ঢাকা ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, রোববার, ১৪ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
পথপ্রদর্শক বাকুনা ভিনিসিয়ুসের গোলে সমতায় ফিরল ব্রাজিল পরাশক্তি জার্মানির সামনে পুঁচকে কুরাসাও ডার্কহর্স জাপান, সতর্ক নেদারল্যান্ডস ব্রাজিলের শুরুর একাদশে চমক অতিরিক্ত সময়ের গোলে সুইসদের রুখে দিয়ে কাতারের বাজিমাত ৯২ বছর ধরে বিশ্বকাপে প্রথম ম্যাচে হারেনি ব্রাজিল নেইমারকে ছাড়াই নামছে ব্রাজিল, ভাঙছে ৪০ বছরের ঐতিহ্য পেনাল্টিতে এমবোলোর গোল, এগিয়ে সুইজারল্যান্ড ফিটনেস প্রশ্নে রোনালদো, ‘আমাকে খেলতে দেখেননি?’ ‘জাপানি মেসি’র সঙ্গী উয়েদা এমবাপ্পের সমালোচনা ‘অতিরিক্ত ও অন্যায়’ দেড় দশকের জ্বালানিনীতি ছিল আমদানিনির্ভর: তথ্যমন্ত্রী ইরানের অনুশীলন মাঠের পাশে মরদেহ উদ্ধার ওয়ানডে সিরিজ বাংলাদেশ ইমার্জিংদের ঝিলিকের মৃত্যুর রহস্যে নতুন মোড়, গ্রেপ্তার স্বামী রক্তদান মহৎ কিন্তু নিরাপদ রক্ত আরও গুরুত্বপূর্ণ আদ্-দ্বীন হাসপাতাল কোটি কোটি টাকা নিয়ে ঘুরেছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী মরক্কোর বিপক্ষে ব্রাজিলের সম্ভাব্য একাদশ মার্তিনেজকে ঘিরে নতুন শঙ্কা শাহবাগে ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে ছাত্রদলের বিক্ষোভ নাটোরে ৭০ দরিদ্র রোগীর বিনামূল্যে ছানি অপারেশন চাকরি মেলায় সাড়া, রাজশাহীতে ৫০ শতাংশ প্রার্থীর তাৎক্ষণিক নিয়োগ ইনজুরিতে ছিটকে গেলেন মাইকেল অলিভার ‘ফেনীর সাংবাদিকতার ইতিহাসে উজ্জ্বল অধ্যায় ওছমান হারুন মাহমুদ দুলাল’ পেকুয়া পৌরসভার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী গ্রিন ইউনিভার্সিটির সাংবাদিকতা বিভাগে নবীনবরণ অনুষ্ঠিত মিসরকে কেন জার্সি পরিবর্তন করতে বলল ফিফা? রবিবার বিশ্ব রক্তদাতা দিবস যে সম্পদ চোখের পলকে ধ্বংস হয়ে যায়
Nagad desktop

গ্রিনল্যান্ডকে ডেনমার্কের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার আহ্বান যুক্তরাষ্ট্রের

প্রকাশ: ২৯ মার্চ ২০২৫, ০৩:৩৭ পিএম
আপডেট: ২৯ মার্চ ২০২৫, ০৪:১২ পিএম
গ্রিনল্যান্ডকে ডেনমার্কের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার আহ্বান যুক্তরাষ্ট্রের
গ্রিনল্যান্ডে বক্তব্য রাখছেন যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। ছবি: সংগৃহীত

গ্রিনল্যান্ডের জনগণকে ‘আত্মনিয়ন্ত্রণ’ গ্রহণ করার এবং ১৭২১ সাল থেকে দ্বীপটির নিয়ন্ত্রণকারী ডেনমার্কের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার আহ্বান জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স।

শুক্রবার (২৮ মার্চ) গ্রিনল্যান্ড সফরকালে তিনি দ্বীপটির জনগণকে এই আহ্বান জানান বলে জানিয়েছে বিবিসি।

