালান জব্দ, আটক ১ জুন মাসে ডিএমপির বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ১৫৩৭ লেবাননে যেকোনো হুমকি নির্মূলে স্বাধীন ইসরায়েলি সৈন্যরা: কাটজ পদত্যাগের মুখে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এমপিপুত্র সজীবকে যুবদল থেকে বহিষ্কার ভাঙ্গুড়ায় বিএনপি নেতার মারধর, ৪ ঘণ্টা পর কৃষকের মৃত্যু সেনেগালের কঠিন পরীক্ষা, নরওয়ের চোখ নক আউটে যমুনা ফিউচার পার্কে ২ দিনের ‘কে-গুডস ফেস্টা’ মালয়েশিয়ায় ‘হালাল’ পণ্য রপ্তানির অপার সম্ভাবনা কাতারের ভয়াবহ বিস্ফোরণ: আহত ৫৪, নিখোঁজ ১৮ হাজারীবাগ থেকে হেমায়েতপুর পূর্ণতা পায়নি চামড়া শিল্পনগরী শরীফাতুন্নিছা মহিলা মাদরাসার অভিভাবক সম্মেলন ও বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান কমিউনিটি ব্যাংকের ৭ম বার্ষিক সাধারণ সভা, নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা নিউজিল্যান্ডকে ৩-১ গোলে হারাল মিশর

২০২৪ সালের আলোচিত তিন ইস্যু

প্রকাশ: ২৪ ডিসেম্বর ২০২৪, ১০:১৯ এএম
আপডেট: ২৪ ডিসেম্বর ২০২৪, ১০:৪১ এএম
২০২৪ সালের আলোচিত তিন ইস্যু
২০২৪ সালের আলোচিত তিন ইস্যু-মূল্যস্ফীতি, নির্বাচন ও যুদ্ধ। ছবি: সংগৃহীত

দেখতে দেখতে শেষ হয়ে যাচ্ছে ২০২৪ সাল। প্রতিবারের মতো এবারও আলোচনায় ছিল নানাবিধ ইস্যু। তবে বছরের শেষ দিকে এসে বলা চলে ২০২৪-জুড়ে সবচেয়ে বেশি আলোচনা হয়েছে তিনটি বিষয় নিয়ে। সেগুলো হলো- মূল্যস্ফীতি, নির্বাচন ও যুদ্ধ। বিশ্বের প্রায় সব দেশই এ তিনটির প্রভাব দেখেছে। 

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের ফিরে দেখা সংক্রান্ত প্রতিবেদন বলছে, বিশ্বের বেশির ভাগ অর্থনীতিতেই মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমেছে। কিন্তু ভোটাররা তা আমলে নেননি। বরং দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ে তারা ছিলেন ক্ষুব্ধ। তাদের দৃষ্টিতে গত কয়েক বছর ধরে ডিম থেকে শুরু করে জ্বালানি- সবকিছুরই দাম বেড়েছে। ফলে তারা সেটির জবাব দিয়েছেন ভোটের মধ্যদিয়ে।

 প্রায় সব দেশেই ক্ষমতাসীনদের সে ক্ষোভের আঁচ সহ্য করতে হয়েছে। কোনো কোনো দেশে নির্বাচনে ক্ষমতাসীনরা পরাজিত হয়েছেন। আবার কোনো কোনো দেশে নির্বাচনে জিতলেও হারিয়েছেন সংখ্যাগরিষ্ঠতা। 

যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে মূল্যস্ফীতি ও দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির বিষয়টি প্রভাব ফেলেছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয়বারের মতো প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন। রয়টার্সের প্রতিবেদন বলছে, দেশে ও বাইরে যুক্তরাষ্ট্রের যে গণতান্ত্রিক কাঠামোগুলো রয়েছে, ট্রাম্পের এই ফিরে আসা সেগুলোর পরীক্ষা নেবে।

যুক্তরাজ্য, বতসোয়ানা, পর্তুগাল ও পানামায় মূল্যস্ফীতি ক্ষমতাসীনদের বিপাকে ফেলেছে। যুক্তরাজ্যের ক্ষমতায় চলে এসেছে লেবার পার্টি।

