ঢাকা ৮ আষাঢ় ১৪৩৩, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
গাছের গায়ে যে কারণে সাদা রং দেওয়া হয় সাময়িক বন্ধের পর চালু মস্কোর ৪ বিমানবন্দর বেসরকারি সংস্থায় চাকরির সুযোগ দুর্নীতির মামলায় বিচারের মুখোমুখি স্পেনের প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী এমবাপ্পেকে থামাতে ইরাকের ৩ গোলরক্ষক খেলানোর ইচ্ছায় সাড়া দেয়নি ফিফা কওমি তরুণদের বাজেট ভাবনা শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠক ফরিদপুরে বাসচাপায় নিহত ১ চলন্ত বাইকে ইটের আঘাতে আহত সেই যুবকের মৃত্যু অস্ট্রিয়াকে নিয়ে সতর্ক স্কালোনি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় ‘উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি’ হয়েছে : ইরান এক রাতেই ইউক্রেনের ৩০১টি ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি রাশিয়ার নাইজেরিয়ায় অপহরণকারীদের মোকাবিলায় ১০০০ বনরক্ষী নিয়োগ ইউরোপের কয়েকটি দেশে তীব্র দাবদাহের সতর্কতা জারি বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত মৌলভীবাজারে ভারতীয় পণ্যসহ ট্রাক ও বাস জব্দ, গ্রেপ্তার ৮ ১০ মার্কিন প্রতিষ্ঠানের ওপর চীনের রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ ২২ জুন: কমেছে পাউন্ড ইউরোর দাম, বেড়েছে রিয়াল দেরহামের জীব ও পরিবেশের পারস্পরিক নির্ভরশীলতা অধ্যায়ের থেকে ৪টি অনুশীলনীর প্রশ্ন ও  উত্তর, ১ম পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বিজ্ঞান বার্ষিক পরীক্ষার পরপরই নতুন বই পাবে ৪ কোটি শিক্ষার্থী : এনসিটিবি চেয়ারম্যান কুড়িগ্রামে তিস্তার পানি কমছে, বাড়ছে ধরলা ব্রহ্মপুত্র ও দুধকুমারের সিরাজগঞ্জে অজ্ঞাত নারীর মরদেহ উদ্ধার সংকট নিরসনে দ্রুত ব্যবস্থা নিন কলম্বিয়ার নতুন প্রেসিডেন্ট আবেল্যার্দো দে লা এসপ্রিয়েলা রোগী সেজে ইয়াবা পাচার, স্বামী-স্ত্রী আটক ফিলিপাইনে স্কুলে বন্দুকধারীর হামলায় নিহত ৩, আহত ৫ দুই দফা কমে ৪৪৩২ টাকা বাড়ল স্বর্ণের দাম প্রধানমন্ত্রীকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানালেন আনোয়ার ইব্রাহিম আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে রাজধানীতে থাকবে ১৮০০০ পুলিশ মাদরাসা ছাত্রকে অমানুষিক নির্যাতন সাবেক এমপি সেলিমা আহমাদ মেরী মারা গেছেন

টিকে গেল ইরানের পরমাণু কর্মসূচি!

প্রকাশ: ২৫ জুন ২০২৫, ০১:২২ পিএম
টিকে গেল ইরানের পরমাণু কর্মসূচি!
ছবি: সংগৃহীত

ব্রিটিশ-সমর্থিত ইরানের শাহবিরোধী আন্দোলনের দুই নেতা ১৯৭৮ সালের অক্টোবরে একটি বৈঠকে বসেন বিপ্লবের শেষ পর্যায়ের পরিকল্পনা করতে। বৈঠকটি হয়েছিল প্যারিসের উপশহর ন্যুফলে-লো-শ্যাতোতে। এই দুই নেতার মধ্যে মিল ছিল খুব সামান্য। তবে তাদের জাতীয়তা, বয়স ও শাহকে ক্ষমতা থেকে সরানোর সংকল্প ছিল অভিন্ন। করিম সানজাবি ছিলেন সেকুলার লিবারেল ‘ন্যাশনাল ফ্রন্ট’-এর নেতা এবং আইন বিষয়ের অধ্যাপক। অপরজন আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনি। যিনি ১৯৬০-এর দশক থেকে ইরানি রাজতন্ত্রের বিরুদ্ধাচারী প্রধান শিয়া ধর্মীয় নেতা ছিলেন।