এ ছাড়া ভ্যান্স গ্রিনল্যান্ডের জনগণকে আশ্বস্ত করার চেষ্টা করেন যে, যুক্তরাষ্ট্র ডেনমার্কের কাছ থেকে দ্বীপটি দখল করার জন্য সামরিক শক্তি ব্যবহার করবে না। 

যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘চীন ও রাশিয়াকে গ্রিনল্যান্ডে অনুপ্রবেশে করতে দিয়ে ডেনমার্ক স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলটিকে ঝুঁকিতে ফেলছে। এ সময় তিনি বিশ্বের সর্ববৃহৎ এই দ্বীপটির জনগণকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চু্ক্তি করার আহ্বান জানান।’ 

এই দ্বীপ পরিদর্শনকালে ভ্যান্স যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জোর করে দ্বীপটি দখলের সাম্প্রতিক হুমকিগুলোকে প্রশমিত করার চেষ্টা করেন।

এ সময় তিনি অভিযোগ করেন যে, ডেনমার্ক ৩০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে দ্বীপটির মালিক হলেও তারা আধা স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলটিকে রক্ষা করার জন্য পর্যাপ্ত বিনিয়োগ করেনি।

অন্যদিকে চলতি বছরের জানুয়ারিতে প্রকাশিত এক জরিপে দেখা গেছে, গ্রিনল্যান্ডের অধিকাংশ জনগণ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার বিরোধিতা করে।

এদিকে গ্রিনল্যান্ডকে যুক্তরাষ্ট্র অসম্মান করেছেন বলে অভিযোগ করেছেন দ্বীপটির প্রধানমন্ত্রী। একই সঙ্গে ডেনমার্কের রাজা ফ্রেডেরিক যুক্তরাষ্ট্রের পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যান করেছেন।

এ বিষয়ে ডেনমার্কের রাজা এক ফেসবুক পোস্টে লেখেন, ‘আমরা এক পরিবর্তিত বাস্তবতায় বাস করছি। এতে কোনো সন্দেহ নেই যে, গ্রিনল্যান্ডের প্রতি আমার ভালোবাসা এবং গ্রিনল্যান্ডের জনগণের সঙ্গে আমার সংযোগ অক্ষুণ্ন রয়েছে।’

ভ্যান্স এবং তার স্ত্রী মাত্র কয়েক ঘণ্টার জন্য গ্রিনল্যান্ডে ছিলেন। শুধু দ্বীপটির পিটুফিক স্পেস বেস পরিদর্শন করেন তারা। 

ভ্যান্স ভ্রমণের এই সুযোগটি ব্যবহার করে ডেনমার্ককে উদ্দেশ করে বলেন, ‘গ্রিনল্যান্ডের জনগণকে রাশিয়া, চীন এবং অন্যান্য দেশের আক্রমণ থেকে নিরাপদ রাখতে হবে।’

৫৭ হাজার জনসংখ্যার এই দ্বীপে অব্যবহৃত প্রচুর খনিজ ও তেলের মজুত রয়েছে। তিনি এই অঞ্চলের রুট এবং খনিজ পদার্থের প্রতি আগ্রহ দেখান।

ভ্যান্স বলেন, ‘আমরা মনে করি, এই অঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য একটি চুক্তি করতে সক্ষম হব।’

যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘আমরা আশা করি গ্রিনল্যান্ড যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অংশীদারত্ব বেছে নেবে, কারণ আমরাই পৃথিবীতে একমাত্র জাতি, যারা তাদের সার্বভৌমত্ব এবং তাদের নিরাপত্তাকে সম্মান করি। তাদের নিরাপত্তা ও আমাদের নিরাপত্তা একই সূত্রে গাথা।’

ভ্যান্স বলেন, ‘অঞ্চলটির স্থলভাগে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি সম্প্রসারণের তাৎক্ষণিক পরিকল্পনা নেই, তবে নৌ জাহাজ এবং সামরিক বরফ ভাঙা জাহাজসহ অন্যান্য ক্ষেত্রে বিনিয়োগ করবে যুক্তরাষ্ট্র।’