এদিকে, দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইয়ুন সুক ইয়োলকে চাপে রাখতে সংসদে বিরোধী দলের হাতে ক্ষমতা দিয়ে দিয়েছিল দেশটির ভোটাররা। ডিসেম্বরের শুরুতে তিনি সামরিক আইন জারির চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু তাতে কাজ হয়নি। ব্যাপক জনরোষের মুখে অল্প সময়ের মধ্যেই তা প্রত্যাহার করে নিতে হয়েছে। 

ফ্রান্স, জার্মানি, জাপান ও ভারতের মতো দেশগুলোর নির্বাচনেও প্রভাব দেখা গেছে। ভারতে লোকসভা নির্বাচনে একাধিপত্য হারিয়েছে দেশটির ক্ষমতাসীন বিজেপি। তাদের এবার জোটের ওপর নির্ভর করে ক্ষমতায় যেতে হয়েছে। ফ্রান্সে সাম্প্রতিক সময়ে আস্থা ভোটে হেরে পদত্যাগ করেন প্রধানমন্ত্রী। পরে নতুন প্রধানমন্ত্রী বেছে নেওয়া হয়। তবে জনমত জরিপ জানায়, তাকে নিয়েও অসন্তুষ্ট দুই-তৃতীয়াংশ ফরাসি। জাপানেও নির্বাচনের পর দেখা যায় কোনো দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। সরকার গঠন নিয়ে তৈরি হয়েছিল অনিশ্চয়তা। 

শুধু একটি দেশে কোনো পরিবর্তন হয়নি, আর সেটি হলো রাশিয়া। সেখানেও চলতি বছর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। নির্বাচনে ৮৮ শতাংশ ভোট পেয়ে ফের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন ভ্লাদিমির পুতিন। এ বছর পুতিনের কট্টর সমালোচক অ্যালেক্সেই নাভালনিও মারা গেছেন বন্দি অবস্থায়। তার পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়- নাভালনিকে মেরে ফেলা হয়েছে। 

ইউক্রেন যুদ্ধও পুরো বছর ধরেই চলেছে। কিছু উল্লেখযোগ্য ঘটনা ঘটেছে। ইউক্রেন রাশিয়ার বেশ কিছু এলাকা দখলে নিয়েছে। যুদ্ধের আঁচ পৌঁছে দিয়েছে মস্কোর দোরগোড়ায়। তবে ট্রাম্পের পুনর্নির্বাচিত হওয়ার কারণে অনেক কিছুই বদলে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তিনি এর আগে যুদ্ধ থামিয়ে দেবেন বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। হোয়াইট হাউসে ফেরত যাওয়ার পর কী করেন, এখন সেটিই দেখার বিষয়। অনেক ইউক্রেনীয় ও ইউরোপীয়র শঙ্কা যে ট্রাম্প পুতিনের পক্ষে গিয়ে দাঁড়াবেন।

যুদ্ধ চলছে মধ্যপ্রাচ্যে। প্রাণহানি সেখানেই সবচেয়ে বেশি। ইসরায়েল গাজায় এখনো হামলা অব্যাহত রেখেছে। বেসামরিক মানুষ প্রতিদিন প্রাণ হারাচ্ছে। ক্ষুধা ও চিকিৎসা স্বল্পতায়ও কষ্ট করছে মানুষ। অনেকেরই নেই থাকার মতো কোনো জায়গা। অস্থায়ী তাঁবুতে দিন কাটাতে হচ্ছে। সহায়তা সংস্থার খাবার ও জরুরি রসদও ঠিকভাবে পৌঁছাতে দেওয়া হচ্ছে না। সবমিলিয়ে তৈরি হয়েছে মানবেতর পরিস্থিতি। খোদ জাতিসংঘ একাধিকবার গাজার পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

লেবাননের ইরান সমর্থিত হিজবুল্লাহ গোষ্ঠী হামাসের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করে ইসরায়েলে হামলা চালিয়েছিল এবং তাদের সঙ্গেও ইসরায়েলি বাহিনীর যুদ্ধ হয়েছে। ইসরায়েল লেবাননে ব্যাপক হামলা চালিয়েছে। এতে হিজবুল্লাহর শীর্ষ নেতৃস্থানীয়দের অনেকে মারা গেছেন এবং দেশটির অনেক মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। পরে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে। তার পরও নানা ধরনের হামলা-পাল্টা হামলার খবর বেশ কয়েকবার জায়গা করে নিয়েছে গণমাধ্যমে।  