সানজাবি একটি খসড়া ঘোষণাপত্র নিয়ে প্যারিসে যান। যেখানে লেখা ছিল- এই বিপ্লব হবে ‘গণতান্ত্রিক ও ইসলামি’ ভিত্তিতে। কিন্তু পরে তিনি ইতিহাসবিদদের জানান, খামেনি নিজ হাতে সেখানে তৃতীয় একটি মূলনীতি যুক্ত করেন। সেটি হলো- ‘স্বাধীনতা’। 

ইরানের ঔপনিবেশিক শোষণের ইতিহাস থেকে উৎসারিত এই ‘স্বাধীনতার’ নীতি- যা বর্তমান ইরান-যুক্তরাষ্ট্রবিরোধে আপাতদৃষ্টিতে এক জটিল প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেয়। আর তা হলো- কেন ইরান জেদ ধরে পারমাণবিক ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করার অধিকার চায়। দুই দশক ধরে পশ্চিমাদের সঙ্গে এই ইস্যুতে তাদের আলোচনা থেমে থেমে চলেছে। যা শেষ পর্যন্ত ২০১৫ সালে ওবামা প্রশাসনের অধীনে স্বাক্ষরিত জয়েন্ট কম্প্রিহেনসিভ প্ল্যান অব অ্যাকশনের (জেসিপিওএ) মাধ্যমে নিষ্পত্তি পায়। কিন্তু ২০১৮ সালে ট্রাম্পের একতরফাভাবে সেই চুক্তি বাতিল ও এরপর ইসরায়েল এবং এখন আমেরিকার সামরিক হামলা এই বিরোধকে আবারও চাঙ্গা করেছে। যুক্তরাষ্ট্রর চোখে বিষয়টি অনেকটা এমন- ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধিকরণ চেষ্টার পেছনে গুপ্তভাবে পারমাণবিক বোমা তৈরির উদ্দেশ্য আছে। যদিও দেশটির সর্বোচ্চ নেতা এই ধরনের অস্ত্রকে ‘ইসলামবিরোধী’ বলে ফতোয়া দিয়েছেন। তবে এটিকে অনেক আমেরিকান ধোঁয়াশা বলে মনে করেন। উদাহরণস্বরূপ, যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে লেখেন, ‘বেসামরিক পারমাণবিক শক্তির চাহিদা এক জিনিস, কিন্তু উচ্চ পর্যায়ের সমৃদ্ধিকরণ চাওয়া, বিশেষ করে যখন কেউ নিরস্ত্রীকরণ চুক্তির নিয়ম লঙ্ঘন করে, এটা সম্পূর্ণ ভিন্ন।’

তবে কেন ইরান এই উচ্চ পর্যায়ের সমৃদ্ধির পথে গেল?
ইরান বলেছে, এটি ছিল ট্রাম্প প্রশাসনের চুক্তি বাতিলের পাল্টা প্রতিক্রিয়া। যেখানে চুক্তিভঙ্গ করে ইরানকে নিষেধাজ্ঞা থেকে যে স্বস্তি দেওয়ার কথা ছিল, তা দেওয়া হয়নি। ইউরোপের সঙ্গেও বাণিজ্য বন্ধ হয়ে যায়। এর ফলে ইরানের রাজনীতিতে বিশ্বাস জন্মায় যে, যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বাসযোগ্য নয় এবং ইরান প্রতারিত হয়েছে।