ভাইস প্রেসিডেন্ট ডেনমার্ককে উদ্দেশ করে বলেন,  ‘ডেনমার্কের প্রতি আমাদের বার্তা খুবই সহজ। ডেনমার্ক গ্রিনল্যান্ডের জনগণের জন্য ভালো কাজ করেনি। তারা গ্রিনল্যান্ডের জনগণ ও অবিশ্বাস্য এই সুন্দর ভূমির নিরাপত্তায় কম বিনিয়োগ করেছে।’

ভ্যান্সের ও তার স্ত্রীর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা মাইক ওয়াল্টজ এবং জ্বালানি সচিব ক্রিস রাইট সফরসঙ্গী ছিলেন। 

এর আগে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছিলেন ‘সমগ্র বিশ্বের শান্তি নিশ্চিতের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিনল্যান্ড দরকার। দ্বীপটির জলপথে সর্বত্র চীনা এবং রাশিয়ান জাহাজ রয়েছে। তাই আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার জন্য আমাদের গ্রিনল্যান্ডের খুব প্রয়োজন।’

এদিকে গ্রিনল্যান্ডের একটি সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে শিল্পী কার্লাইন পুলসেন বলেন, ‘কিছু বলার অনেক উপায় আছে। কিন্তু আমার মনে হয় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যেভাবে বলছেন, তা সঠিক উপায় নয়।’

দ্বীপটির নাগরিক নিনা বলেন, ‘আমি যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্টের এই সফর নিয়ে উদ্বিগ্ন।’

ওই নারীর মেয়ে অনিতা বলেন, ‘গ্রিনল্যান্ডে ভ্যান্সের এই সফর অনেক অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে এবং অনেক মানুষ চিন্তিত।’

গ্রিনল্যান্ড তার নিজস্ব অভ্যন্তরীণ বিষয় পরিচালনা করে, কিন্তু দ্বীপটির পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষা নীতির সিদ্ধান্ত নেয় ডেনমার্ক। সাম্প্রতিক নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী ছয়টি প্রধান দলের মধ্যে পাঁচটি ডেনমার্ক থেকে স্বাধীনতার পক্ষে কথা বলেছেন।

এদিকে কয়েকদিন আগে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেন যে, ‘তিনি গ্রিনল্যান্ডের জন্য ট্রাম্পের পরিকল্পনাকে গুরুতর বলে মনে করেন।’

দ্বীপটির স্বাধীনতাপন্থি দলের রাজনীতিবিদ কুপানুক ওলসেন বিবিসিকে বলেন, ‘এই অঞ্চলটি যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থকে খুব গুরুত্বের সঙ্গে নিচ্ছে। আমরা আবার উপনিবেশিত হওয়ার ভয় পাচ্ছি। আমরা গত ৩০০ বছর ধরে ডেনমার্কের অধীনে একটি উপনিবেশ হিসেবে আছি, এখন আরেকজন উপনিবেশকারী আমাদের প্রতি আগ্রহী।’

আলাস্কা বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্কটিক নিরাপত্তার বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ট্রয় বাউফার্ড বিবিসিকে বলেন, ‘ট্রাম্প ভূ-রাজনীতি বা কূটনীতির চেয়ে বরং এই অঞ্চলে তিনি যা চান তা অর্জনের জন্য তার ব্যবসায়িক বুদ্ধির ওপর নির্ভর করছেন।’

অধ্যাপক বাউফার্ড বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের শেষ লক্ষ্য হলো গ্রিনল্যান্ডের সঙ্গে অনেক বেশি শক্তিশালী সম্পর্ক স্থাপন করা।’ সূত্র: বিবিসি

সুমন/

ভারতীয় সেনাবাহিনীর শীর্ষ পদে ধীরাজ শেঠ

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০৮:০৯ পিএম
ভারতীয় সেনাবাহিনীর শীর্ষ পদে ধীরাজ শেঠ
ধীরাজ শেঠ। ছবি: সংগৃহীত

ভারত সরকার বর্তমান ভাইস চিফ অব আর্মি স্টাফ লেফটেন্যান্ট জেনারেল ধীরাজ শেঠকে দেশটির পরবর্তী সেনাপ্রধান হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে।