সিরিয়ায় ক্ষমতাচ্যুত হয়েছেন বাশার আল-আসাদ। বিদ্রোহী গোষ্ঠী খুব দ্রুত দেশটির গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলো দখলে নেয়। একপর্যায়ে বাশার আল-আসাদ পালিয়ে যান রাশিয়ায়। ইসরায়েল আসাদ সরকারের পতনের পর সিরিয়ার বেশ কিছু এলাকা দখলে নিয়েছে। সে জায়গায় তারা বসতি স্থাপনের চিন্তাভাবনাও করছে।

ব্যবসায়িক দিক থেকে বিশ্বে ২০২৪ সালে আলোচনায় ছিল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের ব্যবহার। অন্যদিকে টেসলার প্রধান ইলন মাস্ক এবার যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের উপদেষ্টা হয়েছেন। নির্বাচনের সময়ও তিনি তহবিলদাতার ভূমিকায় ছিলেন। ফলে আগামীতে মাস্কের রাজনৈতিক একটি রূপ বিশ্ব দেখতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সূত্র: রয়টার্স   

১০ মার্কিন প্রতিষ্ঠানের ওপর চীনের রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ

প্রকাশ: ২২ জুন ২০২৬, ১১:৫৮ এএম
১০ মার্কিন প্রতিষ্ঠানের ওপর চীনের রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ
ছবি: সংগৃহীত

প্রতিরক্ষা শিল্প ও বিরল খনিজ উত্তোলনের সঙ্গে জড়িত ১০টি মার্কিন প্রতিষ্ঠানের ওপর রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে চীন। সোমবার (২২ জুন) দেশটির বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে।

রপ্তানি নিয়ন্ত্রণের আওতায় পড়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ওশকোশ ডিফেন্সও রয়েছে। এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর জন্য বিভিন্ন ধরনের সামরিক যানবাহন তৈরি করে।

এক বিবৃতিতে চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় জানায়, ‘উল্লিখিত ১০টি প্রতিষ্ঠানের কাছে দ্বৈত-ব্যবহারযোগ্য পণ্য রপ্তানি করা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এছাড়া বিশ্বের কোনো দেশ বা অঞ্চলের কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান চীনে উৎপাদিত এমন দ্বৈত-ব্যবহারযোগ্য পণ্য এ সব প্রতিষ্ঠানের কাছে হস্তান্তর বা সরবরাহ করতে পারবে না।’

চীনের এ পদক্ষেপকে দুই দেশের চলমান বাণিজ্য ও প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতার প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

আমান/

কলম্বিয়ার নতুন প্রেসিডেন্ট আবেল্যার্দো দে লা এসপ্রিয়েলা

প্রকাশ: ২২ জুন ২০২৬, ১১:১০ এএম
আপডেট: ২২ জুন ২০২৬, ১১:১৯ এএম
কলম্বিয়ার নতুন প্রেসিডেন্ট আবেল্যার্দো দে লা এসপ্রিয়েলা
২১ জুন, ২০২৬: কলম্বিয়ার বারানকুইলায় নির্বাচনি ফলাফলের পর বুলেট-প্রুফ কাঁচের আড়াল থেকে সমর্থকদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখছেন প্রেসিডেন্ট প্রার্থী আবেল্যার্দো দে লা এসপ্রিয়েলা। ছবি: এএফপি

লাতিন আমেরিকার দেশ কলম্বিয়ার রাজনীতিতে এক বিশাল পরিবর্তন এনে নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ডানপন্থি নেতা আবেল্যার্দো দে লা এসপ্রিয়েলা। বামপন্থি গুস্তাভো পেত্রোর স্থলাভিষিক্ত হয়ে তিনি দেশটির শাসনভার গ্রহণ করতে যাচ্ছেন।

পেশায় হাইপ্রোফাইল আইনজীবী এবং কট্টর ডানপন্থি রাজনীতিবিদ হিসেবে পরিচিত এসপ্রিয়েলা। রাজনীতিতে আসার আগে তিনি কলম্বিয়ার বড় বড় কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান এবং প্রভাবশালী ব্যক্তিদের হয়ে আইনি লড়াই করে ব্যাপক পরিচিতি পান। রাজনীতিতে তিনি মূলত সাবেক প্রেসিডেন্ট আলভারো উরিবের কট্টরপন্থি আদর্শের অনুসারী।