স্বাধীনতা- জাতীয় পরিচয়ের মূল স্তম্ভ
ভালি নাসরের নতুন বই ‘ইরানস গ্র্যান্ড স্ট্র্যাটেজি’তে উল্লেখ করা হয়েছে, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিকে বুঝতে হলে দেশটির ঔপনিবেশিক অতীত ও স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষাকে বোঝা জরুরি। ১৯ ও ২০ শতকে ব্রিটিশ এবং রুশ প্রভাব, ১৯৫৩ সালে মোহাম্মদ মোসাদ্দেকের সিএআই প্ররোচিত পতন- সবকিছু ইরানিদের মধ্যে গভীরভাবে প্রোথিত করে দেয়। যার সার কথা- ইরানকে নিজের ভবিষ্যৎ নিজেকেই রচনা করতে হবে।

একটি পশ্চিমা ধারণা, কিন্তু এখন জাতীয় গর্ব
আশ্চর্যজনকভাবে, ইরানে পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রথম আনেন মার্কিন ও ব্রিটিশরাই। ‘অ্যাটমস ফর পিস’ নামে একটি কর্মসূচির অধীনে শাহ ২৩টি বিদ্যুৎকেন্দ্রের পরিকল্পনা করেন। তখনো বিষয়টি পশ্চিমা আধুনিকতার প্রতীক ছিল। কিন্তু ১৯৭৯ সালের বিপ্লবের পর খোমেনি এটিকে পশ্চিমা ভোগবাদ ও নির্ভরতার প্রতীক হিসেবে প্রত্যাখ্যান করেন। ‘ঘারবজাদেগি’- পশ্চিমমোহ-এর বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে প্রকল্প বাতিল করা হয়। কিন্তু কয়েক বছরের মধ্যেই ইরানে বিদ্যুৎ সংকট, জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও ইরাকের রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহারের পরিপ্রেক্ষিতে গোপনে আবার শুরু হয় পারমাণবিক কর্মসূচি। ১৯৯০-এর দিকে ইরান ঘোষণা করে, ২০০৫ সালের মধ্যে ২০ শতাংশ বিদ্যুৎ পারমাণবিক শক্তি থেকে উৎপন্ন হবে। হাশেমি রাফসানজানি বিজ্ঞানীদের আহ্বান জানান দেশে ফিরে আসতে। এই কর্মসূচি তখন পরিণত হয় ‘জাতীয় গৌরবে’। ২০০২ সালে বিরোধী দলের এক ফাঁস ও সম্ভবত ইসরায়েলি গোয়েন্দা মোসাদের মাধ্যমে জানা যায়, ইরানে দুটি গোপন ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্র রয়েছে- নাতাঞ্জ ও কাশানে। যদিও ইরান তখন বলেছিল, এগুলো অপারেশনাল নয় বলে আইএইএকে জানানোর প্রয়োজন ছিল না।

শুরু হয় দীর্ঘ কূটনৈতিক লড়াই
২০০৩-২০০৫ সালে ইউরোপের দেশগুলোর সঙ্গে আলোচনা হয়। ইরান সাময়িকভাবে পরমাণু সমৃদ্ধকরণ স্থগিত রাখলেও এই স্থগিতাদেশকে ‘স্বেচ্ছাকৃত আত্মবিশ্বাস তৈরির পদক্ষেপ’ হিসেবে দেখা হয়, কোনো আইনগত বাধ্যবাধকতা নয়। ২০০৫ সালে মাহমুদ আহমাদিনেজাদ প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর ইরান তার অবস্থান আরও শক্ত করে। তিনি বলেন, ‘আমাদের শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক প্রযুক্তি দরকার- বিদ্যুৎ, চিকিৎসা ও কৃষিতে ব্যবহারের জন্য।’

