তেহরানের উপর ‘সর্বোচ্চ চাপ অব্যাহত রাখার প্রায় এক মাস পর, ডোনাল্ড ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন খুব শিগগিরই ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের একটি পারমাণবিক চুক্তি হতে পারে। এ বিষয়ে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে চিঠিও দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
শুক্রবার (৭ মার্চ) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জনায় ফক্স নিউজ।
গত শুক্রবার ট্রাম্প সাংবাদিকদের জানান, আমেরিকা ইরানের সঙ্গে আলোচনার শেষ মুহূর্ত পার করছে। তিনি আশা করেন, দুইপক্ষের মধ্যে পরিস্থিতি স্থিতিশীল করতে এখন আর সামরিক হস্তক্ষেপের প্রয়োজন হবে না।
এ দিকে রয়টার্স জানায়, বৃহস্পতিবার (৬ মার্চ) মার্কিন প্রেসিডেন্ট খামেনিকে দেওয়া চিঠিতে তেহেরানের সঙ্গে একটি পারমাণবিক চুক্তি নিয়ে আলোচনা করতে আগ্রহ প্রকাশ করেন।
এর এক দিন পর ফক্স বিজনেস নেটওয়ার্ককে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে বলেছি, আশা করি আপনি আলোচনায় বসবেন, কারণ এটি ইরানের জন্য অনেক ভালো হবে।’
ট্রাম্প আরও বলেন, ‘আমাদের বিকল্প কিছু করতে হবে। কারণ, আমি আরেকটি পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে দিতে পারি না।’
তবে ট্রাম্পের এমন মন্তব্যের বিষয়ে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।
এছাড়া হোয়াইট হাউসও তাৎক্ষণিক এ বিষয়ে মন্তব্য করেনি।
ট্রাম্প বলেন, ‘ইরানকে সামলানোর দুটি উপায় রয়েছে- প্রথমত, সামরিকভাবে শক্তি প্রয়োগ করে। দ্বিতীয়ত, একটি চুক্তি করে। আমি চুক্তি করার বিষয়টি বেশি পছন্দ করি। কারণ, আমি ইরানের ক্ষতি করতে চাই না। তারা ভালো মানুষ।’
এর আগে ওভাল অফিসে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘বিশ্বের ইতিহাসে এটি একটি সুবর্ণ সময়। কিন্তু ইরানের সঙ্গে আমাদের এমন একটি পরিস্থিতি রয়েছে যে, খুব শিগগিরই কিছু ঘটতে চলেছে।’
এদিন ট্রাম্প জানান, তিনি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে চিঠি পাঠিয়ে তেহরানকে পারমাণবিক চুক্তিতে সম্মত হওয়ার জন্য চাপ দিয়েছেন। অন্যথায় তাকে সামরিক পরিণতির মুখোমুখি হতে হবে। সূত্র: ফক্স নিউজ
দিনা/অমিয়/