শনিবার (১৩ জুন) এ নিয়োগ দেওয়া হয়। বর্তমানে তিনি সেনাবাহিনীর সহপ্রধান (ভাইস চিফ অব আর্মি স্টাফ) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

ভারত সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকা প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো (পিআইবি) এ খবর জানিয়েছে।

লেফটেন্যান্ট জেনারেল ধীরাজ শেঠ ন্যাশনাল ডিফেন্স অ্যাকাডেমির সাবেক শিক্ষার্থী। ১৯৮৬ সালের ডিসেম্বরে তিনি সাঁজোয়া বাহিনীতে কমিশনপ্রাপ্ত হন। প্রায় চার দশকের সামরিক জীবনে তিনি অপারেশন, কৌশলগত পরিকল্পনা, সক্ষমতা উন্নয়ন এবং প্রাতিষ্ঠানিক বিভিন্ন ক্ষেত্রে দায়িত্ব পালন করেছেন। ভারতীয় সেনাবাহিনীর যুদ্ধ সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং দীর্ঘমেয়াদি রূপান্তরে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার স্বীকৃতি রয়েছে তার।

সামরিক জীবনে বিভিন্ন পর্যায়ে দায়িত্ব পালন করেছেন ধীরজ শেঠ। তার কমান্ড দায়িত্বের মধ্যে ছিল মরু অঞ্চলে একটি সাঁজোয়া রেজিমেন্ট, পশ্চিমাঞ্চলে একটি সাঁজোয়া ব্রিগেড এবং জম্মু ও কাশ্মিরে একটি সন্ত্রাসবিরোধী বাহিনীর নেতৃত্ব।

লেফটেন্যান্ট জেনারেল পদে তিনি ভারতীয় সেনাবাহিনীর অন্যতম প্রধান স্ট্রাইক ফরমেশন সুদর্শন চক্র কোরের নেতৃত্ব দেন। পরে দিল্লি এরিয়ার জেনারেল অফিসার কমান্ডিং হিসেবে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সামরিক কার্যক্রম এবং বিভিন্ন আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব তদারকি করেন।

আর্মি কমান্ডার হিসেবে পদোন্নতির পর ধীরাজ শেঠ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় কমান্ড এবং দক্ষিণাঞ্চলীয় কমান্ডের দায়িত্ব পালন করেন। এর মাধ্যমে দুইটি অপারেশনাল আর্মি কমান্ডের নেতৃত্ব দেওয়ার বিরল অভিজ্ঞতা অর্জন করেন তিনি। আড়াই বছরেরও বেশি সময় ধরে গুরুত্বপূর্ণ সামরিক অঞ্চলে কৌশলগত তদারকির দায়িত্বও পালন করেন।

সামরিক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণেও তিনি কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখেছেন। বিভিন্ন কোর্সে শীর্ষস্থান অর্জনের পাশাপাশি তিনি হায়ার কমান্ড কোর্স ও ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজের স্নাতক। এছাড়া প্যারিসের মর্যাদাপূর্ণ কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কোর্সেও অংশ নিয়েছিলেন ধীরাজ শেঠ।

এসএন/

আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির দাফনের তারিখ ঘোষণা

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০৬:৫০ পিএম
আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির দাফনের তারিখ ঘোষণা
আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। ছবি: সংগৃহীত

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির দাফন আগামী ৯ জুলাই অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন।

শনিবার (১৩ জুন) দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন এ তথ্য প্রকাশ করেন।

আলি খামেনি প্রায় ৩৭ বছর দেশ শাসন করেছেন এবং ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলায় নিহত হন। 

জানা গেছে, তার জন্মস্থান, উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পবিত্র শহর মাশহাদে দাফন সম্পন্ন হবে। শুরুতে মার্চ মাসে দাফনের পরিকল্পনা থাকলেও যুদ্ধের কারণে তা স্থগিত করা হয়েছিল। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানায়, ৪ জুলাই রাজধানী তেহরানে তিন দিনের জানাজা ও শোকানুষ্ঠান শুরু হবে এবং ৭ জুলাই পবিত্র শহর কোমে আরেকটি অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।