পরমাণু প্রযুক্তি: গর্ব, নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক মর্যাদার প্রতীক
জাতিসংঘের আণবিক সংস্থার প্রধান মোহাম্মদ আল বারাদি বলেন, ইরান প্রকৃতপক্ষে পারমাণবিক সক্ষমতা চায় তার আঞ্চলিক প্রভাব ও মর্যাদা অর্জন এবং যুক্তরাষ্ট্রের স্বীকৃতি পাওয়ার জন্য। হাসান রুহানিও ওয়াশিংটন পোস্টে বলেন, ‘পারমাণবিক জ্বালানির মালিকানা শুধু শক্তি বৈচিত্র্যের জন্য নয়, বরং এটি ইরানি জাতির সম্মান ও আত্মপরিচয়ের প্রতীক।’

তবে কি এই কর্মসূচি ইরানের জন্য আত্মঘাতী হলো?
যদি এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য নিরাপত্তা এবং স্বাধীনতা অর্জন হয়, তাহলে এর জন্য ইরান চূড়ান্ত মূল্য দিয়েছে। আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা, অর্থনৈতিক সঙ্কট এবং সামরিক হামলার মধ্য দিয়ে। তবুও আত্মনির্ভরতা ও আত্মমর্যাদা অর্জনের স্বপ্ন আজও দেশটির পরমাণু কর্মসূচির কেন্দ্রে রয়ে গেছে।

অন্যদিকে ইসরায়েলের অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচ বলেছেন, ইরান তাদের পরমাণু কর্মসূচি এবং ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতার ক্ষেত্রে ‘শূন্য থেকে শুরু করছে।’ গতকাল মঙ্গলবার দ্য জেরুজালেম পোস্টকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে স্মোট্রিচ বলেন, এই যুদ্ধ একটি ব্যতিক্রমী সাফল্য। তারা (ইরান) এখন পারমাণবিক কর্মসূচি ও ক্ষেপণাস্ত্র দুই ক্ষেত্রেই শূন্য থেকে শুরু করছে। তবে আমি মনে করি না তারা এই কর্মসূচিগুলো আবার শুরু করার সাহস দেখাবে। কারণ তাতে তাদের যুক্তরাষ্ট্রের মুখোমুখি হতে হবে।

লেখক: দ্য গার্ডিয়ানের ডিপ্লোম্যাটিক এডিটর

সাময়িক বন্ধের পর চালু মস্কোর ৪ বিমানবন্দর

প্রকাশ: ২২ জুন ২০২৬, ০১:০৭ পিএম
আপডেট: ২২ জুন ২০২৬, ০১:১৫ পিএম
সাময়িক বন্ধের পর চালু মস্কোর ৪ বিমানবন্দর
ছবি: সংগৃহীত

একাধিক ড্রোন প্রতিহত করার পর, রাশিয়ার রাজধানী মস্কোর চারটি বিমানবন্দর সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। এরপর ভোরে পুনরায় বিমানবন্দরগুলো চালু করা হয় বলে জানিয়েছে দেশটির বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ।

সোমবার (২২ জুন) মস্কোর মেয়র সের্গেই সোবিয়ানিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টেলিগ্রামে জানান, শহরের দিকে আসা মোট ৫৯টি ড্রোনকে ধ্বংস করা হয়েছে।

ইউক্রেনের শহরগুলোতে রুশ হামলার জবাবে কিয়েভ রাশিয়ার ভেতরে ড্রোন হামলা চালাচ্ছে বলে জানা যায়, তবে এসব ড্রোন ইউক্রেন থেকে এসেছে কি না, সে বিষয়ে সোবিয়ানিন স্পষ্ট করে কিছু বলেননি।

কর্তৃপক্ষ জানায়, স্থানীয় সময় ভোর ৫টা ৩৯ মিনিটে বিমানবন্দরগুলো পুনরায় চালু করা হয়েছে।

আমান/

দুর্নীতির মামলায় বিচারের মুখোমুখি স্পেনের প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী

প্রকাশ: ২২ জুন ২০২৬, ০১:০৬ পিএম
আপডেট: ২২ জুন ২০২৬, ০১:১৫ পিএম
দুর্নীতির মামলায় বিচারের মুখোমুখি স্পেনের প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী
বেগোনা গোমেজ