নির্বাচনি প্রচারণায় এসপ্রিয়েলা মূলত আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা, দেশের ধসে পড়া অর্থনীতি পুনরুজ্জীবিত করা এবং সমাজতান্ত্রিক নীতি থেকে কলম্বিয়াকে মুক্ত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। 

পূর্ববর্তী বামপন্থি সরকারের আমলের অপরাধ হার এবং অর্থনৈতিক স্থবিরতায় ক্ষুব্ধ কলম্বিয়ার সাধারণ ভোটাররা তার এই কট্টর ডানপন্থি ও ব্যবসাবান্ধব নীতিকে বেছে নিয়েছেন।

প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলেও এসপ্রিয়েলার সামনে এখন বড় চ্যালেঞ্জ। দেশের অভ্যন্তরীণ অপরাধ চক্র ও মাদক চোরাকারবারীদের দমন করার পাশাপাশি, বিভক্ত কলম্বিয়ান সমাজকে এক সুতোয় গাঁথাই হবে তার প্রশাসনের প্রধান কাজ। 

বিশ্লেষকদের মতে, এসপ্রিয়েলার এই জয় লাতিন আমেরিকার রাজনীতিতে ডানপন্থিদের পুনরুত্থানের একটি বড় সংকেত। সূত্র: দ্য হিন্দু

আজহার/

ফিলিপাইনে স্কুলে বন্দুকধারীর হামলায় নিহত ৩, আহত ৫

প্রকাশ: ২২ জুন ২০২৬, ১১:০৩ এএম
আপডেট: ২২ জুন ২০২৬, ১১:১২ এএম
ফিলিপাইনে স্কুলে বন্দুকধারীর হামলায় নিহত ৩, আহত ৫
ছবি: সংগৃহীত

ফিলিপাইনের মধ্যাঞ্চলীয় লেয়তে প্রদেশের তাকলোবান শহরের একটি হাই স্কুলে ভয়াবহ বন্দুক হামলায় অন্তত তিনজন নিহত এবং পাঁচজন আহত হয়েছেন।

সোমবার (২২ জুন) সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে তাকলোবান শহরের সান জোসে ন্যাশনাল হাই স্কুলে এই ঘটনা ঘটে।

পুলিশ জানায়, হামলায় জড়িত সন্দেহে ইতোমধ্যে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে দ্বিতীয় আরেকজন সন্দেহভাজন এখনো পলাতক।

আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার পর শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্কুল প্রাঙ্গণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

কী কারণে এই হামলার ঘটনা ঘটেছে, তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে তাকলোবান সিটি পুলিশ।

কর্তৃপক্ষ সাধারণ মানুষকে এই ঘটনা নিয়ে কোনো ধরনের যাচাই না করা তথ্য বা গুজব না ছড়ানোর অনুরোধ জানিয়েছে।

ফিলিপাইনে সাধারণত স্কুল শুটিংয়ের মতো ঘটনা বিরল। এর আগে ২০২২ সালের জুলাইয়ে দেশটির কুইজন সিটির আতেনিও ডি ম্যানিলা ইউনিভার্সিটির ল স্কুলের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে এক বন্দুকধারীর হামলায় ল্যামিটান সিটির সাবেক মেয়র রোজ ফুরিগেসহ তিনজন নিহত হয়েছিলেন।সূত্র: রয়টার্স

তামান্না রুপা/অমিয়/

লেবাননে যেকোনো হুমকি নির্মূলে স্বাধীন ইসরায়েলি সৈন্যরা: কাটজ

প্রকাশ: ২২ জুন ২০২৬, ১০:২৩ এএম
আপডেট: ২২ জুন ২০২৬, ১০:২৯ এএম
লেবাননে যেকোনো হুমকি নির্মূলে স্বাধীন ইসরায়েলি সৈন্যরা: কাটজ
ছবি: সংগৃহীত

লেবাননে যেকোনো হুমকি নির্মূল করতে ইসরায়েলি সৈন্যরা কোনো বাধা ছাড়াই ব্যবস্থা নিতে পারবে। রবিবার (২১ জুন) সংবাদমাধ্যম রয়টার্সকে এ কথা বলেন ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ। 

