ঢাকা ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, রোববার, ১৪ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
পথপ্রদর্শক বাকুনা ভিনিসিয়ুসের গোলে সমতায় ফিরল ব্রাজিল পরাশক্তি জার্মানির সামনে পুঁচকে কুরাসাও ডার্কহর্স জাপান, সতর্ক নেদারল্যান্ডস ব্রাজিলের শুরুর একাদশে চমক অতিরিক্ত সময়ের গোলে সুইসদের রুখে দিয়ে কাতারের বাজিমাত ৯২ বছর ধরে বিশ্বকাপে প্রথম ম্যাচে হারেনি ব্রাজিল নেইমারকে ছাড়াই নামছে ব্রাজিল, ভাঙছে ৪০ বছরের ঐতিহ্য পেনাল্টিতে এমবোলোর গোল, এগিয়ে সুইজারল্যান্ড ফিটনেস প্রশ্নে রোনালদো, ‘আমাকে খেলতে দেখেননি?’ ‘জাপানি মেসি’র সঙ্গী উয়েদা এমবাপ্পের সমালোচনা ‘অতিরিক্ত ও অন্যায়’ দেড় দশকের জ্বালানিনীতি ছিল আমদানিনির্ভর: তথ্যমন্ত্রী ইরানের অনুশীলন মাঠের পাশে মরদেহ উদ্ধার ওয়ানডে সিরিজ বাংলাদেশ ইমার্জিংদের ঝিলিকের মৃত্যুর রহস্যে নতুন মোড়, গ্রেপ্তার স্বামী রক্তদান মহৎ কিন্তু নিরাপদ রক্ত আরও গুরুত্বপূর্ণ আদ্-দ্বীন হাসপাতাল কোটি কোটি টাকা নিয়ে ঘুরেছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী মরক্কোর বিপক্ষে ব্রাজিলের সম্ভাব্য একাদশ মার্তিনেজকে ঘিরে নতুন শঙ্কা শাহবাগে ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে ছাত্রদলের বিক্ষোভ নাটোরে ৭০ দরিদ্র রোগীর বিনামূল্যে ছানি অপারেশন চাকরি মেলায় সাড়া, রাজশাহীতে ৫০ শতাংশ প্রার্থীর তাৎক্ষণিক নিয়োগ ইনজুরিতে ছিটকে গেলেন মাইকেল অলিভার ‘ফেনীর সাংবাদিকতার ইতিহাসে উজ্জ্বল অধ্যায় ওছমান হারুন মাহমুদ দুলাল’ পেকুয়া পৌরসভার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী গ্রিন ইউনিভার্সিটির সাংবাদিকতা বিভাগে নবীনবরণ অনুষ্ঠিত মিসরকে কেন জার্সি পরিবর্তন করতে বলল ফিফা? রবিবার বিশ্ব রক্তদাতা দিবস যে সম্পদ চোখের পলকে ধ্বংস হয়ে যায়
Nagad desktop

বিশ্বের প্রথম স্কাই স্টেডিয়ামে ২০৩৪ বিশ্বকাপের ম্যাচ আয়োজন করবে সৌদি আরব

প্রকাশ: ২৯ অক্টোবর ২০২৫, ১২:১৫ পিএম
বিশ্বের প্রথম স্কাই স্টেডিয়ামে ২০৩৪ বিশ্বকাপের ম্যাচ আয়োজন করবে সৌদি আরব
ছবি: সংগৃহীত

সৌদি আরব ২০৩৪ সালের ফিফা ওয়ার্ল্ড কাপ আয়োজনের প্রস্তুতি এমনভাবে নিচ্ছে যা বিশ্ব কখনও দেখেনি। বিশ্বকাপকে ইতিহাসের অন্যতম ব্যয়বহুল, প্রযুক্তিনির্ভর ও ভবিষ্যতমুখী আয়োজনে পরিণত করার স্বপ্ন হিসেবে তারা বিশ্বের প্রথম স্কাই স্টেডিয়ামে নির্মাণের পরিকল্পনা করছে।

সৌদি গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, প্রস্তাবিত এই স্টেডিয়ামটি নির্মিত হবে ১ হাজার ১৫০ ফুট উচ্চতার একটি গগনচুম্বী ভবনের ওপর, যা বিশ্বের ইতিহাসে সর্বোচ্চ উচ্চতায় নির্মিত ক্রীড়া ভেন্যু হবে।