স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেড্রো সানচেজের স্ত্রী বেগোনা গোমেজ দুর্নীতির মামলায় বিচারের মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন। তদন্তকারী বিচারকের প্রাথমিক শুনানির পর এই আদেশ দেওয়া হয়।

গত এপ্রিলে ৫৫ বছর বয়সী গোমেজের বিরুদ্ধে পদের অপব্যবহার, অর্থ আত্মসাৎ ও ব্যবসায়িক লেনদেনে দুর্নীতির আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আনা হয়।

অভিযোগ রয়েছে, তিনি প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী হিসেবে নিজের প্রভাব খাটিয়ে কিছু প্রযুক্তিপ্রতিষ্ঠানকে সরকারি চুক্তি পাইয়ে দিয়েছিলেন এবং একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত থাকাকালীন জনবল নিয়োগ ও সফটওয়্যার ব্যবহারে সরকারি তহবিলের অপব্যবহার করেছেন।

প্রসিকিউটররা তার ২৪ বছরের কারাদণ্ডের দাবি জানিয়েছেন।

এছাড়া আদালত তার পাসপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা এবং মাসে দুই বার আদালতে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

গোমেজের আইনজীবীরা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে একে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছে।

প্রধানমন্ত্রী পেড্রো সানচেজের বিরুদ্ধে সরাসরি কোনো অভিযোগ না থাকলেও, এই তদন্তের বিষয়টি সামনে আসার পর তিনি কিছুদিনের জন্য রাষ্ট্রীয় কার্যক্রম স্থগিত করে পদত্যাগের কথা ভেবেছিলেন। তবে পরে তিনি এ সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেন। সূত্র: আরটি

তামান্না রুপা/অমিয়/

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় ‘উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি’ হয়েছে : ইরান

প্রকাশ: ২২ জুন ২০২৬, ১২:৪৪ পিএম
আপডেট: ২২ জুন ২০২৬, ১২:৫৪ পিএম
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় ‘উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি’ হয়েছে : ইরান
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি/ ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান আলোচনায় ‘উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি’ হয়েছে বলে জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি।

সোমবার (২২ জুন) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক বার্তায় লিখেন, পাকিস্তান ও কাতারের মধ্যস্থতায় লেবানন যুদ্ধ অবসানের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে।

আরাকচি আরও জানান, ‘আলোচনার ফলে ইরানের তেল ও পেট্রোকেমিক্যাল রপ্তানির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়েছে। অবরোধ প্রত্যাহার করা হয়েছে। পাশাপাশি বিদেশে আটকে থাকা তেহরানের বিপুল বাজেয়াপ্ত সম্পদের একাংশও ছাড় করা হয়েছে এবং ইরানের জন্য একটি বড় পুনর্গঠন ও উন্নয়ন পরিকল্পনা চালু করা হয়েছে।’

আমান/

এক রাতেই ইউক্রেনের ৩০১টি ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি রাশিয়ার

প্রকাশ: ২২ জুন ২০২৬, ১২:৩৪ পিএম
আপডেট: ২২ জুন ২০২৬, ০১:০০ পিএম
এক রাতেই ইউক্রেনের ৩০১টি ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি রাশিয়ার
ছবি: সংগৃহীত

রাশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলের আকাশসীমায় চালানো ইউক্রেনের বড় ড্রোন হামলা প্রতিহত করেছে রুশ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। এক রাতে মোট ৩০১টি ইউক্রেনীয় ড্রোন ভূপাতিত করেছে রাশিয়া।

রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় রবিবার (২১ জুন) আনুষ্ঠানিক এক বিবৃতিতে জানায়, ইউক্রেনীয় বাহিনী রাশিয়ার অভ্যন্তরে বিভিন্ন বেসামরিক ও কৌশলগত লক্ষ্যবস্তুতে হামলার জন্য এই ড্রোনগুলো পাঠিয়েছিল। তবে রাশিয়ার শক্তিশালী আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে আকাশেই সেগুলো ধ্বংস করে দেয়।