জাতীয় শোকানুষ্ঠানের প্রথম দিন ৪ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা দিবসের সঙ্গেও মিলে যাচ্ছে, যা এ বছর ২৫০তম বার্ষিকী উদযাপন করবে।

খামেনির ছেলে মোজতবা খামেনি মার্চের শুরুতে তার উত্তরসূরি হিসেবে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা নিযুক্ত হন। ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর তিনি দেশটির তৃতীয় সর্বোচ্চ নেতা।

বাবাকে হত্যার যে হামলায় বহু কর্মকর্তা নিহত হয়েছিলেন, সেই হামলায় আহত হয়েছিলেন মোজতবা খামেনিও। নিয়োগ পাওয়ার পর থেকে তিনি জনসমক্ষে আসেননি এবং তার নামে প্রকাশিত বিবৃতির মাধ্যমেই যোগাযোগ করছেন বলে জানা গেছে। সূত্র: এনডিটিবি

রিফাত/

২৪ ঘণ্টার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তিচুক্তি হওয়ার সম্ভাবনা: পাকিস্তান প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০৬:১৯ পিএম
আপডেট: ১৩ জুন ২০২৬, ০৬:২১ পিএম
২৪ ঘণ্টার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তিচুক্তি হওয়ার সম্ভাবনা: পাকিস্তান প্রধানমন্ত্রী
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ। ছবি: সংগৃহীত

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একটি শান্তিচুক্তির কাঠামোতে (ফ্রেমওয়ার্ক) পৌঁছেছে এবং আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হতে পারে।

শনিবার (১৩ জুন) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, শেহবাজ শরিফ জানান, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান মাসব্যাপী সংঘাতের অবসান ঘটাতে দুই দেশ একটি শান্তি চুক্তির চূড়ান্ত খসড়ায় সম্মত হয়েছে। বর্তমানে ইলেকট্রনিক মাধ্যমে চুক্তি স্বাক্ষরের প্রস্তুতি চলছে, যা আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই সম্পন্ন হতে পারে।

তিনি আরও বলেন, ‘চুক্তি স্বাক্ষরের পর আগামী সপ্তাহে উভয় পক্ষের মধ্যে কারিগরি পর্যায়ের আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।’

পাকিস্তান এই পুরো প্রক্রিয়ায় মধ্যস্থতাকারী ভূমিকা পালন করছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

রিফাত/

যুদ্ধবিরতির মাঝেই দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের বিমান হামলা, নিহত ১

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০২:৪২ পিএম
আপডেট: ১৩ জুন ২০২৬, ০২:৫৭ পিএম
যুদ্ধবিরতির মাঝেই দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের বিমান হামলা, নিহত ১
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ঘোষিত ‘যুদ্ধবিরতি’ উপেক্ষা করে দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি বিমান হামলায় একজন নিহত হয়েছেন। একই সঙ্গে দক্ষিণ লেবাননের আরও ২০টি শহর ও গ্রামের বাসিন্দাদের অবিলম্বে ঘরবাড়ি ছেড়ে চলে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী।

লেবাননের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা (এনএনএ) জানায়, দক্ষিণ লেবাননের টায়ার জেলার মায়রাকেহ পৌরসভা এলাকায় ইসরায়েলি বিমান হামলায় ওই ব্যক্তি নিহত হন।

শুক্রবার (১২ জুন) দিনভর এবং রাত পর্যন্ত ইসরায়েলি বাহিনী তথাকথিত হলুদ রেখার (যে অংশটি ইসরায়েল নিয়ন্ত্রণ ও দখল করতে চাইছে) উত্তরের শহর ও গ্রামগুলোতেও অনবরত বিমান হামলা চালায়।

শান্তি চুক্তি ভেস্তে যাওয়ার আশঙ্কা

এই হামলা এমন এক সময়ে চালানো হলো, যার ঠিক আগের দিন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ঘোষণা করেন, যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একটি চুক্তির খসড়ায় সম্মত হয়েছে এবং মধ্যস্থতাকারীরা চূড়ান্ত চুক্তির জন্য কাজ করছেন।

ইরানি গণমাধ্যমের দাবি, এই প্রাথমিক চুক্তিতে লেবাননসহ সব ফ্রন্টে যুদ্ধ অবসানের কথা বলা হয়েছে।