১ বিলিয়ন ডলার ব্যয়ে নির্মিত এই স্টেডিয়াম মরুভূমির তলদেশ থেকে ৩৫০ মিটার উঁচুতে নিওমের ভবিষ্যত শহর দ্য লাইনের মতো সুন্দর একটি স্থানে নির্মিত হবে। নির্মাণ কাজে অত্যাধুনিক নকশা, পরিবেশগত প্রযুক্তি প্রাধান্য পাবে। নিওম স্টেডিয়ামটি সরাসরি ঝুলন্ত শহর দ্য লাইনের সঙ্গে একীভূত হবে, যা সৌদি আরবের উত্তর-পশ্চিম উপকূল জুড়ে ১৭০ কিলোমিটার বিস্তৃত রৈখিক শহর। 

জানা গেছে, এই আকাশচুম্বী স্টেডিয়ামটি টুর্নামেন্টের ১৫টি ভেন্যুগুলোর মধ্যে একটি হতে চলেছে। এটির নির্মাণ কাজ ২০২৭ সালে শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। যা ২০৩২ সালের বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার দুই বছর আগে শেষ হওয়ার আশা করা হচ্ছে।

প্রায় ৪৬,০০০ দর্শকের আসনের এই স্টেডিয়ামটি গ্রুপ পর্ব থেকে কোয়ার্টার ফাইনাল পর্যন্ত ম্যাচ আয়োজন করবে। নিওম স্টেডিয়ামটি বিশ্বকাপ ভেন্যু হিসেবে ব্যবহার করার পর টুর্নামেন্ট শেষ হওয়ার পর বছরব্যাপী ক্রীড়া ও বিনোদন কেন্দ্র হিসেবে কাজ করবে এটি।

গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, স্টেডিয়ামটি ১০০% নবায়নযোগ্য শক্তি দ্বারা চালিত হবে। এটি নিওমের অধীনে টেকসই অবকাঠামো এবং সৌদি আরবের জাতীয় রূপান্তর পরিকল্পনা, ভিশন ২০৩০-এর বৃহত্তর প্রতিশ্রুতির অংশ। 

দর্শক বৈদ্যুতিক ট্রানজিট সিস্টেম ব্যবহার করে ভেন্যুতে প্রবেশ করতে পারবেন এবংযার মধ্যে আশেপাশের ক্রীড়া জেলার প্রশিক্ষণ ক্ষেত্র, আবাসন, খুচরা বিক্রয়কেন্দ্র এবং অবসর স্থান অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

২০৩৪ সালের ফিফা বিশ্বকাপের জন্য পরিকল্পনা করা ১৫টি স্টেডিয়ামের মধ্যে নিওম স্টেডিয়ামটি পাঁচটি প্রধান অঞ্চল জুড়ে নির্মিত হবে: রিয়াদ, জেদ্দা, আল খোবার, আভা এবং নিওম। এর মধ্যে আটটি নতুন নির্মিত এবং চারটি পুরনো ভেন্যুগুলোকে পুনর্নির্মাণ করা হবে। এই নির্মাণ ব্যয় ২০ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি ছাড়িয়ে যাবে।

অন্যান্য প্রধান স্টেডিয়ামগুলোর মধ্যে রয়েছে রিয়াদের কিং সালমান আন্তর্জাতিক স্টেডিয়াম, যেখানে ৯২,০০০ আসনের একটি কলিজিয়ামের মতো কাঠামো উদ্বোধনী এবং ফাইনাল ম্যাচ আয়োজন করা হবে। এছাড়া কিদ্দিয়ার একটি পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান স্টেডিয়াম, যেখানে পিচ এবং ছাদের ব্যবস্থা রয়েছে। টুর্নামেন্ট-পরবর্তী বিনোদনের জন্য বহুমুখী স্থান হিসেবে ডিজাইন করা হোচ্ছে নিউ মুরাব্বা স্টেডিয়াম। অতিরিক্তভাবে, আল খোবারের আরামকো স্টেডিয়াম, যার বাজেটও ১ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি।

সুলতানা দিনা/

ভারতীয় সেনাবাহিনীর শীর্ষ পদে ধীরাজ শেঠ

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০৮:০৯ পিএম
ভারতীয় সেনাবাহিনীর শীর্ষ পদে ধীরাজ শেঠ
ধীরাজ শেঠ। ছবি: সংগৃহীত

