পাকিস্তানে মেঘ ভাঙা বৃষ্টি,আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে অন্তত ৩২০। এর মধ্যে দেশটির খাইবার পাখতুনখোয়ার বুনের, বাজাউর এবং বাটগ্রামেই সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি ও প্রাণহানি ঘটেছে। কেবল বুনেরেই ২১৩ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া, গাডেজি তহশিলেই নিহত হয়েছেন ১২০ জনের বেশি।
প্রাদেশিক ও উদ্ধারকাজে নিয়োজিত কর্মকর্তারা জানান, খাইবার পাখতুনখাওয়ায় ২০০, গিলগিত বালতিস্তানে ১২ এবং আজাদ জম্মু-কাশ্মীরে ১৯ জনের মৃত্যুর তথ্য তারা নিশ্চিত করতে পেরেছেন। মৃতের সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
পাকিস্তানের জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা (এনডিএমএ) জানায়, দুর্যোগে দেশব্যাপী অন্তত ২৮ জন আহত হয়েছেন। এছাড়া, বহু বাড়ি ভেসে গেছে এবং একাধিক এলাকায় যোগাযোগব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়েছে। মোবাইল ফোন টাওয়ার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বন্যার কবলে পড়া অঞ্চলগুলো যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।
প্রাদেশিক মুখ্যমন্ত্রী আলি আমিন গান্দাপুর জরুরিভিত্তিতে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় উদ্ধার তৎপরতা বৃদ্ধির নির্দেশ দিয়েছেন। রবিবার (১৭ আগস্ট) শোক দিবস পালন করার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।
গিলগিত বালতিস্তান ও খাইবার পাখতুনখাওয়ায় ব্যাপক ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করতে এনডিএমএকে নির্দেশ দিয়েছেন পাকিস্তানি প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ।
>> পাকিস্তানে মেঘ ভাঙা বৃষ্টিতে নিহত অন্তত ২০০, ভূমিধসে নিখোঁজ বহু
সুলতানা দিনা/