তবে চলমান আলোচনা ও চুক্তির মাঝে ইসরায়েলের এই আগ্রাসন নতুন করে শঙ্কা তৈরি করেছে। কারণ, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার এই আলোচনায় ইসরায়েল কোনো পক্ষ নয়।

তাছাড়া, ইসরায়েলি নেতারা ইতোমধ্যেই সাফ জানিয়ে দেন, লেবানন থেকে সেনা প্রত্যাহারের কোনো পরিকল্পনা তাদের নেই।

অন্যদিকে, চলতি মাসের শুরুতে ইসরায়েল ও লেবাননের কর্মকর্তাদের মধ্যে একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি হলেও মাঠপর্যায়ে লড়াই থামেনি। আগামী ২২ জুন দুই দেশের মধ্যে পরবর্তী দফায় আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। সূত্র: আল জাজিরা

তামান্না রুপা/অমিয়/

আসামে ভারতীয় বিমানবাহিনীর পরিবহন বিমান বিধ্বস্ত

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০২:১৮ পিএম
আপডেট: ১৩ জুন ২০২৬, ০২:৩০ পিএম
আসামে ভারতীয় বিমানবাহিনীর পরিবহন বিমান বিধ্বস্ত
সংগৃহীত

ভারতের আসামের জোরহাটের বিমানঘাঁটিতে ভারতীয় বিমানবাহিনীর একটি এএন-৩২ পরিবহন বিমান বিধ্বস্ত হয়ে আগুন ধরে যায়। দুর্ঘটনার কারণ এখনো জানা যায়নি এবং কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেছে কি না, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য স্পষ্ট নয়।

শনিবার (১৩ জুন) সকালে এএন-৩২ বিমানটি অবতরণের সময় বিমানঘাঁটির সীমানার ভেতরে বিধ্বস্ত হয়ে আগুন লাগে।

আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং পরিস্থিতি মূল্যায়ন করতে জরুরি পরিসেবা দলগুলোকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়।

ভারতীয় বিমানবাহিনী ঘটনাটি নিশ্চিত করে জানিয়েছে, পরিস্থিতি মূল্যায়নের পর আরও তথ্য জানানো হবে।

এএন-৩২ বিমান দুর্ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে বিমানবাহিনী।

আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা বলেন, জোরহাটে ভারতীয় বিমানবাহিনীর পরিবহন বিমান দুর্ঘটনার বিষয়ে আমরা অবগত। আমরা আরও বিস্তারিত তথ্যের জন্য অপেক্ষা করছি।

আন্তোনভ এএন-৩২ একটি মজবুত, দুই ইঞ্জিনবিশিষ্ট টার্বোপ্রপ সামরিক পরিবহন বিমান, যা ভারতীয় বিমানবাহিনীর অন্যতম প্রধান পরিবহন বাহন হিসেবে ব্যবহৃত হয়। সোভিয়েত ইউনিয়নে নির্মিত এ মডেলের প্রায় ১০০টি বিমান রয়েছে।

এএন-৩২ বিমানটি চরম প্রতিকূল পরিবেশে কার্যকরভাবে কাজ করার জন্য নকশা করা হয়েছে। এটি বেশি উচ্চতার বিমানঘাঁটি ও উষ্ণ গ্রীষ্মমণ্ডলীয় জলবায়ুতেও পরিচালনা করা যায়। বিমানটি ৭ দশমিক ৫ টন পর্যন্ত মালামাল, ৫০ জন যাত্রী অথবা ৪২ জন প্যারাট্রুপার পরিবহন করতে সক্ষম এবং প্রত্যন্ত অঞ্চলে রসদ সরবরাহের কাজে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।

আসামের কার্বি আংলং জেলায় একটি সুখোই এসইউ-৩০এমকেআই যুদ্ধবিমান দুর্ঘটনায় ভারতীয় বিমানবাহিনীর দুই পাইলট নিহত হওয়ার কয়েক মাস পরই এই দুর্ঘটনা ঘটল। সূত্র: এনডিটিভি

আমান/অমিয়/