ভারত সরকার বর্তমান ভাইস চিফ অব আর্মি স্টাফ লেফটেন্যান্ট জেনারেল ধীরাজ শেঠকে দেশটির পরবর্তী সেনাপ্রধান হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে।

শনিবার (১৩ জুন) এ নিয়োগ দেওয়া হয়। বর্তমানে তিনি সেনাবাহিনীর সহপ্রধান (ভাইস চিফ অব আর্মি স্টাফ) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

ভারত সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকা প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো (পিআইবি) এ খবর জানিয়েছে।

লেফটেন্যান্ট জেনারেল ধীরাজ শেঠ ন্যাশনাল ডিফেন্স অ্যাকাডেমির সাবেক শিক্ষার্থী। ১৯৮৬ সালের ডিসেম্বরে তিনি সাঁজোয়া বাহিনীতে কমিশনপ্রাপ্ত হন। প্রায় চার দশকের সামরিক জীবনে তিনি অপারেশন, কৌশলগত পরিকল্পনা, সক্ষমতা উন্নয়ন এবং প্রাতিষ্ঠানিক বিভিন্ন ক্ষেত্রে দায়িত্ব পালন করেছেন। ভারতীয় সেনাবাহিনীর যুদ্ধ সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং দীর্ঘমেয়াদি রূপান্তরে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার স্বীকৃতি রয়েছে তার।

সামরিক জীবনে বিভিন্ন পর্যায়ে দায়িত্ব পালন করেছেন ধীরজ শেঠ। তার কমান্ড দায়িত্বের মধ্যে ছিল মরু অঞ্চলে একটি সাঁজোয়া রেজিমেন্ট, পশ্চিমাঞ্চলে একটি সাঁজোয়া ব্রিগেড এবং জম্মু ও কাশ্মিরে একটি সন্ত্রাসবিরোধী বাহিনীর নেতৃত্ব।

লেফটেন্যান্ট জেনারেল পদে তিনি ভারতীয় সেনাবাহিনীর অন্যতম প্রধান স্ট্রাইক ফরমেশন সুদর্শন চক্র কোরের নেতৃত্ব দেন। পরে দিল্লি এরিয়ার জেনারেল অফিসার কমান্ডিং হিসেবে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সামরিক কার্যক্রম এবং বিভিন্ন আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব তদারকি করেন।

আর্মি কমান্ডার হিসেবে পদোন্নতির পর ধীরাজ শেঠ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় কমান্ড এবং দক্ষিণাঞ্চলীয় কমান্ডের দায়িত্ব পালন করেন। এর মাধ্যমে দুইটি অপারেশনাল আর্মি কমান্ডের নেতৃত্ব দেওয়ার বিরল অভিজ্ঞতা অর্জন করেন তিনি। আড়াই বছরেরও বেশি সময় ধরে গুরুত্বপূর্ণ সামরিক অঞ্চলে কৌশলগত তদারকির দায়িত্বও পালন করেন।

সামরিক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণেও তিনি কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখেছেন। বিভিন্ন কোর্সে শীর্ষস্থান অর্জনের পাশাপাশি তিনি হায়ার কমান্ড কোর্স ও ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজের স্নাতক। এছাড়া প্যারিসের মর্যাদাপূর্ণ কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কোর্সেও অংশ নিয়েছিলেন ধীরাজ শেঠ।

এসএন/

আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির দাফনের তারিখ ঘোষণা

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০৬:৫০ পিএম
আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির দাফনের তারিখ ঘোষণা
আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। ছবি: সংগৃহীত

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির দাফন আগামী ৯ জুলাই অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন।

শনিবার (১৩ জুন) দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন এ তথ্য প্রকাশ করেন।

আলি খামেনি প্রায় ৩৭ বছর দেশ শাসন করেছেন এবং ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলায় নিহত হন। 

জানা গেছে, তার জন্মস্থান, উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পবিত্র শহর মাশহাদে দাফন সম্পন্ন হবে। শুরুতে মার্চ মাসে দাফনের পরিকল্পনা থাকলেও যুদ্ধের কারণে তা স্থগিত করা হয়েছিল। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানায়, ৪ জুলাই রাজধানী তেহরানে তিন দিনের জানাজা ও শোকানুষ্ঠান শুরু হবে এবং ৭ জুলাই পবিত্র শহর কোমে আরেকটি অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।