তিনি বলেন, ইসরায়েল যাকে একটি নিরাপত্তা অঞ্চল বলে অভিহিত করে, সেখানে সৈন্যরা অবস্থান করছে। যা দক্ষিণ লেবাননের প্রায় ১০ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত।

লেবাননের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা এনএনএ জানায়, কয়েক মাস ধরে বাড়তে থাকা সহিংসতার পর শুক্রবার ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহর সঙ্গে একটি যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়। কিন্তু শনিবার লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ২০ জন নিহত হয়েছেন।

ইসরায়েল বলেছে, দক্ষিণ লেবাননে তাদের সৈন্যদের লক্ষ্য করে ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠীটির ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রের জবাবে এ হামলা চালানো হয়েছে।

এক ইসরায়েলি কর্মকর্তার বর্ণনা অনুযায়ী 'হিজবুল্লাহর লক্ষ্যবস্তুতে' হামলা চালানো হয়েছে।

হিজবুল্লাহর একজন কর্মকর্তা রয়টার্সকে বলেন, যতক্ষণ ইসরায়েল যুদ্ধবিরতি মেনে চলবে, ততক্ষণ দলটি এতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি বাহিনীর অবাধ চলাচলের অধিকার নেই এবং হিজবুল্লাহ ইসরায়েলি সেনাদের ওপর গুলি চালায়নি।

থিওটোনিয়াস/অমিয়/

পদত্যাগের মুখে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার

প্রকাশ: ২২ জুন ২০২৬, ১০:১৬ এএম
আপডেট: ২২ জুন ২০২৬, ১০:২৪ এএম
পদত্যাগের মুখে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার
যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার

পার্টির প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যান্ডি বার্নামের কাছে নেতৃত্ব হারানোর শঙ্কায় যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার যেকোনো মুহূর্তে পদত্যাগের ঘোষণা দিতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

স্টারমারের ঘনিষ্ঠ মিত্রদের মতে, তিনি খুব শিগগিরই ক্ষমতা হস্তান্তরের একটি সময়সীমা ঘোষণা করতে পারেন। এটি হলে গত এক দশকের মধ্যে যুক্তরাজ্য সপ্তম প্রধানমন্ত্রী পেতে যাচ্ছে।

গত সপ্তাহে অ্যান্ডি বার্নাম পার্লামেন্ট নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর থেকেই স্টারমারের ওপর পদত্যাগের চাপ বাড়তে থাকে। গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্টারমার গত কয়েকদিন ধরে তার অবস্থান এবং বার্নামের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা সম্ভব কি না, তা নিয়ে চিন্তাভাবনা করছেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে দাবি করেছেন, অভিবাসন ও জ্বালানি নীতিতে ব্যর্থতার কারণে স্টারমার পদত্যাগ করবেন। ২০২৪ সালে লেবার পার্টিকে এক বিশাল নির্বাচনি জয় এনে দেওয়ার মাত্র দুই বছরের মাথায় স্টারমারের এই পরিণতি এক নাটকীয় পরিবর্তন। একের পর এক নীতিগত ভুল এবং জনপ্রিয়তার ধসের কারণে মে মাসের স্থানীয় নির্বাচনে বড় পরাজয়ের পর দলের প্রায় এক-চতুর্থাংশ এমপি তার পদত্যাগ দাবি করেন।

বার্নামের এই উত্থান এবং স্টারমারের সম্ভাব্য বিদায় যুক্তরাজ্যের রাজনীতিতে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে।

লেবার পার্টির ভেতরে এখন আলোচনা চলছে যে, বার্নাম কি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় প্রধানমন্ত্রী হবেন, নাকি দলের ভেতরে অন্য কেউ তাকে চ্যালেঞ্জ জানাবে।

তবে অধিকাংশ লেবার এমপির ধারণা, আগামী ২০২৯ সালের সাধারণ নির্বাচনে নাইজেল ফারাজের ‘রিফর্ম ইউকে’ পার্টিকে ঠেকাতে বার্নামই তাদের একমাত্র ভরসা। সূত্র: এনডিটিভি

তামান্না রুপা/অমিয়/