বিবৃতিতে আরও জানানো হয়, ভূপাতিত করা ড্রোনের একটি বড় অংশ রাশিয়ার সীমান্ত অঞ্চল- বেলগোরোদ, ব্রায়ানস্ক, কুরস্ক এবং ক্রিমিয়া উপদ্বীপের আকাশে ধ্বংস করা হয়েছে। ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ পড়ে কিছু এলাকায় সামান্য ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেলেও কোনো বড় ধরনের বিপর্যয় বা হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

সাম্প্রতিক সময়ে রাশিয়ার জ্বালানি অবকাঠামো এবং সীমান্ত অঞ্চলের শহরগুলোকে লক্ষ্য করে ইউক্রেন তাদের ড্রোন হামলার তীব্রতা ব্যাপক হারে বাড়িয়েছে। তবে এক রাতে তিন শতাধিক ড্রোন ভূপাতিত করার এই ঘটনাকে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার অন্যতম বড় সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে।

অন্যদিকে, ইউক্রেন এই সুনির্দিষ্ট হামলার বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করেনি। সূত্র: রয়টার্স

আজহার/অমিয়/

নাইজেরিয়ায় অপহরণকারীদের মোকাবিলায় ১০০০ বনরক্ষী নিয়োগ

প্রকাশ: ২২ জুন ২০২৬, ১২:২৬ পিএম
আপডেট: ২২ জুন ২০২৬, ১২:৫৪ পিএম
নাইজেরিয়ায় অপহরণকারীদের মোকাবিলায় ১০০০ বনরক্ষী নিয়োগ
ছবি: সংগৃহীত

নাইজেরিয়া বনভূমি অঞ্চলে নিরাপত্তাহীনতা মোকাবিলা, গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ এবং নিরাপত্তা কার্যক্রমে সহায়তা করতে জন্য অতিরিক্ত এক হাজার বনরক্ষী নিয়োগের অনুমোদন দিয়েছে।

দেশটির প্রেসিডেন্ট বোলা টিনুবু দুর্গম এলাকা, যা দীর্ঘদিন ধরে সশস্ত্র গোষ্ঠী, অপহরণকারী এবং দস্যুদের আস্তানা হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে তা সুরক্ষিত করতে এ উদ্যোগ নেন। 

বোলা টিনুবু সংবাদমাধ্যমকে বলেন, এই বনরক্ষীরা জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার সমন্বয়ে বনভূমি রক্ষা করবে, অপহৃতদের অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযানে সহায়তা করবে এবং প্রাথমিক উদ্ধারকারী ও জনগোষ্ঠী রক্ষাকারী হিসেবে কাজ করবে।

দেশজুড়ে জনগোষ্ঠীর ওপর হামলা এবং অপহরণের ঘটনা অব্যাহত থাকায় এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

নিরাপত্তা বিশ্লেষক জন রেট বলেন, সরকারকে শুধু নিয়োগের মধ্যেই সীমাবদ্ধ না থেকে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ এবং নজরদারি প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, এক হাজার নিরাপত্তারক্ষী নিয়োগ করলেই সমস্যার সমাধান হবে না। বিকল্প হিসেবে শুধু ওই জায়গাগুলোয় ড্রোন ওড়ানোই যথেষ্ট। এক রাতের মধ্যেই আমরা শনাক্ত করতে পারব এই লোকেরা কোথায় আছে এবং উদ্ধার অভিযান চালাতে পারব।

নাইজেরিয়ায় এ বছরের জানুয়ারি থেকে এপ্রিলের মধ্যে অন্তত এক হাজারজনকে অপহরণ করা হয়েছে। মে মাসে, সশস্ত্র ব্যক্তিরা ওয়ো রাজ্যের তিনটি স্কুলে হামলা চালিয়ে ৩৯ জন ছাত্র এবং সাতজন শিক্ষককে অপহরণ করে। সূত্র: সিজিটিএন

থিওটোনিয়াস/অমিয়/