জাতীয় শোকানুষ্ঠানের প্রথম দিন ৪ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা দিবসের সঙ্গেও মিলে যাচ্ছে, যা এ বছর ২৫০তম বার্ষিকী উদযাপন করবে।

খামেনির ছেলে মোজতবা খামেনি মার্চের শুরুতে তার উত্তরসূরি হিসেবে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা নিযুক্ত হন। ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর তিনি দেশটির তৃতীয় সর্বোচ্চ নেতা।

বাবাকে হত্যার যে হামলায় বহু কর্মকর্তা নিহত হয়েছিলেন, সেই হামলায় আহত হয়েছিলেন মোজতবা খামেনিও। নিয়োগ পাওয়ার পর থেকে তিনি জনসমক্ষে আসেননি এবং তার নামে প্রকাশিত বিবৃতির মাধ্যমেই যোগাযোগ করছেন বলে জানা গেছে। সূত্র: এনডিটিবি

রিফাত/

২৪ ঘণ্টার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তিচুক্তি হওয়ার সম্ভাবনা: পাকিস্তান প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০৬:১৯ পিএম
আপডেট: ১৩ জুন ২০২৬, ০৬:২১ পিএম
২৪ ঘণ্টার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তিচুক্তি হওয়ার সম্ভাবনা: পাকিস্তান প্রধানমন্ত্রী
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ। ছবি: সংগৃহীত

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একটি শান্তিচুক্তির কাঠামোতে (ফ্রেমওয়ার্ক) পৌঁছেছে এবং আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হতে পারে।

শনিবার (১৩ জুন) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, শেহবাজ শরিফ জানান, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান মাসব্যাপী সংঘাতের অবসান ঘটাতে দুই দেশ একটি শান্তি চুক্তির চূড়ান্ত খসড়ায় সম্মত হয়েছে। বর্তমানে ইলেকট্রনিক মাধ্যমে চুক্তি স্বাক্ষরের প্রস্তুতি চলছে, যা আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই সম্পন্ন হতে পারে।

তিনি আরও বলেন, ‘চুক্তি স্বাক্ষরের পর আগামী সপ্তাহে উভয় পক্ষের মধ্যে কারিগরি পর্যায়ের আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।’

পাকিস্তান এই পুরো প্রক্রিয়ায় মধ্যস্থতাকারী ভূমিকা পালন করছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

রিফাত/

যুদ্ধবিরতির মাঝেই দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের বিমান হামলা, নিহত ১

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০২:৪২ পিএম
আপডেট: ১৩ জুন ২০২৬, ০২:৫৭ পিএম
যুদ্ধবিরতির মাঝেই দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের বিমান হামলা, নিহত ১
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ঘোষিত ‘যুদ্ধবিরতি’ উপেক্ষা করে দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি বিমান হামলায় একজন নিহত হয়েছেন। একই সঙ্গে দক্ষিণ লেবাননের আরও ২০টি শহর ও গ্রামের বাসিন্দাদের অবিলম্বে ঘরবাড়ি ছেড়ে চলে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী।

লেবাননের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা (এনএনএ) জানায়, দক্ষিণ লেবাননের টায়ার জেলার মায়রাকেহ পৌরসভা এলাকায় ইসরায়েলি বিমান হামলায় ওই ব্যক্তি নিহত হন।

শুক্রবার (১২ জুন) দিনভর এবং রাত পর্যন্ত ইসরায়েলি বাহিনী তথাকথিত হলুদ রেখার (যে অংশটি ইসরায়েল নিয়ন্ত্রণ ও দখল করতে চাইছে) উত্তরের শহর ও গ্রামগুলোতেও অনবরত বিমান হামলা চালায়।

শান্তি চুক্তি ভেস্তে যাওয়ার আশঙ্কা

এই হামলা এমন এক সময়ে চালানো হলো, যার ঠিক আগের দিন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ঘোষণা করেন, যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একটি চুক্তির খসড়ায় সম্মত হয়েছে এবং মধ্যস্থতাকারীরা চূড়ান্ত চুক্তির জন্য কাজ করছেন।

ইরানি গণমাধ্যমের দাবি, এই প্রাথমিক চুক্তিতে লেবাননসহ সব ফ্রন্টে যুদ্ধ অবসানের কথা বলা হয়েছে।

তবে চলমান আলোচনা ও চুক্তির মাঝে ইসরায়েলের এই আগ্রাসন নতুন করে শঙ্কা তৈরি করেছে। কারণ, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার এই আলোচনায় ইসরায়েল কোনো পক্ষ নয়।

তাছাড়া, ইসরায়েলি নেতারা ইতোমধ্যেই সাফ জানিয়ে দেন, লেবানন থেকে সেনা প্রত্যাহারের কোনো পরিকল্পনা তাদের নেই।

অন্যদিকে, চলতি মাসের শুরুতে ইসরায়েল ও লেবাননের কর্মকর্তাদের মধ্যে একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি হলেও মাঠপর্যায়ে লড়াই থামেনি। আগামী ২২ জুন দুই দেশের মধ্যে পরবর্তী দফায় আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। সূত্র: আল জাজিরা

তামান্না রুপা/অমিয়/

আসামে ভারতীয় বিমানবাহিনীর পরিবহন বিমান বিধ্বস্ত

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০২:১৮ পিএম
আপডেট: ১৩ জুন ২০২৬, ০২:৩০ পিএম
আসামে ভারতীয় বিমানবাহিনীর পরিবহন বিমান বিধ্বস্ত
সংগৃহীত

ভারতের আসামের জোরহাটের বিমানঘাঁটিতে ভারতীয় বিমানবাহিনীর একটি এএন-৩২ পরিবহন বিমান বিধ্বস্ত হয়ে আগুন ধরে যায়। দুর্ঘটনার কারণ এখনো জানা যায়নি এবং কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেছে কি না, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য স্পষ্ট নয়।

শনিবার (১৩ জুন) সকালে এএন-৩২ বিমানটি অবতরণের সময় বিমানঘাঁটির সীমানার ভেতরে বিধ্বস্ত হয়ে আগুন লাগে।

আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং পরিস্থিতি মূল্যায়ন করতে জরুরি পরিসেবা দলগুলোকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়।

ভারতীয় বিমানবাহিনী ঘটনাটি নিশ্চিত করে জানিয়েছে, পরিস্থিতি মূল্যায়নের পর আরও তথ্য জানানো হবে।

এএন-৩২ বিমান দুর্ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে বিমানবাহিনী।

আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা বলেন, জোরহাটে ভারতীয় বিমানবাহিনীর পরিবহন বিমান দুর্ঘটনার বিষয়ে আমরা অবগত। আমরা আরও বিস্তারিত তথ্যের জন্য অপেক্ষা করছি।

আন্তোনভ এএন-৩২ একটি মজবুত, দুই ইঞ্জিনবিশিষ্ট টার্বোপ্রপ সামরিক পরিবহন বিমান, যা ভারতীয় বিমানবাহিনীর অন্যতম প্রধান পরিবহন বাহন হিসেবে ব্যবহৃত হয়। সোভিয়েত ইউনিয়নে নির্মিত এ মডেলের প্রায় ১০০টি বিমান রয়েছে।

এএন-৩২ বিমানটি চরম প্রতিকূল পরিবেশে কার্যকরভাবে কাজ করার জন্য নকশা করা হয়েছে। এটি বেশি উচ্চতার বিমানঘাঁটি ও উষ্ণ গ্রীষ্মমণ্ডলীয় জলবায়ুতেও পরিচালনা করা যায়। বিমানটি ৭ দশমিক ৫ টন পর্যন্ত মালামাল, ৫০ জন যাত্রী অথবা ৪২ জন প্যারাট্রুপার পরিবহন করতে সক্ষম এবং প্রত্যন্ত অঞ্চলে রসদ সরবরাহের কাজে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।

আসামের কার্বি আংলং জেলায় একটি সুখোই এসইউ-৩০এমকেআই যুদ্ধবিমান দুর্ঘটনায় ভারতীয় বিমানবাহিনীর দুই পাইলট নিহত হওয়ার কয়েক মাস পরই এই দুর্ঘটনা ঘটল। সূত্র: এনডিটিভি

আমান/অমিয়/